وَلَن يَتَمَنَّوۡهُ أَبَدَۢا بِمَا قَدَّمَتۡ أَيۡدِيهِمۡۚ وَٱللَّهُ عَلِيمُۢ بِٱلظَّـٰلِمِينَ

ওয়া লাইঁ ইয়াতামান্নাওহু আবাদাম বিমা- কাদ্দামাত আইদীহিম ওয়াল্লা-হু ‘আলীমুম বিজ্জা-লিমীন।উচ্চারণ

নিশ্চিতভাবে জেনে রাখো, তারা কখনো এটা কামনা করবে না। কারণ তারা স্বহস্তে যা কিছু উপার্জন করে সেখানে পাঠিয়েছে তার স্বাভাবিক দাবী এটিই (অর্থাৎ তারা সেখানে যাওয়ার ইচ্ছা পোষণ করবে না) । আল্লাহ‌ ঐ সব যালেমদের অবস্থা ভালোভাবেই জানেন। তাফহীমুল কুরআন

কিন্তু (আমি বলে দিচ্ছি), তারা তাদের যে কৃতকর্ম সামনে পাঠিয়েছে, সে কারণে কখনও এরূপ আকাঙ্ক্ষা করবে না। #%৭০%# আল্লাহ জালিমদের সম্পর্কে সবিশেষ অবহিত।মুফতী তাকী উসমানী

এবং তাদের হস্তসমূহ পূর্বে যা প্রেরণ করেছে তজ্জন্য তারা কখনই তা কামনা করবেনা এবং আল্লাহ অত্যাচারীদের সম্বন্ধে সবিশেষ অবগত আছেন।মুজিবুর রহমান

কস্মিনকালেও তারা মৃত্যু কামনা করবে না ঐসব গোনাহর কারণে, যা তাদের হাত পাঠিয়ে দিয়েছে। আল্লাহ গোনাহগারদের সম্পর্কে সম্যক অবগত রয়েছেন।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

কিন্তু তাদের কৃতকর্মের জন্যে তারা কখনও তা কামনা করবে না আর আল্লাহ্ জালিমদের সম্বন্ধে সম্যক অবহিত। ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর তারা কখনো তা কামনা করবে না, তাদের হাত যা পাঠিয়েছে তার কারণে। আর আল্লাহ যালিমদের সম্পর্কে অধিক জ্ঞাত।আল-বায়ান

কিন্তু তাদের কৃতকর্মের জন্য তারা কক্ষনো তা কামনা করবে না এবং আল্লাহ যালিমদের সম্পর্কে খুবই অবহিত।তাইসিরুল

কিন্তু তারা কখনো তা চাইবে না তাদের দুই হাত যা পাঠিয়েছে। আর আল্লাহ্ অন্যায়কারীদের সম্পর্কে সর্বজ্ঞাতা।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

এটাও ছিল কুরআন মাজীদের পক্ষ হতে একটি চ্যালেঞ্জ। এ চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে নেওয়া তাদের জন্য কিছুমাত্র কঠিন ছিল না। তারা অবলীলায় অন্ততপক্ষে মুখে মুখে হলেও প্রকাশ্যে মৃত্যুর আকাঙ্ক্ষা করে দেখাতে পারত, কিন্তু তারা সে ধৃষ্টতা দেখায়নি। কেননা তারা জানত, এ চ্যালেঞ্জ ছুঁড়েছেন স্বয়ং আল্লাহ তাআলা। কাজেই এরূপ আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করলে তা তৎক্ষণাৎ তাদেরকে কবরে পৌঁছে দেবে।

তাফসীরে জাকারিয়া

৯৫. কিন্তু তাদের কৃতকর্মের কারণে তারা কখনো তা কামনা করবে না। আর আল্লাহ যালিমদের সম্বন্ধে সম্যক জ্ঞানী।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

৯৫। কিন্তু তারা তাদের কৃতকর্মের জন্য কখনো তা (মৃত্যু) কামনা করবে না। (1) আর আল্লাহ সীমালংঘনকারীদের সম্বন্ধে অবহিত।

(1) ইবনে আব্বাস (রাঃ) এর তফসীর করেছেনঃ মুবাহালা'র প্রতি আহবান। অর্থাৎ, ইয়াহুদীদেরকে বলা হল, যদি তোমরা মুহাম্মাদ (সাঃ)-এর নবুঅতের অস্বীকৃতিতে এবং আল্লাহর সাথে ভালবাসার দাবীতে সত্যবাদী হও, তাহলে 'মুবাহালা' কর। অর্থাৎ, মুসলিম ও ইয়াহুদী উভয়ে মিলে আল্লাহর সমীপে এই দরখাস্ত পেশ কর যে, হে আল্লাহ! উভয়ের মধ্যে যে মিথ্যুক, তাকে মৃত্যু দান কর। সূরা জুমুআহ (৭নং আয়াতে)-তেও এই আহবান তাদেরকে করা হয়েছে। নাজরানের খ্রিষ্টানদেরকেও মুবাহালা'র দাওয়াত দেওয়া হয়েছিল। যেমন, সূরা আলে-ইমরানে তা উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু খ্রিষ্টানদের মত ইয়াহুদীরাও যেহেতু তাদের দাবীতে মিথ্যাবাদী ছিল, সেহেতু খ্রিষ্টানদের মতই ইয়াহুদীদের ব্যাপারেও মহান আল্লাহ বললেন, এরা কখনো মৃত্যু কামনা (মুবাহালা) করবে না। হাফেয ইবনে কাসীর এই ব্যাখ্যাকেই প্রাধান্য দিয়েছেন। (তাফসীর ইবনে কাসীর)