قَالَ أَغَيۡرَ ٱللَّهِ أَبۡغِيكُمۡ إِلَٰهٗا وَهُوَ فَضَّلَكُمۡ عَلَى ٱلۡعَٰلَمِينَ

ক-লা আগাইরল্লা-হি আবগীকুম ইলা-হাওঁ ওয়া হুওয়া ফাদ্দালাকুম ‘আলাল ‘আ-লামীন।উচ্চারণ

মূসা আরো বললোঃ “আমি কি তোমাদের জন্য আল্লাহ‌ ছাড়া অন্য কোন ইলাহ খুজবো? অথচ আল্লাহই সারা দুনিয়ার সমস্ত জাতি গোষ্ঠির ওপর তোমাদের শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন। তাফহীমুল কুরআন

(এবং) সে বলল, তোমাদের জন্য কি আল্লাহ ছাড়া অন্য কোন উপাস্য খুঁজে আনব? অথচ তিনিই তোমাদেরকে বিশ্বজগতের সমস্ত মানুষের উপর শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছেন।মুফতী তাকী উসমানী

সে বললঃ আমি কি আল্লাহকে ছেড়ে তোমাদের জন্য অন্য মা‘বূদের সন্ধান করব? অথচ তিনিই হলেন একমাত্র আল্লাহ যিনি তোমাদেরকে বিশ্ব জগতে শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন!মুজিবুর রহমান

তিনি বললেন, তাহলে কি আল্লাহকে ছাড়া তোমাদের জন্য অন্য কোন উপাস্য অনুসন্ধান করব, অথচ তিনিই তোমাদিগকে সারা বিশ্বে শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

সে আরও বলল, ‘আল্লাহ্ ব্যতীত তোমাদের জন্যে আমি কি অন্য ইলাহ্ খুঁজব অথচ তিনি তোমাদেরকে বিশ্বজগতের ওপর শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছেন ?’ ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সে বলল, ‘আল্লাহ ছাড়া আমি কি তোমাদের জন্য অন্য ইলাহ সন্ধান করব অথচ তিনি তোমাদেরকে সকল সৃষ্টির উপর শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছেন?’আল-বায়ান

সে বলল, ‘আমি কি আল্লাহ ছাড়া তোমাদের জন্য অন্য ইলাহ খুঁজব অথচ তিনি তোমাদেরকে বিশ্বজগতের উপর প্রাধান্য দিয়েছেন?’তাইসিরুল

তিনি বললেন -- "আমি কি আল্লাহ্ ছাড়া তোমাদের জন্য অন্য উপাস্য খুঁজবো, অথচ তিনি তোমাদের শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছেন সমস্ত বিশ্বজগতের উপরে?"মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

তাফসীরে জাকারিয়া

১৪০. তিনি আরো বললেন, আল্লাহ ছাড়া তোমাদের জন্য আমি কি অন্য ইলাহ খোঁজ করব অথচ তিনি তোমাদেরকে সৃষ্টিকুলের উপর শ্ৰেষ্ঠত্ব দিয়েছেন?

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(১৪০) সে আরো বলল, ‘আমি কী আল্লাহকে ছেড়ে তোমাদের জন্য অন্য উপাস্য খুঁজব, অথচ তিনি তোমাদেরকে বিশ্ব জগতের উপর শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছেন?’ (1)

(1) যে মহান আল্লাহ তোমাদের উপর এত অনুগ্রহ করেছেন যে, সারা বিশ্বে তোমাদেরকে সম্মানিত করেছেন, তাঁকে ছেড়ে তোমাদের জন্য পাথর বা কাঠের তৈরী মূর্তি খুঁজে দেব? অর্থাৎ, এই অকৃতজ্ঞতা ও নিমকহারামির কাজ কেমন করে করতে পারি? পরবর্তী আয়াতে আল্লাহর আরো কিছু অনুগ্রহের কথা বর্ণনা হচ্ছে।