ওয়া ইউযহিব গাইজা কুলূবিহিম ওয়া ইয়াতূবুল্লা-হু ‘আলা-মাইঁ ইয়াশাউ ওয়াল্লা-হু ‘আলীমুন হাকীম।উচ্চারণ
আর তাদের অন্তরের জ্বালা জুড়িয়ে দেবেন এবং যাকে ইচ্ছা তাওবা করার তাওফীকও দান করবেন। ১৭ আল্লাহ সবকিছু জানেন এবং তিনি মহাজ্ঞানী। তাফহীমুল কুরআন
এবং তাদের মনের ক্ষোভ দূর করেন। আল্লাহ যার প্রতি ইচ্ছা তার তাওবা কবুল করেন। #%১৪%# আল্লাহ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়।মুফতী তাকী উসমানী
আর তাদের অন্তরসমূহের ক্ষোভ দূর করে দিবেন এবং যার প্রতি ইচ্ছা, আল্লাহ করুণা প্রদর্শন করবেন, আল্লাহ মহাজ্ঞানী, প্রজ্ঞাময়।মুজিবুর রহমান
এবং তাদের মনের ক্ষোভ দূর করবেন। আর আল্লাহ যার প্রতি ইচ্ছা ক্ষমাশীল হবে, আল্লাহ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
এবং তিনি এদের অন্তরের ক্ষোভ দূর করবেন। আল্লাহ্ যাকে ইচ্ছা তার প্রতি ক্ষমাপরায়ণ হন, আল্লাহ্ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর তাদের অন্তরসমূহের ক্রোধ দূর করবেন এবং আল্লাহ যাকে চান তার তাওবা কবুল করেন। আর আল্লাহ মহাজ্ঞানী, প্রজ্ঞাময়।আল-বায়ান
তিনি তাদের মনের জ্বালা নিভিয়ে দিবেন, আল্লাহ যাকে চাইবেন তাওবাহ করার তাওফীক দিবেন, আর আল্লাহ হলেন সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়।তাইসিরুল
আর তিনি তাদের বুকের ক্ষোভ দূর করবেন। আর যাকে ইচ্ছে করেন তার প্রতি আল্লাহ্ ফেরেন। আর আল্লাহ্ সর্বজ্ঞাতা, পরমজ্ঞানী।মাওলানা জহুরুল হক
১৭
এখানে একটি সম্ভাবনার দিকে হালকা ইঙ্গিত করা হয়েছে। তবে পরবর্তীতে এটি বাস্তব ঘটনার রূপে আত্মপ্রকাশ করে। মুসলমানরা মনে করেছিল, এ ঘোষণার সাথে সাথেই দেশে রক্তের নদী বয়ে যাবে। এ ভুল ধারণা দূর করার জন্য ইশারা-ইঙ্গিতে তাদের জানিয়ে দেয়া হয়েছে যে, এ কঠোর নীতি অবলম্বন করার কারণে যেখানে একদিকে যুদ্ধ বেধে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে সেখানে লোকদের তাওবার সৌভাগ্য লাভের সম্ভাবনাও রয়েছে। কিন্তু এ ইঙ্গিতকে খুব বেশী শানিত ও স্পষ্ট করা হয়নি। কারণ এর ফলে একদিকে মুসলমানদের যুদ্ধ প্রস্তুতি স্তিমিত হয়ে পড়তো এবং অন্যদিকে যে হুমকিটি মুশরিকদেরকে তাদের অবস্থানের নাজুকতার কথা ভাবার এবং পরিশেষে তাদের ইসলামী ব্যবস্থার মধ্যে বিলীন হবার জন্য উদ্বুদ্ধ করে ছিল তা হালকা ও নিষ্প্রভ হয়ে যেতো।
অর্থাৎ এটা অসম্ভব নয় যে, কাফেরগণ তাওবা করে ইসলামে প্রবেশ করবে। সুতরাং এর পরে বহু লোক সত্যিকারের মুসলিম হয়ে যায়।
১৫. আর তিনি তাদের(১) অন্তরের ক্ষোভ দূর করবেন এবং আল্লাহ যাকে ইচ্ছে তার তাওবা কবুল করবেন। আর আল্লাহ্ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়।
(১) অর্থাৎ ঈমানদারদের মনের ক্ষোভ দূর করবেন। (তাবারী)
(১৫) এবং ওদের হৃদয়ের ক্ষোভ দূর করবেন। (1) আল্লাহ যাকে ইচ্ছা তাকে তওবা করার তওফীক দিয়ে থাকেন। আর আল্লাহ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়।
(1) অর্থাৎ, মুসলিমরা যখন দুর্বল ছিল তখন মুশরিকরা তাদের উপর অত্যাচার করত। যার কারণে মুসলিমদের হৃদয় দুঃখ-পীড়িত ও ব্যথিত ছিল। যখন তোমাদের হাতে ওরা খুন হবে এবং অপমান ও লাঞ্ছনা তাদের ভাগে আসবে, তখন স্বাভাবিকভাবে অত্যাচারিত মুসলিমদের কলিজা ঠান্ডা হবে ও তাদের মনের রাগ ও ক্ষোভ দূর হয়ে যাবে