য়া কাত্তা‘না-হুমুছনাতাই ‘আশরতা আছবা-তান উমামা- ওয়াআওহাইনাইলামূছা-ইযিছতাছক-হু কাওমুহূআনিদরিব বি‘আসা-কাল হাজার ফামবাজাছাত মিনহুছনাতা- ‘আশরতা ‘আইনান কাদ ‘আলিমা কুল্লুউনা-ছিম মাশরবহুম ওয়াজাল্লালনা-‘আলাইহিমুল গামা-মা ওয়া আনঝালনা-‘আলাইহিমুল মান্না ওয়াছছালওয়া- কুলূমিন তাইয়িবা-তি মা-রঝাকনা-কুম ওয়া মা-জালামূনা-ওয়ালা-কিন ক-নূ আনফুছাহুম ইয়াজলিমূন।উচ্চারণ
আর তার জাতিকে আমি বারোটি পরিবারে বিভক্ত করে তাদেরকে স্বতন্ত্র গোত্রের রূপ দিয়েছিলাম। ১১৮ আর যখন মূসার কাছে তার জাতি পানি চাইলো তখন আমি তাকে ইঙ্গিত করলাম, অমুক পাথরে তোমরা লাঠি দিয়ে আঘাত করো। ফলে সেই পাথরটি থেকে অকস্মাত বারোটি ঝরণাধারা প্রবাহিত হলো এবং প্রত্যেকটি দল তাদের পানি গ্রহণ করার জায়গা নির্দিষ্ট করে নিল। আমি তাদের ওপর মেঘমালার ছায়া দান করলাম এবং তাদের ওপর অবতীর্ণ করলাম মান্না ও সালওয়া ১১৯ -যেসব ভাল ও পাক জিনিস তোমাদের দিয়েছি সেগুলো খাও। কিন্তু এরপর তারা যা কিছু করেছে তাতে আমার ওপর জুলুম করেনি বরং নিজেরাই নিজেদের ওপর জুলুম করেছে। তাফহীমুল কুরআন
আমি তাদেরকে (অর্থাৎ বনী ইসরাঈলকে) পৃথক-পৃথক দলরূপে বারটি খান্দানে বিভক্ত করে দিয়েছিলাম। যখন মূসার কওম তার কাছে পানি চাইল, তখন আমি ওহী মারফত তাকে হুকুম দিলাম, তোমার লাঠি দ্বারা অমুক পাথরে আঘাত কর। #%৮৮%# সুতরাং সে পাথর থেকে বারটি প্রস্রবণ উৎসারিত হল। প্রত্যেক খান্দান নিজ-নিজ পানি পানের স্থান জানতে পারল। আর আমি তাদেরকে মেঘের ছায়া দিলাম এবং তাদের উপর মান্ন ও সালওয়া অবতীর্ণ করলাম (ও বললাম,) আমি তোমাদেরকে যে উত্তম রিযক দান করেছি তা খাও। (এতদসত্ত্বেও তারা আমার যে অকৃতজ্ঞতা করল, তাতে) তারা আমার কোন ক্ষতি করেনি; বরং তারা তাদের নিজেদের প্রতিই জুলুম করেছে। মুফতী তাকী উসমানী
আমি বানী ইসরাঈলকে দ্বাদশ গোত্রে বিভক্ত করেছি। মূসার সম্প্রদায়ের লোকেরা যখন তার কাছে পানির দাবী জানাল, তখন আমি মূসার কাছে প্রত্যাদেশ পাঠালাম - তোমার লাঠি দ্বারা পাথরে আঘাত কর, ফলে ওটা হতে দ্বাদশ প্রস্রবণ উৎসারিত হল, প্রত্যেক গোত্র নিজ নিজ পানস্থান জেনে নিল। আর আমি তাদের উপর মেঘ দ্বারা ছায়া বিস্তার করলাম এবং তাদের জন্য আকাশ হতে ‘মান্না’ ও ‘সালওয়া’ খাদ্যরূপী নি‘আমাত অবতীর্ণ করলাম। সুতরাং (আমি বললাম) তোমাদেরকে যা কিছু পবিত্র জীবিকা দান করা হয়েছে তা আহার কর। (কিন্তু ওরা আমার শর্ত উপেক্ষা করে যুলম করল) তারা আমার উপর কোন যুলম করেনি, বরং তারা নিজেদের উপরই যুলম করেছে।মুজিবুর রহমান
আর আমি পৃথক পৃথক করে দিয়েছি তাদের বার জন পিতামহের সন্তানদেরকে বিরাট বিরাট দলে, এবং নির্দেশ দিয়েছি মুসাকে, যখন তার কাছে তার সম্প্রদায় পানি চাইল যে, স্বীয় যষ্টির দ্বারা আঘাত কর এ পাথরের উপর। অতঃপর এর ভেতর থেকে ফুটে বের হল বারটি প্রস্রবণ। প্রতিটি গোত্র চিনে নিল নিজ নিজ ঘাঁটি। আর আমি ছায়া দান করলাম তাদের উপর মেঘের এবং তাদের জন্য অবতীর্ন করলাম মান্না ও সালওয়া। যে পরিচ্ছন্ন বস্তুত জীবিকারূপে আমি তোমাদের দিয়েছি, তা থেকে তোমরা ভক্ষণ কর। বস্তুতঃ তারা আমার কোন ক্ষতি করেনি, বরং ক্ষতি করেছে নিজেদেরই।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
তাদেরকে আমি দ্বাদশ গোত্রে বিভক্ত করেছি। মূসার সম্প্রদায় যখন তার নিকট পানি প্রার্থনা করল, তখন তার প্রতি প্রত্যাদেশ করলাম, ‘তোমার লাঠি দিয়ে পাথরে আঘাত কর’, ফলে এটা হতে দ্বাদশ প্রস্রবণ উৎসারিত হল। প্রত্যেক গোত্র নিজ নিজ পানস্থান চিনে নিল, আর মেঘ দিয়ে তাদের ওপর ছায়া বিস্তার করেছিলাম, তাদের নিকট মান্না ও সালওয়া পাঠিয়েছিলাম আর বলেছিলাম, ‘উত্তম যা তোমাদেরকে দিয়েছি তা হতে আহার কর।’ তারা আমার প্রতি কোন জুলুম করে নাই, কিন্তু তারা নিজেদের প্রতিই জুলুম করছিল। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর আমি তাদেরকে বিভক্ত করেছি বারোটি জাতি-গোত্রে। আমি মূসার কাছে ওহী পাঠালাম- যখন তার কওম তার কাছে পানি চাইল- যে, ‘তুমি তোমার লাঠি দিয়ে পাথরে আঘাত কর’। ফলে এ থেকে উৎসারিত হল বারোটি ঝর্ণা। প্রত্যেক গোত্র চিনে নিল নিজদের পানস্থান। আর আমি তাদের উপর মেঘের ছায়া দিয়েছিলাম এবং তাদের উপর নাযিল করেছিলাম মান্না* ও সালওয়া** । ‘তোমাদেরকে যে রিযিক দিয়েছি তা থেকে পবিত্র বস্তু আহার কর’। আর তারা আমার প্রতি যুলম করেনি, বরং তারা নিজদের উপরই যুলম করত।আল-বায়ান
আমি তাদেরকে বারটি গোত্রে বা জাতিতে বিভক্ত করেছিলাম। মূসার জাতির লোকেরা যখন তার কাছে পানি চাইল তখন আমি মূসার প্রতি ওয়াহী অবতীর্ণ করলাম যে, তোমার লাঠি দিয়ে পাথরে আঘাত কর। এর ফলে তাত্থেকে বারটি ঝর্ণা উৎসারিত হল। প্রত্যেক গোত্র তাদের পানি পানের স্থান চিনে নিল, তাদেরকে মেঘের ছায়ায় আশ্রয় দিলাম, তাদের উপর আমি মান্না ও সালওয়া অবতীর্ণ করলাম আর বললাম, ‘তোমাদেরকে আমি যে জীবিকা দিয়েছি তাত্থেকে পবিত্র বস্তুগুলো আহার কর।’ (কিন্তু তারা আমার নির্দেশ অমান্য করে) আমার প্রতি কোন যুলম করেনি, প্রকৃতপক্ষে তারা নিজেদের উপরই যুলম করছিল।তাইসিরুল
আর আমরা তাদের বিভক্ত করেছিলাম বারোটি গোত্রে দলে। আর মূসার কাছে আমরা প্রেরণা দিলাম যখন তাঁর লোকেরা তাঁর কাছে পানি চাইল, এই বলে -- "তোমার লাঠি দিয়ে পাথরে আঘাত করো।" তখন তা থেকে বারোটি ঝরনা প্রবাহিত হলো। প্রত্যেক গোত্র আপন জলপান-স্থান চিনে নিলো। আর তাদের উপরে আমরা মেঘ দিয়ে আচ্ছাদান করেছিলাম, আর তাদের কাছে পাঠিয়েছিলাম 'মান্না’ ও 'সালওয়া’, -- "তোমাদের যা জীবিকা দিয়েছি তার ভালো ভালো জিনিস থেকে আহার করো।" কিন্তু তারা আমাদের কোনো অনিষ্ট করে নি, বরং তারা তাদের নিজেদের প্রতি অনিষ্ট করছিল।মাওলানা জহুরুল হক
১১৮
সূরা মায়েদার ১২ আয়াতে বনী ইসরাঈলের সমাজ কাঠামো পুনর্গঠন ও পুনর্বিন্যাস প্রসঙ্গে যে কথা বলা হয়েছে এবং বাইবেলের গণনা পুস্তকে যে সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে সেদিকেই এ আয়াতে ইঙ্গিত করা হয়েছে। এ থেকে জানা যায়, আল্লাহর আদেশে হযরত মূসা সিনাই পাহাড়ের জনবসতিহীন এলাকায় অবস্থানকালে বনী ইসরাঈল জাতির আদমশুমারী সম্পন্ন করেন। হযরত ইয়াকূবের দশ ছেলে এবং হযরত ইউসুফের দুই ছেলের বংশের ভিত্তিতে ১২ টি পরিবারকে পৃথকভাবে ১২টি গোত্র বা গোষ্ঠীতে বিন্যস্ত ও সংগঠিত করেন। প্রত্যেকটি দলে একজন সরদার নিযুক্ত করেন। তাদের দায়িত্ব ছিল, নৈতিক, ধর্মীয়, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, সামরিক দিক দিয়ে দলের মধ্যে নিয়ম-শৃংখলা প্রতিষ্ঠিত রাখা এবং তাদের মধ্যে শরীয়াতের বিধান জারী করা। এছাড়া হযরত ইয়াকুবের যে দ্বাদশতম পুত্র লাবীর বংশে হযরত মূসা ও হযরত হারুনের জন্ম হয়েছিল, সেই শাখাটিকে বাদবাকী সব ক'টি গোত্রের মধ্যে সত্যের আলোক শিখা সমুজ্জ্বল রাখার দায়িত্ব পালনের জন্য একটি পৃথক দলের আকারে সংগঠিত করেন।
১১৯
ওপরে যে পুনর্গঠন ও পুনর্বিন্যাসের কথা বলা হয়েছে, সেটি ছিল মহান আল্লাহ বনী ইসরাঈলীদের ওপর যেসব অনুগ্রহ করেছিলেন তার অন্যতম। এরপর এখানে আরো তিনটি অনুগ্রহের কথা বর্ণনা করা হয়েছে।
একঃ সিনাই উপদ্বীপের জনমানবহীন এলাকায় তাদের জন্য অলৌকিক উপায়ে পানি সরবরাহের ব্যবস্থা করা হয়। দুই, রৌদ্র তাপ থেকে বাঁচাবার জন্য তাদের ওপর আকাশে মেঘমালার ছায়া রচনা করা হয়। তিন, মান্না ও সালওয়ার আকারে তাদের জন্য খাদ্য সরবরাহের অস্বাভাবিক ব্যবস্থা করা হয়। তাদের জীবন ধারণের জন্য এ তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যবস্থা না করা হলে কয়েক লাখ জনসংখ্যা সম্বলিত এ জাতিটি এ খাদ্য-পানীয় বিহীন পাহাড়-মরু-প্রান্তরে ক্ষুধা পিপাসায় একেবারেই নিশ্চিহ্ন হয়ে যেতো। আজো কোন ব্যক্তি সেই এলাকায় গেলে সেখানকার পরিবেশ দেখে অবাক হয়ে যাবে। অকস্মাৎ পনের-বিশ লাখ মানুষ যদি সেই এলাকায় গিয়ে ওঠে তাহলে তাদের জন্য খাদ্য পানীয় ও ছায়াদানের কি ব্যবস্থা করা যেতে পারে, তা তার মাথায়ই আসবে না। বর্তমানে সমগ্র সিনাই উপদ্বীপের জনসংখ্যা ৫৫ হাজারের বেশী নয়। আর আজ এই বিশ শতকেও যদি কোন দেশের শাসক সেখানে ৫ লাখ সৈন্য নিয়ে যেতে চায়, তাহলে তাদের জন্য খাদ্য পানীয় সরবরাহের ব্যবস্থাপনা তার বিশেষজ্ঞদের মাথা ব্যাথার কারণ হয়ে দাঁড়াবে। এ কারণে আল্লাহর কিতাব অমান্যকারী ও মুজিযা অস্বীকারকারী বহু আধুনিক পুরাতত্ত্ববিদ ও গবেষকগণ একথা মানতেই চান না যে, বনী ইসরাঈলীরা সিনাই উপদ্বীপের কুরআনে ও বাইবেলে উল্লেখিত অংশ অতিক্রম করেছিল। তাদের ধারণা, সম্ভবত এ ঘটনাগুলো ফিলিস্তিনের দক্ষিণে ও আরবের উত্তরের এলাকায় কোথাও সংঘটিত হয়ে থাকবে। সিনাই উপদ্বীপের প্রাকৃতিক, অর্থনৈতিক ও ভৌগলিক পরিবেশ যে রকম, তা দেখে তারা কল্পনাও করতে পারেন না যে এত বড় একটা জাতির পক্ষে এখানে বছরের পর বছর এক একটি এলাকায় তাঁবু খাঁটিয়ে অবস্থান করতে করতে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব। বিশেষ করে যখন মিসরের দিক থেকেও তাদের খাদ্য সরবরাহের পথ রুদ্ধ ছিল এবং অন্যদিকে পূর্ব ও উত্তরে আমালিকা গোত্রগুলো তাদের বিরোধিতার ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিল। এসব বিষয় বিবেচনা করলে সঠিকভাবে অনুমান করা যেতে পারে যে, এ কয়েকটি সংক্ষিপ্ত আয়াতে মহান আল্লাহ বনি ইসরাঈলীদের প্রতি নিজের যে সমস্ত অনুগ্রহের কথা বর্ণনা করেছেন, তা আসলে কত বড় অনুগ্রহ ছিল। এরপর আল্লাহর দান ও অনুগ্রহের এ ধরনের সুস্পষ্ট ও দ্ব্যর্থহীন নিদর্শনাবলী দেখার পরও আল্লাহর সাথে এ জাতির নাফরমানী ও বিশ্বাসঘাতকতার যে ধারাবাহিক ঘটনাবলীতে ইতিহাসের পাতা পরিপূর্ণ, তা থেকে বুঝা যায় যে তারা কত বড় অকৃতজ্ঞ ছিল। (তুলনামূলক অধ্যয়নের জন্য দেখুন সূরা বাকারা ৭২, ৭৩ ও ৭৬ টীকা)
১৬০ থেকে ১৬২ নং পর্যন্ত আয়াতসমূহে যে সমস্ত ঘটনার দিকে ইশারা করা হয়েছে, তা সূরা বাকারায় (২ : ৫৭-৬১) গত হয়েছে। এর ব্যাখ্যার জন্য সেসব আয়াতের টীকা দেখুন।
১৬০. আর তাদেরকে আমরা বারটি গোত্রে বিভক্ত করেছি। আর মূসার সম্প্রদায় যখন তার কাছে পানি চাইল, তখন আমরা তার প্রতি ওহী পাঠালাম, আপনার লাঠির দ্বারা পাথুরে আঘাত করুন; ফলে তা থেকে বারটি ঝর্ণা ধারা উৎসারিত হল। প্রত্যেক গোত্র নিজ নিজ পানস্থান চিনে নিল। আর আমরা মেঘ দ্বারা তাদের উপর ছায়া দান করেছিলাম এবং তাদের উপর আমরা মান্না ও সালওয়া নাযিল করেছিলাম। (বলেছিলাম) তোমাদের যে রিযক দিয়েছি তা থেকে পবিত্র বস্তু খাও। আর তারা আমাদের প্রতি কোন যুলম করেনি, বরং তারা নিজদের উপরই যুলুম করত।
(১৬০) আর তাদেরকে আমি বারটি গোত্রে তথা দলে বিভক্ত করেছিলাম।(1) মূসার সম্প্রদায় যখন তার নিকট পানি প্রার্থনা করল, তখন তার প্রতি প্রত্যাদেশ করলাম, ‘তোমার লাঠি দ্বারা পাথরে আঘাত কর।’ ফলে তা থেকে বারটি প্রস্রবণ উৎসারিত হল, প্রত্যেক গোত্র নিজ নিজ পানস্থান চিনে নিল। এবং মেঘ দ্বারা তাদের উপর ছায়া বিস্তার করলাম, তাদের নিকট ‘মান্ন্’ ও ‘সালওয়া’ পাঠালাম; (বললাম,) ‘তোমাদের যা পবিত্র রুযী দিয়েছি তা আহার কর।’ (কিন্তু তারা নির্দেশ অমান্য করল। আর তাতে) তারা আমার প্রতি কোন অত্যাচার করেনি; আসলে তারা নিজেদের প্রতিই অত্যাচার করেছিল।
(1) أسباط শব্দটি سِبط এর বহুবচন, অর্থ পৌত্র। এখানে গোত্রের অর্থে ব্যবহার হয়েছে। অর্থাৎ, ইয়াক্বূব (আঃ)-এর ১২টি সন্তান থেকে ১২টি গোত্র আবির্ভূত হল। মহান আল্লাহ প্রত্যেক গোত্রের জন্য এক একটি দলপতি (পর্যবেক্ষক) নিযুক্ত করে দিয়েছিলেন। আল্লাহর বাণী ‘‘আমি তাদেরই মধ্য হতে ১২ জন নেতা প্রেরণ করেছিলাম।’’ (সূরা মাইদাহ ১২ আয়াত) ঐ ১২টি গোত্রের কোন কোন গুণে একটি অপরটির তুলনায় উৎকৃষ্ট হওয়ার কারণে পৃথক পৃথক দল হওয়াকে এক অনুগ্রহ বলে বর্ণনা করেছেন।