ফালাম্মা আন জাআল বাশীরু আলক-হু ‘আলা-ওয়াজহিহী ফারতাদ্দা বাসীরন কালা আলাম আকুল্লাকুম ইন্নীআ‘লামুমিনাল্লা-হি মা-লা-তা‘লামূন।উচ্চারণ
তারপর যখন সুখবর বহনকারী এলো তখন সে ইউসুফের জামা ইয়াকূবের চেহারার ওপর রাখলো এবং অকস্মাত তার দৃষ্টিশক্তি ফিরে এলো। তখন সে বললো, “আমি না তোমাদের বলেছিলাম, আমি আল্লাহর পক্ষ থেকে এমন সব কথা জানি যা তোমরা জানো না?” তাফহীমুল কুরআন
তারপর যখন সুসংবাদবাহী এসে সে (ইউসুফের) জামা তার চেহারার উপর ফেলে দিল, অমনি তার দৃষ্টিশক্তি ফিরে আসল। #%৬২%# সে (তার পুত্রদেরকে) বলল, আমি কি তোমাদেরকে বলিনি, আল্লাহ সম্পর্কে আমি যতটা জানি তোমরা জান না?মুফতী তাকী উসমানী
অতঃপর যখন সুসংবাদ বাহক উপস্থিত হল এবং তার মুখমণ্ডলের উপর জামাটি রাখল তখন সে দৃষ্টিশক্তি ফিরে পেল। সে বললঃ আমি কি তোমাদেরকে বলিনি যে, আমি আল্লাহর নিকট হতে যা জানি তোমরা তা জাননা।মুজিবুর রহমান
অতঃপর যখন সুসংবাদদাতা পৌঁছল, সে জামাটি তাঁর মুখে রাখল। অমনি তিনি দৃষ্টি শক্তি ফিরে পেলেন। বললেনঃ আমি কি তোমাদেরকে বলিনি যে, আমি আল্লাহর পক্ষ থেকে যা জানি তোমরা তা জান না?মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
এরপর যখন সুসংবাদবাহক উপস্থিত হল এবং তার মুখমণ্ডলের ওপর জামাটি রাখলো তখন সে দৃষ্টিশক্তি ফিরে পেল। সে বলল, ‘আমি কি তোমাদেরকে বলি নাই যে, আমি আল্লাহ্ র নিকট হতে জানি যা তোমরা জান না?’ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
অতঃপর যখন সুসংবাদদাতা এল, তখন সে জামাটি তার চেহারায় ফেলল। এতে সে দৃষ্টিশক্তি ফিরে পেল, বলল, ‘আমি কি তোমাদেরকে বলিনি, নিশ্চয় আমি আল্লাহর পক্ষ থেকে যা জানি তোমরা তা জান না’।আল-বায়ান
সুসংবাদদাতা যখন এসে হাযির হল, তখন সে জামাটি ই‘য়াকুবের মুখমণ্ডলের উপর রাখল, তাতে সে দৃষ্টিশক্তি ফিরে পেল। সে বলল, ‘আমি কি তোমাদের বলিনি যে, আমি আল্লাহর নিকট হতে যা জানি তা তোমরা জান না।’তাইসিরুল
তারপর যখন সুসংবাদবাহক এল, সে সেটি তাঁর মুখের সামনে রাখল, তখন তিনি চক্ষুষ্মান হলেন। তিনি বললেন -- "আমি কি তোমাদের বলি নি যে আমি আল্লাহ্র কাছ থেকে জানি যা তোমরা জান না?"মাওলানা জহুরুল হক
‘সুসংবাদদাতা’ ছিল হযরত ইউসুফ আলাইহিস সালামের সর্বাপেক্ষা বড় ভাই। তার নাম কোন বর্ণনায় বলা হয়েছে ‘ইয়াহূদা’ এবং কোন বর্ণনায় ‘রূবেল’। ‘সুসংবাদ দান’ দ্বারা এই বার্তা বোঝানো হয়েছে যে, হযরত ইউসুফ আলাইহিস সালাম এখনও জীবিত আছেন এবং তিনি সকলকে মিসরে তাঁর কাছে যেতে বলেছেন। হযরত ইউসুফ আলাইহিস সালামের জামা চেহারায় রাখা মাত্র হযরত ইয়াকুব আলাইহিস সালামের দৃষ্টিশক্তি ফিরে আসাটাও একটা মুজিযা ছিল। মুফাসসিরগণ বলেন, হযরত ইউসুফ আলাইহিস সালামের জামার সাথে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা জড়িত আছে, যথা ভাইয়েরা তার জামায় রক্ত মাখিয়ে পিতার কাছে নিয়ে এসেছিল। কিন্তু জামাটি অক্ষত দেখে হযরত ইয়াকুব আলাইহিস সালাম বুঝে ফেলেছিলেন যে, হযরত ইউসুফ আলাইহিস সালামকে কোন বাঘ-টাগে খায়নি। আবার যুলায়খা তাঁর জামা পেছন দিক থেকে টান দিয়ে ছিঁড়ে ফেলেছিল এবং তা দ্বারা প্রমাণ হয়েছিল তিনি নির্দোষ। তাঁর জামারই সুবাস হযরত ইয়াকুব আলাইহিস সালাম সুদূর কিনআন থেকে অনুভব করেছিলেন। সবশেষে এই জামারই স্পর্শে তাঁর দৃষ্টিশক্তি ফিরে আসল।
৯৬. অতঃপর যখন সুসংবাদবাহক উপস্থিত হল এবং তার চেহারার উপর জামাটি রাখল তখন তিনি দৃষ্টিশক্তি ফিরে পেলেন।(১) তিনি বললেন, আমি কি তোমাদেরকে বলিনি যে, আমি আল্লাহর কাছ থেকে যা জানি তা তোমরা জান না?
(১) অর্থাৎ যখন সুসংবাদদাতা কেনানে পৌছল এবং ইউসুফ আলাইহিস সালাম-এর জামা ইয়াকুব আলাইহিস সালাম-এর চেহারায় রাখল, তখন সঙ্গে সঙ্গেই তার দৃষ্টি শক্তি ফিরে এল।
(৯৬) অতঃপর যখন সুসংবাদবাহক উপস্থিত হল এবং তার মুখমন্ডলের উপর জামাটি রাখল তখন সে দৃষ্টিশক্তি ফিরে পেল।(1) সে বলল, ‘আমি কি তোমাদেরকে বলিনি যে, আমি আল্লাহর নিকট হতে তা জানি, যা তোমরা জান না?’ (2)
(1) অর্থাৎ, যখন সুসংবাদদাতা এসে ইয়াকূব (আঃ)-এর চেহারায় উক্ত জামা রাখল, তখন অলৌকিকভাবে তাঁর দৃষ্টিশক্তি ফিরে এল।
(2) কেননা আমার নিকট জ্ঞানের একটি মাধ্যম অহীও আছে, যা তোমাদের মধ্যে কারো কাছে নেই। উক্ত অহীর মাধ্যমে মহান আল্লাহ স্বীয় নবীদেরকে প্রয়োজন ও চাহিদা অনুপাতে অবস্থা সম্পর্কে অবহিত করে থাকেন।