قُل لِّلَّذِينَ كَفَرُوٓاْ إِن يَنتَهُواْ يُغۡفَرۡ لَهُم مَّا قَدۡ سَلَفَ وَإِن يَعُودُواْ فَقَدۡ مَضَتۡ سُنَّتُ ٱلۡأَوَّلِينَ

কুল লিল্লাযীনা কাফারূইয়ঁইয়ানতাহূইউগফারলাহুম মা-কাদ ছালাফা ওয়াইয়ঁ ইয়া‘ঊদূফাকাদ মাদাত ছুন্নাতুল আওওয়ালীন।উচ্চারণ

হে নবী! এ কাফেরদের বলে দাও, যদি এখনো তারা ফিরে আসে, তাহলে যা কিছু আগে হয়ে গেছে তা মাফ করা হবে। কিন্তু যদি তারা আগের আচরণের পুনরাবৃত্তি করে, তাহলে অতীতের জাতিগুলোর সাথে যা কিছু ঘটে গেছে তা সবার জানা। তাফহীমুল কুরআন

(হে নবী!) যারা কুফর অবলম্বন করেছে, তাদেরকে বলে দাও, তারা যদি নিবৃত্ত হয়, তবে অতীতে যা-কিছু হয়েছে তাদেরকে তা ক্ষমা করে দেওয়া হবে। #%২৩%# কিন্তু তারা যদি পুনরায় (সে কাজই) করে, তবে পূর্ববর্তী লোকদের সাথে যে আচরণ করা হয়েছে তা তো (তাদের সামনে) গত হয়েছেই। #%২৪%#মুফতী তাকী উসমানী

তুমি কাফিরদেরকে বলঃ তারা যদি অনাচার থেকে বিরত থাকে তাহলে তাদের পূর্বের অপরাধ যা হয়েছে তা আল্লাহ ক্ষমা করবেন। কিন্তু তারা যদি অন্যায়ের পুনরাবৃত্তি করে তাহলে পূর্ববর্তীদের দৃষ্টান্ততো রয়েছেই।মুজিবুর রহমান

তুমি বলে দাও, কাফেরদেরকে যে, তারা যদি বিরত হয়ে যায়, তবে যা কিছু ঘটে গেছে ক্ষমা হবে যাবে। পক্ষান্তরে আবারও যদি তাই করে, তবে পুর্ববর্তীদের পথ নির্ধারিত হয়ে গেছে।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

যারা কুফরী করে তাদেরকে বল, ‘যদি তারা বিরত হয় তবে যা অতীতে হয়েছে আল্লাহ্ তা ক্ষমা করবেন; কিন্তু তারা যদি অন্যায়ের পুনরাবৃত্তি করে তবে পূর্ববর্তীদের দৃষ্টান্ত তো আছে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যারা কুফরী করেছে তুমি তাদেরকে বল, যদি তারা বিরত হয় তাহলে অতীতে যা হয়েছে তাদেরকে তা ক্ষমা করা হবে। আর যদি তারা পুনরায় করে তাহলে পূর্ববর্তীদের (ব্যাপারে আল্লাহর) রীতি তো গত হয়েছে।আল-বায়ান

যারা কুফরী করে তাদেরকে বল, ‘তারা যদি নিবৃত্ত হয় তাহলে তারা পূর্বে যা করেছে তা ক্ষমা করা হবে, আর যদি (কুফরীর) পুনরাবৃত্তি করে, তাহলে আগের লোকেদের (প্রতি অনুসৃত) নীতির দৃষ্টান্ত তো অতীতের পাতাতেই আছে।’তাইসিরুল

যারা অবিশ্বাস পোষণ করে তাদের বলো -- যদি তারা নিবৃত্ত হয় তবে যা গত হয়ে গেছে তা তাদের ক্ষমা করা হবে, আর যদি তারা ফিরে যায় তবে পূর্ববর্তীদের ঘটনাবলী ইতিপূর্বে ঘটে গেছে।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

এ আয়াতে মূলনীতি বলে দেওয়া হয়েছে যে, কেউ যখন ঈমান আনে, তখন তার কুফরী অবস্থায় কৃত যাবতীয় গুনাহ মাফ হয়ে যায়। এমনকি আগের নামায, রোযা ও অন্যান্য ইবাদতের কাযা করাও জরুরী হয় না।

তাফসীরে জাকারিয়া

৩৮. যারা কুফরী করে তাদেরকে বলুন, যদি তারা বিরত হয় তবে যা আগে হয়ে গেছে আল্লাহ তা ক্ষমা করবেন; কিন্তু তারা যদি অন্যায়ের পুনরাবৃত্তি করে তবে পূর্ববর্তীদের রীতি তো গত হয়েছেই।(১)

(১) আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেনঃ এক লোক রাসূল সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামকে প্রশ্ন করলঃ হে আল্লাহর রাসূল! আমরা জাহেলিয়াতে (অর্থাৎ কাফের অবস্থায়) যা করেছি, তার জন্য কি জবাবদিহি করতে হবে? তিনি বললেনঃ যদি কেউ ইসলামে সুন্দরভাবে আমল করে তবে জাহেলিয়াতের কর্মকাণ্ডের জবাবদিহি করতে হবে না। আর যদি খারাপ আমল করে তবে পূর্বাপর সবকিছুর জন্যই ধরা হবে। (বুখারীঃ ৬৯২১)

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(৩৮) অবিশ্বাসীদেরকে তুমি বল, ‘যদি তারা (কুফরী ও অবিশ্বাস থেকে) বিরত হয়, তাহলে অতীতে তাদের যা (পাপ) হয়েছে আল্লাহ তা ক্ষমা করবেন,(1) কিন্তু তারা যদি অন্যায়ের পুনরাবৃত্তি করে, তাহলে পূর্ববর্তীদের (সাথে আমার আচরিত) রীতি তো রয়েছেই। (2)

(1) ‘বিরত হয়’ অর্থঃ মুসলিম হয়ে যায়। যেমন, হাদীসে বর্ণিত হয়েছে যে, যে ব্যক্তি ইসলাম গ্রহণ করে পুণ্যের রাস্তা অবলম্বন করবে, তাকে ঐ সকল পাপের জবাবদিহি করতে হবে না, যা সে ইসলাম গ্রহণের পূর্বে করেছে। আর যে ইসলাম গ্রহণ করার পরও পাপের পথ ছাড়বে না, তাকে পূর্বের ও পরের সকল আমলের ব্যাপারে পাকড়াও করা হবে। (বুখারী ও মুসলিম) এক অন্য হাদীসে বর্ণিত হয়েছে যে, ‘‘ইসলাম পূর্বের গোনাহসমূহকে মিটিয়ে দেয়।’’ (আহমাদ)

(2) যদি তারা কুফর ও শত্রুতার পথ ত্যাগ না করে, তাহলে আজ হোক বা কাল হোক আল্লাহর আযাবে পতিত হবে।