فَلَمَّا كَشَفۡنَا عَنۡهُمُ ٱلرِّجۡزَ إِلَىٰٓ أَجَلٍ هُم بَٰلِغُوهُ إِذَا هُمۡ يَنكُثُونَ

ফালাম্মা-কাশাফনা-‘আনহুমুর রিজঝা ইলাআজালিন হুম বা-লিগূহু ইযা-হুম ইয়ানকুছূ ন।উচ্চারণ

কিন্তু যখনই তাদের ওপর থেকে আযাব সরিয়ে নিতাম একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য, অমনি তারা সেই অঙ্গীকার ভঙ্গ করতো। তাফহীমুল কুরআন

অতঃপর যেই আমি তাদের উপর থেকে এক মেয়াদকাল পর্যন্ত আযাব দূর করতাম, যে পর্যন্ত তাদের পৌঁছা অবধারিত ছিল, #%৬৬%# অমনি তারা তাদের প্রতিশ্রুতি থেকে ফিরে যেত।মুফতী তাকী উসমানী

কিন্তু যখনই আমি তাদের উপর হতে প্লেগের শাস্তির সেই সময়টি অপসারিত করতাম যা তাদের জন্য নির্ধারিত ছিল, তখনই আবার তারা প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করত।মুজিবুর রহমান

অতঃপর যখন আমি তাদের উপর থেকে আযাব তুলে নিতাম নির্ধারিত একটি সময় পর্যন্ত-যেখান পর্যন্ত তাদেরকে পৌছানোর উদ্দেশ্য ছিল, তখন তড়িঘড়ি তারা প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করত।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

আমি যখনই তাদের ওপর হতে শাস্তি অপসারিত করতাম এক নির্দিষ্ট কালের জন্যে যা তাদের জন্যে নির্ধারিত ছিল, তারা তখনই তাদের অঙ্গীকার ভঙ্গ করত। ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর যখনই আমি তাদের থেকে আযাব সরিয়ে নিতাম কিছু কালের জন্য যা তাদের জন্য নির্ধারিত ছিল, তখনই তারা অঙ্গীকার ভঙ্গ করত।আল-বায়ান

অতঃপর যখন তাদের উপর থেকে বিপদ সরিয়ে দিতাম একটা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত যা তাদেরকে পূর্ণ করতে হত, তখন তারা অঙ্গীকার ভঙ্গ করত।তাইসিরুল

কিন্তু যখন আমরা তাদের থেকে মহামারী দূর করলাম নির্দিষ্ট সময়ের জন্য যাতে তারা পৌঁছুল, দেখো! তারা ভঙ্গ করলো!মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

অর্থাৎ আল্লাহ তাআলার জ্ঞানে ও তাদের নিয়তিতে একটা সময় তো স্থিরীকৃত ছিলই, যে সময় আসলে তাদেরকে আযাব দিয়ে ধ্বংস করা হবে। কিন্তু তার আগে যে ছোট-ছোট আযাব আসছিল তা কিছু কালের জন্য সরিয়ে নেওয়া হল।

তাফসীরে জাকারিয়া

১৩৫. আমরা যখনই তাদের উপর থেকে শাস্তি(১) দূর করে দিতাম এক নির্দিষ্ট সময়ের জন্য যা তাদের জন্য নির্ধারিত ছিল, তারা তখনই তাদের অঙ্গীকার ভংগ করত।

(১) এখানে শাস্তি বলে মহামারী জাতীয় কিছু বুঝানো হয়েছে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মহামারী এমন একটি শাস্তি যা আল্লাহ বনী ইসরাঈলের উপর পাঠিয়েছিলেন। সুতরাং যখন তোমরা শুনবে যে, কোথাও তা বিদ্যমান তখন তোমরা সেখানে যেও না। আর যদি মহামারী এলাকায় তোমরা থাক, তবে সেখান থেকে পালানোর জন্য বের হয়ো না। (বুখারীঃ ৬৯৭৪, মুসলিমঃ ২২১৮)

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(১৩৫) কিন্তু যখনই তাদের উপর হতে এক নির্দিষ্টকালের জন্য শাস্তি অপসারিত করতাম -- যা তাদের জন্য নির্ধারিত ছিল, তারা তখনই তাদের অঙ্গীকার ভঙ্গ করত। (1)

(1) অর্থাৎ, যখন একটি আযাব আসত, তখন তাতে পেরেশান হয়ে তা দূর করার জন্য তারা মূসা (আঃ)-এর নিকট আসত। অতঃপর তাঁর দু’আর কারণে তা দূর হয়ে যেত। কিন্তু তারা ঈমান আনার পরিবর্তে কুফরী ও শিরকের উপরই অটল থাকত। আবার দ্বিতীয় আযাব এলে তাই করত। এভাবে সময়ের ব্যবধানে তাদের উপর পাঁচ পাঁচটি আযাব আসে। কিন্তু তাদের অন্তরের ঔদ্ধত্য ও মস্তিষ্কের গর্ব সত্যের পথে পাহাড় হয়ে দাঁড়ায়। আর এত এত স্পষ্ট প্রমাণাদি দেখার পরও তারা ঈমানের সম্পদ হতে বঞ্চিত থেকে যায়।