ওয়া আওফূবি‘আহদিল্লা-হি ইযা-‘আ-হাততুম ওয়ালা-তানকুদুল আইমা-না বা‘দা তাওকীদিহা-ওয়া কাদ জা‘আলতুমুল্লা-হা ‘আলাইকুম কাফীলান ইন্নাল্লা-হা ইয়া‘লামুমাতাফ‘আলূন।উচ্চারণ
আল্লাহর অঙ্গীকার পূর্ণ করো যখনই তোমরা তাঁর সাথে কোন অঙ্গীকার করো এবং নিজেদের কসম দৃঢ় করার পর আবার তা ভেঙে ফেলো না যখন তোমরা আল্লাহকে নিজের ওপর সাক্ষী বানিয়ে নিয়েছো। আল্লাহ তোমাদের সমস্ত কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত। তাফহীমুল কুরআন
তোমরা যখন কোন অঙ্গীকার কর, তখন আল্লাহর সঙ্গে কৃত অঙ্গীকার পূর্ণ কর। শপথকে দৃঢ় করার পর তা ভঙ্গ করো না যখন তোমরা আল্লাহকে নিজেদের উপর সাক্ষী বানিয়ে নিয়েছ। তোমরা যা-কিছু কর, আল্লাহ নিশ্চয় তা জানেন।মুফতী তাকী উসমানী
তোমরা আল্লাহর অঙ্গীকার পূর্ণ কর যখন পরস্পর অঙ্গীকার কর এবং তোমরা শপথ দৃঢ় করার পর তা ভঙ্গ করনা; তোমরা যা কর আল্লাহ তা জানেন।মুজিবুর রহমান
আল্লাহর নামে অঙ্গীকার করার পর সে অঙ্গীকার পূর্ণ কর এবং পাকাপাকি কসম করার পর তা ভঙ্গ করো না, অথচ তোমরা আল্লাহকে জামিন করেছ। তোমরা যা কর আল্লাহ তা জানেন।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
তোমরা আল্লাহ্ র অঙ্গীকার পূর্ণ কর যখন পরস্পর অঙ্গীকার কর এবং তোমরা আল্লাহ্কে তোমাদের যামিন করে শপথ দৃঢ় করার পর তা ভঙ্গ কর না। তোমরা যা কর নিশ্চয়ই আল্লাহ তা জানেন। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর তোমরা যখন অঙ্গীকার কর তখন আল্লাহর অঙ্গীকার পূর্ণ কর। তোমরা পাকাপোক্ত অঙ্গীকার করার পর তা ভঙ্গ করো না এবং প্রকৃত পক্ষে তোমরা নিজদের জন্য আল্লাহকে জিম্মাদার বানিয়েছ। নিশ্চয় আল্লাহ জানেন, যা তোমরা কর।আল-বায়ান
তোমরা পরস্পর অঙ্গীকারে আবদ্ধ হলে আল্লাহর অঙ্গীকার পূর্ণ করবে, নিজেদের অঙ্গীকার পাকা-পোখত করার পর তা ভঙ্গ করো না, যেহেতু তোমরা আল্লাহকে নিজেদের উপর সাক্ষী বানিয়ে নিয়েছ, তোমরা যা কর আল্লাহ সে সম্পর্কে ওয়াকেফহাল।তাইসিরুল
আর আল্লাহ্র অংগীকার পূরণ করো যখনি তোমরা কোনো অংগীকার করে থাক, আর প্রতিজ্ঞাগুলো ভঙ্গ করো না সেগুলোর দৃঢ়ীকরণের পরে, অথচ তোমরা আল্লাহ্কে তোমাদের মধ্যে জামিন করেছ। নিঃসন্দেহ আল্লাহ্ জানেন যা তোমরা করছ।মাওলানা জহুরুল হক
৯১. আর তোমরা আল্লাহর অঙ্গীকার পূর্ণ কর যখন পরস্পর অঙ্গীকার কর এবং তোমরা আল্লাহকে তোমাদের জামিন করে শপথ দৃঢ় করার পর তা ভঙ্গ করো না।(১) নিশ্চয় আল্লাহ জানেন, যা তোমরা কর।
(১) আয়াত থেকে বুঝা গেল যে, কোন ব্যাপারে শপথ করার পর তা রক্ষা করা জরুরী। কিন্তু যদি কেউ কোন কাজ করবে না বলে অথচ কাজটি হালাল ও ভাল। তখন কাজটি করা সুন্নাত, আর তার উচিত শপথের কাফফারা দেয়া। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ “আমি আল্লাহর শপথ করে বলছি, আল্লাহ চাহে তো যখনই এমন কোন কাজের শপথ করি তারপর এর বিপরীতে এর চেয়ে ভাল দেখি তখনই আমি ভাল কাজটি করি এবং শপথের কাফফারা দেই।” (বুখারী: ৬৬২১; মুসলিম: ১৬৪৯)
(৯১) তোমরা যখন পরস্পর অঙ্গীকার কর, তখন আল্লাহর অঙ্গীকার পূরণ করো এবং আল্লাহকে তোমাদের যামিন করে শপথ দৃঢ় করবার পর তোমরা তা ভঙ্গ করো না;(1) তোমরা যা কর, অবশ্যই আল্লাহ তা জানেন।
(1) এক প্রকার কসম বা শপথ হল, যা কোন কথা; অঙ্গীকার, প্রতিশ্রুতি, প্রতিজ্ঞা বা চুক্তিকে সুদৃঢ় করার জন্য করা হয়। আর দ্বিতীয় হল, যা অনেকে কোন সময় কসম করে বলে থাকে, ‘আমি এই কাজ করব বা আমি এই কাজ করব না।’ এখানে প্রথম অর্থে ব্যবহার হয়েছে। বলা হচ্ছে যে, তোমরা শপথ করে আল্লাহকে যামিন করেছ, অতএব এখন তা ভঙ্গ করো না। বরং সে অঙ্গীকার পূরণ কর, যার জন্য তুমি শপথ করেছ। কারণ, দ্বিতীয় শপথের ব্যাপারে হাদীসে আদেশ করা হয়েছে যে, কোন ব্যক্তি কোন কাজের জন্য শপথ করে সে যদি বুঝে যে বিপরীত করলে তার মঙ্গল হবে, তাহলে তার উচিত, যাতে মঙ্গল রয়েছে সে যেন সেই কাজ করে এবং শপথের কাফফারা দিয়ে দেয়। (মুসলিম ১২৭২নং) নবী (সাঃ)-এর আমলও অনুরূপ ছিল। (বুখারী ৬৬২৩, মুসলিম ১২৬৯নং)