লিলাযীনা লা-ইউ’মিনূনা বিলআ-খিরতি মাছালুছছাওই ওয়া লিল্লা-হিল মাছালুল আ‘লা- ওয়া হুওয়াল ‘আঝীঝুল হাকীম।উচ্চারণ
যারা আখেরাত বিশ্বাস করে না তারাই তো খারাপ গুণের অধিকারী হবার যোগ্য। আর আল্লাহর জন্য তো রয়েছে মহত্তম গুণাবলী, তিনিই তো সবার ওপর পরাক্রমশালী এবং জ্ঞানের দিক দিয়ে পূর্ণতার অধিকারী। তাফহীমুল কুরআন
যত সব মন্দ বিষয় তাদেরই মধ্যে, যারা আখেরাতে ঈমান রাখে না। আর সর্বোচ্চ পর্যায়ের গুণাবলী আল্লাহ তাআলারই আছে। তিনি পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।মুফতী তাকী উসমানী
যারা আখিরাতে বিশ্বাস করেনা তারা নিকৃষ্ট প্রকৃতির সদৃশ। আর আল্লাহতো মহত্তম প্রকৃতির অধিকারী; এবং তিনি পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।মুজিবুর রহমান
যারা পরকাল বিশ্বাস করে না, তাদের উদাহরণ নিকৃষ্ট এবং আল্লাহর উদাহরণই মহান, তিনি পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
যারা আখিরাতে বিশ্বাস করে না এরা নিকৃষ্ট প্রকৃতির, আর আল্লাহ্ তো মহত্তম প্রকৃতির; এবং তিনি পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।ইসলামিক ফাউন্ডেশন
যারা আখিরাতে বিশ্বাস করে না, তাদের জন্য মন্দ উদাহরণ এবং আল্লাহর জন্য রয়েছে মহান উদাহরণ। আর তিনিই পরাক্রমশালী, মহাজ্ঞানী।আল-বায়ান
যারা আখেরাতে বিশ্বাস করে না, খারাপ উপমা তাদের জন্য। মহোত্তম উপমা সব আল্লাহর জন্য, তিনি হলেন প্রতাপান্বিত, প্রজ্ঞাময়।তাইসিরুল
যারা পরকালে বিশ্বাস করে না তাদের গুণবত্তা নিকৃষ্ট, আর আল্লাহ্র হচ্ছে সর্বোন্নত গুণাবলী। আর তিনি মহাশক্তিশালী, পরমজ্ঞানী।মাওলানা জহুরুল হক
৬০. যারা আখেরাতে ঈমান রাখে না যাবতীয় খারাপ উদাহরণ (গুণাগুণ) তাদেরই, আর আল্লাহর জন্যই যাবতীয় মহোত্তম গুণাগুণ(১) আর তিনিই পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়৷(২)।
(১) এ আয়াত থেকে প্রমাণিত হয় যে, আল্লাহর যাবতীয় নাম ও গুণই সুন্দর ও মহোত্তম। তাঁর জন্য কোন প্রকার খারাপ নাম ও গুণ সাব্যস্ত করা জায়েয নেই। তবে এতে অবশ্যই ঈমান রাখতে হবে যে, কুরআন ও সুন্নায় আল্লাহর জন্য যে সমস্ত নাম ও গুণাগুণ সাব্যস্ত করা হয়েছে তা অবশ্যই স্বীকৃতি দিতে হবে এবং তার প্রত্যেকটিই সুন্দর। (দেখুন, উসাইমীন: আল-কাওয়া'য়িদুল মুসলা)
(২) আয়াতের শেষে আল্লাহর দুটি গুণবাচক নাম ব্যবহার করে এদিকে ইঙ্গিত করা হয়েছে যে, কন্যা সন্তান জন্মগ্রহণকে বিপদ ও অপমান মনে করা এবং মুখ লুকিয়ে রাখা আল্লাহ তা'আলার রহস্যের মোকাবেলা করার নামান্তর। কেননা, নর ও নারীর সৃষ্টি আল্লাহর একটি সাক্ষাত প্রজ্ঞাপূর্ণ বিধি। তিনি এমন প্রবল পরাক্রমশালী যে, তাকে কেউ পরাজিত করতে পারে না। সুতরাং তারা যতই তাঁর দিকে মিথ্যা কথা ও কাজ সম্পর্কযুক্ত করুক না কেন, এটা তার কোন ক্ষতি করবে না। তিনি তার প্রতিটি কাজ ও কথায় হিকমতপূর্ণ। (ফাতহুল কাদীর)
(৬০) যারা পরকালে বিশ্বাস করে না, তাদের জন্য নিকৃষ্ট গুণ।(1) আর আল্লাহর জন্য রয়েছে উৎকৃষ্টতম গুণ এবং তিনি পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।(2)
(1) অর্থাৎ, যে কাফেরদের অসৎ কর্ম বর্ণিত হল, তাদের জন্যই নিকৃষ্ট উদাহরণ বা অসদগুণ, অর্থাৎ অজ্ঞতা ও কুফরীর খারাপ গুণ। অথবা এর অর্থ এই যে, আল্লাহর জন্য স্ত্রী ও সন্তান স্থির করা নিকৃষ্ট উদাহরণ, যা পরকালে অবিশ্বাসীরা আল্লাহর জন্য ব্যক্ত করে।
(2) অর্থাৎ, তাঁর প্রত্যেক গুণ সৃষ্টির গুণের তুলনায় মহত্তর। যেমন তাঁর জ্ঞান অপরিসীম, তাঁর শক্তি অতুলনীয়, তাঁর দানশীলতা দৃষ্টান্তবিহীন, অনুরূপ সকল গুণাবলী। অথবা এর অর্থ হল, তিনি শক্তিশালী, সৃষ্টিকর্তা, রুযীদাতা, সর্বশ্রোতা, সর্বদ্রষ্টা ইত্যাদি (তিনি সর্বগুণনিধি।) (ফাতহুল কাদীর) অথবা নিকৃষ্ট উপমা বলতে ত্রুটি-বিচ্যুতি ও অসম্পূর্ণতা, আর উৎকৃষ্টতম উপমা বলতে সর্বতোমুখী পরিপূর্ণতা সর্বদিক দিয়ে আল্লাহর জন্যই। (ইবনে কাসীর)