ওয়ামা-জা‘আলাহুল্লা-হু ইল্লা-বুশর-ওয়া লিতাতমাইন্না বিহী কুলূবুকুম ওয়া মান নাসরু ইল্লা-মিন ‘ইনদিল্লা-হি ইন্নাল্লা-হা ‘আঝীঝুন হাকীম।উচ্চারণ
একথা আল্লাহ তোমাদের শুধুমাত্র এ জন্য জানিয়ে দিলেন যাতে তোমরা সুখবর পাও এবং তোমাদের হৃদয় নিশ্চিন্ততা অনুভব করে। নয়তো সাহায্য যখনই আসে আল্লাহর পক্ষ থেকেই আসে। অবশ্যই আল্লাহ মহাপরাক্রমশালী ও মহাজ্ঞানী। তাফহীমুল কুরআন
এ প্রতিশ্রুতি আল্লাহ কেবল এজন্যই দিয়েছেন, যাতে এটা তোমাদের জন্য সুসংবাদ হয় এবং যাতে এর দ্বারা তোমাদের অন্তর প্রশান্তি লাভ করে, আর সাহায্য তো কেবল আল্লাহর পক্ষ থেকেই আসে। নিশ্চয়ই আল্লাহ মহা ক্ষমতাবান, প্রজ্ঞাময়।মুফতী তাকী উসমানী
আল্লাহ এটা করেছিলেন শুভ সংবাদ হিসাবে এবং যাতে তোমাদের চিত্ত আশ্বস্ত হয়। বস্তুতঃ সাহায্যতো শুধু আল্লাহর তরফ থেকেই হয়ে থাকে। আল্লাহ মহা পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।মুজিবুর রহমান
আর আল্লাহ তো শুধু সুসংবাদ দান করলেন যাতে তোমাদের মন আশ্বস্ত হতে পারে। আর সাহায্য আল্লাহর পক্ষ থেকে ছাড়া অন্য কারো পক্ষ থেকে হতে পারে না। নিঃসন্দেহে আল্লাহ মহাশক্তির অধিকারী হেকমত ওয়ালা।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
আল্লাহ্ এটা করেন কেবল শুভ সংবাদ দেওয়ার জন্যে আর এ উদ্দেশ্যে, যাতে তোমাদের চিত্ত প্রশান্তি লাভ করে; আর সাহায্য তো শুধু আল্লাহ্ র নিকট হতেই আসে; নিশ্চয়ই আল্লাহ্ পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর আল্লাহ তো তা করেছেন কেবল সুসংবাদস্বরূপ এবং যাতে এর দ্বারা তোমাদের অন্তরসমূহ প্রশান্ত হয় এবং সাহায্য তো আল্লাহর পক্ষ থেকেই। নিশ্চয় আল্লাহ পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।আল-বায়ান
আর আল্লাহ যে এটা করেছিলেন তার উদ্দেশ্য তোমাদেরকে সুসংবাদ দান ছাড়া অন্য কিছু নয় আর যাতে এর মাধ্যমে তোমাদের অন্তর প্রশান্তি লাভ করে। কেননা, সাহায্য তো একমাত্র আল্লাহর নিকট থেকেই আসে। আল্লাহ তো মহাপরাক্রমশালী, মহাবিজ্ঞানী।তাইসিরুল
আর আল্লাহ্ এটি করেন নি সুসংবাদ দান ছাড়া আর যেন এর দ্বারা তোমাদের হৃদয় প্রশান্তি লাভ করে, আর সাহায্য তো আসে না আল্লাহ্র কাছ থেকে ছাড়া। নিঃসন্দেহ আল্লাহ্ হচ্ছেন মহাশক্তিশালী, পরমজ্ঞানী।মাওলানা জহুরুল হক
অর্থাৎ সাহায্য করার জন্য ফিরিশতা পাঠানোর কোনও প্রয়োজন আল্লাহ তাআলার ছিল না। তাছাড়া ফিরিশতাদেরও নিজস্ব কোনও শক্তি নেই যে, তারা নিজেদের পক্ষ থেকে সাহায্য করবে। সাহায্য তো আল্লাহ তাআলা সরাসরিও করতে পারেন। কিন্তু মানুষের স্বভাব হল, কোনও জিনিসের আসবাব-উপকরণ সামনে দেখতে পেলে তাতে তার আস্থা বেশি হয় এবং মনও খুশি হয়। সে কারণেই এ প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। এ আয়াতে শিক্ষা দেওয়া হয়েছে যে, যে-কোনও কাজের জন্য যখন সে কাজের উপকরণাদি অবলম্বন করা হয়, তখন প্রতি মুহূর্তে চিন্তা করতে হবে এ উপকরণসমূহও আল্লাহ তাআলারই সৃষ্টি এবং এর যে প্রভাব ও কার্যকারিতা, তাও আল্লাহ তাআলার হুকুমেই দেখা দেয়। সুতরাং ভরসা উপকরণের উপর নয়, বরং আল্লাহ তাআলার ফযল ও তাঁর করুণার উপরই করতে হবে।
১০. আর আল্লাহ এটা করেছেন শুধু সুসংবাদ স্বরূপ এবং যাতে তোমাদের অন্তরসমূহ এর দ্বারা প্রশান্তি লাভ করে; আর সাহায্য তো শুধু আল্লাহর কাছ থেকেই আসে; নিশ্চয় আল্লাহ প্রবল পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।
(১০) আল্লাহ এটা করেন কেবল তোমাদেরকে শুভ সংবাদ দেওয়ার জন্য এবং এ উদ্দেশ্যে যাতে তোমাদের চিত্ত প্রশান্তি লাভ করে। আর সাহায্য তো শুধু আল্লাহর নিকট হতেই আসে।(1) নিশ্চয়ই আল্লাহ মহাপরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়।
(1) অর্থাৎ, ফিরিশতাদের অবতরণ কেবলমাত্র সুসংবাদ ও তোমাদের সান্ত্বনা দেওয়ার জন্য ছিল। তাছাড়া সত্যিকারে সাহায্য ছিল আল্লাহর পক্ষ থেকে। যিনি ফিরিশতা বিনাও তোমাদের সাহায্য করতে পারতেন। তবে এটা ভাবাও ঠিক নয় যে, ফিরিশতারা সরাসরি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেননি। হাদীস দ্বারা প্রমাণিত যে, ফিরিশতারাও যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেছিলেন এবং কিছু কাফেরদেরকে হত্যাও করেছিলেন। (দেখুনঃ বুখারী, মুসলিম যুদ্ধ অধ্যায়)