وَٱلۡجَآنَّ خَلَقۡنَٰهُ مِن قَبۡلُ مِن نَّارِ ٱلسَّمُومِ

ওয়ালজান্না খালাকনা-হু মিন কাবলুমিন না-রিছছামূম।উচ্চারণ

আর এর আগে জিনদের সৃষ্টি করেছি আগুনের শিখা থেকে। ১৮ তাফহীমুল কুরআন

এবং তার আগে জিনদেরকে সৃষ্টি করেছিলাম লু’র আগুন দ্বারা। #%১৫%#মুফতী তাকী উসমানী

এর পূর্বে সৃষ্টি করেছি জিনকে, প্রখর শিখাযুক্ত অগ্নি হতে।মুজিবুর রহমান

এবং জিনকে এর আগে লু এর আগুনের দ্বারা সৃজিত করেছি।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

এবং এটার পূর্বে সৃষ্টি করেছি জিন অত্যুষ্ণ অগ্নি হতে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর ইতঃপূর্বে জিনকে সৃষ্টি করেছি উত্তপ্ত অগ্নিশিখা থেকে।আল-বায়ান

এর পূর্বে আমি জ্বীনকে আগুনের লেলিহান আগুন থেকে সৃষ্টি করেছি।তাইসিরুল

আর আমরা এর আগে জিন সৃষ্টি করেছি প্রখর আগুন দিয়ে।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

১৮

سَّمُومِ বলা হয় গরম বাতাসকে। আর আগুনকে সামুমের সাথে সংযুক্ত করার ফলে এর অর্থ আগুনের পরিবর্তে হয় প্রখর উত্তাপ। কুরআনের যেসব জায়গায় জিনকে আগুন থেকে সৃষ্টি করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে এ আয়াত থেকে তার সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা হয়ে যায়। (আরো বেশী জানার জন্য দেখুন সূরা আর রহমান, টীকাঃ ১৪-১৬)

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

মানুষের আদি পিতা যেমন হযরত আদম আলাইহিস সালাম, তেমনি জিনদের মধ্যে সর্বপ্রথম যাকে সৃষ্টি করা হয়েছিল, তার নাম ‘জান্ন’। তাকে আগুন দ্বারা সৃষ্টি করা হয়েছিল।

তাফসীরে জাকারিয়া

২৭. আর এর আগে আমরা সৃষ্টি করেছি জিনদেরকে অতি উষ্ণ(১) নির্ধুম আগুন থেকে।

(১) سموم বলা হয় গরম বাতাসকে। (বাগভী) আর আগুনকে সামুমের সাথে সংযুক্ত করার ফলে এর অর্থ হয় আগুনের প্রখর উত্তাপ। (সা’দী) কুরআনের যেসব জায়গায় জিনকে আগুন থেকে সৃষ্টি করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে এ আয়াত থেকে তার সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা হয়ে যায়।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(২৭) আর এর পূর্বে জীনকে সৃষ্টি করেছি ধূম্রহীন বিশুদ্ধ অগ্নি হতে।(1)

(1) جن মানে ঢাকা। জীনকে জীন এই কারণেই বলা হয়, যেহেতু তারা মানুষের চোখে অদৃশ্য থাকে। সূরা রাহমান ১৫নং আয়াতে জিনের সৃষ্টি অগ্নিশিখা থেকে বলা হয়েছে এবং সহীহ মুসলিমের একটি হাদীসেও ঐ একই কথাই বলা হয়েছে। এই হিসাবে অগ্নিশিখা ও ধূম্রহীন বিশুদ্ধ অগ্নি থেকে উদ্দেশ্য একই হবে।