উদখুলূহা-বিছালা-মিন আ-মিনীন।উচ্চারণ
এবং তাদেরকে বলা হবে, তোমরা এগুলোতে প্রবেশ করো শান্তি ও নিরাপত্তার সাথে। তাফহীমুল কুরআন
(তাদেরকে বলা হবে-) তোমরা এতে (অর্থাৎ উদ্যানসমূহে) প্রবেশ কর নিরাপদে ও নির্ভয়ে।মুফতী তাকী উসমানী
(তাদেরকে বলা হবে) তোমরা শান্তি ও নিরাপত্তার সাথে এখানে প্রবেশ কর।মুজিবুর রহমান
বলা হবেঃ এগুলোতে নিরাপত্তা ও শান্তি সহকরে প্রবেশ কর।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
তাদেরকে বলা হবে, ‘তোমরা শান্তি ও নিরাপত্তার সঙ্গে এতে প্রবেশ কর।’ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
‘তোমরা তাতে প্রবেশ কর শান্তিতে, নিরাপদ হয়ে’।আল-বায়ান
তাদেরকে বলা হবে, ‘পূর্ণ শান্তি ও নিরাপত্তার সাথে তোমরা এতে প্রবেশ কর।’তাইসিরুল
তোমরা এতে প্রবেশ কর শান্তিতে ও নিরাপত্তায়।মাওলানা জহুরুল হক
৪৬. তাদেরকে বলা হবে, তোমরা শান্তিতে নিরাপত্তার সাথে এতে প্রবেশ কর।(১)
(১) এখানে জান্নাতীদের সওয়াবকে সংক্ষিপ্তভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। কুরআনের অন্যত্র আরো বিস্তারিতভাবে এসেছে, কোথায়ও বলা হয়েছে, “নিশ্চয় সেদিন মুত্তাকীরা থাকবে প্রস্রবণ বিশিষ্ট জান্নাতে, উপভোগ করবে তা যা তাদের রব তাদেরকে দেবেন; কারণ পার্থিব জীবনে তারা ছিল সৎকর্মপরায়ণ, তারা রাতের সামান্য অংশই অতিবাহিত করত নিদ্রায়, রাতের শেষ প্রহরে তারা ক্ষমা প্রার্থনা করত, এবং তাদের ধন-সম্পদে রয়েছে অভাবগ্রস্ত ও বঞ্চিতের হক।” (সূরা আয-যারিয়াতঃ ১৫–১৯) এ আয়াতগুলোতে তাদের জান্নাতে যাওয়ার কিছু কারণও উল্লেখ করা হয়েছে। আল্লাহ তা'আলা অন্যত্র আরো বলেছেনঃ “মুত্তাকীরা থাকবে নিরাপদ স্থানে— উদ্যান ও ঝর্ণার মাঝে, তারা পরবে মিহি ও পুরু রেশমী বস্ত্র এবং মুখোমুখি হয়ে বসবে। এরূপই ঘটবে; আমি তাদেরকে সংগিনী দান করব আয়তলোচনা হুর, সেখানে তারা প্রশান্ত চিত্তে বিবিধ ফলমূল আনতে বলবে। প্রথম মৃত্যুর পর তারা সেখানে আর মৃত্যু আস্বাদন করবে না। আর তাদেরকে জাহান্নামের শাস্তি হতে রক্ষা করবেন- আপনার রব নিজ অনুগ্রহে। এটাই তো মহাসাফল্য। (সূরা আদ-দুখানঃ ৫১–৫৭)
(৪৬) (তাদেরকে বলা হবে,) ‘তোমরা শান্তি ও নিরাপত্তার সাথে তাতে প্রবেশ কর।’ (1)
(1) শান্তি সকল বিপদাপদ হতে এবং নিরাপত্তা সকল প্রকার ভয় হতে। অথবা এর অর্থ এক মুসলিম অপর মুসলিমকে বা ফিরিশতাগণ জান্নাতীদেরকে শান্তির দু’আ দেবে। অথবা আল্লাহ তাআলার পক্ষ হতে তাদের জন্য নিরাপত্তা ও শান্তির ঘোষণা দেওয়া হবে।