ওয়ালাও জাআতহুম কুল্লুআ-য়াতিন হাত্তা-ইয়ারউল ‘আযা-বাল আলীম।উচ্চারণ
তাদের সামনে যতই নিদর্শন এসে যাক না কেন তারা কখনই ঈমান আনবে না যতক্ষণ না যন্ত্রণাদায়ক আযাব চাক্ষুস দেখে নেবে। তাফহীমুল কুরআন
যদিও তাদের সামনে সর্ব প্রকার নিদর্শন এসে যায়, যাবৎ না তারা যন্ত্রণাময় শাস্তি প্রত্যক্ষ করবে।মুফতী তাকী উসমানী
যদিও তাদের নিকট সমস্ত প্রমাণ পৌঁছে যায়, যে পর্যন্ত না তারা যন্ত্রনাদায়ক শাস্তি প্রত্যক্ষ করে।মুজিবুর রহমান
যদি তাদের সামনে সমস্ত নিদর্শনাবলী এসে উপস্থিত হয় তবুও যতক্ষণ না তারা দেখতে পায় বেদনাদায়ক আযাব।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
যদিও এদের নিকট প্রত্যেকটি নিদর্শন আসে যতক্ষণ না এরা মর্মন্তুদ শাস্তি প্রত্যক্ষ করবে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
যদিও তাদের নিকট সকল নিদর্শন এসে উপস্থিত হয়, যতক্ষণ না তারা যন্ত্রণাদায়ক আযাব প্রত্যক্ষ করে।আল-বায়ান
এমনকি তাদের কাছে প্রত্যেকটি নিদর্শন আসলেও- যে পর্যন্ত না তারা ভয়াবহ শাস্তি প্রত্যক্ষ করবে।তাইসিরুল
যদিও তাদের কাছে প্রতিটি নিদর্শন এসে যায়, যে পর্যন্ত না তারা মর্মন্তুদ শাস্তি প্রত্যক্ষ করে।মাওলানা জহুরুল হক
৯৭. যদিও তাদের কাছে সবগুলো নিদর্শন আসে, যে পর্যন্ত না তারা যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি দেখতে পাবে(১)।
(১) শাস্তি দেখার পর তাদের ঈমান আর গ্রহণযোগ্য বলে বিবেচিত হবে না। সূরা ইউনুসের ৮৮ নং আয়াতেও এ কথা বলা হয়েছে, মূসা আলাইহিস সালাম ফিরআউন সম্পর্কে বলেছিলেন যে, “ওরা তো মৰ্মম্ভদ শাস্তি প্রত্যক্ষ না করা পর্যন্ত ঈমান আনবে না” অনুরূপভাবে সূরা আল-আন’আমের ১১১ নং আয়াতে বলা হয়েছেঃ “আমি তাদের কাছে ফিরিশতা পাঠালেও এবং মৃতেরা তাদের সাথে কথা বললেও এবং সকল বস্তুকে তাদের সামনে হাযির করলেও আল্লাহর ইচ্ছে না হলে তারা কখনো ঈমান আনবে না; কিন্তু তাদের অধিকাংশই অজ্ঞ”। অর্থাৎ ঈমান না আনা তাদের স্বভাবে পরিণত হয়েছে সুতরাং যত নিদর্শনই তাদের কাছে আসুক না কেন তা কোন কাজে লাগবে না।
(৯৭) যদিও তাদের নিকট সমস্ত নিদর্শন আগত হয়, যে পর্যন্ত না তারা যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি প্রত্যক্ষ করেছে।(1)
(1) এরা ঐ সকল মানুষ, যারা কুফর ও আল্লাহর অবাধ্যাচরণে এমনভাবে নিমজ্জিত থাকে যে, তাদের উপর ওয়াজ-নসীহতের কোন প্রভাব পড়ে না এবং কোন প্রমাণ তাদের জন্য ফল দেয় না। কারণ পাপাচরণ করে করে সত্য গ্রহণের প্রাকৃতিক ক্ষমতা তারা শেষ করে দিয়েছে। তারা তাদের চোখ খুললেও তখন খুলে, যখন আল্লাহর শাস্তি তাদের মাথার উপর এসে পড়ে। আর তখন সেই ঈমান আল্লাহর নিকট গ্রহণযোগ্য হয় না। ((فَلَمْ يَكُ يَنْفَعُهُمْ إِيمَانُهُمْ لَمَّا رَأَوْا بَأْسَنَا ‘‘অতঃপর তাদের এ ঈমান তাদের কোন উপকারে আসল না, যখন তারা শাস্তি প্রত্যক্ষ করল।’’ (সূরা মু’মিন ৮৫ আয়াত)