وَقَالُواْ يَـٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِي نُزِّلَ عَلَيۡهِ ٱلذِّكۡرُ إِنَّكَ لَمَجۡنُونٞ

ওয়া ক-লূইয়াআইয়ুহাল্লাযী নুঝঝিলা ‘আলাইহিযযিকরু ইন্নাকা লামাজনূন।উচ্চারণ

এরা বলে, “ওহে যার প্রতি বাণী অবতীর্ণ হয়েছে, তুমি নিশ্চয়ই উন্মাদ! তাফহীমুল কুরআন

তারা বলে, হে ওই ব্যক্তি, যার প্রতি এই উপদেশবাণী (অর্থাৎ কুরআন) অবতীর্ণ করা হয়েছে, তুমি নিশ্চিতরূপেই উন্মাদ।মুফতী তাকী উসমানী

তারা বলেঃ ওহে, যার প্রতি কুরআন অবতীর্ণ হয়েছে! তুমিতো নিশ্চয়ই উম্মাদ।মুজিবুর রহমান

তারা বললঃ হে ঐ ব্যক্তি, যার প্রতি কোরআন নাযিল হয়েছে, আপনি তো একজন উম্মাদ।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

এরা বলে, ‘ওহে, যার প্রতি কুরআন অবতীর্ণ হয়েছে! তুমি তো নিশ্চয় উন্মাদ। ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর তারা বলল, ‘হে ঐ ব্যক্তি, যার উপর কুরআন নাযিল করা হয়েছে, তুমি তো নিশ্চিত পাগল’।আল-বায়ান

তারা বলে, ‘ওহে ঐ ব্যক্তি যার প্রতি কুরআন অবতীর্ণ হয়েছে! তুমি তো অবশ্যই পাগল।তাইসিরুল

আর তারা বলে -- "ওহে যার কাছে স্মারকগ্রন্থ অবতীর্ণ হয়েছে! তুমি তো আলবৎ মাথা-পাগলা।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

“যিকির” বা বাণী শব্দটি পারিভাষিক অর্থে কুরআন মজীদে আল্লাহর বাণীর জন্য ব্যবহার করা হয়েছে। আর এ বাণী হচ্ছে আগাগোড়া উপদেশমালায় পরিপূর্ণ। পূর্ববর্তী নবীদের ওপর যতগুলো কিতাব নাযিল হয়েছিল সেগুলো সবই “যিকির” ছিল এবং এ কুরআন মজীদও যিকির। যিকিরের আসল মানে হচ্ছে স্মরণ করিয়ে দেয়া, সতর্ক করা এবং উপদেশ দেয়া।

তারা ব্যঙ্গ ও উপহাস করে একথা বলতো। এ বাণী যে, নবী ﷺ এর ওপর নাযিল হয়েছে একথা তারা স্বীকারই করতো না। আর একথা স্বীকার করে নেয়ার পর তারা তাঁকে পাগল বলতে পারতো না। আসলে তাদের একথা বলার অর্থ ছিল এই যে, “ওহে, এমন ব্যক্তি! যার দাবী হচ্ছে আমার ওপর যিকির তথা আল্লাহর বাণী অবতীর্ণ হয়েছে।” এটা ঠিক তেমনি ধরনের কথা যেমন ফেরাউন হযরত মূসার (আঃ) দাওয়াত শুনার পর তার সভাসদদের বলেছিলঃ

إِنَّ رَسُولَكُمُ الَّذِي أُرْسِلَ إِلَيْكُمْ لَمَجْنُونٌ

“এই যে পয়গম্বর সাহেবকে তোমাদের নিকট পাঠানো হয়েছে, এর মাথা ঠিক নেই।”

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

তাফসীরে জাকারিয়া

৬. আর তারা বলে, হে ঐ ব্যক্তি, যার প্রতি যিকর(১) নাযিল হয়েছে! তুমি তো নিশ্চয় উন্মাদ(২)।

(১) যিকির বা বাণী শব্দটি পারিভাষিক অর্থে কুরআন মজীদে আল্লাহর বাণীর জন্য ব্যবহার করা হয়েছে। আর এ বাণী হচ্ছে আগাগোড়া উপদেশমালায় পরিপূর্ণ। পূর্ববর্তী নবীদের ওপর যতগুলো কিতাব নাযিল হয়েছিল সেগুলো সবই “যিকির” ছিল এবং এ কুরআন মজীদও যিকির। যিকিরের আসল অর্থ হচ্ছে স্মরণ করিয়ে দেয়া, সতর্ক করা এবং উপদেশ দেয়া।

(২) তারা ব্যঙ্গ ও উপহাস করে একথা বলতো। (সা’দী) এ বাণী যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ওপর নাযিল হয়েছে একথা তারা স্বীকারই করতো না। আর একথা স্বীকার করে নেয়ার পর তারা তাকে পাগল বলতে পারতো না। আসলে তাদের একথা বলার অর্থ ছিল এই যে, “ওহে, এমন ব্যক্তি! যার দাবী হচ্ছে, আমার ওপর যিকির তথা আল্লাহর বাণী অবতীর্ণ হয়েছে।” (ইবন কাসীর) এটা ঠিক তেমনি ধরনের কথা যেমন ফেরআউন মূসা আলাইহিস সালামের দাওয়াত শুনার পর তার সভাসদদের বলেছিলঃ “নিশ্চয় যে রাসূল তোমাদের নিকট পাঠানো হয়েছে, অবশ্যই সে উন্মাদ।” (সূরা আশ-শু'আরাঃ ২৭)

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(৬) তারা বলে, ‘ওহে যার প্রতি কুরআন অবতীর্ণ করা হয়েছে! তুমি তো নিশ্চয় উন্মাদ।