আলাইন্না লিল্লা-হি মান ফিছ ছামা-ওয়া তি ওয়া মান ফিল আরদি ওয়া মাইয়াত্তাবি‘উল্লাযীনা ইয়াদ‘ঊনা মিন দূ নিল্লা-হি শুরকাআ ইয়ঁইয়াত্তাবি‘ঊনা ইল্লাজ্জান্না ওয়াইন হুম ইল্লা-ইয়াখরুসূন।উচ্চারণ

জেনে রেখো, আকাশের অধিবাসী, হোক বা পৃথিবীর, সবাই আল্লাহর মালিকানাধীন। আর যারা আল্লাহকে বাদ দিয়ে (নিজেদের মনগড়া) কিছু শরীকদের ডাকছে তারা নিছক আন্দাজ ও ধারণার অনুগামী এবং তারা শুধু অনুমানই করে। তাফহীমুল কুরআন

স্মরণ রেখ, আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে যত প্রাণী আছে, সব আল্লাহরই মালিকানাধীন। যারা আল্লাহ ছাড়া অন্যকে ডাকে, তারা আল্লাহর (প্রকৃত) কোনও শরীকের অনুসরণ করে না। তারা কেবল ধারণারই অনুসরণ করে। আর তাদের কাজ কেবল আনুমানিক কথা বলা।মুফতী তাকী উসমানী

মনে রেখ, যা কিছু আসমানসমূহে আছে এবং যা কিছু যমীনে আছে, এই সমস্তই আল্লাহর। আর যারা আল্লাহকে ছেড়ে অন্য শরীকদের ইবাদাত করে তারা কোন্ বস্তুর অনুসরণ করছে? তারা শুধু অবাস্তব খেয়ালের তাবেদারী করে চলছে এবং শুধু অনুমান প্রসূত কথা বলছে।মুজিবুর রহমান

শুনছ, আসমানসমূহে ও যমীনে যা কিছু রয়েছে সবই আল্লাহর। আর এরা যারা আল্লাহকে বাদ দিয়ে শরীকদের উপাসনার পেছনে পড়ে আছে-তা আসলে কিছুই নয়। এরা নিজেরই কল্পনার পেছনে পড়ে রয়েছে এবং এছাড়া আর কিছু নয় যে, এরা বুদ্ধি খাটাচ্ছে।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

জেনে রাখ! যারা আকাশমণ্ডলে আছে এবং যারা পৃথিবীতে আছে তারা আল্লাহ্ র ই। যারা আল্লাহ্ ব্যতীত অপরকে শরীকরূপে ডাকে, তারা কিসের অনুসরণ করে ? তারা তো শুধু অনুমানেরই অনুসরণ করে আর তারা শুধু মিথ্যাই বলে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন

জেনে রাখ, নিশ্চয় আসমানসমূহে যারা আছে এবং যমীনে যারা আছে সব আল্লাহরই এবং যারা আল্লাহ ছাড়া অন্যদের ডাকে, তারা মূলত শরীকদের অনুসরণ করে না, তারা তো কেবল ধারণার অনুসরণ করে। তারা তো শুধু মিথ্যাই বলে।আল-বায়ান

জেনে রেখ! যা কিছু আসমানসমূহে আছে আর যারা যমীনে আছে সবাই আল্লাহর। (এ অবস্থায়) যারা আল্লাহকে বাদ দিয়ে (তাদের মনগড়া) শরীকদের ডাকে তারা কিসের অনুসরণ করে? তারা ধারণা-অনুমান ছাড়া অন্য কিছুরই অনুসরণ করে না, আর তারা শুধু মিথ্যাই বলে।তাইসিরুল

এটি কি নয় যে নিঃসন্দেহ মহাকাশমন্ডলে যারা আছে ও যারা আছে পৃথিবীতে তারা আল্লাহ্‌র? আর যারা আল্লাহ্‌কে ছেড়ে দিয়ে অংশীদের আরাধনা করে তারা অনুসরণ করে না। তারা তো শুধু অনুমানেরই অনুসরণ করে, আর তারা শুধু মিথ্যাই বলে।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

তাফসীরে জাকারিয়া

৬৬. জেনে রাখ! নিশ্চয় যারা আসমানসমূহে আছে এবং যারা যমীনে আছে তারা আল্লাহরই। আর যারা আল্লাহ ছাড়া অন্যকে শরীকরূপে ডাকে, তারাকিসের অনুসরণ করে?(১) তারা তো শুধু ধারণারই অনুসরণ করে এবং তারা শুধু মিথ্যা কথাই বলে।

(১) আয়াতের অন্য অনুবাদ হচ্ছে, যারা আল্লাহকে ছাড়া অন্যদের ডাকে, তারা মূলত শরীকদের অনুসরণ করে না। কেননা, যাকে প্রকৃত অর্থে ডাকতে হবে, তিনি হবেন রব। আর এ সমস্ত শরীকগুলো কখনও রব হতে পারে না। তাদেরকে তারা শরীক বললেও প্রকৃত প্রস্তাবে তারা আল্লাহর শরীক নয়। আল্লাহর রবুবিয়াতে শরীক সাব্যস্ত করা অসম্ভব ব্যাপার। সুতরাং তারা কেবল ধারণার অনুসরণ করে থাকে। (কুরতুবী) তারা ডাকে, তারা তো তাদের ধারণা অনুসারে তাদেরই সাব্যস্ত করা শরীক। প্রকৃত অর্থে তারা শরীক নয়। আলী রাদিয়াল্লাহু আনহুর মতে, এর অর্থ, তারা যাদেরকে আল্লাহ ছাড়া শরীক সাব্যস্ত করে থাকে সে সমস্ত নবী ও ফিরিশতাগণ তো আল্লাহর সাথে শরীক করেন না। সুতরাং তোমাদের কি হলো যে, তোমরা আল্লাহর সাথে শরীক করো? (ফাতহুল কাদীর)

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(৬৬) মনে রেখো, আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীতে যত কিছু আছে নিঃসন্দেহে সে সব আল্লাহরই; আর যারা আল্লাহকে ছেড়ে অন্য শরীকদেরকে আহবান করে, তারা কোন্ বস্তুর অনুসরণ করছে? তারা শুধু ধারণার অনুসরণ করছে এবং শুধু অনুমানপ্রসূত কথা বলছে। (1)

(1) অর্থাৎ, আল্লাহর সাথে কাউকে শরীক করা কোন প্রমাণের উপর ভিত্তি করে নয়; বরং তা শুধু ধারণা, আন্দাজ ও অনুমানের কারসাজি। মানুষ এখনও যদি নিজের জ্ঞান ও বুঝশক্তিকে সঠিকভাবে ব্যবহার করে, তাহলে অবশ্যই তার নিকট এ কথা পরিষ্কার হয়ে যাবে যে, আল্লাহ তাআলার কোন অংশীদার নেই। যদি তিনি আকাশ ও পৃথিবী সৃষ্টি করাতে একক, কেউ তাঁর শরীক নয়, তাহলে ইবাদতে অন্যরা কিভাবে শরীক হতে পারে?