ওয়ালাআজরুল আ-খিরতি খাইরুল লিল্লাযীনা আ-মানূওয়া ক-নূইয়াত্তাকূন।উচ্চারণ
আর যারা ঈমান এনেছে এবং তাকওয়া সহকারে কাজ করতে থেকেছে আখেরাতের প্রতিদান তাদের জন্য আরো ভালো। ৪৯ তাফহীমুল কুরআন
যারা ঈমান আনে ও তাকওয়া অবলম্বন করে তাদের জন্য আখেরাতের প্রতিদানই শ্রেয়। #%৩৭%#মুফতী তাকী উসমানী
যারা মু’মিন ও মুত্তাকী তাদের পরকালের পুরস্কারই উত্তম।মুজিবুর রহমান
এবং ঐ লোকদের জন্য পরকালে প্রতিদান উত্তম যারা ঈমান এনেছে ও সতর্কতা অবলম্বন করে।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
যারা মু’মিন এবং মুত্তাকী তাদের আখিরাতের পুরস্কারই উত্তম। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর যারা ঈমান আনে ও তাকওয়া অবলম্বন করে, তাদের জন্য আখিরাতের প্রতিদানই উত্তম।আল-বায়ান
আর আখেরাতের কর্মফল তাদের জন্য অবশ্যই উত্তম যারা ঈমান আনে আর তাকওয়া অবলম্বন করে কাজ করতে থাকে।তাইসিরুল
আর অবশ্যই পরকালের পুরস্কার আরো ভালো তাদের জন্য যারা বিশ্বাস করে এবং ভয়-ভক্তি অবলন্বন করে।মাওলানা জহুরুল হক
৪৯
এখানে এ মর্মে সতর্ক করে দেয়া হয়েছে যে, কোন ব্যক্তি যেন পার্থিব রাষ্ট্রক্ষমতা ও কর্তৃত্ব লাভ করাকে সততা ও সংকর্মশীলতার প্রকৃত পুরস্কার ও যথার্থ কাংখিত প্রতিদান মনে না করে বসে। বরং তাকে জেনে রাখতে হবে যে, আল্লাহ আখেরাতে যে পুরস্কার দেবেন সেটিই সর্বোত্তম প্রতিদান এবং সেই প্রতিদানটিই মু’মিনের কাংখিত হওয়া উচিত।
হযরত ইউসুফ আলাইহিস সালাম দুনিয়ায় যে সম্মান ও ক্ষমতা লাভ করেছিলেন, কুরআন মাজীদ তার উল্লেখ করার সাথে সাথে এ বিষয়টাও স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, আখেরাতে আল্লাহ তাআলা তাঁর জন্য যে মহা প্রতিদান প্রস্তুত করে রেখেছেন সে তুলনায় এটা অতি তুচ্ছ। এভাবে পার্থিব সম্মান ও ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রত্যেককে নসীহত করে দেওয়া হল যে, তার সদা-সর্বদা সতর্ক থাকা চাই, যাতে দুনিয়ার সম্মান ও ক্ষমতার কারণে আখেরাতের প্রতিদান বরবাদ না হয়।
৫৭. আর যারা ঈমান এনেছে এবং তাকওয়া অবলম্বন করে তাদের জন্য আখিরাতের পুরস্কারই উত্তম।(১)
(১) অর্থাৎ আখেরাতের প্রতিদান ও সওয়াব তাদের জন্য দুনিয়ার নেয়ামতের চাইতে বহুগুণে শ্রেষ্ঠ, যারা ঈমানদার এবং যারা তাকওয়া অবলম্বন করে। এখানে এ মর্মে সতর্ক করে দেয়া হয়েছে যে, আল্লাহ তাঁর বান্দার জন্য আখেরাতে যা সঞ্চিত রেখেছেন তা পার্থিব রাষ্ট্রক্ষমতা ও কর্তৃত্ব লাভ করা থেকে উত্তম। (ইবন কাসীর) কেননা, দুনিয়ার যাবতীয় সম্পদ ধ্বংসশীল, আর আখেরাতের সম্পদ চিরস্থায়ী। (কুরতুবী) সুতরাং জেনে রাখতে হবে যে, আল্লাহ আখেরাতে যে পুরষ্কার দেবেন সেটিই সর্বোত্তম প্রতিদান এবং সেই প্রতিদানটিই মুমিনের কাংখিত হওয়া উচিত।
(৫৭) অবশ্যই যারা বিশ্বাসী ও সাবধানী তাদের জন্য পরকালের পুরস্কারই উত্তম।