ছু ম্মা বা‘আছনা-মিম বা‘দিহিম মূছা-ওয়া হা-রূনা ইলা-ফির‘আওনা ওয়া মালাইহী বিআয়া-তিনা-ফাছতাকবারূওয়া ক-নূকাওমাম মুজরিমীন।উচ্চারণ

তারপর ৭২ মুসা ও হারুনকে আমি তাদের পরে আমার নিদর্শনসহ ফেরাউন ও তার সরদারদের কাছে পাঠাই। কিন্তু তারা নিজেদের শ্রেষ্ঠত্বের অহংকারে মত্ত হয় ৭৩ এবং তারা ছিল অপরাধী সম্প্রদায়। তাফহীমুল কুরআন

অতঃপর আমি তাদের পর মূসা ও হারূনকে ফির‘আউন ও তার অমাত্যদের কাছে আমার নিদর্শনাবলীসহ প্রেরণ করি। কিন্তু তারা অহমিকা প্রদর্শন করল এবং তারা ছিল অপরাধী সম্প্রদায়।মুফতী তাকী উসমানী

অতঃপর আমি তাদের পর মূসা ও হারুনকে আমার মু’জিযা সহকারে ফির‘আউন ও তার প্রধানদের নিকট পাঠালাম, অতঃপর তারা অহংকার করল, আর সেই লোকগুলি ছিল পাপাচারীপরায়ণ।মুজিবুর রহমান

অতঃপর তাদের পেছনে পাঠিয়েছি আমি মূসা ও হারুনকে, ফেরাউন ও তার সর্দারের প্রতি স্বীয় নির্দেশাবলী সহকারে। অথচ তারা অহংকার করতে আরম্ভ করেছে।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

পরে আমার নিদর্শনসহ মূসা ও হারূনকে ফির‘আওন ও তার পারিষদবর্গের নিকট প্রেরণ করি। কিন্তু এরা অহংকার করে আর এরা ছিল অপরাধী সম্প্রদায়। ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর তাদের পরে আমি মূসা ও হারূনকে ফিরআউন ও তার পারিষদবর্গের কাছে আমার আয়াতসমূহ দিয়ে পাঠিয়েছি। কিন্তু তারা অহঙ্কার করেছে। আর তারা ছিল অপরাধী কওম।আল-বায়ান

তাদের পর আমি মূসা ও হারূনকে আমার নিদর্শন সহকারে ফির‘আওন ও তার প্রধানদের নিকট পাঠিয়েছিলাম। কিন্তু তারা অহঙ্কার করে, তারা ছিল এক অপরাধী সম্প্রদায়।তাইসিরুল

অনন্তর তাঁদের পরে আমরা পাঠিয়েছিলাম মূসা ও হারূনকে ফিরআউন ও তার পরিষদবর্গের কাছে আমাদের নিদর্শনসমূহ সঙ্গে দিয়ে, কিন্তু তারা অহংকার করেছিল আর তারা ছিল একটি অপরাধী সম্প্রদায়।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

৭২

এ প্রসঙ্গে সূরা আ'রাফের ১৩ থেকে ২১ রুকুর মধ্যে মুসাও ফেরাউনের সংঘাতের ব্যাপারে আমি যে টীকাগুলো দিয়েছে সেগুলো পড়ে দেখা যেতে পারে। সেখানে যেসব বিষয়ের ব্যাখ্যা করেছি এখানে আর সেগুলোর পুনরাবৃত্তি করা হবে না।

৭৩

অর্থাৎ সে নিজের বিপুল বৈভব, রাজক্ষমতা ও শান-শওকতের নেশায় মত্ত হয়ে নিজেরাই নিজেকে ভৃত্যের আসন থেকে ওপরে তুলে নিয়েছে এবং আনুগত্যর শির নত করার পরিবর্তে গর্বোন্নত হয়েছে।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

তাফসীরে জাকারিয়া

৭৫. তারপর আমরা আমাদের নিদর্শনসহ মূসা ও হারূনকে ফিরআউন ও তার সভাষদদের কাছে পাঠাই। কিন্তু তারা অহংকার করে(১) এবং তারা ছিল অপরাধী সম্প্রদায়।(২)

(১) অর্থাৎ তারা নিজেদের ক্ষমতার নেশায় মত্ত হয়ে হক গ্রহণ করতে অহংকার করেছিল। (কুরতুবী)

(২) অর্থাৎ মুশরিক সম্প্রদায়। (কুরতুবী)

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(৭৫) অতঃপর আমি তাদের পর মূসা ও হারূনকে(1) আমার নিদর্শনাবলী সহ ফিরআউন ও তার পারিষদবর্গের নিকট পাঠালাম, (2) কিন্তু তারা অহংকার করল, আর তারা ছিল পাপাচারী সম্প্রদায়। (3)

(1) এখানে রসূলগণের কথা সাধারণভাবে আলোচনা করার পর মূসা ও হারূনের কথা আলোচনা করা হচ্ছে। অথচ তাঁরাও রসূলগণের বর্ণনায় শামিল। কিন্তু যেহেতু তাঁরা বিশিষ্ট রসূলগণের অন্তর্ভুক্ত, তাই বিশেষভাবে আলাদা করে তাঁদের কথা বর্ণনা করেছেন।

(2) মূসা (আঃ)-এর এ সকল নিদর্শনাবলী (মু’জিযা) প্রসিদ্ধ আছে, বিশেষ করে ন’টি স্পষ্ট নিদর্শন, যা সূরা বানী ইস্রাঈলের ১০১নং আয়াতে বর্ণনা করেছেন।

(3) অর্থাৎ, যেহেতু তারা বড় বড় অপরাধ ও পাপকর্মে অভ্যাসী ছিল, যার কারণে তারা আল্লাহর প্রেরিত রাসূলকেও অহংকার প্রদর্শন করল। কারণ এক পাপ অন্য পাপকে আকর্ষণ করে এবং পাপের উপর অটল থাকলে, বড় বড় পাপকর্ম সাধনে সাহস যোগায়।