লাক-লূ ইন্নমা-ছুক্কিরত আবসা-রুনা-বালনাহনুকাওমুম মাছহূরূন।উচ্চারণ
তবুও তারা একথাই বলতো, আমাদের দৃষ্টি বিভ্রম হচ্ছে বরং আমাদের ওপর যাদু করা হয়েছে। তাফহীমুল কুরআন
তবুও তারা একথাই বলবে যে, আমাদের দৃষ্টি সম্মোহিত করা হয়েছে, বরং আমরা এক যাদুগ্রস্ত সম্প্রদায়। মুফতী তাকী উসমানী
তবুও তারা বলবেঃ আমাদের দৃষ্টি সম্মোহিত করা হয়েছে; না, বরং আমরা এক যাদুগ্রস্ত সম্প্রদায়।মুজিবুর রহমান
তবুও ওরা একথাই বলবে যে, আমাদের দৃষ্টির বিভ্রাট ঘটানো হয়েছে না বরং আমরা যাদুগ্রস্ত হয়ে পড়েছি।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
তবুও এরা বলবে, ‘আমাদের দৃষ্টি সম্মোহিত করা হয়েছে; না, বরং আমরা এক জাদুগ্রস্ত সম্প্রদায়।’ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তবুও তারা বলত, নিশ্চয় আমাদের দৃষ্টি কেড়ে নেয়া হয়েছে, বরং আমরা তো যাদুগ্রস্ত সম্প্রদায়।আল-বায়ান
তারা অবশ্যই বলত, ‘আমাদের চোখকে বাঁধিয়ে দেয়া হয়েছে, বরং আমাদের উপর যাদু করা হয়েছে।’তাইসিরুল
তারা তবুও বলবে -- "আমাদের চোখে ধাঁধা লেগেছে, আমরা বরং মোহাচ্ছন্ন দল হয়েছি।"মাওলানা জহুরুল হক
অর্থাৎ, তারা যা-কিছু দাবী ও ফরমায়েশ করে তা কেবলই জেদপ্রসূত। কাজেই ফিরিশতা পাঠানো হলে তো দূরের কথা খোদ তাদেরকেই যদি আকাশে নিয়ে যাওয়া হয়, তবুও তারা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতি ঈমান আনবে না, বরং তাকে অস্বীকার করার জন্য কোনও না কোনও ছুতা বানিয়ে নেবে। বলবে, আমাদেরকে যাদু করা হয়েছে।
১৫. তবুও তারা বলবে, আমাদের দৃষ্টি সম্মোহিত করা হয়েছে; না, বরং আমরা এক জাদুগ্রস্ত সম্প্রদায়।
(১৫) তবুও তারা বলবে, ‘আমাদের দৃষ্টিভ্রম ঘটানো হয়েছে; বরং আমরা এক যাদুগ্রস্ত সম্প্রদায়।’ (1)
(1) তাদের কুফরী ও বিরুদ্ধাচরণ এমন পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছিল যে, ফিরিশতা অবতীর্ণ হওয়া তো দূরের কথা, যদি তাদের জন্য আকাশের দরজা খুলে দেওয়া হয় এবং তারা সেই দরজা দিয়ে আকাশে যাওয়া-আসা শুরু করে, তবুও তাদের চক্ষুতে বিশ্বাস হবে না এবং রসূলগণকে সত্যবাদী বলে মেনে নেবে না। বরং তারা বলবে, আমাদের চোখে বা আমাদের উপর যাদু করা হয়েছে, যার কারণে আমাদেরকে এরকম মনে হচ্ছে যে, আমরা আকাশে আসা যাওয়া করছি; অথচ এমনটি নয়!