ওয়ালা-ইউনফিকূ না নাফাকাতান সাগীরতাওঁ ওয়ালা- কাবীরতাওঁ ওয়ালা- ইয়াকতা‘ঊনা ওয়া-দিয়ান ইল্লা-কুতিবা লাহুম লিইয়াজঝিয়াহুমুল্লা-হু আহছানা মা-ক-নূইয়া‘মালূন।উচ্চারণ
অনুরূপভাবে তারা যখনই (আল্লাহর পথে) কম বা বেশী কিছু সম্পদ ব্যয় করবে এবং (সংগ্রাম সাধনায়) যখনই কোন উপত্যকা অতিক্রম করবে, অমনি তা তাদের নামে লেখা হয়ে যাবে, যাতে আল্লাহ তাদেরকে তাদের এ ভাল কাজের পুরস্কার দান করেন। তাফহীমুল কুরআন
তাছাড়া তারা (আল্লাহর পথে) যা কিছু ব্যয় করে, সে ব্যয় অল্প হোক বা বেশি এবং তারা যে-কোন উপত্যকাই অতিক্রম করে, তা সবই (তাদের আমলনামায় পুণ্য হিসেবে) লেখা হয়, যাতে আল্লাহ তাদেরকে (এরূপ প্রতিটি আমলের বিনিময়ে) এমন প্রতিদান দিতে পারেন, যা তাদের উৎকৃষ্ট আমলের জন্য নির্ধারিত আছে। #%১০৪%#মুফতী তাকী উসমানী
আর ছোট-বড় যা কিছু তারা ব্যয় করেছে, আর যত প্রান্তর তাদের অতিক্রম করতে হয়েছে, তৎসমুদয়ও তাদের নামে লিখিত হয়েছে, যেন আল্লাহ তাদের কৃতকর্মসমূহের অতি উত্তম বিনিময় প্রদান করেন।মুজিবুর রহমান
আর তারা অল্প-বিস্তর যা কিছু ব্যয় করে, যত প্রান্তর তারা অতিক্রম করে, তা সবই তাদের নামে লেখা হয়, যেন আল্লাহ তাদের কৃতকর্মসমূহের উত্তম বিনিময় প্রদান করেন।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
এবং তারা ক্ষুদ্র বা বৃহৎ যাই ব্যয় করে আর যে কোন প্রান্তরই অতিক্রম করে তা তাদের অনুক‚লে লিপিবদ্ধ হয়-যাতে তারা যা করে আল্লাহ তা অপেক্ষা উৎকৃষ্টতর পুরস্কার তাদেরকে দিতে পারেন। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর তারা স্বল্প কিংবা অধিক যা-ই ব্যয় করে এবং অতিক্রম করে যে প্রান্তরই, তা তাদের জন্য লিখে দেয়া হয়, যাতে তারা যা আমল করত, আল্লাহ তাদেরকে তার চেয়ে উত্তম প্রতিদান দেন।আল-বায়ান
আর এটাও হবে না যে, তারা কম বা বেশী মাল (আল্লাহর পথে) খরচ করবে আর (জিহাদে) তারা কোন উপত্যকা অতিক্রম করবে অথচ তা তাদের নামে লেখা হবে না (অবশ্যই লেখা হবে) যাতে আল্লাহ তাদেরকে তাদের কাজের উৎকৃষ্ট প্রতিদান দিতে পারেন।তাইসিরুল
আর তারা খরচ করে না কোনো সামান্য খরচা আর কোনো বিরাটও নয়, আর তারা কোনো মাঠও পার হয় না তবে তাদের জন্যে তা লিখিত হয়ে যায়, যেন আল্লাহ্ তাদের পুরস্কার দিতে পারেন তারা যা করে যাচ্ছিল তার চেয়ে উত্তম।মাওলানা জহুরুল হক
অর্থাৎ মুজাহিদদের এসব কাজের মধ্যে কোনও কোনওটি তুচ্ছ মনে হলেও সওয়াব দেওয়া হবে তাদের উৎকৃষ্ট কাজের অনুরূপ। (প্রকাশ থাকে যে, কুরআন মাজীদে احسن শব্দটিকে আমলের বিশেষণরূপে উল্লেখ করা হয়েছে। কেউ কেউ একে ‘জাযা’ বা প্রতিদানের বিশেষণও সাব্যস্ত করেছেন। কিন্তু আল্লামা আবু হায়্যান ‘আল-বাহরুল মুহীত’ গ্রন্থে ব্যাকরণের দৃষ্টিকোণ থেকে এর উপর যে আপত্তি তুলেছেন তার কোন সন্তোষজনক উত্তর খুঁজে পাওয়া যায় না। আল্লামা আলুসী (রহ.)-ও আপত্তিটি উল্লেখ করে তার সমর্থনই করেছেন। সুতরাং এ স্থলে আয়াতটির তরজমা মাদারিকুত তানযীলে বর্ণিত তাফসীর অনুসারেই করা হয়েছে।
১২১. আর তারা ছোট বা বড় যা কিছুই ব্যয় করে এবং যে কোন প্রান্তরই অতিক্রম করে তা তাদের অনুকূলে লিপিবদ্ধ হয়—যাতে তারা যা করে আল্লাহ তার উৎকৃষ্টতর পুরস্কার তাদেরকে দিতে পারেন।
(১২১) আর ছোট-বড় যা কিছু তারা ব্যয় করে এবং যত উপত্যকা অতিক্রম করে,(1) তা তাদের জন্য লিপিবদ্ধ হয়, যাতে আল্লাহ তাদের কৃতকর্মসমূহের অতি উত্তম বিনিময় প্রদান করতে পারেন।
(1) পর্বতমালার মধ্যবর্তী যে জায়গা দিয়ে বৃষ্টির পানি বয়ে যায়, তাকে وَادي (উপত্যকা) বলা হয়। এখানে সাধারণ প্রান্তর ও এলাকা বুঝানো হয়েছে। অর্থাৎ, আল্লাহর পথে অল্প-বিস্তর যা কিছু ব্যয় করবে, অনুরূপ যত প্রান্তর অতিক্রম করবে (অর্থাৎ জিহাদে অল্প বা বেশি যতটাই সফর করবে) তা সবই নেকী হিসাবে তাদের আমল-নামায় লেখা হবে, যার উপর আল্লাহ তাআলা তাদেরকে সর্বোত্তম বিনিময় প্রদান করবেন।