যা-লিকা বিমা-কাদ্দামাত আইদীকুম ওয়া আন্নাল্লা-হা লাইছা বিজাল্লা-মিল লিল ‘আবীদ।উচ্চারণ
এ হচ্ছে সেই অপকর্মের প্রতিফল যা তোমরা আগেই করে রেখে এসেছো। নয়তো আল্লাহ তার বান্দাদের ওপর জুলুমকারী নন।” তাফহীমুল কুরআন
এসব, তোমরা নিজ হাতে যা সামনে পাঠিয়েছিলে তার প্রতিফল। আর আল্লাহ বান্দাদের প্রতি জুলুমকারী নন।মুফতী তাকী উসমানী
এই শাস্তি হল তোমাদের সেই কাজেরই পরিণাম ফল যা তোমাদের দু’হাত পূর্বাহ্নেই আয়োজন করেছিল, আল্লাহ তাঁর বান্দাদের উপর কখনও অত্যাচারী নন।মুজিবুর রহমান
এই হলো সে সবের বিনিময় যা তোমরা তোমাদের পূর্বে পাঠিয়েছ নিজের হাতে। বস্তুতঃ এটি এ জন্য যে, আল্লাহ বান্দার উপর যুলুম করেন না।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
এটা তা, তোমাদের হাত যা পূর্বে প্রেরণ করেছিল, আল্লাহ্ তো তার বান্দাদের প্রতি অত্যাচারী নন। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তোমাদের হাত আগে যা প্রেরণ করেছে সে কারণে এ পরিণাম। আর নিশ্চয় আল্লাহ বান্দাদের প্রতি যুলমকারী নন।আল-বায়ান
এটা হল তাই যা তোমাদের হস্তগুলো (অর্জন করে) আগে পাঠিয়েছে কেননা আল্লাহ তো তাঁর বান্দাহদের প্রতি অত্যাচারী নন।তাইসিরুল
এ এ-জন্য যা তোমাদের হাত আগবাড়িয়ে দিয়েছিল, আর আল্লাহ্ কখনো বান্দাদের প্রতি অত্যাচারী নন।মাওলানা জহুরুল হক
৫১. এটা তো সে কারণে, যা তোমাদের হাত আগে পাঠিয়েছিল, আর আল্লাহ্ তো তার বান্দাদের প্রতি অত্যাচারী নন।(১)
(১) এ আয়াতে কাফেরদেরকে সম্বোধন করে বলা হয়েছে, দুনিয়া ও আখেরাতে এ আযাব তোমাদের নিজেদের হাতেরই অর্জিত৷ সাধারণ কাজকর্ম যেহেতু হাতের দ্বারা সম্পাদিত হয়, সেহেতু এখানেও হাতেরই উল্লেখ করা হয়েছে। (জালালাইন) মৰ্মার্থ হল এই যে, এসব আযাব দুনিয়ার জীবনে তোমাদের নিজেদের খারাপ আমলেরই ফলাফল। সেটার শাস্তিই তোমাদের দেয়া হচ্ছে। (ইবন কাসীর)
আর এ কথা সত্য যে, আল্লাহ তার বান্দাদের উপর যুলুমকারী নন যে, অকারণেই কাউকে আযাবে নিপতিত করে দেবেন। হাদীসে কুদসীতে আল্লাহ্ তা'আলা বলেনঃ “হে আমার বান্দাগণ! আমি যুলুম করা আমার উপর নিষিদ্ধ করে নিয়েছি। আর তা তোমাদের উপরও হারাম করে দিয়েছি। সুতরাং তোমরা যুলুম করো না। হে আমার বান্দাগণ! এগুলো তো তোমাদের আমল যা আমি তোমাদের জন্য পুঙ্খানুপুঙ্খ হিসেব করে রাখি। যদি তোমাদের কেউ ভাল দেখতে পায়, তবে সে যেন আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করে। আর যদি এর ব্যতিক্রম দেখতে পায়, তবে যেন সে নিজেকে ছাড়া আর কাউকে তিরস্কার না করে। (মুসলিমঃ ২৫৭৭)
(৫১) এ হল তাদের কর্মফল। আর আল্লাহ তাঁর বান্দাদের প্রতি কখনও অন্যায় করেন না। (1)
(1) এই মার ও আযাব তোমাদের নিজেদেরই কর্মফল। নচেৎ আল্লাহ তাআলা বান্দাদের উপর অত্যাচার করেন না। বরং তিনি হলেন ন্যায়পরায়ণ বাদশাহ। তিনি প্রত্যেক ধরনের অন্যায় ও অত্যাচার করা হতে পাক-পবিত্র। হাদীসে কুদসীতে আল্লাহ তাআলা বলেছেন, ‘‘হে আমার বান্দারা! আমি নিজের উপর যুলুমকে হারাম করেছি এবং তোমাদের মাঝেও তা হারাম করে দিয়েছি। অতএব তোমরাও আপোসে যুলুম করো না। হে আমার বান্দারা! এটা তোমাদেরই কৃত আমল যা আমি গণনা করে রেখেছি। অতএব যে নিজের আমলে কল্যাণ পাবে, সে যেন আল্লাহর প্রসংশা করে। আর যে তার বিপরীত পাবে, সে যেন নিজেকেই ভৎর্সনা করে।’’ (সহীহ মুসলিমঃ নেকী করা ও অত্যাচার হারাম পরিচ্ছেদ)