فَسَبِّحۡ بِحَمۡدِ رَبِّكَ وَكُن مِّنَ ٱلسَّـٰجِدِينَ

ফাছাব্বিহবিহামদি রব্বিকা ওয়া কুম মিনাছছা-জিদীন।উচ্চারণ

এর প্রতিকার এই যে, তুমি নিজের রবের প্রশংসা সহকারে তাঁর পবিত্রতা ও মহিমা বর্ণনা করতে থাকো, তাঁর সকাশে সিজ্‌দাবনত হও তাফহীমুল কুরআন

(তার প্রতিকার এই যে,) তুমি তোমার প্রতিপালকের প্রশংসার সাথে তার তাসবীহ পাঠ করতে থাক এবং সিজদাকারীদের অন্তর্ভুক্ত থাক। #%৩৬%#মুফতী তাকী উসমানী

সুতরাং তুমি তোমার রবের প্রশংসা দ্বারা তাঁর পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা কর এবং সাজদাহকারীদের অন্তর্ভুক্ত হও।মুজিবুর রহমান

অতএব আপনি পালনকর্তার সৌন্দর্য স্মরণ করুন এবং সেজদাকারীদের অন্তর্ভূক্ত হয়ে যান।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

সুতরাং তুমি তোমার প্রতিপালকের সপ্রশংস পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা কর এবং তুমি সিজ্দাকারীদের অন্তর্ভুক্ত হও; ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সুতরাং তুমি তোমার রবের প্রশংসায় তাসবীহ পাঠ কর এবং সিজদাকারীদের অন্তর্ভুক্ত হও।আল-বায়ান

কাজেই প্রশংসা সহকারে তুমি তোমার প্রতিপালকের পবিত্রতা ঘোষণা কর, আর সাজদাহকারীদের দলভুক্ত হও।তাইসিরুল

সুতরাং তোমার প্রভুর প্রশংসা দ্বারা মহিমা কীর্তন করো, আর সিজদাকারীদের মধ্যেকার হও,মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

অর্থাৎ তাদের হঠকারিতায় মন খারাপ লাগলে আল্লাহ তাআলার যিকর ও তাসবীহ এবং নামাযে রত হও। কেননা যিকর ও ইবাদত দ্বারা অন্তরে প্রশান্তি আসে, মনের দুঃখ-কষ্ট লাঘব হয়। সুতরাং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাামের অভ্যাস ছিল, যে কোন সংকট ও দুর্যোগ দেখা দিলে তিনি নামাযে লেগে যেতেন। -অনুবাদক

তাফসীরে জাকারিয়া

৯৮. কাজেই আপনি আপনার রবের সপ্রশংস পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করুন এবং আপনি সিজদাকারীদের অন্তর্ভুক্ত হোন;(১);

(১) অর্থাৎ এ আয়াত থেকে আরও জানা গেল যে, কেউ যদি শক্রর অন্যায় আচরণে মনে কষ্ট পায় এবং হতোদ্যম হয়ে পড়ে, তবে এর আত্মিক প্রতিকার হচ্ছে আল্লাহ তা'আলার তাসবীহ ও ইবাদাতে মশগুল হয়ে যাওয়া। আল্লাহ তা'আলা স্বয়ং তার কষ্ট দূর করে দেবেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা-ই করতেন। হাদীসে এসেছে, “যখনই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন কাজে সমস্যা অনুভব করতেন তখনই সালাতে দাঁড়িয়ে যেতেন।” (আবু দাউদঃ ১৩১৯, মুসনাদে আহমাদঃ ৫/৩৮৮) অন্য হাদীসে এসেছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ “আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ হে আদম সন্তান! দিনের প্রারম্ভে চার রাকাআত সালাত আদায়ে অপারগ হয়ো না। কারণ এতে করে আমি তোমাকে শেষ পর্যন্ত যথেষ্ট করব।” (আবু দাউদঃ ১২৮৯, মুসনাদে আহমাদঃ ৫/২৮৬)

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(৯৮) সুতরাং তুমি তোমার প্রতিপালকের সপ্রশংস পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা কর এবং সিজদাকারীদের অন্তর্ভুক্ত হও।