খা-লিদীনা ফীহা-আবাদান ইন্নাল্লা-হা ‘ইনদাহূআজরুন ‘আজীম।উচ্চারণ
সেখানে তারা চিরকাল থাকবে। অবশ্য আল্লাহর কাছে কাজের প্রতিদান দেবার জন্য অনেক কিছুই রয়েছে। তাফহীমুল কুরআন
তারা তাতে সর্বদা থাকবে। নিশ্চয়ই আল্লাহরই কাছে আছে মহা-প্রতিদান।মুফতী তাকী উসমানী
ওর মধ্যে তারা অনন্তকাল থাকবে, নিঃসন্দেহে আল্লাহর নিকট রয়েছে শ্রেষ্ঠ পুরস্কার।মুজিবুর রহমান
তথায় তারা থাকবে চিরদিন। নিঃসন্দেহে আল্লাহর কাছে আছে মহাপুরস্কার।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
সেখানে তারা চিরস্থায়ী হবে। নিশ্চয়ই আল্লাহ্ র নিকট আছে মহাপুরস্কার। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তথায় তারা থাকবে চিরকাল। নিশ্চয় আল্লাহর কাছে রয়েছে মহাপুরস্কার।আল-বায়ান
যেখানে তারা চিরদিন থাকবে। আল্লাহর কাছেই তো রয়েছে মহাপুরস্কার।তাইসিরুল
সেখানে তারা থাকবে চিরকাল। নিঃসন্দেহ আল্লাহ্ -- তাঁর কাছে রয়েছে পরম পুরস্কার।মাওলানা জহুরুল হক
২২. সেখানে তারা চিরস্থায়ী হবে। নিশ্চয় আল্লাহর কাছে আছে মহাপুরস্কার।(১)
(১) আরাম-আয়েশের স্থায়িত্বের জন্য দুটি বিষয় আবশ্যক। এক. নেয়ামতের স্থায়িত্ব। দুই. নেয়ামত থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে না পড়া। তাই আল্লাহর সৎ বান্দাদের জন্যে এ আয়াতে এবং পূর্বের আয়াতে এ দুটি বিষয়ের নিশ্চয়তা দেয়া হয়। আয়াতে আল্লাহর সৎ বান্দাদের জন্য যে উচ্চ মর্যাদা রয়েছে তার বর্ণনা রয়েছে। তন্মধ্যে রয়েছে, তাদের অন্তরে খুশীর অনুপ্রবেশ ঘটানো, তাদের সফলতার নিশ্চয়তা, আল্লাহ্ তা'আলা যে তাদের উপর সন্তুষ্ট সেটা জানিয়ে দেয়া, তিনি যে তাদের প্রতি দয়াশীল সেটার বর্ণনা, তিনি যে তাদের জন্য স্থায়ী নে’আমতের ব্যবস্থা করেছেন সেটার পরিচয় দেয়া। (আত-তাহরীর ওয়াত তানওয়ীর)
(২২) সেখানে তারা চিরস্থায়ী হবে। নিশ্চয়ই আল্লাহর নিকটে আছে মহাপ্রতিদান। (1)
(1) এই সব আয়াতে সেই ঈমানদারদের ফযীলত ও মাহাত্ম্য বর্ণনা করা হয়েছে, যাঁরা হিজরত করেছেন এবং জান-মাল দিয়ে জিহাদে অংশগ্রহণ করেছেন। আল্লাহর নিকটে তাঁদের মর্যাদা সবার উচ্চে এবং তাঁরাই সফলকাম মানুষ। তাঁরাই আল্লাহর রহমত ও তাঁর সন্তুষ্টি এবং চিরস্থায়ী নিয়ামতের হকদার। তারা এর হকদার নয়, যারা নিজেদের মুখে সরল সাজে এবং নিজেদের বাপ-দাদাদের তরীকাকেই আল্লাহর প্রতি ঈমানের তুলনায় শ্রেয় ও প্রিয় মনে করে।