وَلَا يَحۡسَبَنَّ ٱلَّذِينَ كَفَرُواْ سَبَقُوٓاْۚ إِنَّهُمۡ لَا يُعۡجِزُونَ

ওয়ালা-ইয়াহছাবান্নাল্লাযীনা কাফারূছাবাকূ ইন্নাহুম লা ইউ‘জিঝূন।উচ্চারণ

সত্য অস্বীকারকারীরা যেন এ ভুল ধারণা পোষণ না করে যে, তারা জিতে গেছে। নিশ্চয়ই তারা আমাকে হারাতে পারবে না। তাফহীমুল কুরআন

কাফেরগণ যেন কিছুতেই মনে না করে যে, তারা পরিত্রাণ পেয়ে গেছে। #%৪২%# এটা তো নিশ্চিত কথা যে, তারা (আল্লাহকে) ব্যর্থ করতে পারবে না।মুফতী তাকী উসমানী

যারা কাফির তারা (বদর প্রান্তরে প্রাণ বাঁচাতে পেরে) যেন মনে না করে যে, তারা পরিত্রাণ পেয়েছে, তারা মু’মিনগণকে হতবল করতে পারবেনা।মুজিবুর রহমান

আর কাফেররা যেন একা যা মনে না করে যে, তারা বেঁচে গেছে; কখনও এরা আমাকে পরিশ্রান্ত করতে পারবে না।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

কাফিররা যেন কখনও মনে না করে যে, তারা পরিত্রাণ পেয়েছে ; নিশ্চয়ই তারা মু’মিনগণকে হতবল করতে পারবে না। ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর কাফিররা যেন কখনও মনে না করে যে, তারা (আযাবের) নাগালের বাইরে চলে গিয়েছে, নিশ্চয় তারা (আল্লাহকে আযাব প্রদানে) অক্ষম করতে পারে না।আল-বায়ান

যারা কুফরী করে তারা যেন এটা ধারণা না করে যে তারা প্রাধান্য লাভ করে নিয়েছে, তারা মু’মিনদেরকে কক্ষনো পরাজিত করতে পারবে না।তাইসিরুল

আর যারা অবিশ্বাস পোষণ করে তারা যেন না ভাবে যে তারা ডিঙিয়ে যেতে পারবে। নিঃসন্দেহ তারা পরিত্রাণ পাবে না।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

এর দ্বারা সেই সকল কাফেরের দিকে ইশারা করা হয়েছে, যারা বদর যুদ্ধ থেকে পলায়ন করেছিল। অর্থাৎ তারা যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পালিয়ে যে একদম বেঁচে গেছে এমন নয়। তারা আমার ক্ষমতার বলয়ের মধ্যেই আছে। আমি যখন ইচ্ছা তাদেরকে শাস্তিদান করব। তারা আমার ইচ্ছা ব্যর্থ ও প্রতিহত করতে পারবে না। -অনুবাদক

তাফসীরে জাকারিয়া

৫৯. আর কাফেররা যেন কখনো মনে না করে যে, তারা নাগালের বাইরে চলে গিয়েছে; নিশ্চয় তারা (আল্লাহকে) অপারগ করতে পারবে না।(১)

(১) এ আয়াতে সে সমস্ত কাফেরের বিষয় আলোচনা করা হয়েছে, যারা বদর যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেনি বলে বেঁচে গেছে কিংবা অংশ নিয়েও পালিয়ে গিয়ে নিজের প্রাণ রক্ষা করেছে। (জালালাইন) তাদের সম্পর্কে বলা হয়েছে যে, এরা যেন এমন ধারণা না করে যে, বাস্তবিক পক্ষেই আমরা বেঁচে গেছি। কারণ, বদরের যুদ্ধটি কাফেরদের জন্য এক আযাব। এই পাকড়াও থেকে বেঁচে যাওয়া কারো পক্ষেই সম্ভব নয়। সুতরাং বলা হয়েছে (إِنَّهُمْ لَا يُعْجِزُونَ) অর্থাৎ এরা নিজেদের চতুরতার দ্বারা আল্লাহকে অপারগ করতে পারবে না, তিনি যখনই তাদেরকে ধরতে চাইবেন, তখন এরা এক পা ও সরতে পারবে না।

হয়তবা পৃথিবীতেই এরা ধরা পড়ে যেতে পারে, না হয় আখেরাতে তো তাদের আটকে পড়া অবধারিত। তিনি তাদেরকে ছাড় দেন কিন্তু ছেড়ে দেন না। সময়মত তিনি ঠিকই তাদের পাকড়াও করবেন। তিনি যে তাদের তাৎক্ষণিক শাস্তি না দিয়ে অবকাশ দিয়ে থাকেন এতে প্রচ্ছন্ন আনুগত্য ও সন্তুষ্টি অন্বেষণে ব্যপ্ত হয় এবং আল্লাহর কাছে উচ্চ মর্যাদা লাভ করতে পারে। অনুরূপভাবে তারা এর মাধ্যমে এমন গুণ ও চরিত্রের অধিকারী হবে যা অন্য কোনভাবে পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। আর সেটি হচ্ছে জিহাদের পথ। যার বর্ণনা পরবর্তী আয়াতে এসেছে। (সা’দী)

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(৫৯) আর অবিশ্বাসিগণ যেন কখনো মনে না করে যে, তারা (আমার) আয়ত্তের বাইরে চলে গেছে। তারা নিশ্চয়ই (আমাকে) হতবল করতে পারবে না।