ওয়ামিন হাইছু খারজতা ফাওয়ালিল ওয়াজহাকা শাতরল মাছজিদিল হার-মি ওয়া ইন্নাহূলালহাক্কুমির রব্বিকা ওয়ামাল্লা-হু বিগা-ফিলিন ‘আম্মা-তা‘মালূন।উচ্চারণ
তুমি যেখান থেকেই যাওনা কেন, সেখানেই তোমার মুখ (নামাযের সময়) মসজিদে হারামের দিকে ফেরাও। কারণ এটা তোমার রবের সম্পূর্ণ সত্য ভিত্তিক ফায়সালা। আল্লাহ তোমাদের কর্মকান্ডের ব্যাপারে বেখবর নন। তাফহীমুল কুরআন
আর তুমি যেখান থেকেই (সফরের জন্য) বের হও না কেন, (সালাতের সময়) নিজের মুখ মসজিদুল হারামের দিকে ফেরাও। নিশ্চয়ই এটাই সত্য, যা তোমার প্রতিপালকের নিকট থেকে এসেছে। #%১০৭%# আর তোমরা যা-কিছু কর, সে সম্পর্কে আল্লাহ অনবহিত নন।মুফতী তাকী উসমানী
এবং তুমি যেখান হতেই বের হবে- তোমার মুখ পবিত্রতম মাসজিদের দিকে প্রত্যাবর্তিত কর এবং নিশ্চয়ই এটাই তোমার রবের নিকট হতে প্রেরিত সত্য এবং তোমরা যা করছ তদ্বিষয়ে আল্লাহ অমনোযোগী নন।মুজিবুর রহমান
আর যে স্থান থেকে তুমি বের হও, নিজের মুখ মসজিদে হারামের দিকে ফেরাও-নিঃসন্দেহে এটাই হলো তোমার পালনকর্তার পক্ষ থেকে নির্ধারিত বাস্তব সত্য। বস্তুতঃ তোমার পালনকর্তা তোমাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অনবহিত নন।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
যেখান হতেই তুমি বের হও না কেন মসজিদুল হারামের দিকে মুখ ফিরাও। এটা নিশ্চয় তোমার প্রতিপালকের নিকট হতে প্রেরিত সত্য। তোমরা যা কর সে সম্বন্ধে আল্লাহ্ অনবহিত নন। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর তুমি যেখান থেকেই বের হও, তোমার চেহারা মাসজিদুল হারামের দিকে ফিরাও। আর নিশ্চয় তা সত্য তোমার রবের পক্ষ থেকে এবং তোমরা যা কর, আল্লাহ তা থেকে গাফিল নন।আল-বায়ান
আর তুমি যেখান থেকেই বের হও, নিজের মুখ মাসজিদে হারামের দিকে ফেরাও, নিশ্চয়ই তা তোমার প্রতিপালকের নিকট হতে পাঠানো সত্য, বস্তুতঃ তোমরা যা করছ আল্লাহ সে সম্পর্কে মোটেই গাফিল নন।তাইসিরুল
আর যেখান থেকেই তুমি আস, তোমার মুখ পবিত্র মসজিদের দিকে ফেরাও। নিঃসন্দেহ এটি তোমার প্রভুর কাছ থেকে সত্য। আর অবশ্যই আল্লাহ্ বেখেয়াল নন তোমরা যা করো সে-সন্বন্ধে।মাওলানা জহুরুল হক
আল্লাহ তাআলা আলোচ্য আয়াতসমূহে মসজিদুল হারামের দিকে মুখ ফেরানোর নির্দেশকে তিনবার পুনরুক্ত করেছেন। এর দ্বারা এক তো নির্দেশের গুরুত্ব ও তাকীদ বোঝানো উদ্দেশ্য; দ্বিতীয়ত এটাও স্পষ্ট করে দেওয়া উদ্দেশ্য যে, কিবলামুখো হওয়ার হুকুম কেবল বাইতুল্লাহ শরীফের সামনে থাকাকালীন অবস্থায়ই প্রযোজ্য নয়; বরং যখন মক্কা মুকাররমার বাইরে থাকবে তখনও একই হুকুম এবং কখনও দূরে কোথাও চলে গেলে তখনও এটা সমান পালনীয়। এ স্থলে আল্লাহ তাআলা شطر (দিক) শব্দ ব্যবহার করে ইঙ্গিত করে দিয়েছেন যে, কাবামুখী হওয়ার জন্য কাবার একদম সোজাসুজি হওয়া জরুরী নয়, বরং দিকটা কাবার হলেই যথেষ্ট; তাতেই হুকুম পালন হয়ে যাবে। এ ব্যাপারে মানুষের দায়িত্ব এতটুকুই যে, সে তার সর্বাপেক্ষা উৎকৃষ্ট মাধ্যম ব্যবহার করে দিক নির্ণয় করবে। এতটুকু করলেই তার সালাত জায়েয হয়ে যাবে।
১৪৯. আর যেখান থেকেই আপনি বের হন না কেন মসজিদুল হারামের দিকে চেহারা ফিরান। নিশ্চয় এটা আপনার রব-এর কাছ থেকে পাঠানো সত্য। আর তোমরা যা কর সে সম্পর্কে আল্লাহ গাফেল নন।
(১৪৯) আর যে স্থান হতেই তুমি বের হও না কেন, মাসজিদুল হারামের (কা’বা শরীফের) দিকে মুখ ফেরাও। নিশ্চয় তা তোমার প্রতিপালকের নিকট হতে (প্রেরিত) সত্য। তোমরা যা করছ, তার ব্যাপারে আল্লাহ উদাসীন নন।