ইয়া’তূকা বিকুল্লি ছা-হিরীন ‘আলীম।উচ্চারণ
তারা প্রত্যেক সুদক্ষ যাদুকরকে আপনার কাছে নিয়ে আসবে। ৮৯ তাফহীমুল কুরআন
যাতে তারা সকল দক্ষ যাদুকরকে আপনার কাছে নিয়ে আসে। #%৬১%#মুফতী তাকী উসমানী
যেন তারা আপনার (ফির‘আউন) নিকট প্রত্যেক সুদক্ষ যাদুকরকে উপস্থিত করে।মুজিবুর রহমান
যাতে তারা পরাকাষ্ঠাসম্পন্ন বিজ্ঞ যাদুকরদের এনে সমবেত করে।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
‘যেন তারা তোমার নিকট প্রতিটি সুদক্ষ জাদুকর উপস্থিত করে।’ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
‘তারা আপনার কাছে সকল বিজ্ঞ যাদুকরকে নিয়ে আসবে।’আল-বায়ান
তারা তোমার কাছে সব বড় বড় যাদুকরকে নিয়ে আসবে।তাইসিরুল
তোমার কাছে তারা নিয়ে আসুক প্রত্যেক ঝানু জাদুকর।মাওলানা জহুরুল হক
৮৯
ফেরাউনের সভাসদদের এ বক্তব্য থেকে সুস্পষ্টভাবে একথা জানা যায় যে, আল্লাহর নিদর্শন ও যাদুর মধ্যকার পার্থক্য তাদের কাছে একেবারেই পানির মত পরিষ্কার ছিল। তারা জানতো, আল্লাহর নিদর্শনের সাহায্যে প্রকৃত ও সত্যিকার পরিবর্তন অনুষ্ঠিত হয়। আর যাদু নিছক দৃষ্টিশক্তি ও মনকে প্রভাবিত করে বস্তুর মধ্যে একটি বিশেষ ধরনের পরিবর্তন অনুভব করায়। তাই তারা হযরত মূসার রিসালাতের দাবী প্রত্যাখ্যান করার জন্য বলে, এ ব্যক্তি যাদুকর। অর্থাৎ লাঠি আসলে সাপে পরিণত হয়নি, কাজেই তাকে আল্লাহর নিদর্শন বলে মেনে নেয়া যাবে না। বরং সেটি যেন সাপের মত বলে আমাদের দৃষ্টিতে প্রতিভাত হয়েছে। প্রত্যেক যাদুকর এভাবেই তার তেলেসমাতি দেখিয়ে থাকে। তারপর তারা পরামর্শ দেয়, সারা দেশের শ্রেষ্ঠ দক্ষ যাদুকরদেরকে একত্র করা হোক এবং তাদের যাদুকরী শক্তির মাধ্যমে লাঠি ও রশিকে সাপে পরিণত করে লোকদের দেখানো হোক। এর ফলে নবী সুলভ এ মুজিযা দেখে সাধারণ লোকদের মনে যে উচ্চতর ধারণার সৃষ্টি হয়েছে তা পুরোপুরি দূর না হলেও কমপক্ষে সন্দেহে রূপান্তরিত করা যাবে।
যাদুকরদেরকে একত্র করার উদ্দেশ্য ছিল তাদের দ্বারা মুকাবিলা করিয়ে মূসা আলাইহিস সালামকে হার মানানো।
১১২. যেন তারা তোমার কাছে প্রতিটি সুদক্ষ জাদুকর উপস্থিত করে।
(১১২) যেন তারা আপনার নিকট প্রতিটি সুদক্ষ যাদুকর উপস্থিত করে।’ ((1))
(1) মূসা (আঃ)-এর সময়কালে যাদুর প্রচলন ছিল অত্যন্ত বেশি। সেই কারণে মূসা (আঃ)-এর পেশকৃত মু’জিযাকেও তারা যাদু ভাবল ও যাদু দ্বারা তার মুকাবিলা করার পরিকল্পনা করল। যেমন অন্যত্র বলা হয়েছে যে, ফিরআউন ও তার প্রধানেরা বলল, ‘হে মূসা তুমি কি আমাদের নিকট এসেছ তোমার যাদু দ্বারা আমাদেরকে আমাদের দেশ হতে বহিষ্কার করে দেয়ার জন্য? আমরাও অবশ্যই তোমার নিকট উপস্থিত করব এর অনুরূপ যাদু, সুতরাং আমাদের ও তোমার মাঝে নির্ধারণ কর এক নির্দিষ্ট সময় ও এক মধ্যবর্তী স্থান, যার ব্যতিক্রম আমরাও করব না এবং তুমিও করবে না।’ মূসা বলল, ‘তোমাদের নির্ধারিত সময় উৎসবের দিন এবং সেই দিন পূর্বাহ্নে জনগণকে সমবেত করা হবে।’ (সূরা ত্বাহা ৫৭-৫৯)