ছু ম্মা ইয়াতূবুল্লা-হু মিম বা‘দি যা-লিকা ‘আলা-মাইঁ ইয়াশাউ ওয়াল্লা-হু গাফূরুর রহীম।উচ্চারণ
তারপর (তোমরা এও দেখছো) এভাবে শাস্তি দেবার পর আল্লাহ যাকে ইচ্ছা তাওবার তাওফীকও দান করেন। ২৪ আল্লাহ ক্ষমাশীল ও করুণাময়। তাফহীমুল কুরআন
অতঃপর আল্লাহ যাকে ইচ্ছা করেন তাওবার সুযোগ দান করেন। #%২২%# আল্লাহ অতি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।মুফতী তাকী উসমানী
অতঃপর আল্লাহ (ঐ কাফিরদের মধ্য হতে) যাকে ইচ্ছা দয়া প্রদর্শন করেন, আর আল্লাহ হচ্ছেন অতি ক্ষমাশীল, পরম করুণাময়।মুজিবুর রহমান
এরপর আল্লাহ যাদের প্রতি ইচ্ছা তওবার তওফীক দেবেন, আর আল্লাহ অতীব ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
এর পরও যার প্রতি ইচ্ছা আল্লাহ্ ক্ষমাপরায়ণ হবেন; আল্লাহ্ অতি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
এরপর আল্লাহ যাদেরকে ইচ্ছা তাদের তাওবা কবূল করবেন। আর আল্লাহ অত্যন্ত ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।আল-বায়ান
এরপরও আল্লাহ যার জন্য ইচ্ছে করবেন তাকে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন, আল্লাহ বড়ই ক্ষমাশীল, বড়ই দয়ালু।তাইসিরুল
তারপর আল্লাহ্ এর পরেও ফেরেন যার প্রতি তিনি ইচ্ছা করেন। আর আল্লাহ্ পরিত্রাণকারী, অফুরন্ত ফলদাতা।মাওলানা জহুরুল হক
২৪
হুনায়েন যুদ্ধে জয়লাভ করার পর নবী (সা.) বিজিত শত্রুদের সাথে যে সদয় ও সহানুভূতিপূর্ণ ব্যবহার করেন তার ফলে তাদের বেশীরভাগ লোক মুসলমান হয়ে যায়। এখানে মুসলমানদের যে কথা বলা উদ্দেশ্যে এ দৃষ্টান্ত পেশ করা হয়েছে তা এই যে, এখন সারা আরবের সমস্ত মুশরিককে ধ্বংস করা হবে, এ কথা তোমরা ভাবলে কেন? না তা নয় বরং আগের অভিজ্ঞতা থেকে তোমাদের আশা করা উচিত যে, যখন এ লোকদের মনে জাহেলী ব্যবস্থার বিকাশ ও স্থায়িত্বের আর কোন আশা থাকবে না এবং যেসব সহায়তা ও আনুকূল্যের কারণে এতদিন তারা জাহেলিয়াতকে বুকের সাথে জড়িয়ে রেখেছে তা সব খতম হয়ে যাবে, তখন তারা নিজেরাই ইসলামের সুশীতল ছায়াতলে আশ্রয় নেবার জন্য এগিয়ে আসবে।
এ আয়াতে ইঙ্গিত করা হয়েছে, হাওয়াযিনের যে সব লোক অমিত বিক্রমের সাথে লড়তে এসেছিল, তাদের অনেকেরই তাওবা করে ঈমান আনার তাওফীক লাভ হবে। হয়েছিলও তাই, বনু হাওয়াযিন ও বনু ছাকীফের বিপুল সংখ্যক লোক পরে ইসলাম গ্রহণ করেছিল। স্বয়ং তাদের নেতা মালিক ইবনে আউফও ঈমান এনেছিলেন এবং তিনি ইসলামের একজন বীর সিপাহসালার রূপে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। আজ তাকে হযরত মালিক ইবনে আউফ রাযিয়াল্লাহু আনহু নামে স্মরণ করা হয়ে থাকে।
২৭. এরপরও যার প্রতি ইচ্ছে আল্লাহ তার তাওবাহ কবুল করবেন; আর আল্লাহ অতি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।(১)
(১) এ আয়াতে ইঙ্গিত রয়েছে, যারা মুসলিমদের হাতে পরাস্ত ও বিজিত হওয়ার শাস্তি পেয়েছে এবং কুফরী আদর্শের উপর অটল রয়েছে, তাদের কিছু সংখ্যক লোককে আল্লাহ ঈমানের তাওফীক দেবেন। বাস্তবেও পরাজিত হাওয়াযেন ও সকীফ গোত্রদ্বয়ের অনেকেই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বদান্যতা ও ভদ্র ব্যবহার দেখে শেষ পর্যন্ত ইসলাম গ্রহণ করেন। ফলে তারা তাদের স্ত্রী ও সন্তান-সন্ততি ফেরৎ পেয়েছিল। (সা’দী) আর আল্লাহ প্রশস্ত রহমতের অধিকারী। তাঁর রহমত সর্বব্যাপী। তাওবাহকারীদের বড় গোনাহও ক্ষমা করে দেন। আর তাদেরকে তাওবাহ করার তাওফীক দেন, তাদের অপরাধসমূহ মার্জনা করেন, সুতরাং বান্দা যত অন্যায়ই করুক না কেন তাঁর রহমত থেকে যেন সে নিরাশ না হয়। (সা'দী)
(২৭) এর পরও যাকে ইচ্ছা তাকে আল্লাহ তওবা করার তওফীক দান করেন। আর আল্লাহ চরম ক্ষমাশীল পরম দয়ালু।