بَدِيعُ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلۡأَرۡضِۖ وَإِذَا قَضَىٰٓ أَمۡرٗا فَإِنَّمَا يَقُولُ لَهُۥ كُن فَيَكُونُ

বাদী‘উছছামা-ওয়া-তি ওয়াল আর দিওয়া ইযা-কাদাআমরন ফাইন্নামা-ইয়াকূলু লাহূ কুন ফাইয়াকূন।উচ্চারণ

তিনি আকাশসমূহ ও পৃথিবীর স্রষ্টা। তিনি যে বিষয়ের সিদ্ধান্ত নেন সে সম্পর্কে কেবলমাত্র হুকুম দেন ‘হও’, তাহলেই তা হয়ে যায়। তাফহীমুল কুরআন

তিনি আসমানসমূহ ও যমীনের অস্তিত্বদাতা। তিনি যখন কোনও বিষয়ের ফায়সালা করেন তখন কেবল এতটুকু বলেন যে, ‘হয়ে যাও’, অমনি তা হয়ে যায়। #%৮৩%#মুফতী তাকী উসমানী

তিনি আকাশ ও পৃথিবীর সৃষ্টিকর্তা এবং যখন তিনি কোন কাজ সম্পাদন করতে ইচ্ছা করেন তখন তার জন্য শুধুমাত্র ‘হও’ বলেন, আর তাতেই তা হয়ে যায়।মুজিবুর রহমান

তিনি নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের উদ্ভাবক। যখন তিনি কোন কার্য সম্পাদনের সিন্ধান্ত নেন, তখন সেটিকে একথাই বলেন, ‘হয়ে যাও’ তৎক্ষণাৎ তা হয়ে যায়।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

আল্লাহ্ আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর স্রষ্টা এবং যখন তিনি কোন কিছু করতে সিদ্ধান্ত করেন তখন তার জন্যে শুধু বলেন, ‘হও’, আর তা হয়ে যায়। ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তিনি আসমানসমূহ ও যমীনের স্রষ্টা। আর যখন তিনি কোন বিষয়ের সিদ্ধান্ত নেন, তখন কেবল বলেন ‘হও’ ফলে তা হয়ে যায়।আল-বায়ান

আল্লাহ আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর সৃজনকারী, যখন কোন কাজ করতে মনস্থ করেন, তখন তার জন্য শুধু বলেন, হয়ে যাও, তক্ষুনি তা হয়ে যায়।তাইসিরুল

মহাকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর আদি-স্রষ্টা! আর যখনই তিনি কোনো বিষয় বির্ধারিত করেন তিনি সে-সন্বন্ধে তখন শুধু বলেন -- “হও”, আর তা হয়ে যায়।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

খ্রিস্টান সম্প্রদায় হযরত ঈসা আলাইহিস সালামকে আল্লাহ তাআলার পুত্র বলে। ইয়াহুদীদের একটি দলও হযরত উযায়ের আলাইহিস সালামকে আল্লাহর পুত্র বলত। অন্য দিকে মক্কার মুশরিকগণ ফিরিশতাদেরকে আল্লাহর কন্যা বলত। এ আয়াত তাদের সকলের ধারণা খণ্ডন করছে। বোঝানো হচ্ছে যে, সন্তানের প্রয়োজন তো কেবল তার, যে অন্যের সাহায্যের মুখাপেক্ষী। আল্লাহ তাআলার এমন কোনও মুখাপেক্ষিতা নেই। কেননা তিনি নিখিল বিশ্বের স্রষ্টা ও মালিক। কোনও কাজে তাঁর কারও সাহায্য গ্রহণের দরকার হয় না। এ অবস্থায় তিনি সন্তানের মুখাপেক্ষী হবেন কেন? এ দলীলকেই যুক্তিবিদ্যার ঢঙে এভাবে পেশ করা যায় যে, প্রত্যেক সন্তান তার পিতার অংশ হয়ে থাকে এবং প্রত্যেক ‘সমগ্র’ তার অংশের মুখাপেক্ষী হয়ে থাকে। আল্লাহ তাআলা যেহেতু সব রকমের মুখাপেক্ষিতা থেকে মুক্ত ও পবিত্র। তাই তাঁর সত্তা অবিভাজ্য (বাসীত), যার কোনও অংশের প্রয়োজন নেই। সুতরাং তাঁর প্রতি সন্তান আরোপ করা তাকে মুখাপেক্ষী সাব্যস্ত করারই নামান্তর।

তাফসীরে জাকারিয়া

১১৭. তিনি আসমানসমূহ ও যমীনের উদ্ভাবক। আর যখন তিনি কোন কিছু করার সিদ্ধান্ত নেন, তখন তার জন্য শুধু বলেন, ‘হও’, ফলে তা হয়ে যায়।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

১১৭। তিনি গগন ও ভূবনের উদ্ভাবনকর্তা এবং যখন তিনি কিছু করার সিদ্ধান্ত নেন, তখন শুধু বলেন, ‘হও’ আর তা হয়ে যায়।(1)

(1) অর্থাৎ, তিনি সেই আল্লাহ, যিনি আসমান ও যমীনের প্রতিটি জিনিসের (সৃষ্টিকর্তা ও) মালিক। প্রত্যেকটি জিনিস তাঁর অনুগত। আসমান ও যমীনকে কোন নমুনা ছাড়াই তিনিই সৃষ্টি করেছেন। এ ছাড়াও তিনি যা করতে চান তার জন্য কেবল 'কুন' (হও) শব্দই তাঁর জন্য যথেষ্ট হয়। এমন সুমহান সত্তার আবার সন্তানাদির প্রয়োজন হয় কি করে?