ওয়াত্তাকূ ইয়াওমাল্লা-তাজঝী নাফছুন ‘আন নাফছিন শাইআওঁ ওয়ালা-ইউকবালু মিনহা‘আদলুওঁ ওয়ালা-তানফা‘উহা-শাফা-‘আতুওঁ ওয়ালা-হুম ইউনসারূন।উচ্চারণ
আর সেই দিনকে ভয় করো, যেদিন কেউ কারো কোন কাজে আসবে না, কারোর থেকে ফিদিয়া (বিনিময়) গ্রহণ করা হবে না, কোন সুপারিশ মানুষের জন্য লাভজনক হবে না এবং অপরাধীরা কোথাও কোন সাহায্য পাবে না। তাফহীমুল কুরআন
এবং সেই দিনকে ভয় কর, যে-দিন কেউ কারও কোনও কাজে আসবে না, কারও থেকে কোনওরূপ মুক্তিপণ গৃহীত হবে না, কোনও সুপারিশ কারও উপকার করবে না এবং তারা কোনও সাহায্যও লাভ করবে না। #%৮৬%#মুফতী তাকী উসমানী
আর তোমরা ঐ দিনের ভয় কর যেদিন একজন অন্যজন হতে কিছুমাত্র উপকৃত হবেনা এবং কারও নিকট হতে বিনিময় গৃহীত হবেনা, কারও সুপারিশ ফলপ্রদ হবেনা এবং তারা সাহায্য প্রাপ্ত হবেনা।মুজিবুর রহমান
তোমরা ভয় কর সেদিনকে, যে দিন এক ব্যক্তি থেকে অন্য ব্যক্তি বিন্দুমাত্র উপকৃত হবে না, কারও কাছ থেকে বিনিময় গৃহীত হবে না, কার ও সুপারিশ ফলপ্রদ হবে না এবং তারা সাহায্য প্রাপ্ত ও হবে না।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
এবং তোমরা সেই দিনকে ভয় কর যেদিন কেউ কারও কোন উপকারে আসবে না, কারও নিকট হতে কোন বিনিময় গৃহীত হবে না এবং কোন সুপারিশ কারও পক্ষে লাভজনক হবে না আর তারা সাহায্য প্রাপ্তও হবে না। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর তোমরা ভয় কর সেদিনকে, যেদিন কেউ কারো কোন কাজে আসবে না এবং কোন ব্যক্তি থেকে বিনিময় গ্রহণ করা হবে না আর কোন সুপারিশ তার উপকারে আসবে না এবং তারা সাহায্যপ্রাপ্তও হবে না।আল-বায়ান
আর তোমরা সেই দিনের ভয় কর, যে দিন কেউ কারো কোন কাজে আসবে না এবং কারো পক্ষ হতে কোন ক্ষতিপূরণ গ্রহণ করা হবে না এবং কারও সুপারিশ ফল দিবে না এবং তারা সাহায্যপ্রাপ্তও হবে না।তাইসিরুল
আর হুশিয়াঁর হও এমন এক দিনের যখন এক সত্তা অন্য আত্মা থেকে কোনো প্রকার সাহায্য পাবে না, আর তার কাছ থেকে কোনো খেসারত কবুল করা হবে না, আর সুপারিশেও তার কোনো ফায়দা হবে না, আর তাদের সাহায্য করা হবে না।মাওলানা জহুরুল হক
বনী ইসরাঈলের প্রতি আল্লাহ তাআলার নানা রকম নিয়ামত ও তার বিপরীতে তাদের নিরবচ্ছিন্ন অবাধ্যতার যে বিবরণ পূর্ব থেকে চলে আসছে, ৪৭ ও ৪৮ নং আয়াতে তার সূচনা করা হয়েছিল এ আয়াতে ব্যবহৃত শব্দাবলীর কাছাকাছি শব্দ দ্বারা। তারপর সবগুলো ঘটনা বিস্তারিতভাবে স্মরণ করিয়ে দেওয়ার পর হিতোপদেশমূলক ভাষায় আবার সে কথাই উল্লেখ করা হচ্ছে। বোঝানো হচ্ছে যে, এসব বিষয় স্মরণ করানোর প্রকৃত উদ্দেশ্য হচ্ছে তোমাদের কল্যাণ কামনা। সুতরাং এসব ঘটনা দ্বারা তোমাদের উচিত এর লক্ষ্যবস্তুতে উপনীত হওয়া। তথা এর থেকে শিক্ষা নিয়ে নিজেদের কল্যাণ সাধনে ব্রতী হওয়া।
১২৩. আর তোমরা সেদিনের তাকওয়া অবলম্বন কর যেদিন কোন সত্তা অপর কোন সত্তার কোন কাজে আসবে না। কারো কাছ থেকে কোন বিনিময় গ্রহণ হবে না এবং কোন সুপারিশ কারো পক্ষে লাভজনক হবে না। আর তারা সাহায্যপ্রাপ্তও হবে না।
১২৩। তোমরা সেই দিনকে ভয় কর, যেদিন কেউ কারো উপকারে আসবে না, কারো নিকট হতে কোন ক্ষতিপূরণ গৃহীত হবে না, কোন সুপারিশ কারো পক্ষে লাভজনক হবে না এবং তারা কোন সাহায্যও পাবে না।