ওয়ালা-তাত্তাখিযূআইমা-নাকুম দাখালাম বাইনাকুম ফাতাঝিল্লা কাদামুম বা‘দা ছুবূতিহাওয়া তাযূকুছছূআ বিমা-সাদাততুম ‘আন ছাবীলিল্লা-হি ওয়ালাকুম ‘আযা-বুন ‘আজীম।উচ্চারণ
(আর হে মুসলমানরা!) তোমরা নিজেদের কসমসমূহকে পরস্পরকে ধোঁকা দেবার মাধ্যমে পরিণত করো না। কোন পদক্ষেপ একবার দৃঢ় হবার পর আবার যেন পিছলে না যায় এবং তোমরা লোকদেরকে আল্লাহর পথ থেকে নিবৃত্ত করেছো এ অপরাধে যেন তোমরা অশুভ পরিণামের সম্মুখীন না হও এবং কঠিন শাস্তি ভোগ না করো। ৯৫ তাফহীমুল কুরআন
তোমরা নিজেদের শপথকে পরস্পরের মধ্যে অনর্থ সৃষ্টির কাজে ব্যবহার করো না। পরিণামে (কারও) পা স্থিত হওয়ার পর পিছলে যাবে। #%৫২%# অতঃপর (তাকে) আল্লাহর পথ থেকে বিরত রাখার কারণে তোমাদেরকে কঠিন শাস্তির আস্বাদ গ্রহণ করতে হবে আর (সেক্ষেত্রে) তোমাদের জন্য থাকবে মহাশাস্তি।মুফতী তাকী উসমানী
পরস্পর প্রবঞ্চনা করার জন্য তোমরা তোমাদের শপথকে ব্যবহার করনা; তাহলে পা স্থির হওয়ার পর পিছলে যাবে এবং আল্লাহর পথে বাধা দেয়ার কারণে তোমরা শাস্তির আস্বাদ গ্রহণ করবে। তোমাদের জন্য রয়েছে কঠোর শাস্তি।মুজিবুর রহমান
তোমরা স্বীয় কসমসমূহকে পারস্পরিক কলহ দ্বন্দ্বের বাহানা করো না। তা হলে দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর পা ফসকে যাবে এবং তোমরা শাস্তির স্বাদ আস্বাদন করবে এ কারণে যে, তোমরা আমার পথে বাধা দান করেছ এবং তোমাদের কঠোর শাস্তি হবে।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
পরস্পর প্রবঞ্চনা করার জন্যে তোমরা তোমাদের শপথকে ব্যবহার কর না ; করলে পা স্থির হওয়ার পর পিছলে যাবে এবং আল্লাহ্ র পথে বাধা দেওয়ার কারণে তোমরা শাস্তির আস্বাদ গ্রহণ করবে; তোমাদের জন্যে রয়েছে মহাশাস্তি। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর তোমরা তোমাদের অঙ্গীকারগুলোকে তোমাদের প্রতারণা হিসেবে গ্রহণ করো না। তাহলে পা দৃঢ় হওয়ার পর পিছলে যাবে এবং তোমরা আযাব আস্বাদন করবে। কারণ তোমরা আল্লাহর রাস্তায় বাধা দিয়েছ। আর তোমাদের জন্য রয়েছে মহা আযাব।আল-বায়ান
তোমরা তোমাদের নিজেদের শপথগুলোকে পরস্পর ধোঁকা-প্রবঞ্চনার উপায় হিসেবে গ্রহণ করো না, তা করলে দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর পা আবার পিছলে যাবে, আর আল্লাহর পথে বাধা দেয়ার কারণে তোমরা মন্দ পরিণতি ভোগ করবে, আর তোমাদের জন্য থাকবে কঠিন শাস্তি।তাইসিরুল
আর তোমাদের শপথগুলোকে তোমাদের মধ্যে ছলনার জন্যে ব্যবহার করো না, পাছে পা পিছলে যায় তা সুপ্রতিষ্ঠিত হবার পরে, আর তোমরা মন্দের আস্বাদ গ্রহণ করবে যেহেতু তোমরা আল্লাহ্র পথ থেকে ফিরে গেছ, আর তোমাদের জন্য রয়েছে কঠোর শাস্তি।মাওলানা জহুরুল হক
৯৫
অর্থাৎ কোন ব্যক্তি একবার ইসলামের সত্যতা মেনে নেবার পর নিছক তোমাদের অসৎ আচরণের কারণে এ দ্বীন থেকে সরে যাবে এবং মু’মিনের দলের অন্তর্ভুক্ত হতে সে শুধুমাত্র এজন্য বিরত থাকবে যে, যাদের সাথে তার ওঠাবসা হয়েছে তাদেরকে সে আচার-আচরণ ও লেনদেনের ক্ষেত্রে কাফেরদের থেকে কিছুটা ভিন্নতর পায়নি।
এটা শপথ ভাঙ্গার আরেকটি ক্ষতি। বলা হচ্ছে যে, তোমরা যদি শপথ ভঙ্গ কর, তবে যথেষ্ট সম্ভাবনা আছে, তোমাদের দেখাদেখি অন্য লোকও এ গুনাহ করতে উৎসাহিত হবে। প্রথমে তো সে অবিচলিত ছিল, কিন্তু তোমাদেরকে দেখার পর তাদের পদস্খলন হয়েছে। তোমরাই যেহেতু তাদের এ গুনাহের ‘কারণ’ হয়েছ, তাই তোমাদের দ্বিগুণ গুনাহ হবে। কেননা তোমরা তাকে আল্লাহর পথ থেকে বিরত রেখেছ।
৯৪. আর পরস্পর প্রবঞ্চনা করার জন্য তোমরা তোমাদের শপথকে ব্যবহার করো না; করলে, পা স্থির হওয়ার পর পিছলে যাবে এবং আল্লাহর পথে বাধা দেয়ার কারণে তোমরা শাস্তির আস্বাদ গ্রহণ করবে; আর তোমাদের জন্য রয়েছে মহাশাস্তি।
(৯৪) তোমরা পরস্পরের মাঝে ধোঁকা স্বরূপ তোমাদের শপথকে ব্যবহার করো না; করলে পা স্থির হওয়ার পর পিছলিয়ে যাবে এবং আল্লাহর পথে বাধা দেওয়ার কারণে তোমরা শাস্তির আস্বাদ গ্রহণ করবে। আর তোমাদের জন্য থাকবে মহাশাস্তি। (1)
(1) মুসলিমদেরকে আবার অঙ্গীকার ভঙ্গ করা থেকে বিরত থাকতে বলা হচ্ছে। যাতে চারিত্রিক দুর্বলতার কারণে কারো পা পিছলে না যায়। আর তোমাদের এ পরিস্থিতি দেখে যেন কোন কাফের ইসলাম গ্রহণ করা থেকে বিরত না হয়। আর তার ফলে তোমরা মানুষকে আল্লাহর পথে বাধা দেওয়ার পাপের শাস্তির উপযুক্ত না হয়ে পড়। কোন কোন মুফাসসির বলেন, أيمان শব্দটি يمين এর বহুবচন; যার অর্থ রসূল (সাঃ)-এর সঙ্গে বায়আত করা। অর্থাৎ, বায়আত করার পর যেন কেউ মুরতাদ (ইসলাম-ত্যাগী) না হয়ে যায়। কারণ তোমাদের মুরতাদ হওয়া দেখে অমুসলিমরা ইসলাম গ্রহণ করা হতে বিরত থাকবে। আর এভাবে তোমরা দ্বিগুণ শাস্তির উপযুক্ত হয়ে যাবে। (ফাতহুল কাদীর)