ওয়া লাহূমা-ফিছ ছামা-ওয়া-তি ওয়াল আরদি ওয়া লাহুদ্দীনুওয়া-সিবান আফাগাইরল্লাহি তাত্তাকূন।উচ্চারণ
সবকিছুই তাঁরই, যা আকাশে আছে এবং যা আছে পৃথিবীতে এবং নিরবচ্ছিন্নভাবে একমাত্র তাঁরই দ্বীন (সমগ্র বিশ্ব-জাহানে) চলছে। ৪৪ এরপর কি তোমরা আল্লাহকে বাদ দিয়ে অন্য কাউকে ভয় করবে? ৪৫ তাফহীমুল কুরআন
আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে যা-কিছু আছে, তা তাঁরই। সর্বাবস্থায় তাঁরই আনুগত্য করা অপরিহার্য। #%৩০%# তবুও কি তোমরা আল্লাহ ছাড়া অন্যকে ভয় করছ?মুফতী তাকী উসমানী
আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে তা তাঁরই; এবং নিরবচ্ছিন্ন আনুগত্য তাঁরই প্রাপ্য; তোমরা কি আল্লাহ ব্যতীত অন্যকে ভয় করবে?মুজিবুর রহমান
যা কিছু নভোমন্ডল ও ভুমন্ডলে আছে তা তাঁরই এবাদত করা শাশ্বত কর্তব্য। তোমরা কি আল্লাহ ব্যতীত কাউকে ভয় করবে?মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে তা তাঁরই এবং নিরবচ্ছিন্ন আনুগত্য তাঁরই প্রাপ্য। তোমরা কি আল্লাহ্ ব্যতীত অপরকে ভয় করবে ? ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর আসমানসমূহ ও যমীনে যা আছে, তা তারই এবং সার্বক্ষণিক আনুগত্য তারই। অতএব তোমরা কি আল্লাহ ছাড়া অন্যকে ভয় করবে?আল-বায়ান
আকাশসমূহ আর যমীনে যা কিছু আছে তা তাঁরই, আর দ্বীন সদা-সর্বদা একান্তভাবে তাঁরই জন্য। তাহলে তোমরা কি আল্লাহ ছাড়া অন্য কাউকে ভয় করবে?তাইসিরুল
আর মহাকাশমন্ডলে ও পৃথিবীতে যা-কিছু আছে তা তাঁরই, আর ধর্ম সর্বদাই তাঁর। তোমরা কি তবে আল্লাহ্ ব্যতীত অন্যকে ভয়শ্রদ্ধা করবে?মাওলানা জহুরুল হক
৪৪
অন্য কথায় তাঁর প্রতি আনুগত্যের ভিত্তিতেই এ সৃষ্টি জগতের সমগ্র ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত আছে।
৪৫
অন্য কথায় আল্লাহ ছাড়া অন্য কারোর ভীতি এবং অন্য কারোর অসন্তোষ থেকে নিষ্কৃতি পাওয়ার প্রবণতা কি তোমাদের জীবন ব্যবস্থার ভিত্তি হবে?
অর্থাৎ মাবুদ যেহেতু এক আল্লাহ তাআলাই, তাই তার সাথে অন্য কাউকে যোগ করে দুই মাবুদ বানিয়ে নিও না। এর দ্বারা নির্দিষ্ট দুই সংখ্যা লক্ষবস্তু নয়; বরং আল্লাহর সঙ্গে অন্যের অংশীদারিত্বকে রদ করা উদ্দেশ্য, তা সংখ্যা যাই হোক না কেন। বিষয়টাকে এভাবেও বলা যায় যে, তোমরা হক মাবুদ ও নাহক মাবুদ এই দুই মাবুদ গ্রহণ করো না, তাতে নাহক মাবুদের সংখ্যা যাই হোক না কেন। -অনুবাদক
৫২. আর আসমানসমূহে ও যমীনে যা কিছু আছে তা তারই এবং সাবক্ষণিক আনুগত্য তারই প্রাপ্য।(১) তারপরও কি তোমরা আল্লাহ ছাড়া অন্য কারও তাকওয়া অবলম্বন করবে?
(১) এ আয়াতের একটি অনুবাদ উপরে উল্লেখ করা হয়েছে, যা কাতাদাহ থেকে বর্ণিত। (আত-তাফসীরুস সহীহ) কোন কোন মুফাসসির বলেন, وَاصِبًا এর অর্থ হচ্ছে, واجباً বা বাধ্যতামূলকভাবে। (ইবন কাসীর) কোন কোন মুফাসসির বলেন, وَاصِبًا এর অর্থ হচ্ছে, التَّعَبُ وَالإعْياءُ বা ক্লান্তক্লিষ্ট। অর্থাৎ আল্লাহর আনুগত্য করেই যেতে হবে, যদিও বান্দা সেটা করতে ক্লান্ত-ক্লিষ্ট হয়ে পড়ে। (কুরতুবী) আর যদি وَاصِبًا শব্দের অর্থ خالصاً ধরা হয় তখন এর অর্থ হবে “আসমান ও যমীনে যা কিছু আছে সেগুলোর ইবাদত একমাত্র তাঁরই উদ্দেশ্যে”। (কুরতুবী) তখন আয়াতটির সমার্থবোধক হবে আল্লাহর বাণীঃ “তারা কি আল্লাহর দ্বীন ব্যতীত অন্য কিছু খুঁজে ফিরছে? অথচ আসমানসমূহে ও যমীনে যা কিছু রয়েছে সবই ইচ্ছায়-অনিচ্ছায় তারই কাছে আত্মসমৰ্পন করেছে।” (সূরা আলে ইমরানঃ ৮৩) তাছাড়া আয়াতটির নির্দেশসূচক অর্থও করা যায়। অর্থাৎ তোমরা একমাত্র তাঁকেই ভয় কর এবং তারই আনুগত্য কর। যেমন অন্য আয়াতে বলা হয়েছেঃ “সাবধান দ্বীনকে একমাত্র আল্লাহর জন্যই খালেস করে নাও।” (সূরা আয-যুমারঃ ৩)
(৫২) আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে সেসব তো তাঁরই এবং নিরবচ্ছিন্ন আনুগত্য তাঁরই প্রাপ্য;(1) তোমরা কি আল্লাহ ব্যতীত অন্যকে ভয় করবে?
(1) তাঁরই নিরবচ্ছিন্ন ইবাদত ও আনুগত্য আবশ্যকীয়। واصب এর অর্থ অবিরাম। যেমন অন্যত্র এসেছে,{وَلَهُمْ عَذَابٌ وَاصِبٌ} তাদের জন্য রয়েছে অবিরাম আযাব। (সাফফাত ৯ ) আর আয়াতের মর্মার্থ তাই, যা অন্যত্র বলা হয়েছে,{فَاعْبُدِ اللَّهَ مُخْلِصًا لَّهُ الدِّينَ، أَلَا لِلَّهِ الدِّينُ الْخَالِصُ} সুতরাং আল্লাহর ইবাদত কর তাঁর আনুগত্যে বিশুদ্ধ চিত্ত হয়ে। জেনে রেখো, খাঁটি আনুগত্য আল্লাহরই প্রাপ্য। (সূরা যুমার ২-৩)