English · বাংলা
বাংলাদেশে রোগ ও অবস্থা
Bissoy-তে রোগ ও অবস্থা সম্পর্কে তথ্য দেখুন — যেমন ক্লাইনফেল্টার সিনড্রোম (XXY সিনড্রোম), অ্যানোরেক্সিয়া নার্ভোসা ও পুনরুদ্ধারের পুষ্টি পরিকল্পনা, কনকাশন (মস্তিষ্কের আঘাত) ও প্রাথমিক চিকিৎসা, হিরসুটিজম (মহিলাদের অতিরিক্ত লোম), সার্ভিসাইটিস (জরায়ুমুখের প্রদাহ), ক্ল্যামিডিয়া: লক্ষণ, নির্ণয় ও চিকিৎসা, মাসিক (ঋতুস্রাব): বোঝা ও ব্যবস্থাপনা, ফিলোফোবিয়া (ভালোবাসায় ভয়): কারণ, লক্ষণ ও চিকিৎসা, এবং আরও।
বাংলাদেশে রোগ ও অবস্থার গাইড দেখুন — কারণ, উপসর্গ, যত্ন ও প্রশ্নোত্তর Bissoy-তে।
আরও দেখুন ডায়াগনস্টিক পরীক্ষা, পদ্ধতি, উপসর্গ , ডাক্তার এবং ওষুধ।
রোগ ও অবস্থা · 3,163 রোগ
-
ক্লাইনফেল্টার সিনড্রোম (XXY সিনড্রোম)
ক্লাইনফেল্টার সিনড্রোম বা XXY সিনড্রোম এমন একটি জেনেটিক অবস্থা যেখানে পুরুষের কোষে সাধারণ XY ক্রোমোজোমের বদলে একটি অতিরিক্ত X ক্রোমোজোম থাকে—অর্থাৎ ক্যারিওটাইপ হয় ৪৭,XXY। এতে টেস্টোস্টেরন উৎপাদন, শুক্রাণু গঠন, শারীরিক গঠন ও কখনো শেখা–আচরণের বিকাশ প্রভাবিত হতে…
-
অ্যানোরেক্সিয়া নার্ভোসা ও পুনরুদ্ধারের পুষ্টি পরিকল্পনা
অ্যানোরেক্সিয়া নার্ভোসা একটি গুরুতর মানসিক স্বাস্থ্য অবস্থা এবং সবচেয়ে জীবন-ঝুঁকিপূর্ণ খাদ্যাভ্যাসজনিত ব্যাধিগুলোর একটি। এতে শরীরের ওজন ও আকৃতির সঙ্গে আত্মমর্যাদা জড়িয়ে যায়, চরম পাতলা হওয়ার তাড়না থাকে এবং খাদ্য সীমিত করা, অতিরিক্ত ব্যায়াম বা খাবার বের করে দেওয়…
-
কনকাশন (মস্তিষ্কের আঘাত) ও প্রাথমিক চিকিৎসা
কনকাশন মাথার আঘাতজনিত অবস্থা যা মস্তিষ্কের স্বাভাবিক কাজকে সাময়িকভাবে ব্যাহত করে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে এটি অস্থায়ী, এবং অনেক মানুষ ভালোভাবে সেরে ওঠেন; তবু পরে কয়েকদিন থেকে কয়েক সপ্তাহ লক্ষণ থাকতে পারে। খেলাধুলা, পতন, সড়ক দুর্ঘটনা বা মাথা–ঘাড়ে জোরে নাড়া দিলে হতে পা…
-
হিরসুটিজম (মহিলাদের অতিরিক্ত লোম)
হিরসুটিজম মানে নারীদের মুখ, বুক, পেট, পিঠ বা উরুর ভেতরের দিকের মতো জায়গায় পুরুষের মতো শক্ত, কালো ও ঘন লোম বেড়ে যাওয়া। হালকা রোম বা বংশগতভাবে একটু বেশি লোম থাকা সবসময় রোগ নয়—কিন্তু হঠাৎ বাড়া, মাসিক অনিয়ম বা অন্য পুরুষালি লক্ষণ থাকলে হরমোন মূল্যায়ন দরকার। বাংলাদ…
-
সার্ভিসাইটিস (জরায়ুমুখের প্রদাহ)
সার্ভিসাইটিস মানে জরায়ুমুখ (সার্ভিক্স)—জরায়ুর নিচের সরু অংশ যা যোনির সঙ্গে যুক্ত—সেখানে প্রদাহ হওয়া। অস্বাভাবিক স্রাব, সহবাসের সময় ব্যথা, পিরিয়ডের মাঝে রক্তপাত বা পেলভিক পরীক্ষায় ব্যথা থাকতে পারে; আবার অনেকের কোনো লক্ষণই থাকে না। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কারণগুলোর…
-
ক্ল্যামিডিয়া: লক্ষণ, নির্ণয় ও চিকিৎসা
ক্ল্যামিডিয়া একটি ব্যাকটেরিয়াজনিত যৌনবাহিত সংক্রমণ (এসটিআই/এসটিডি), যা সাধারণত অসুরক্ষিত যোনিপথ, পায়ুপথ বা মুখের যৌনমিলনের মাধ্যমে ছড়ায়। এটি নারী ও পুরুষ—উভয়কেই আক্রান্ত করতে পারে। অনেক সময় শুরুতে কোনো স্পষ্ট লক্ষণ থাকে না বলে মানুষ জানতেই পারে না যে সংক্রমণ ব…
-
মাসিক (ঋতুস্রাব): বোঝা ও ব্যবস্থাপনা
মাসিক বা ঋতুস্রাব হলো জরায়ুর ভিতরের আস্তরণ (এন্ডোমেট্রিয়াম) রক্ত, টিস্যু ও অন্যান্য উপাদানসহ যোনিপথ দিয়ে বের হওয়ার প্রক্রিয়া। এটি সাধারণত বয়ঃসন্ধি থেকে মেনোপজ পর্যন্ত মাসিক চক্রের অংশ হিসেবে ঘটে এবং গর্ভাবস্থায় সাধারণত বন্ধ থাকে। প্রতি মাসে শরীর গর্ভধারণের প্র…
-
ফিলোফোবিয়া (ভালোবাসায় ভয়): কারণ, লক্ষণ ও চিকিৎসা
ফিলোফোবিয়া হলো ভালোবাসায় পড়া বা ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলা নিয়ে তীব্র ভয়। বেশিরভাগ মানুষের কাছে ভালোবাসা স্বাভাবিক হলেও কিছু মানুষের ক্ষেত্রে এই ভয় এতটাই প্রবল হয় যে তারা ভালোবাসা অনুভব করা, ভালোবাসা পাওয়া বা সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে চরম অসুবিধায় পড়েন। নামটি গ্রিক শব…
-
পেটের অ্যাবসেস (অ্যাবডোমিনাল অ্যাবসেস)
পেটের অ্যাবসেস মানে পেটের গহ্বরের কোনো জায়গায় পুঁজ জমে একটি “থলির” মতো সংক্রমণ তৈরি হওয়া। এই পুঁজ মূলত মৃত টিস্যু, ব্যাকটেরিয়া ও শ্বেত রক্তকণিকার মিশ্রণ—শরীর সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করতে গিয়ে জায়গাটিকে ঘিরে ফেলে। এটি সাধারণ প্রদাহ (যেমন পেরিটোনাইটিস) থেকে আলাদ…
-
পেটের অ্যাডহিশন (অ্যাবডোমিনাল অ্যাডহিশনস)
পেটের অ্যাডহিশন মানে পেটের ভেতরে অঙ্গ বা টিস্যুর মধ্যে অস্বাভাবিক দাগ-টিস্যুর ব্যান্ড তৈরি হওয়া—যেন “আঠালো ফিতা” দিয়ে অঙ্গ লেগে যায়। এটি পুঁজের থলি (অ্যাবসেস) নয় এবং পেটের চাপ হঠাৎ বিপজ্জনকভাবে বেড়ে যাওয়া (কম্পার্টমেন্ট সিনড্রোম)ও নয়। অনেকের কোনো লক্ষণ থাকে না…
-
অ্যাবডোমিনাল কম্পার্টমেন্ট সিনড্রোম (ACS)
অ্যাবডোমিনাল কম্পার্টমেন্ট সিনড্রোম (ACS) মানে পেটের ভেতরের চাপ (ইন্ট্রা-অ্যাবডোমিনাল প্রেশার বা IAP) দীর্ঘক্ষণ বিপজ্জনকভাবে বেড়ে নতুন বা বাড়তি অঙ্গের কর্মহানি হওয়া। সাধারণ সংজ্ঞায় IAP >২০ mmHg এবং সঙ্গে অঙ্গের কাজ খারাপ হওয়া। চাপ সাধারণত মূত্রথলির ক্যাথেটার দ…
-
অ্যাবডোমিনাল এপিলেপসি (পেটের খিঁচুনি/পেটের মৃগীরোগ)
অ্যাবডোমিনাল এপিলেপসি মৃগীরোগের একটি বিরল রূপ, যেখানে খিঁচুনির মূল প্রকাশ খিঁচুনি-খোঁচা বা অজ্ঞান হওয়ার বদলে বারবার পেটব্যথা, বমি বমি ভাব ও অন্যান্য হজমতন্ত্রের লক্ষণ হয়। সমস্যা মস্তিষ্কের অস্বাভাবিক বৈদ্যুতিক স্রাব থেকে শুরু হয়, কিন্তু রোগী ও পরিবার প্রায়শই এ…
-
অ্যাবডোমিনাল মাইগ্রেন (পেটের মাইগ্রেন)
অ্যাবডোমিনাল মাইগ্রেন এমন একটি পুনরাবৃত্ত অবস্থা যেখানে নাভির চারপাশে তীব্র পেটব্যথা হয়—সাধারণত এক ঘণ্টা থেকে কয়েক দিন পর্যন্ত। সাথে বমি বমি ভাব, বমি, ক্ষুধামন্দা ও ক্লান্তি থাকতে পারে; অনেক সময় মাথাব্যথা থাকে না বলে নির্ণয় দেরি হয়। এটি মূলত শিশুদের (প্রায় ৫–১…
-
অ্যাবডোমিনাল মাসল স্ট্রেন (পেটের পেশি টান/ছিঁড়ে যাওয়া)
অ্যাবডোমিনাল মাসল স্ট্রেন মানে পেটের দেয়ালের পেশি—রেকটাস অ্যাবডোমিনিস, অবলিক বা ট্রান্সভার্স অ্যাবডোমিনিস—অতিরিক্ত টান বা আংশিক/পূর্ণ ছিঁড়ে যাওয়া। হঠাৎ মোচড়, ভারী ওজন ভুলভাবে তোলা, কঠিন কাশি/হাঁচি বা খেলাধুলায় ওভারএক্সারশনে সাধারণত হয়। এটি পেশিতন্ত্রের আঘাত—মৃ…
-
অ্যাবিটালিপোপ্রোটিনেমিয়া
অ্যাবিটালিপোপ্রোটিনেমিয়া একটি বিরল জন্মগত বিপাকীয় রোগ, যেখানে শরীর চর্বি ও চর্বি–দ্রবণীয় ভিটামিন (A, D, E, K) সঠিকভাবে শোষণ ও রক্তে পরিবহন করতে পারে না। মূল সমস্যা সাধারণত MTTP জিনের মিউটেশনে—এই জিন মাইক্রোসোমাল ট্রাইগ্লিসারাইড ট্রান্সফার প্রোটিন তৈরি করে, যা…
-
অস্বাভাবিক হাঁটা বা গেইট ডিসঅর্ডার
হাঁটার ধরনকে চিকিৎসাভাষায় গেইট বলে। চোখ, কান (ভারসাম্য), মস্তিষ্ক, মেরুদণ্ড, পেশি, জয়েন্ট ও সংবেদী স্নায়ু একসঙ্গে কাজ করে ছন্দময় পদক্ষেপ তৈরি করে। এর কোনো অংশ ব্যর্থ হলে হাঁটা টলটলা, পা টেনে নেওয়া, ছোট ছোট পা ফেলা বা পাশে হেলে যাওয়ার মতো অস্বাভাবিক গেইট দেখা য…
-
অস্বাভাবিক জরায়ু রক্তপাত (অ্যাবনরমাল ইউটেরাইন ব্লিডিং)
অস্বাভাবিক জরায়ু রক্তপাত মানে মাসিকের স্বাভাবিক ছন্দ, পরিমাণ বা সময়কালের বাইরে রক্তপাত—যেমন দুই মাসিকের মাঝে রক্ত, খুব ভারী বা দীর্ঘস্থায়ী মাসিক, সহবাসের পর রক্ত, বা কয়েক মাস ধরে মাসিক না আসা। নারীদের ঋতুচক্র সাধারণত বয়ঃসন্ধি থেকে প্রায় ৫০ বছর বয়স পর্যন্ত চলে;…
-
ঘষা ক্ষত বা আবরেশন (চামড়া ছিলে যাওয়া)
আবরেশন বা ঘষা ক্ষত মানে রুক্ষ পৃষ্ঠের সঙ্গে ঘর্ষণে ত্বকের উপরের স্তর (এপিডার্মিস) ছিলে যাওয়া—খোলা ক্ষতের একটি সাধারণ রূপ। এটি গভীর কাটা (ল্যাসেরেশন) বা ধারালো বস্তু ঢুকে যাওয়া (পাংচার) থেকে আলাদা; এখানে মূলত ঘষে ওপরে স্তর সরানো হয়। পড়ে যাওয়া, খেলাধুলা, সাইকেল/…
-
অ্যাবসেস (পুঁজ জমে ফোড়া/থলি)
অ্যাবসেস মানে শরীরের কোনো স্থানে পুঁজ জমে একটি ব্যথাময়, লালচে ও চাপসংবেদনশীল গোটা তৈরি হওয়া। পুঁজ মৃত টিস্যু, ব্যাকটেরিয়া ও শ্বেত রক্তকণিকার মিশ্রণ—শরীর সংক্রমণ ঘিরে ফেলতে গিয়ে থলির মতো গঠন করে। ত্বক ও নরম টিস্যুর অ্যাবসেস সবচেয়ে পরিচিত; এটি সাধারণ ঘষা ক্ষত থে…
-
অ্যাবসেন্স সিজার (সচেতনতা হারানোর সংক্ষিপ্ত খিঁচুনি)
অ্যাবসেন্স সিজার এক ধরনের জেনারেলাইজড খিঁচুনি যেখানে কয়েক সেকেন্ডের জন্য হঠাৎ সচেতনতা চলে যায়—চেহারা শূন্য মনে হয়, কথা/সাড়া বন্ধ, আশপাশ বুঝতে পারে না। এটি প্রাপ্তবয়স্কের চেয়ে শিশুদের মধ্যে বেশি। অনেকে “দিনস্বপ্ন” ভেবে উড়িয়ে দেন; আসলে এটি মস্তিষ্কের অস্বাভাবিক…
-
অ্যাকাস্থামিবা কেরাটাইটিস (কর্নিয়ার অ্যামিবা সংক্রমণ)
অ্যাকাস্থামিবা কেরাটাইটিস কর্নিয়ায় (চোখের স্বচ্ছ সামনের আবরণে) অ্যাকাস্থামিবা নামের অ্যামিবাজাতীয় পরজীবীর সংক্রমণ। এটি সাধারণ “লাল চোখ” বা ভাইরাল কনজাঙ্কটিভাইটিস নয়—ব্যথা প্রায়শই দৃশ্যমান লালচে ভাবের তুলনায় অস্বাভাবিক তীব্র হয় এবং দেরি হলে কর্নিয়ায় দাগ ও স্থায়…
-
অ্যাকাস্থোসাইটোসিস (কাঁটাযুক্ত লোহিত কণিকা)
অ্যাকাস্থোসাইটোসিস মানে রক্তে অ্যাকাস্থোসাইট—অর্থাৎ অস্বাভাবিক “কাঁটাযুক্ত” আকৃতির লোহিত রক্তকণিকা—উল্লেখযোগ্য সংখ্যায় থাকা (সাধারণত পেরিফেরাল স্মিয়ারে প্রায় ১৫–২০% বা তার বেশি)। এটি নিজে একটি আলাদা “একক রোগ” নাও হতে পারে; বরং লিভারের গুরুতর রোগ, বিরল বংশগত নি…
-
অ্যাকানথোসিস নিগ্রিক্যান্স (কালো মখমলি ত্বকের দাগ)
অ্যাকানথোসিস নিগ্রিক্যান্স এমন ত্বকপরিবর্তন যেখানে ঘাড়ের পেছন, বগল, কুঁচকি বা অন্য ভাঁজে ত্বক কালো, মোটা ও মখমলির মতো দেখায়। এটি সাধারণত ছোঁয়াচে নয় এবং শুধু “ময়লা”ও নয়—ধুলে সহজে যায় না। অনেক সময় এটি ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স, প্রিডায়াবেটিস বা টাইপ ২ ডায়াবেটিসের চো…
-
অ্যাসিটাবুলার ফ্র্যাকচার (হিপ সকেট ভাঙা)
অ্যাসিটাবুলার ফ্র্যাকচার মানে পেলভিসের যে অংশটি হিপ জয়েন্টের “কাপ/সকেট” গঠন করে (অ্যাসিটাবুলাম)—সেখানে হাড় ভাঙা। এটি সাধারণ উরুর হাড়ের গলা ভাঙা (ফেমোরাল নেক ফ্র্যাকচার) থেকে আলাদা, যদিও ব্যথা দুটোতেই হিপ–কুঁচকিতে হতে পারে। সকেটের জয়েন্ট পৃষ্ঠক্ষতি হলে পরবর্তী…