ইয়াআইয়ূহাল্লাযীনা আ-মানূমা-লাকুম ইযা-কীলা লাকুমুন ফিরূফী ছাবীলিল্লা-হিছছাকালতুম ইলাল আরদি আরদীতুম বিলহাইয়া-তিদদুনইয়া-মিনাল আ-খিরতি ফামা-মাতা-‘উল হায়া-তিদদুনইয়া-ফিল আ-খিরতি ইল্লা-কালীল।উচ্চারণ
হে ঈমানদারগণ! ৩৮ তোমাদের কি হলো, যখনই তোমাদের আল্লাহর পথে বের হতে বলা হলো, অমনি তোমরা মাটি কামড়ে পড়ে থাকলে? তোমরা কি আখেরাতের মোকাবিলায় দুনিয়ার জীবন পছন্দ করে নিয়েছো? যদি তাই হয় তাহলে তোমরা মনে রেখো, দুনিয়ার জীবনের এমন সাজ সরঞ্জাম আখেরাতে খুব সামান্য বলে প্রমাণিত হবে। ৩৯ তাফহীমুল কুরআন
হে মুমিনগণ! তোমাদের কি হল যে, যখন তোমাদেরকে বলা হয় আল্লাহর পথে অভিযানে বের হও, তখন তোমরা ভারাক্রান্ত হয়ে মাটির সাথে মিশে যাও? #%৩৭%# তোমরা কি আখিরাতের পরিবর্তে পার্থিব জীবন নিয়েই সন্তুষ্ট হয়ে গেছ? (তাই যদি হয়) তবে (স্মরণ রেখ), আখিরাতের বিপরীতে পার্থিব জীবনের আনন্দ অতি সামান্য।মুফতী তাকী উসমানী
হে মু’মিনগণ! তোমাদের কি হল যে, যখন তোমাদেরকে বলা হয়, বের হও আল্লাহর পথে, তখন তোমরা মাটিতে লেগে থাক (অলসভাবে বসে থাক)। তাহলে কি তোমরা পরকালের বিনিময়ে পার্থিব জীবনের উপর পরিতুষ্ট হয়ে গেলে? বস্তুতঃ পার্থিব জীবনের ভোগ বিলাসতো আখিরাতের তুলনায় কিছুই নয়, অতি সামান্য।মুজিবুর রহমান
হে ঈমানদারগণ, তোমাদের কি হল, যখন আল্লাহর পথে বের হবার জন্যে তোমাদের বলা হয়, তখন মাটি জড়িয়ে ধর, তোমরা কি আখেরাতের পরিবর্তে দুনিয়ার জীবনে পরিতুষ্ট হয়ে গেলে? অথচ আখেরাতের তুলনায় দুনিয়ার জীবনের উপকরণ অতি অল্প।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
হে মু’মিনগণ! তোমাদের কী হল যে, তোমাদেরকে যখন আল্লাহ্ র পথে অভিযানে বের হতে বলা হয় তখন তোমরা ভারাক্রান্ত হয়ে ভূতলে ঝুঁকে পড় ? তোমরা কি আখিরাতের পরিবর্তে পার্থিব জীবনে পরিতুষ্ট হয়েছ ? আখিরাতের তুলনায় পার্থিব জীবনের ভোগের উপকরণ তো অকিঞ্চিৎকর! ইসলামিক ফাউন্ডেশন
হে ঈমানদারগণ, তোমাদের কী হল, যখন তোমাদের বলা হয়, আল্লাহর রাস্তায় (যুদ্ধে) বের হও, তখন তোমরা যমীনের প্রতি প্রবলভাবে ঝুঁকে পড়? তবে কি তোমরা আখিরাতের পরিবর্তে দুনিয়ার জীবনে সন্তুষ্ট হলে? অথচ দুনিয়ার জীবনের ভোগ-সামগ্রী আখিরাতের তুলনায় একেবারেই নগণ্য।আল-বায়ান
হে ঈমানদারগণ! তোমাদের হয়েছে কী যে, যখন তোমাদেরকে আল্লাহর পথে বের হওয়ার নির্দেশ দেয়া হয় তখন তোমরা আরো জোরে মাটি কামড়ে ধর। তোমরা কি আখেরাতের স্থলে দুনিয়ার জীবনকেই বেশি পছন্দ কর? আখেরাতের তুলনায় পার্থিব জীবনের ভোগ সামগ্রী তো অতি সামান্য।তাইসিরুল
ওহে যারা ঈমান এনেছ? কি তোমাদের হয়েছে যখন তোমাদের বলা হচ্ছে -- 'আল্লাহ্র পথে বেরিয়ে পড়ো’, -- তখন তোমরা ভারি হয়ে ঝুকঁছো মাটির দিকে? তোমরা কি বেশি পরিতুষ্ট পরকালের পরিবর্তে এই দুনিয়ার জীবনে বস্তুতঃ পার্থিব জীবনের ভোগবিলাস পরকালের তুলনায় যৎসামান্য বই তো নয়।মাওলানা জহুরুল হক
৩৮
তাবুক যুদ্ধের প্রস্তুতি চলাকালে যে ভাষণটি নাযিল হয়েছিল এখান থেকে সেটিই শুরু হচ্ছে।
৩৯
এর দুটো অর্থ হতে পারে। এক, আখেরাতের অনন্ত জীবন ও সেখানকার সীমা-সংখ্যাহীন সাজ সরঞ্জাম দেখার পর তোমরা জানতে পারবে, দুনিয়ার সামান্য জীবনকালে সুঐশ্বর্য ভোগের যে বড় বড় সম্ভাবনা তোমাদের করায়ত্ত ছিল এবং যে সর্বাধিক পরিমাণে বিলাস সামগ্রী তোমরা লাভ করতে পেরেছিলে তা আখেরাতের সেই সীমাহীন সম্ভাবনা এবং সেই অন্তহীন নিয়ামতে পরিপূর্ণ সুবিশাল রাজ্যের তুলনায় কিছুই নয়। তখন তোমরা নিজেদের সংকীর্ণ দৃষ্টি ও অদূরদর্শিতার জন্য এ মর্মে আফসোস করতে থাকবে, যে, আমরা হাজার বুঝানো সত্ত্বেও দুনিয়ার তুচ্ছ ও ক্ষণস্থায়ী লাভের মোহে তোমরা কেন নিজেদেরকে এ চিরন্তন ও বিপুল পরিমাণ লাভ থেকে বঞ্চিত রাখলে। দুই, দুনিয়ার জীবনের সামগ্রী আখেরাতে কোন কাজে লাগবে না। এখানে যতই ঐশ্বর্য সম্পদ ও সাজ-সরঞ্জাম তোমরা সংগ্রহ করো না কেন, শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করার সাথে সাথেই সব কিছু থেকে হাত গুটিয়ে নিতে হবে। মৃত্যুর পরপারে যে জগত রয়েছে এখানকার কোন জিনিসই সেখানে তোমাদের সাথে স্থানান্তরিত হবে না। এখানকার জিনিসের যে অংশটুকু তোমরা আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার জন্য কুরবানী করেছো এবং যে জিনিসকে ভালবাসার ওপর তোমরা আল্লাহ ও তাঁর দ্বীনের প্রতি ভালোবাসাকে প্রাধান্য দিয়েছো একমাত্র সেই অংশই তোমরা সেখানে পেতে পারো।
এখান থেকে তাবুক যুদ্ধের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে আলোচনা শুরু হয়েছে, যা সূরার প্রায় শেষ পর্যন্ত চলতে থাকবে। সংক্ষেপে এ যুদ্ধের ঘটনা এই যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মক্কা বিজয় ও হুনায়নের যুদ্ধ শেষে যখন মদীনা মুনাওয়ারায় ফিরে আসলেন, তার কিছুদিন পর শাম থেকে আগত কতিপয় ব্যবসায়ী মুসলিমদেরকে জানাল, রোম সম্রাট হিরাক্লিয়াস মদীনা মুনাওয়ারায় এক জোরালো হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এতদুদ্দেশ্যে সে শাম ও আরবের সীমান্তে এক বিশাল বাহিনীও মোতায়েন করেছে। এমনকি সৈন্যদেরকে এক বছরের অগ্রিম বেতনও আদায় করে দিয়েছে। যদিও সাহাবায়ে কেরাম এ যাবৎকাল বহু যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন, কিন্তু তা সবই জাযিরাতুল আরবের ভিতরে। কোনও বহিঃশক্তির সাথে এ পর্যন্ত মুকাবিলা হয়নি। এবার তাঁরা সেই পরীক্ষার সম্মুখীন হতে যাচ্ছেন। তাও দুনিয়ার এক বৃহৎ শক্তির সাথে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ফায়সালা করলেন যে, হিরাক্লিয়াসের আক্রমণের অপেক্ষায় না থেকে আমরা নিজেরাই অগ্রসর হয়ে তাদের উপর হামলা চালাব। সুতরাং তিনি মদীনা মুনাওয়ারার সমস্ত মুসলিমকে এ যুদ্ধে শরীক হওয়ার হুকুম দিলেন। মুসলিমদের পক্ষে এটা ছিল এক কঠিন পরীক্ষা। কেননা এটা ছিল দীর্ঘ দশ বছরের উপর্যুপরি যুদ্ধ, অবশেষে পবিত্র মক্কায় জয়লাভের পর প্রথমবারের মত এক সুযোগ, যখন স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলার কিছুটা সময় পাওয়া গিয়েছিল। দ্বিতীয়ত যুদ্ধে রওয়ানা হওয়ার সময়টা ছিল এমন, যখন মদীনা মুনাওয়ারার খেজুর বাগানগুলোতে খেজুর পাকছিল। এই খেজুরের উপরই মদীনাবাসীদের সারা বছরের জীবিকা নির্ভরশীল ছিল। সন্দেহ নেই এমন অবস্থায় বাগান ছেড়ে যাওয়াটা অত সহজ ব্যাপার ছিল না। তৃতীয়ত এটা ছিল আরব অঞ্চলে তীব্র গরমের সময়। মনে হত আকাশ থেকে আগুন ঝরছে ও ভূমি থেকে অগ্নিস্ফুলিঙ্গ নির্গত হচ্ছে। চতুর্থত তাবুকের সফর ছিল অনেক দীর্ঘ। প্রায় আটশ’ মাইলের সবটা পথই ছিল দুর্গম মরুভূমির উপর দিয়ে। আবার বাহন পশুর সংখ্যাও ছিল খুব কম। তদুপরি সফরের উদ্দেশ্য ছিল রোমানদের সাথে যুদ্ধ করা, যারা ছিল তখনকার বিশ্বের সর্ববৃহৎ শক্তি এবং তাদের যুদ্ধ কৌশল সম্পর্কেও মুসলিমদের কোনও জানাশোনা ছিল না। মোদ্দাকথা সব দিক থেকেই এটি ছিল অত্যন্ত কষ্টসাধ্য এবং জান-মাল ও আবেগ-অনুভূতি বিসর্জন দেওয়ার জিহাদ। যা হোক নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ত্রিশ হাজার সাহাবায়ে কিরামের এক বাহিনী নিয়ে তাবুকের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হলেন। আল্লাহ তাআলা হিরাক্লিয়াস ও তার বাহিনীর উপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের এই দুঃসাহসিক অগ্রাভিযানের এমন প্রভাব ফেললেন যে, তারা কালবিলম্ব না করে সেখান থেকে ওয়াপস চলে গেল। ফলে যুদ্ধ করার অবকাশ হল না। উপরে বর্ণিত সমস্যাদি সত্ত্বেও সাহাবায়ে কিরামের অধিকাংশই শাহাদাতের প্রেরণায় উজ্জীবিত হয়ে অত্যন্ত খুশী মনে এ অভিযানে অংশগ্রহণ করেছিলেন। অবশ্য এমন কিছু সাহাবীও ছিলেন, যাদের কাছে এ অভিযান অত্যন্ত কঠিন মনে হয়েছিল, ফলে শুরুর দিকে তারা কিছুটা দ্বিধা-দ্বন্দ্বে ভুগছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তারাও সৈন্যদের সঙ্গে গিয়ে মিলিত হয়েছিলেন। তারপরও কয়েকজন সাহাবী এমন রয়ে গিয়েছিলেন, যারা শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম হননি। ফলে তারা অভিযানে অংশগ্রহণ থেকে বঞ্চিত থাকেন। আর মুনাফিকদের দল তো ছিলই, যারা প্রকাশ্যে নিজেদেরকে মুমিন বলে দাবী করলেও আন্তরিকভাবে ঈমানদার ছিল না। এমন সমস্যাসংকুল অভিযানে তাদের পক্ষে মুসলিমদের সহযাত্রী হওয়া সম্ভবই ছিল না। তাই তারা বিভিন্ন রকমের ছল ও বাহানা দেখিয়ে মদীনায় থেকে গিয়েছিল। এ সূরার সামনের আয়াতসমূহে এই সকল শ্রেণীর লোকদের সম্পর্কে আলোচনা রয়েছে। তাতে তাদের কর্মপন্থা সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়েছে। ৩৮নং আয়াতে যে সকল লোকের নিন্দা করা হয়েছে তারা কারা, এ সম্পর্কে দু’টো সম্ভাবনা আছে। (ক) তারা হয়ত মুনাফিক শ্রেণী। আর এ অবস্থায় ‘হে মুমিনগণ’ বলে যে সম্বোধন করা হয়েছে, এটা তাদের বাহ্যিক দাবীর ভিত্তিতে করা হয়েছে। (খ) এমনও হতে পারে যে, যে সকল সাহাবীর অন্তরে দ্বিধা-দ্বন্দ্ব দেখা দিয়েছিল, তাদেরকে বোঝানো হয়েছে। তবে এটা নিশ্চিত যে, ৪২ নং আয়াত থেকে মুনাফিকদের সম্পর্কেই আলোচনা হয়েছে।
৩৮. হে ঈমানদারগগণ! তোমাদের কি হল যে, যখন তোমাদেরকে আল্লাহর পথে অভিযানে বের হতে বলা হয়, তখন তোমরা ভারাক্রান্ত হয়ে যমীনে ঝুঁকে পড়? তোমরা কি আখেরাতের পরিবর্তে দুনিয়ার জীবনে পরিতুষ্ট হয়েছ? আখেরাতের তুলনায় দুনিয়ার জীবনের ভোগের উপকরণ তো নগণ্য।(১)
(১) অলসতার যে কারণ ও প্রতিকারের উপায় এখানে বর্ণিত হয়েছে, তা এক বিশেষ ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্ট হলেও চিন্তা করলে বোঝা যাবে যে, দ্বীনের ব্যাপারে সকল আলস্য, নিস্ক্রিয়তা ও সকল অপরাধ এবং গোনাহের মূলে রয়েছে দুনিয়া প্রীতি ও আখেরাতের প্রতি উদাসীনতা। সেজন্য আয়াতে বলা হয়ঃ “হে ঈমানদারগণ, তোমাদের কি হল, আল্লাহর পথে বের হওয়ার জন্য বলা হলে তোমরা মাটি জড়িয়ে ধর। আখেরাতের পরিবর্তে দুনিয়ার জীবন নিয়েই কি পরিতুষ্ট হয়ে গেলে?” হাদীসে এসেছে, “বৃদ্ধ মানুষের মনও দুটি ব্যাপারে যুবক থেকে যায়, একটি হচ্ছে দুনিয়াপ্রীতি অপরটি বেশী বেশী আশা-আকাঙ্খা।” (বুখারী ৬৪২০)
রোগ নির্ণয়ের পর তার প্রতিকার উল্লেখ করে বলা হয়েছে যে, পার্থিব জিন্দেগীর ভোগের উপকরণ আখেরাতের তুলনায় অতি নগণ্য। হাদীসে এসেছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, আখেরাতের তুলনায় দুনিয়া হচ্ছে, যেমন তোমাদের কেউ তার আঙ্গুলকে সমুদ্রের মধ্যে ডুবায়, সুতরাং সে দেখুক, সে আঙ্গুল কি নিয়ে আসে। আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার শাহাদাত আঙ্গুলীর দিকে ইঙ্গিত করলেন। (মুসলিম: ২৮৫৮)
অন্য হাদীসে এসেছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একবার কোন এক উচু স্থান দিয়ে বাজারে প্রবেশ করলেন। বাজার লোকে লোকারণ্য। তিনি একটি কানকাটা মরা ছাগলের পাশ দিয়ে গেলেন। তিনি সেটির কানের বাকী অংশে ধরলেন। তারপর বললেন, কে এটিকে এক দিরহামের বিনিময়ে ক্রয় করতে রাজী আছ? লোকরা বলল, আমরা কেউ এটিকে কোন কিছুর বিনিময়ে গ্রহণ করব না। আর আমরা এটাকে নিয়ে কি করব? তিনি বললেন, তোমরা কি চাও যে এটা তোমাদের হোক? তারা বলল, যদি জীবিতও থাকত তারপরও সেটা দোষযুক্ত ছিল; কেননা তার কান নেই। তদুপরি সেটা মৃত। তখন তিনি বললেন, আল্লাহর শপথ করে বলছি দুনিয়া আল্লাহর কাছে এর চেয়েও বেশী মূল্যহীন। (মুসলিম: ২৯৫৭)
সারকথা হল, আখেরাতের স্থায়ী জীবনের চিন্তা-ভাবনাই মানুষের করা উচিত। বস্তুতঃ আখেরাতের চিন্তাই সকল রোগের একমাত্র প্রতিকার এবং অপরাধ দমনের সার্থক উপায়।
(৩৮) হে বিশ্বাসীগণ! তোমাদের কি হলো যে, যখন তোমাদেরকে আল্লাহর পথে (জিহাদে) বের হতে বলা হয়, তখন তোমরা ভারাক্রান্ত হয়ে মাটিতে বসে পড়। তবে কি তোমরা পরকালের বিনিময়ে পার্থিব জীবন নিয়ে পরিতুষ্ট হয়ে গেলে? বস্তুতঃ পার্থিব জীবনের ভোগবিলাস তো পরকালের তুলনায় অতি সামান্য।