ইন্না রব্বাকা হুওয়াল খাল্লা-কুল ‘আলীম।উচ্চারণ
নিশ্চিতভাবে তোমার রব সবার স্রষ্টা এবং সবকিছু জানেন। ৪৮ তাফহীমুল কুরআন
নিশ্চয়ই তোমার প্রতিপালকই সকলের স্রষ্টা, সব কিছুর জ্ঞাতা।মুফতী তাকী উসমানী
নিশ্চয়ই তোমার রাব্বই মহান স্রষ্টা, মহাজ্ঞানী।মুজিবুর রহমান
নিশ্চয় আপনার পালনকর্তাই স্রষ্টা, সর্বজ্ঞ।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
নিশ্চয়ই তোমার প্রতিপালক মহাস্রষ্টা, মহাজ্ঞানী। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
নিশ্চয় তোমার রবই সৃষ্টিকর্তা, মহাজ্ঞানী।আল-বায়ান
নিশ্চয় তোমার প্রতিপালক তিনি সর্বস্রষ্টা, সর্বজ্ঞ।তাইসিরুল
নিঃসন্দেহ তোমার প্রভু, -- তিনি সর্বস্রষ্টা, সর্বজ্ঞাতা।মাওলানা জহুরুল হক
৪৮
অর্থাৎ স্রষ্টা হিসেবে তিনি নিজের সৃষ্টির ওপর পূর্ণ প্রভাব ও প্রতিপত্তির অধিকারী। তাঁর পাকড়াও থেকে আত্মরক্ষা করার ক্ষমতা কোন সৃষ্টির নেই। আবার এর সঙ্গে তিনি পুরোপুরি সজাগ ও সচেতনও। তুমি এদের সংশোধনের জন্য যা কিছু করছো তাও তিনি জানেন এবং যেসব চক্রান্ত দিয়ে এরা তোমার সংস্কার কার্যাবলীকে ধ্বংস করতে চাচ্ছে সেগুলো সম্পর্কেও তিনি অবগত। কাজেই তোমার ঘাবড়াবার এবং অধৈর্য হবার প্রয়োজন নেই। নিশ্চিন্ত থাকো। সময় হলে ন্যায্য ফায়সালা চুকিয়ে দেয়া হবে।
৮৬. নিশ্চয় আপনার রব, তিনিই মহাস্রষ্টা, মহাজ্ঞানী।(১)
(১) আল্লাহ তা'আলা যে আখেরাতের পূনর্বার সৃষ্টি করার ক্ষমতা রাখেন তাই প্রমাণ করছে। কারণ তিনি যদি মহান স্রষ্টাই হয়ে থাকেন তবে তার জন্য পূনর্বার সৃষ্টি করা কোন ব্যাপারই নয়। তদুপরি তিনি সর্বজ্ঞানী। তিনি জানেন যমীন তাদের কোন অংশ নষ্ট করেছে এবং তা কোথায় আছে। সুতরাং যিনি মহাস্রষ্টা ও মহাজ্ঞানী তিনি অবশ্যই পূনরায় সবাইকে সৃষ্টি করতে পারবেন। অন্য আয়াতে আমরা এ কথারই প্রতিধ্বনি পাচ্ছি। যেখানে বলা হয়েছেঃ “যিনি আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন তিনি কি তাদের অনুরূপ সৃষ্টি করতে সমর্থ নন? হ্যাঁ, নিশ্চয়ই তিনি মহাস্রষ্টা, সর্বজ্ঞ। তার ব্যাপার শুধু এই, তিনি যখন কোন কিছুর ইচ্ছে করেন, তিনি বলেন, ‘হও, ফলে তা হয়ে যায়”। (সূরা ইয়াসীনঃ ৮১–৮২)
(৮৬) নিশ্চয় তোমার প্রতিপালকই মহাস্রষ্টা, মহাজ্ঞানী।