ওয়ালিল্লা-হি ইয়াছজুদুমা-ফিছছামা-ওয়া-তি ওয়ামা-ফিল আরদিমিন দাব্বাতিওঁ ওয়াল মালাইকাতুওয়া হুম লা-ইয়াছতাকবিরূন।উচ্চারণ
পৃথিবী ও আকাশে যত সৃষ্টি আছে প্রাণসত্তা সম্পন্ন এবং যত ফেরেশতা আছে তাদের সবাই রয়েছে আল্লাহর সামনে সিজদাবনত। ৪২ তারা কখনো অবাধ্যতা প্রকাশ করে না। তাফহীমুল কুরআন
আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে যত প্রাণী আছে তারা এবং সমস্ত ফেরেশতা আল্লাহকেই সিজদা করে এবং তারা মোটেই অহংকার করে না।মুফতী তাকী উসমানী
আল্লাহকেই সাজদাহ করে যা কিছু সৃষ্টি রয়েছে আকাশমন্ডলীতে এবং পৃথিবীতে এবং মালাইকাগণও; তারা অহংকার করেনা।মুজিবুর রহমান
আল্লাহকে সেজদা করে যা কিছু নভোমন্ডলে আছে এবং যা কিছু ভুমন্ডলে আছে এবং ফেরেশতাগণ; তারা অহংকার করে না।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
আল্লাহ্কেই সিজ্দা করে যা কিছু আছে আকাশমণ্ডলীতে, পৃথিবীতে যত জীবজন্তু আছে সে সমস্ত এবং ফিরিশতাগণও, এরা অহংকার করে না। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর আল্লাহকেই সিজদা করে আসমানসমূহে যা আছে এবং যমীনে যে প্রাণী আছে, আর ফেরেশতারা এবং তারা অহঙ্কার করে না।আল-বায়ান
আকাশসমূহ ও পৃথিবীতে যত জীব-জন্তু ফেরেশতারা, সমস্তই আল্লাহকে সাজদাহ করে; তারা অহঙ্কার করে না।তাইসিরুল
আর আল্লাহ্র প্রতি সিজদা করে জীবজন্তুদের মধ্যের যারা আছে মহাকাশমন্ডলে আর যারা আছে পৃথিবীতে, আর ফিরিশ্তারাও, আর তারা অহংকার করে না।মাওলানা জহুরুল হক
৪২
অর্থাৎ শুধু পৃথিবীরই নয়, আকাশেরও এমন সব বস্তু, পিণ্ড বা সত্ত্বা যাদেরকে প্রাচীনকাল থেকে নিয়ে আজ পর্যন্ত মানুষ দেব-দেবী এবং আল্লাহর আত্মীয়, স্বজন গণ্য করে এসেছে, তারা আসলে গোলাম ও তাবেদার ছাড়া আর কিছুই নয়। তাদের মধ্যেও কারোর আল্লাহর সার্বভৌম ক্ষমতায় কোন অংশ নেই।
পরোক্ষভাবে এ আয়াত থেকে এদিকে একটি ইঙ্গিত এসেছে যে, প্রাণসত্তা সম্পন্ন সৃষ্টি কেবলমাত্র দুনিয়াতেই নয় বরং মহাশূন্যের অন্যান্য গ্রহ-উপগ্রহেও আছে। একথাটিই সূরা শূরার ২৯ আয়াতেও বলা হয়েছে।
৪৯. আর আল্লাহকেই সিজদা করে যা কিছু আছে আসমানসমূহে ও যমীনে, যত জীবজন্তু আছে সেসব এবং ফিরিশতাগণও, তারা অহংকার করে না।
(৪৯) আল্লাহকেই সিজদা করে আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর সকল জীব-জন্তু এবং ফিরিশতাগণও। আর তারা অহংকার করে না।