ওয়াল্লা-হু আনঝালা মিনাছছামা-ই মা-আন ফাআহইয়া-বিহিল আরদা বা‘দা মাওতিহা- ইন্না ফী যা-লিকা লাআ-ইয়াতাল লিকাওমিইঁ ইয়াছমা’ঊন।উচ্চারণ
(তুমি দেখছো প্রত্যেক বর্ষাকালে) আল্লাহ আকাশ থেকে বারি বর্ষণ করেন এবং তার বদৌলতে তিনি সহসাই মৃত জমিতে প্রাণ সঞ্চার করেন। নিশ্চয়ই এর মধ্যে একটি নিদর্শন রয়েছে যারা শোনে তাদের জন্য। ৫৩(ক) তাফহীমুল কুরআন
আল্লাহ আকাশ থেকে পানি বর্ষণ করলেন এবং ভূমির মৃত্যুর পর তাতে প্রাণ সঞ্চার করলেন। নিশ্চয়ই এতে নিদর্শন আছে সেইসব লোকের জন্য, যারা কথা শোনে। #%৩৫%#মুফতী তাকী উসমানী
আর আল্লাহ আসমান থেকে বৃষ্টি বর্ষণ করেছেন। অতঃপর তা দিয়ে যমীনকে তার মৃত্যুর পর সজীব করেছেন। নিশ্চয় এতে নিদর্শন রয়েছে সেই কওমের জন্যা যারা শুনে।মুজিবুর রহমান
আল্লাহ আকাশ থেকে পানি বর্ষণ করেছেন, তদ্বারা যমীনকে তার মৃত্যুর পর পুনর্জীবিত করেছেন। নিশ্চয় এতে তাদের জন্যে নিদর্শন রয়েছে, যারা শ্রবণ করে।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
আল্লাহ্ আকাশ হতে বারি বর্ষণ করেন এবং তা দিয়ে তিনি ভূমিকে এর মৃত্যুর পর পুনর্জীবিত করেন। অবশ্যই এতে নিদর্শন আছে, যে সম্প্রদায় কথা শুনে তাদের জন্যে।ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আল্লাহ আকাশ হতে বারি বর্ষণ করেন এবং তদ্বারা তিনি ভূমিকে ওর মৃত্যুর পর পুনর্জীবিত করেন। অবশ্যই এতে নিদর্শন রয়েছে যে সম্প্রদায় কথা শোনে তাদের জন্য।আল-বায়ান
আল্লাহ আকাশ থেকে পানি বর্ষণ করেন, অতঃপর তার দ্বারা যমীনকে তার মৃত্যুর পর পুনরায় জীবিত করেন। এতে ঐ সম্প্রদায়ের জন্য বহু নিদর্শন আছে যারা লক্ষ্য করে শুনে।তাইসিরুল
আর আল্লাহ্ আকাশ থেকে পানি বর্ষণ করেন, আর তা দিয়ে তিনি পৃথিবীকে জীবন্ত করেন তার মৃত্যুর পরে। নিঃসন্দেহ এতে যথার্থ নিদর্শন রয়েছে সেই লোকদের জন্য যারা শোনে।মাওলানা জহুরুল হক
৫৩(ক)
অর্থাৎ প্রতি বছর তোমাদের চোখের সামনে এ ধরনের ঘটনা ঘটে যাচ্ছে যে, পৃথিবী একটি নিরস বিশুষ্ক প্রান্তরের মত পড়ে আছে। সেখানে জীবনের স্পন্দন নেই। ঘাস-লতা-গুল্ম-পাতা-সবুজের চিহ্নই নেই। নেই কোন ধরনের পোকা মাকড়ের অস্তিত্ব। এ সময় এসে গেলো বর্ষার মওসুম। দু-চার ফোঁটা বৃষ্টি আকাশ থেকে নেমে আসাতেই এ মরা যমীনের বুক চিরে জীবনের তরংগ জেগে উঠতে থাকে। যমীনের বিভিন্ন স্তরে জমে থাকা অসংখ্য বীজ সহসাই জেগে ওঠে। তাদের প্রত্যেকের মধ্য থেকে গত বর্ষায় জন্মলাভ করার পর মরে যাওয়া উদ্ভিদগুলো আবার মাথা চাড়া দেয়। গরমের মওসুমে নাম নিশানা পর্যন্ত মুছে গিয়েছিল এমন সব অগণিত মৃত্তিকার কীট অকস্মাৎ আবার দেখা যায় যেমন বিগত বর্ষায় দেখা গিয়েছিল। নিজেদের জীবনে তোমরা এসব বারবার দেখতে থাকো। এরপরও নবীর মুখ থেকে একথা শুনে অবাক হয়ে যাও যে, আল্লাহ মৃত্যুর পর সমস্ত মানুষকে পুনর্বার জীবিত করবেন। এ অবাক হওয়ার কারণ এছাড়া আর কী হতে পারে যে, তোমাদের পর্যবেক্ষণ বুদ্ধি-জ্ঞানহীন পশুদের পর্যবেক্ষণের মতই। তোমরা বিশ্ব-জাহানের বিস্ময়কর চমৎকারিত্ব দেখো কিন্তু তার পেছনে স্রষ্টার ক্ষমতা ও প্রজ্ঞার নিদর্শন গুলো দেখো না। অন্যথায় নবীর বর্ণনা শোনার পর তোমাদের মন অনিবার্যভাবে চিৎকার করে বলে উঠতো যে, ‘এসব নিদর্শন যথার্থই নবীর বর্ণনাকে সমর্থন করে’।
অর্থাৎ হৃদয়-মন দিয়ে শুনলে তারা বুঝতে পারবে, আকাশ থেকে বৃষ্টিবর্ষণ হলে যেমন মৃত ভূমি সঞ্জীবিত হয়, তেমনি আসমানী ওহী দ্বারাও মৃত আত্মায় প্রাণ-সঞ্চার হয় এবং সহসা তা জাগ্রত হয়ে আল্লাহ তাআলার আনুগত্যে লিপ্ত হয় ও সত্যিকার মনুষ্যসুলভ কর্মানুষ্ঠান দ্বারা ব্যক্তির মানবজন্মকে সার্থক করে তোলে। -অনুবাদক
৬৫. আর আল্লাহ আকাশ হতে বারি বর্ষণ করেন এবং তা দিয়ে তিনি ভূমিকে তার মৃত্যুর পর পুনর্জীবিত করেন। নিশ্চয় এতে নিদর্শন রয়েছে এমন সম্প্রদায়ের জন্য যারা কথা শোনে।(১)
(১) অর্থাৎ যেভাবে আল্লাহ্ তা'আলা কুরআন দ্বারা কুফরীর কারণে মৃত অন্তরসমূহকে জীবিত করেন। সেভাবে তিনি যমীনকে তার মৃত্যুর পর আকাশ থেকে পানি বর্ষণ করে জীবিত করেন। (ইবন কাসীর) এর দ্বারা তিনি একদিকে তার অপার শক্তি, তাওহীদের উপর প্রমাণ পেশ করছেন। কারণ, তাদের উপাস্যগুলো এটা করতে সক্ষম নয়। (কুরতুবী) অপর দিকে আল্লাহ যে মৃত্যুর পর সমস্ত মানুষকে পুনর্বার জীবিত করবেন সেটার পক্ষেও প্রমাণ পাওয়া গেল। (ফাতহুল কাদীর)
(৬৫) আল্লাহ আকাশ হতে বৃষ্টি বর্ষণ করেন। অতঃপর তার দ্বারা তিনি ভূমিকে ওর মৃত্যুর পর পুনর্জীবিত করেন; অবশ্যই এতে নিদর্শন আছে সেই সম্প্রদায়ের জন্য যারা শ্রবণ করে।