user-avatar

bissoy

◯ bissoy

image  মোঃ নাহিদ রহমাম নামের কোন অ্যাকাউন্ট আমাদের সাইট এ খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। 

সকল ডাটাই সংরক্ষিত থাকে। আপনি প্রশ্ন করার পর কেউ যদি সম্পাদনা করে পরিবর্তন করে দেয় তাহলেও আপনার পুর্বের প্রশ্ন ও যে পরিবর্তন করেছে তার নাম আমাদের ডাটাবেজ এ সংরক্ষিত আছে। আমরা খুব সিঘ্রই আপনাকে জানাব।

image

তো আগে আপনাদের উপরের ছবিটার সাথে পরিচয় করিয়ে দিই-
গোল্ডেন কালারেরটা আমাদের ইয়াকুব ভাই, পিছনেই মোশারফ হোসেন(দীর্ঘদিন প্রথম স্থান অধিকার করে ছিলেন এখনও সর্বোচ্চ উত্তরদাতা তিনি।) ভাই তারপর আরও কেউ কেউ....  সবার কথা বলে সময় নষ্ট না করি!!!

যাই হোক, দেখতেই পাচ্ছেন আমাদের ইয়াকুব ভাই রেসে চ্যাম্পিয়ন। আর চ্যাম্পিয়নদের সবাই অভিনন্দন জানায়, আমাদের বিস্ময় পরিবারও এর ব্যতিক্রম না।

"অভিনন্দন ইয়াকুব আলী ভাই!!!"

আর হ্যা! যারা এখনো বুঝেননাই কিসের কি চ্যাম্পিয়ন তাদেরকে বলছি, ইয়াকুব ভাই সম্প্রতি পয়েন্ট তালিকায় প্রথম স্থান অধিকার করেছেন, খুবই অল্পসময়ে এবং সুনামের সাথে।

মাত্র কিছু মাস আগে তিনি একজন সমন্বয়ককে ব্যক্তিগত বার্তায় বলেছিলেন যে "বিস্ময়ে চিকিৎসা-সম্পর্কিত প্রশ্নে প্রায়ই ভুল সাজেশন আসে যা প্রশ্নকর্তার জন্য খারাপ পরিস্থিতির সৃষ্টি করতে পারে, আমি এই বিভাগে উত্তর দেয়ার বিশেষ অগ্রাধিকার চাই এবং ঔষধের নামসহ উত্তর দিতে চাই। ডাক্তার না হলেও আমার এ বিষয়ে যথেষ্ট অভিজ্ঞতা আছে"
ওনার এ অনুরোধ এডমিন প্যানেলে আসে, কিছুদিন নজরদারিতে রাখার পর উনি ওনার যোগ্যতা দিয়ে বিস্ময়ের দৃঢ় বিশ্বাসটুকু অর্জন করতে সক্ষম হন। 
তারপর তাকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি, নিঃস্বার্থ এবং নিষ্ঠার সাথে সমাধান করেছেন বহু সমস্যার। হয়ে উঠেছেন অনেকের প্রিয়তম সদস্য, বিশেষজ্ঞ থেকে সমন্বয়ক।

সকল সদস্যই আমাদের নিকট সমান গুরুত্বপূর্ণ, শীর্ষস্থানীয় সদস্যদের ভূমিকাটা সঙ্গত কারনেই একটু বাড়িয়ে বলতে হয়। শুভকামনা রইলো ইয়াকুব ভাইসহ সকল নিয়মিত উত্তরদাতাদের জন্য। সবসময় সুস্থ ও বিপদাপদমুক্ত থেকে যাতে তারা সকলেই আমাদের বিস্ময়ের সমৃদ্ধি অব্যাহত রাখতে পারেন সেই দোয়াই করবেন।

-ধন্যবাদ সবাইকে।
সংখ্যাগুলো বাংলায় দেখা গেলেও আপনি ইংরেজিতেই দিবেন তাহলেই আর সমস্যা করবে না।
আপনি বার বার একই প্রশ্ন দেখলেও বিস্ময় তা এক বারই গননা করে।  আইপি অ্যাড্রেস এর উপর ভিত্তি করে প্রশ্নের দর্শন সংখ্যা নির্ণয় করা হয়।  এতে ভুল হবার কোন সম্ভাবনা নেই।

এ মাসের বিস্ময়কর গুরু ও লুমিয়া স্মার্টফোন বিজয়ী ও অন্যান্য বিজয়ী হলেন যারা।
শীতকাল যাই যাই করলেও একেবারেই চলে যায় নি, আর ফলাফল অতিরিক্ত ঠান্ডায় আঙ্গুল জমে যাওয়ায় এমাসে নির্ধারিত সময় থেকেও একদিন পিছিয়ে গেলো ফলাফল ঘোষনার দিন। তবে অবশেষে সম্মানিত সমন্বয়কগনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আমাদের হাতে এসে পৌছেছে, এবং আমরা এখন জানি জানুয়ারী ২০১৬ মাসের বিস্ময়কর গুরু কারা।
 

শুরুতেই বলে রাখি, এই প্রতিযোগীতার সবথেকে বড় শর্ত ছিলো
১। উত্তর মান সম্মত হতে হবে।
২। কোনরকম ছলচাতুরীর আশ্রয় নেয়া যাবে না।
৩। একটি আইডির বেশী আইডি গ্রহনযোগ্য হবে না।
৪। নুন্যতম ৩ মাসের পুরনো সদস্য হতে হবে।
৫। পুরোপুরি কপিপেস্ট উত্তরকারী এই প্রতিযোগীতার বিজয়ী হতে পারবেন না।
অনেকেই চেষ্টা করেছেন, তাদের চেষ্টা কে আমরা সাধুবাদ জানাই, এবং সেই সাথে অতি দুঃখের সাথে তীব্র নিন্দা জানাই অসাধু ব্যাবহারকারীদের। মনে রাখবেন বিস্ময় ডট কম পরিচালিত হয় সমন্বয়ক দের নজরদারীর মধ্যে, আর ব্যাক্তিগত ভাবে আমাকে প্রায় ই শুনতে হয় কারো আইডি ব্যান গেছে, অথচ কারন জানেন না। নীতিমালা মেনে চললে আপনাকে আপনার প্রাপ্য সর্বোচ্চ সম্মান দেয়া হয়। আর খুব খারাপ লাগে যখন কেউ অনেক উত্তর করেও মানের বিবেচনায় নিচের লিস্ট থেকে বাদ পড়ে যান।
 

আর কথা নয়, মুল আলোচনায় ফিরে যাই,
এ মাসের বিস্ময়কর গুরুঃ
১। এ মাসে সেরা বিস্ময়কর গুরু হয়েছেন ব্যবহারকারী “সেজাদ” । বিস্ময় ডট কমে আছেন ৪ মাসের কিছু বেশী সময় ধরে, এর মধ্যেই জয় করে নিয়েছেন বহু ব্যবহারকারীর মন। ৩৬১ টি উত্তর করেই জানুয়ারী মাসে অর্জন করেছিলেন ১১৯৭ পয়েন্ট। অভিনন্দন সেজাদ, আপনি পাচ্ছেন একটি মাইক্রোসফট লুমিয়া স্মার্টফোন।

২। ২য় অবস্থানে আছেন ব্যাবহারকারী “রাকিব” । উনি ডিসেম্বর মাসে সেরা বিস্ময়কর গুরু বিজয়ী ছিলেন, এ মাসেও সর্বোচ্চ পয়েন্ট তার ছিলো, কিন্তু যেহেতু এডমিন প্যানেলের কেউ প্রথম পুরষ্কার পাবেন না, তাই উনি পাচ্ছেন ২য় পুরষ্কার ৩০০০ টাকার প্রাইজ বন্ড।
 

৩। ৩য় অবস্থানে আছেন ডাঃ মামুনুর রশিদ। উনি পাচ্ছেন ২৫০০ টাকার প্রাইজবন্ড।  
 

৪। চতুর্থ অবস্থানে আছেন মিলন আহম্মেদ। উনি পাচ্ছেন ২০০০ টাকার প্রাইজবন্ড।  
 

৫। ৫ম অবস্থানে আছেন মোঃ সামীউল ইসলাম হিরন। উনি পাচ্ছেন ১৫০০ টাকার প্রাইজবন্ড।
 

৬। ৬ষ্ঠ অবস্থানে আছেন ব্যাবহারকারী আরিয়ান। উনি পাচ্ছেন ১০০০ টাকার প্রাইজবন্ড।

সবাইকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা। আমরা কথা দিয়েছিলাম, প্রতিমাসের ৩-৫ তারিখের মধ্যেই বিজয়ীর নাম প্রকাশ করবো। আমরা খুবই আনন্দিত যে, সময়সীমার মধ্যেই বিজয়ীদের নাম প্রকাশ করতে পেরেছি।

এক মাস মানে পুরো ৩০ টা দিন। প্রতিদিন ২৪ ঘন্টা। এ সময় টা পুরোপুরি বিস্ময় ডট কমকে ভালোবেসে , তার পাশে থেকে নিজেকে সেরাদের কাতারে নিয়ে যাওয়া সহজ কিছু ছিলোনা। আর সাথে ছিলো, সুদক্ষ, নিজ কাজে যোগ্যতার ভিত্তীতে সেরা বিস্ময় সমন্বয়কদের নজরদারী, বিস্ময় ডট কম কে স্প্যাম ও অরুচীপুর্ন প্রশ্ন উত্তর থেকে মুক্ত রাখতে প্রতিক্ষণে সচেতন তারা।

আর কথা বাড়াবো না, সরাসরি ফলাফলে চলে যাই। বলে রাখা ভালো, পয়েন্টের বিবেচনায় উপরে থাকলেও নিবন্ধনের সময়, উত্তরের মান প্রভৃতি ব্যাপারের সীমাবদ্ধতার কারনে বাদ পড়ে যেতে পারেন কেউ।
প্রথমেই সেরা ৫ জন বিস্ময়কর গুলো কারা হলেন, তা জেনে নেই।

১। ব্যাবহারকারী রাকিব। বিস্ময় ডট কমে আছেন ২০১৪ সালের ফেব্রুয়ারী মাস থেকে। ডিসেম্বর মাসে তার মোট পয়েন্ট ২২০৩। মোট ৬৭৪ টি প্রশ্নের উত্তর দিয়েই নিজের সর্বোচ্চ অবস্থানে চলে আসেন রাকিব
এ মাসে রাকিব পাচ্ছেন একটি “মাইক্রোসফট লুমিয়া ৫৩৫” মডেলের স্মার্টফোন।

২। উত্তরের মান, ও যাবতীয় দিক বিবেচনায় দ্বিতীয় অবস্থানে আছেন ব্যাবহারকারী “মিলন আহমেদ”। তিনি একজন সমন্বয়ক, অনেকটা সময় ধরে আছেন আমাদের সাথে আর ব্যবহারকারী আইডি থেকেও ৫৫৪ টি উত্তর করে অর্জন করেছেন ১৬৫৮ পয়েন্ট। মিলন আহমেদ পাচ্ছেন FASTRACK ব্র্যান্ডের একটি এক্সক্লুসিভ হাতঘড়ি

৩। ৩য় অবস্থানে আছেন ব্যবহারকারী “আরিফুল ইসলাম সোহাগ”। তিনি ৩৪৩ টি উত্তর করেই অর্জন করেছিলেন ৮৮৯ পয়েন্ট। তিনি পাচ্ছেন ১৫০০ টাকা সমমুল্যের প্রাইজবন্ড ।

৪। ৪র্থ অবস্থানে আছেন “শাকিল আহমেদ আরিয়ান”। উনি একজন বিস্ময় সমন্বয়ক, ৪২২ টি উত্তর করে অর্জন করেছিলেন ৭৫১ পয়েন্ট। উনি পাচ্ছেন ১০০০ টাকা মুল্যের প্রাইজবন্ড।

৫। ৫ম অবস্থানে আছেন ব্যবহারকারী “মোঃ মামুনুর রশিদ” । ৩০৩ টি উত্তর দিয়ে অর্জন করেছিলেন ৭০০ পয়েন্ট। উনি পাচ্ছেন ৮০০ টাকা মুল্যের প্রাইজবন্ড।

৬। ৬ নং অবস্থানে আছেন ব্যবহারকারী “তানজিল”। পাচ্ছেন ৫০০ টাকা মুল্যের প্রাইজবন্ড।

এই ছিলো গত মাসের সেরা বিস্ময়করগুরুদের তালিকা। পয়েন্ট বেশী হয়েও শুধুমাত্র সময়ের কারনে বাদ পড়ে যাওয়া ব্যবহারকারীরা দমে যাবেন না, আমাদের প্রতিযোগীতার সময়সীমা নুন্যতম তিন মাস। আপনার সময় সামনেই। অন্যদিকে মানের কারনে যদি কেউ সমন্বয়কদের মতামতে বাদ পড়ে যান, তাহলে উত্তরের মান উন্নয়নের চেষ্টা করুন। এটি একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া।

আগে প্রশ্নের জন্য ১ পয়েন্ট প্রদান করা হত। কিন্তু তাতে আমরা লক্ষ্য করেছি যে পয়েন্ট বাড়ানোর উদ্দেশে অনেকেই অপ্রয়োজনীয় প্রশ্ন করে থাকে। যার কারণে আমরা সিস্টেমটি পরিবর্তন করেছি। এবং আমরা মনে করি যে, যিনি সাহায্য নিবেন তার  ১ পয়েন্ট দিতে কোন আপত্তি থাকার কথা না। 

আর শুধুমাত্র প্রশ্নের জন্য ৬ টি ব্যাজ বরাদ্দ রাখা হয়েছে। যা শুধুমাত্র প্রশ্ন করেই পাওয়া সম্ভব। ( ব্রোঞ্জ, রুপা ও সোনা প্রত্যেকটি ২ টি করে )।

প্রতিদিনই টুকিটাকি করে আপডেট হচ্ছে বিস্ময় অ্যানসারস। আপনার অনুরোধের উপর ভিত্তি করে আপনার কাঙ্খিত পয়েন্ট সিস্টেমটি ভবিষ্যতে চালু হতে পারে। 


আমাদের সাথেই থাকুন। 

দুঃখিত। আমরা এই প্রশ্নের উত্তরটি আপাতত প্রকাশ করতে চাচ্ছি না। 

চাকরির সময়


মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশে যারা চাকরি নিয়ে যান তাঁদের অনেককে মালিকের কাছে পাসপোর্ট জমা দিতে হয়। মালিক পক্ষ থেকে তাদের সরকারি বিভিন্ন অনুমোদ করিয়ে দেওয়া হয়। তবে নিজের প্রয়োজনে পাসপোর্টের ফটোকপি সঙ্গে রাখতে হবে। কিন্তু কেউ যদি ব্যবসা, ফ্রি ভিসায় চাকরি করতে যান তাঁদের উচিত পাসপোর্ট সব সময় সঙ্গে রাখা।


তারপরও দুর্ঘটনাবশত পাসপোর্ট হারিয়ে গেলে সে ক্ষেত্রে আপনাকে বাংলাদেশের দূতাবাসে যোগাযোগ করতে হবে। পাসপোর্টের ফটোকপি ও রোডপাস বা রাস্তায় চলাচলের প্রত্যয়নপত্র (যদি সঙ্গে থাকে) নিয়ে যোগাযোগ করলে দূতাবাসের পক্ষ থেকে আপনাকে নতুন পাসপোর্ট তৈরিতে সহায়তা করা হবে।


ভ্রমণের সময় পাসপোর্ট খোয়ালে


আপনার বিদেশ ভ্রমণের পুরো আনন্দটাই মাটি হতে পারে যদি আপনি পাসপোর্ট হারিয়ে ফেলেন। কোনো কারণে যদি তা হারিয়েই ফেলেন তাহলে সবার আগে আপনাকে যোগাযোগ করতে হবে বাংলাদেশ হাই কমিশনে। কোনো ট্যুর অপারেটর বা ট্র্যাভেল এজেন্সি যদি আপনার ভ্রমণে সহায়তা করে থাকে তবে তারাই আপনাকে বাংলাদেশ হাই কমিশনের সঙ্গে যোগাযোগ করতে সহায়তা করবে। এর পর আপনাকে সহায়তা করবে বাংলাদেশ হাই কমিশন। বাংলাদেশের পাসপোর্ট অফিস ও ইমিগ্রেশন আপনার সব তথ্য পর্যবেক্ষণ করে বাংলাদেশ হাই কমিশনকে একটি পত্র বা দরখাস্ত পাঠাবে। এ পত্র বা দরখাস্তই আপনাকে সুন্দরভাবে দেশে ফিরে আসতে সহায়তা করবে।


পাসপোর্ট নবায়ন


বিদেশে অবস্থান করার সময় নিজের পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হয়ে যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে দুশ্চিন্তার কিছু নেই। এ ব্যাপারে সহযোগিতা করবে সে দেশের বাংলাদেশ দূতাবাস। দূতাবাসের কনস্যুলার শাখা থেকে বাংলাদেশিরা তাদের পাসপোর্ট নবায়ন করতে পারবেন। তবে মেয়াদ শেষ হওয়ার ছয় মাসের আগেই নবায়ন করা ভালো।


পাসপোর্ট নিয়ে জালিয়াতি


বিদেশে নিজের বৈধতার সনদ হচ্ছে পাসপোর্ট। এই পাসপোর্টের ভিত্তিতেই নির্ধারণ করা হবে আপনি বৈধ, না অবৈধ। তাই পাসপোর্ট যত্ন করে রেখে দেবেন। কোনোভাবেই হাতছাড়া করবেন না। বিদেশে বৈধ পাসপোর্ট অনেকে অবৈধভাবে বেচাকেনা করে। টাকার বিনিময়ে একজনের বৈধ পাসপোর্ট অবৈধ ব্যক্তির কাছে বিক্রি করে দেয়। তাই পাসপোর্ট হারিয়ে গেলে দ্রুত পদক্ষেপ নিন। অনেক ক্ষেত্রে নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠান কর্মীদের পাসপোর্ট রেখে এর বিনিময়ে একটি ‘পাস’ বা কার্ড দেয়। কর্মীরা যাতে পালিয়ে গিয়ে অন্য কোথাও কাজ করতে না পারে, তার জন্য এমনটি করা হয়। বাস্তবতা যাই হোক না কেন বিদেশে গেলে পাসপোর্টের প্রতি আপনাকে বাড়তি সতর্ক হতেই হবে।

বিশ্বজুড়ে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের কারণে জঙ্গি গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট বা ‍আইএস এখন আলোচনায় কেন্দ্রে। ফ্রান্সের প্যারিসে সন্ত্রাসী হামলার দায় স্বীকার, যুক্তরাষ্ট্রে হামলার হুমকি এবং অন্যান্য সন্ত্রাসী তৎপরতায় মধ্যপ্রাচ্য ভিত্তিক এই জঙ্গি গোষ্ঠী নিয়ে শঙ্কার পাশাপাশি অনেকেরই বেশ কৌতূহল রয়েছে।


ইরাক ও সিরিয়ায় দখল করা অংশ নিয়ে আইএস একটি ‘খিলাফত’ রাষ্ট্র গড়তে চায়, ওই পুরো এলাকার আয়তন প্রায় যুক্তরাজ্যের সমান। যত জঙ্গিগোষ্ঠী আছে, সেগুলোর মধ্যে ইসলামিক স্টেটকে অর্থবিত্তে সবচেয়ে ‘ধনী’ জঙ্গি গোষ্ঠী বলে মনে করা হচ্ছে। প্রশ্নটা হচ্ছে, তাদের এই বিপুল অর্থের উৎস কী?

অস্ত্র ও যানবাহন কেনা, দলের সদস্যদের খরচাপাতি, প্রচারণামূলক ভিডিও এবং কর্মীদের এক স্থান থেকে অন্য স্থানে পাঠাতে আইএসের অনেক অর্থের প্রয়োজন হয়। এ তথ্য জানিয়ে মার্কিন অর্থ দপ্তরের শীর্ষ কর্মকর্তা ডেভিড কোহেন বলেছেন, বর্তমানে যত জঙ্গিগোষ্ঠী আছে, এর মধ্যে আইএস সবচেয়ে ধনী।

ওয়াশিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, ২০০৮ সালের শেষের দিকে আইএস প্রতি মাসে ১০ লাখ ডলার আয় করত। ২০০৯ সালে প্রথম দিক থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত এই আয় দৈনিক ৩০ লাখ ডলারে পৌঁছায়। পত্রিকাটি আইএসের অর্থ উপার্জনের কয়েকটি কারণ উল্লেখ করেছে। সেগুলো হচ্ছে:


তেল

ইরাক ও সিরিয়ায় দখল করা তেল কূপগুলো এই সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর আয়ের অন্যতম উৎস। এসব কূপ থেকে তেল তুলে তারা কালোবাজারে বিক্রি করে। এই বিকিকিনি চলে তুরস্ক সীমান্তে। তেল কিনতে সেখানে আগে থেকে অপেক্ষায় থাকে কিছু ব্যবসায়ী। যেহেতু এগুলো চুরি বা অবৈধভাবে তোলা করা, তাই দামেও বেশ কম। এসব তেল পরে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে বা বিক্রি হয়। যোগাযোগের জন্য হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করে চোরাকারবারিরা। এভাবে তেল বিক্রি করে বেশ ভালোই অর্থ পায় আইএস।

যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, আইএস অপরিশোধিত তেল ও তেলজাত সামগ্রী দালালদের কাছে বিক্রি করে। দালালেরা সেগুলো চোরাপথে সিরিয়ার কাছেও বিক্রি করে বলে জানা যায়। সম্প্রতি আইএসের তেলের স্থাপনাগুলোর ওপর বিমান হামলার ফলে তাদের অর্থের এই উৎস কমে গেছে।


কর ও চাঁদাবাজি

দিন দিন আইএস নিয়ন্ত্রণ অঞ্চলের আয়তন বাড়ছে। এসব অঞ্চলে যারা বাস করে, তাদের ওপর করারোপ করে আইএস। আয়ের আরেকটি উপায় ছিল চাঁদাবাজি। পণ্য বিক্রি, টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানি, ব্যাংকের হিসাব থেকে নগদ টাকা তোলা, বিভিন্ন কর্মচারীর বেতন, নিয়ন্ত্রিত এলাকার তল্লাশি চৌকি দিয়ে ট্রাক ঢুকলে, বিদ্যুৎ ও পানি ব্যবহারের জন্য আইএসকে কর দিতে হয়। ব্যবহারকারীরা অবশ্য দিনে মাত্র এক ঘণ্টার জন্য বিদ্যুৎ পান। সিরিয়ার বিখ্যাত প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন চুরি করে বিক্রি করা এবং অমুসলিমদের কাছ থেকে চাঁদা ও লুটপাট করে বেশ ভালোই আয় করে এই জঙ্গি সংগঠনটি। সম্প্রতি বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে জানানো হয়, এভাবে আইএস বছরে প্রায় ৩৬০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার নিজেদের পকেটে পুরেছে।

যারা আইএস নিয়ন্ত্রিত এলাকা দিয়ে যাতায়াত করে, সেখানে ব্যবসা করে এবং বসবাস করে তাদের ‘নিরাপত্তা’ দেওয়ার প্রতিশ্রুতির বিনিময়ে চাঁদা আদায় করে আইএস।

আইএস নিয়ন্ত্রিত এলাকায় দুই ধরনের নিয়ম চালু আছে। যারা আইএস যোদ্ধা, তাদের পরিবার চিকিৎসাসহ অন্যান্য খাতে বিনা মূল্যে সেবা পায়। এর বাইরের যারা থাকে, তাদের কর দিয়েই থাকতে হয়।


মুক্তিপণ ও অপহরণ

বিভিন্ন বিদেশি নাগরিকদের অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায় এই জঙ্গি গোষ্ঠীটির আয়ের অন্যতম একটি বড় উৎস। জাতিসংঘের ২০১৪ সালের অক্টোবরে এক হিসেবে বলেছে, আইএস ২০১৪ সালে অপহরণের পর মুক্তিপণের মাধ্যমে তিন কোটি ৫০ লাখ ডলার থেকে চার কোটি ৫০ লাখ ডলার আয় করে।


বিত্তশালী দাতা

আইএসের আয়ের অন্যতম উৎস ধনী দাতাদের কাছ থেকে অনুদান হিসেবে পাওয়া অর্থ। আইএস প্রাথমিকভাবে ধনী দাতাদের কাছ থেকে অনুদান হিসেবে অর্থ পেয়ে থাকে। সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত ও সংযুক্ত আবর আমিরাতের বড়লোক ব্যবসায়ীরা এই জঙ্গি সংগঠনে অর্থ দান করে। কোনো কোনো হিসাবে বলা হয়েছে, এসব দেশের ধনী ব্যবসায়ীরা ২০১৩-১৪ সালে প্রায় চার কোটি ডলার আইএসকে দান করেন। খবরে বলা হচ্ছে, সিরিয়ায় বাসার আল আসাদ সরকার এবং ইরানের ভয় থেকে মুক্তি পেতে ধনী ও বিত্তশালীরা আইএসের তহবিলে অর্থ দান করেন।


প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন বিক্রি

বিশ্বের কয়েকটি দেশের মধ্যে সিরিয়াও প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের জন্য বিখ্যাত। এগুলো চুরি করে বিক্রি করে বহু অর্থ নিজেদের তহবিলে জমা করে। সিরিয়ার ঐতিহ্যবাহী শহর পালমিরার মতো অন্য শহরের প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনগুলো বিক্রি করাও আইএসের অর্থের একটি উৎস। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এক হিসেবে বলা হয়েছে, প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন বিক্রি করে আইএস বছরে ১০ কোটি ডলার আয় করে। ওয়াশিংটন ইনস্টিটিউটের ম্যাথূ লেভিড ২০১৪ সালের নভেম্বর বলেছিলেন, প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন বিক্রির মাধ্যমে আইএস প্রচুর অর্থ আয় করে। এটা তাদের আয়ের দ্বিতীয় উৎস।


ইরাকের ব্যাংক

মার্কিন অর্থ বিভাগের হিসাবে, ২০১৪ সালে ইরাকের উত্তর ও পশ্চিমদিকে কয়েকটি রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রিত ব্যাংকের শাখায় ডাকাতি করে আইএস পাঁচ লাখ ডলার অর্থ নিজের তহবিলের জমা করে।


লুটের পণ্য বিক্রি

মার্কিন অর্থ দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, আইএস ইরাকে তাদের নিয়ন্ত্রিত এলাকায় মার্কিন যানবাহন ও অস্ত্র বিক্রি করে অর্থ আয় করে। এ ছাড়া নির্মাণ সামগ্রী, বৈদ্যুতিক তার, আসবাবপত্র বিক্রি, আবাসন খাত, কৃষি খাত, মানবপাচার ও বিভিন্ন তেজস্ক্রিয় পণ্য বিক্রি করে অর্থ আয় করে আইএস।


বিস্ময় অ্যানসারস নভেম্বর ২০১৫ এর ১০ জন বিস্ময়কর গুরুকে সম্মাননা প্রদান করবে।  আপনার নাম যদি বিস্ময়কর গুরুর মদ্ধে থাকে তাহলে নিজের অ্যাকাউন্ট লগিন করে bissoy কে  একান্ত বার্তা পাঠানোর মাদ্ধমে  http://ans.bissoy.com/message/bissoy প্রথম ৩ জন বিকাশ নাম্বার ও বাকি ৭ জন ফ্লেক্সিলোড নাম্বার পাঠিয়ে দিন। ৭ ডিসেম্বর এর মদ্ধে সম্মাননা আপনার কাছে পৌঁছে যাবে।  

বিস্ময়কর গুরু 11/2015

    প্রথম  দূরের কাশবন
   দ্বিতীয়  আরিয়ান
   তৃতীয়  মোশারফ হোসেন
   চতুর্থ   সাকিবুল হাসান
  পঞ্চম   সেজাদ
  ষষ্ঠ   Ramzan ali Raju
  সপ্তম  Jillur R Rohman
  অষ্টম  m.p ratan hili
  নবম  Harry Potter
  দশম   মিরাজ বিডি


হ্যাল্লো বিস্ময় ডট কম, অত্যন্ত আনন্দের সাথে জানাচ্ছি যে এখন থেকে সেরা বিস্ময়কর গুরূর জন্য থাকছে আকর্ষনীয় মাইক্রোসফট লুমিয়া ব্র্যান্ডের স্মার্টফোন। 

এছাড়াও সেরা ২ জন বিস্ময়কর গুরুর জন্যও থাকছে আকর্ষনীয় উপহার। 

শর্তাবলি:

  • একাধিক একাউন্ট থেকে অংশ নিতে পারবেন না। 
  • আমরা সংখ্যায় না, বরং মানে বিশ্বাসী, তো সর্বোচ্চ উত্তরদাতাই নির্বাচিত হবেন এমনটা নয়, নির্বাচিত হতে পারেন আপনিও।
  • সর্বোচ্চ উত্তর দাতাদের প্রতিটি উত্তর যাচাই বাছাই প্রক্রিয়ার মাধ্যেমে পরীক্ষা করেই তাকে নির্বাচিত করা হবে। 
  • প্রতিটি উত্তর হতে হবে নীতিমালা মেনে। কোন কারনে আমাদের পর্যবেক্ষকগন আপনার কোন কার্যক্রমকে নীতিমালা বহির্ভুত মনে করলে আপনার একাউন্ট বাতিল করবেন। 

উল্লিখিত শর্তসমূহের পাশাপাশি সদস্যের নম্র আচরণ, অন্যান্য সদস্যদের সাথে সদ্ব্যবহার, পরিচালকবৃন্দের প্রতি যথাযথ সম্মান বজায় রাখা ইত্যাদি বিষয়ও বিশেষভাবে যাচাই করা হবে।

 "নিজ পরিচয় গোপন রেখেছেন অর্থাৎ ফেইক সদস্যনাম ও পরিচয়ে একাউন্ট খুলেছেন  এমন কেউ বিস্ময়গুরু হতে পারবেন না" 

বিঃদ্রঃ শুধুমাত্র একজন সাধারন সদস্য পাবেন স্মার্টফোন। বিস্ময় ডট কম স্টাফ প্যানেলের কেউ যেমন সমন্বয়ক, সম্পাদক, বিশেষজ্ঞ, মার্কেটিং পার্টনার, টেকনিক্যাল সাপোর্ট প্রোভাইডার প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কেউ চাইলে স্মার্টফোন ব্যাতিত অন্য উপহার গুলোর জন্য অংশ নিতে পারবেন।

প্রতিমাসের ৫ তারিখের মধ্যে নির্বাচিত সদস্যদের নাম প্রকাশ ও ৭ তারিখের মধ্যে তাদের হাতে উপহার তুলে দেয়া হবে।

শুরুতেই আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। ফাইল শেয়ার করার অনেক সাইট ই আছে, তবে আমি বলবো সবথেকে ভালো হয় যদি আপনি আপনার প্রফাইলে বা এখানে মন্তব্যে আপনার মোবাইল নাম্বার টি দেন। তাহলে আমরা সরাসরি যোগাযোগ করতে পারবো ।

এখনও অনেক প্রশ্নের উত্তর আসে নি। আপনি সেগুলোর উত্তর দিন। যে প্রশ্ন গুলোর উত্তর আছে সেগুলোর উত্তর দেয়ার কোন প্রয়োজন নেই। 

পিসি ভার্সন থেকে এভাবে উত্তর দেয়া সম্ভব। 

গত ২৯/১০/২০১৫ তে মোবাইল ভার্সনের জন্য পরীক্ষামূলক ভাবে চালু করা হয়েছিল। তবে অপেরা মিনি ব্যবহারকারী সদস্যদের অসুবিধার কারনে তা আবার বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। অপেরা মিনিতে যে সমসাটি হয় আমরা তা দূর করার চেষ্টা করছি। আশা করছি অতি দ্রুত সকল ব্যবহারকারীদের জন্য এই সুবিধাটি আমরা যুক্ত করতে পারব। 

ক্রমবর্ধমান তথ্যপ্রযুক্তির এই বিশ্বে ইন্টারনেট আমাদের জীবনের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত হয়েছে যেখানে মানুষ সাহায্যের জন্য মাত্র কয়েক ক্লিক করে ওয়েবের দারস্থ হচ্ছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সাহায্যের জন্য ওয়েব সার্চের ফলাফল আপনাকে বিস্ময় অ্যানসারস এর লিংকে নিয়ে যাচ্ছে।

২০১৩ সালে যাত্রা শুরুর পর থেকেই বিস্ময় অ্যানসারস এর ওয়েব ট্রাফিক ক্রমাগত বৃদ্ধি পেয়েছে এবং আজ এটি সাড়া বিশ্বে বাংলা ভাষায় ইন্টারনেটের জনপ্রিয় সমস্যা সমাধানের সাইটগুলোর মধ্যে প্রথম স্থানে।

নিসন্দেহেই বিস্ময় অ্যানসারস এ কন্ট্রিবিউটরের অভাব রয়েছে, এই গ্যাপ দূর করার জন্য আমাদের আরো অনেকের অনলাইন এই সমস্যা সমাধানের সাইটের সাথে যুক্ত হওয়া প্রয়োজন। বিস্ময় অ্যানসারস এ ৮০ হাজারের কাছাকাছি সমস্যার সমাধান দেয়া হয়েছে এবং আরও অনেক সমস্যার সমাধান এখনও পাওয়া যায়নি।

হয়ত অনেকেই জানেন না বিস্ময় অ্যানসারস একটি স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে গড়ে উঠা বিশ্বকোষ, সেচ্ছাসেবকরা যখন সময় পান তখন কন্ট্রিবিউট করেন। এখানে কন্ট্রিবিউটের জন্য বড় কোন স্কলারও হতে হয় না, এর নীতিমালাই হল পৃথিবীর প্রত্যেক মানুষ সবকিছু জানে না কিন্তু সবাই কিছু না কিছু জানে সুতরাং সবার জ্ঞান যদি একই প্লাটফর্মে শেয়ার করা যায় তখনই সেটা পূর্ণাঙ্গ হয়ে উঠে।  এখানে কাউকে স্পেসিফিকালি কোন উত্তর বা সমাধান করতে দেওয়া হয় না যে যা করতে ভালোবাসেন তাই করেন। এটা আসলে এক ধরণের মজা সেইসাথে সাহায্য ও শিক্ষামুলকও।

উন্মুক্ত জ্ঞানে প্রবেশাধিকার ও বাংলাদেশের ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য জ্ঞানের কিছু অংশ রেখে যাওয়াটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং এটা এড়িয়ে চলা খুবই কঠিন যখন আপনি ইচ্ছে করলেই এই দৈতাকার কর্মযজ্ঞে খুব সহজেই শামিল হতে পারছেন। এখানে জাতীয়তা, ধর্ম, বর্ণ, ভাষা ও লিঙ্গ ভিত্তিক কোন ব্যারিয়ার নেই। আপনি যদি স্বেচ্ছায় জ্ঞান বিতড়নের কাজটি পছন্দ করেন তাহলে আপনিও যোগদান করতে পারেন।

আপনি যদি কোন সমস্যার সমাধান দেন তাহলে এটা শতাব্দীর পর শতাব্দী ইন্টারনেটে বিচরন করবে। অবশ্যই এটা আপনার বন্ধুবান্ধব, আত্মীয়  এবং আপনার সন্তানরা ব্যবহার করতে পারে। আমরা আপনাকে বলতে পারি, আপনার জ্ঞান ইন্টারনেটে থাকবে ও হাজার হাজার মানুষ উপকৃত হবে, এটার চেয়ে ভালো অনুভুতি কিছুই হতে পারে না। এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য মঙ্গল, আপনার জন্যও!

প্রথমেই এইখানে ক্লিক করে এই লেখাটি শেয়ার করুন আপনার বন্ধুদের সাথে।আপনার যে কোন মতামত আমরা গুরুত্তের সাথে দেখি। যে কোন অভিযোগ, মতামত, অনুরোধ আমাদের পাঠাতে পারেন। 
আমাদের সাথে যুক্ত হতে নিবন্ধন করুন এইখানে ক্লিক করে। 

বিস্ময় অ্যানসারস সেপ্টেম্বর ২০১৫ এর ১০ জন বিস্ময়কর গুরুকে সম্মাননা প্রদান করবে।  আপনার নাম যদি বিস্ময়কর গুরুর মদ্ধে থাকে তাহলে নিজের অ্যাকাউন্ট লগিন করে bissoyকে  একান্ত বার্তা পাঠানোর মাদ্ধমে  http://ans.bissoy.com/message/bissoy প্রথম ৩ জন বিকাশ নাম্বার ও বাকি ৭ জন ফ্লেক্সিলোড নাম্বার পাঠিয়ে দিন। ৭ অক্টোবর এর মদ্ধে সম্মাননা আপনার কাছে পৌঁছে যাবে।  

বিস্ময়কর গুরু 09/2015

প্রথম  SAALiveBD

দ্বিতীয়  মোশারফ হোসেন

তৃতীয়  avir

চতুর্থ  তৌকির

পঞ্চম  Abdul Halim

ষষ্ঠ  Manik 415

সপ্তম  তহিদ

অষ্টম  Markaz

নবম  দূরের কাশবন

দশম  এম. এ-আমিন