سَيَحۡلِفُونَ بِٱللَّهِ لَكُمۡ إِذَا ٱنقَلَبۡتُمۡ إِلَيۡهِمۡ لِتُعۡرِضُواْ عَنۡهُمۡۖ فَأَعۡرِضُواْ عَنۡهُمۡۖ إِنَّهُمۡ رِجۡسٞۖ وَمَأۡوَىٰهُمۡ جَهَنَّمُ جَزَآءَۢ بِمَا كَانُواْ يَكۡسِبُونَ,

ছাইয়াহলিফূনা বিল্লা-হি লাকুম ইযান কালাবতুম ইলাইহিম লিতু‘রিদূ‘আনহুম ফাআ‘রিদূ ‘আনহুম ইন্নাহুম রিজছুওঁ ওয়ামা’ওয়া-হুম জাহান্নামু জাঝাআম বিমা ক-নূইয়াকছিবূন।উচ্চারণ

তোমরা ফিরে এলে তারা তোমাদের সামনে কসম খাবে, যাতে তোমরা তাদেরকে উপেক্ষা করো। ঠিক আছে, তোমরা অবশ্যই তাদেরকে উপেক্ষা করো ৯৪ কারণ তারা অপবিত্র এবং তাদের আসল আবাস জাহান্নাম। তাদের কৃতকর্মের ফল স্বরূপ এটি তাদের ভাগ্যে জুটবে। তাফহীমুল কুরআন

তোমরা যখন তাদের কাছে ফিরে যাবে, তখন তারা তোমাদের সামনে আল্লাহর কসম করবে, যাতে তোমরা তাদেরকে উপেক্ষা কর। সুতরাং তোমরা তাদেরকে উপেক্ষা করো। #%৭৮%# নিশ্চয়ই তারা (আপদমস্তক) অপবিত্র। আর তারা যা অর্জন করছে তজ্জন্য তাদের ঠিকানা জাহান্নাম।মুফতী তাকী উসমানী

হ্যাঁ, তারা তখন তোমাদের সামনে শপথ করে বলবে, যখন তোমরা তাদের কাছে ফিরে যাবে, যেন তোমরা তাদেরকে তাদের অবস্থার উপর ছেড়ে দাও; অতএব তোমরা তাদেরকে তাদের অবস্থার উপর ছেড়েই দাও; তারা হচ্ছে অতিশয় অপবিত্র, আর তাদের ঠিকানা হচ্ছে জাহান্নাম, ঐ সব কর্মের বিনিময়ে যা তারা করত ।মুজিবুর রহমান

এখন তারা তোমার সামনে আল্লাহর কসম খাবে, যখন তুমি তাদের কাছে ফিরে যাবে, যেন তুমি তাদের ক্ষমা করে দাও। সুতরাং তুমি তাদের ক্ষমা কর-নিঃসন্দেহে এরা অপবিত্র এবং তাদের কৃতকর্মের বদলা হিসাবে তাদের ঠিকানা হলো দোযখ।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

তোমরা তাদের নিকট ফিরে আসলে অচিরেই তারা আল্লাহ্ র শপথ করবে যাতে তোমরা তাদের উপেক্ষা কর। সুতরাং তোমরা তাদেরকে উপেক্ষা করবে; তারা অপবিত্র ও তাদের কৃতকর্মের ফলস্বরূপ জাহান্নাম তাদের আবাসস্থল। ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যখন তোমরা তাদের কাছে ফিরে যাবে, তখন অচিরেই তোমাদের কাছে আল্লাহর নামে শপথ করবে, যাতে তোমরা তাদেরকে উপেক্ষা কর। সুতরাং তোমরা তাদেরকে উপক্ষো কর। নিশ্চয় তারা অপবিত্র এবং জাহান্নাম হল তাদের আশ্রয়স্থল। তারা যা অর্জন করত, তার প্রতিফলস্বরূপ ।আল-বায়ান

তোমরা তাদের কাছে ফিরে আসলে তারা তোমাদের নিকট আল্লাহর নামে শপথ করবে যাতে তোমরা তাদেরকে উপেক্ষা কর। কাজেই তোমরা তাদেরকে উপেক্ষা কর, তারা অপবিত্র, তাদের বাসস্থান জাহান্নাম, তারা যা করেছে এটাই তার ন্যায্য প্রাপ্য।তাইসিরুল

তোমরা তাদের কাছে সঙ্গে-সঙ্গে আল্লাহ্‌র নামে তোমাদের কাছে শপথ করবে যেন তাদের তোমরা উপেক্ষা করো। কাজেই তোমরা তাদের উপেক্ষা করবে। নিঃসন্দেহ তারা ঘৃণ্য, আর তাদের আশ্রয়স্থল হচ্ছে জাহান্নাম -- তারা যা কর ছিল এ তারই প্রতিদান!মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

৯৪

প্রথম বাক্যে উপেক্ষা করার অর্থ হচ্ছে, এড়িয়ে যাওয়া আর দ্বিতীয় বাক্যে এর অর্থ হচ্ছে সম্পর্ক ছিন্ন করা। অর্থাৎ তারা চায় যেন তাদের ব্যাপারে বেশী মাথা না ঘামাও এবং অনুসন্ধান না চালাও। কিন্তু তোমাদের পক্ষেও এটাই উত্তম যে, তাদের সাথে কোন সম্পর্ক রাখবে না এবং মনে করে নেবে যে, তোমরা তাদের থেকে আলাদা হয়ে গেছো এবং তারাও তোমাদের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

এখানে উপেক্ষা করার অর্থ তাদের কথা শোনার পর তা অগ্রাহ্য করা এবং তৎক্ষণাৎ তাদেরকে কোন শাস্তিও না দেওয়া আর তাদের ওজর গ্রহণের ওয়াদাও না করা কিংবা ক্ষমার ঘোষণা না দেওয়া। এ নীতি অবলম্বনের কারণ পরবর্তী আয়াতে এই বলা হয়েছে যে, মুনাফিকীর কারণে তারা আপদমস্তক অপবিত্র। তাদের অজুহাত মিথ্যা হওয়ার কারণে তা তাদেরকে পবিত্র করার শক্তি রাখে না। শেষে তাদেরকে আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে শাস্তির সম্মুখীন হতে হবে।

তাফসীরে জাকারিয়া

৯৫. তোমরা তাদের কাছে ফিরে আসলে অচিরেই তারা তোমাদের কাছে আল্লাহর শপথ করবে যাতে তোমরা তাদের উপেক্ষা কর।(১) কাজেই তোমরা তাদেরকে উপেক্ষা কর; নিশ্চয় তারা অপবিত্র এবং তাদের কৃতকর্মের ফলস্বরূপ জাহান্নামই তাদের আবাসস্থল।

(১) এ আয়াতে বর্ণিত হয়েছে যে, এসব লোক আপনার ফিরে আসার পর মিথ্যা কসম খেয়ে খেয়ে আপনাকে আশ্বস্ত করতে চাইবে এবং তাতে তাদের উদ্দেশ্য হবে, আপনি যেন তাদের জিহাদের অনুপস্থিতির বিষয়টি উপেক্ষা করেন এবং সেজন্য যেন কোন ভৎসনা না করেন। এরই প্রেক্ষিতে এরশাদ হয়েছে যে, আপনি তাদের এই বাসনা পূরণ করে দিন। অর্থাৎ আপনি তাদের বিষয় উপেক্ষা করুন। তাদের প্রতি ভর্ৎসনাও করবেন না কিংবা তাদের সাথে উৎফুল্ল সম্পর্কও রাখবেন না। কারণ, ভর্ৎসনা করে কোন ফায়দা নেই। তাদের মনে যখন ঈমান নেই এবং তার বাসনাও নেই, তখন ভৎসনা করেই বা কি হবে। (দেখুন, তাবারী; ফাতহুল কাদীর; সা’দী)

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(৯৫) যখন তোমরা তাদের কাছে ফিরে যাবে, তারা তখন অচিরেই তোমাদের সামনে শপথ করে বলবে, যেন তোমরা তাদেরকে উপেক্ষা কর। অতএব তোমরা তাদেরকে উপেক্ষা কর; তারা হচ্ছে অতিশয় ঘৃণ্য, আর তাদের ঠিকানা হচ্ছে জাহান্নাম, তা হল তাদের কৃতকর্মের প্রতিফল।