user-avatar

MHAyonrand1

◯ MHAyonrand1

ট্রাইবুনাল মানে বিশেষ উদ্দেশ্যে/বিষয়েে স্থাপিত আদালত,, 

অর্থাৎ, ট্রাইবুনালের এখতিয়ার শুধু একটি বিষয়-বস্তু কেন্দ্রিক।

সাইবার ট্রাইবুনালে শুধুমাত্র সাইবার সংক্রান্ত অপরাধ/প্রতিকার দেয়া হয়।   

 ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন,২০১৮ একটি সাইবার অপরাধ/প্রতিকার সংক্রান্ত আইন   

পদ-ভেদে যোগ্যতা লাগে,,, তাই লিংক টি দিয়ে দিলাম,নিজেই দেখে নিন,যে পদে আবেদন করতে  চান

NSI circular

NSI circular

পদ-ভেদে যোগ্যতা লাগে,,, তাই লিংক টি দিয়ে দিলাম,নিজেই দেখে নিন,যে পদে আবেদন করতে  চান

 আপনার এলাকায় ভোটার হালনাগাদ কার্যক্রম শুরু হলে    ভোটার হালনাগাদকারী ব্যাক্তি-র কাছে ভোটার হতে পারবেন।  আমার জানামতে,এছাড়া পারবেন না।   
আপনি সাইবার ক্রাইম ইউনিট কে জানাতে পারেন অথবা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ এর  ২২,২৩,২৭,৩০ ধারায় সাইবার ট্রাইবুনালে মামলা করতে পারেন   
যদি প্রমাণ করা যায় যে, আপনি তার আত্মহত্যার জন্য দায়ী তবে আপনার বিরুদ্ধে বাংলাদেশ দণ্ডবিধি-৩০৬ ধারায় অভিযুক্ত হবেন।  আর যদি প্রমাণ করা যায়,আপনি কোনো ভাবেই জড়িত না তবে আপনি নিশ্চিন্তে থাকতে পারেন ।          
যদি সে উত্তরাধিকার সুত্রে সম্পত্তি পেয়ে থাকে তবে বিক্রি করতে পারবে, কিন্তু নাবালকের সম্পত্তি বিক্রয় করা যাবে না      
 সংবিধানের সবচেয়ে বড় শক্তি হচ্ছে  অনুচ্ছেদ ৭,৭ক,৭খ  আর দুর্বলতা হচ্ছে অনুচ্ছেদ ৪৫,৪৬,৪৭  
আপনার টাকা প্রয়োজন,,,আপনি যা করতে পারেনঃ আপনি বলেন যে,আপনি বাকি টাকা দিয়েই ল্যাপটপ নিয়ে যাবেন তবে ল্যাপটপটা আগের মতো ঠিক করে দিতে হবে,যদি সে এতে রাজি হয় তবে আপনি এই সময়ের মধ্যে অন্য একজনের কাছে বিক্রি করে দিতে পারেন  আর যদি রাজি না হয় তবে,আপনি বলবেন ল্যাপটপ ও দিবেন না টাকাও দিবেন না, তা-তো হয় না             
হ্যাঁ আপনাকে অনুমতি নিতে হবে, যদি না নিয়ে বিয়ে করেন তবে, মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ,১৯৬১ এর  ৬ ধারা লংঘন করেছেন বলে গণ্য হবে এবং ৬(৫) ধারায় ১ বছর কারাদন্ডে দন্ডিত হতে পারেন।       
বাবা মারা গেলে মা পেনশন পায়
অথবা মা মারা গেলে বাবা পায়  
অথবা,

যাকে নমিনি করা হয় 

আপনাকে নমিনি করা হলে আপনি পাবেন না হলে পাবেন না

তালাক দিতে চাই?

MHAyonrand1
Jul 17, 07:12 PM
আপনি দেনমোহরের টাকা পরিশোধ না করলে,   আপনার স্ত্রী চাইলে আপনার সাথে না থাকতে পারে , এটা মুসলিম আইন সমর্থন করে। আপনি টাকাটা পরিশোধ করলে,আপনার জন্যই ভালো এতে আপনাদের বিয়েটা সম্পুর্ণ বৈধ হয়ে যাবে। আর  বিয়ের পর কিছু সমস্যা হতেই পারে,তবে হুটহাট তালাকের সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিৎ নয়।        মুসলিম পারিবারিক অধ্যাদেশ ১৯৬১   এর ৭ ধারা অনুযায়ী তালাক শব্দটি উচ্চারণের পরপরই, সেই মর্মে একটি নোটিশ স্থানীয় চেয়ারম্যান ও স্ত্রীর বরাবর পাঠাতে হবে এবং উক্ত নোটিশ পাঠানোর ৯০ দিন পর তালাক কার্যকর হবে। 
সরকার যখন মনে করে তখন রেকর্ড কার্যক্রম পরিচালনা করে,এর সুনির্দিষ্ট কোনো সময় নেই।    তবে,বাংলাদেশ সার্ভে নামে BS record চলমান,এটা কখন কোন এলাকায় হবে,তেমন সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য নেই।

তাই যদি আপনি মনে করেন আপনার করা মামলায় পুলিশ নিরপেক্ষ এবং পক্ষপাতহীনভাবে তদন্ত সম্পন্ন করেনি তাহলে সে তদন্তের বিরুদ্ধে আপত্তি এবং অসন্তুষ্টি জানিয়ে সংশ্লিষ্ট আদালতে দরখাস্তাকারে নারাজি আবেদন পেশ করতে পারেন। মানে পুলিশি প্রতিবেদন মেনে নিতে আপনি রাজি নন মর্মে একখানা দরখাস্ত রুজু করবেন। অর্থাৎ পুলিশের দাখিলকৃত প্রতিবেদন আপনি কেন সঠিক মনে করছেন না সে কারণ দর্শিয়ে কিংবা আপনার নিকট যদি পুলিশ রিপোর্ট প্রভাবিত হওয়ার স্বপক্ষে যথেষ্ট প্রমাণাদি থেকে থাকে তবে তা সংযুক্ত করে ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর পুনরায় অথবা অধিকতর তদন্তের আবেদন জানাতে পারেন।তিনি নারাজি দরখাস্তখানির গুরুত্ব বিবেচনা করে সেটিকে নালিশি দরখাস্ত হিসেবে গণ্য করে বিষয়টি তৎক্ষণাৎ তাঁর আদালতে নালিশি মামলা (Complaint Case) হিসেবে নথিবদ্ধ করে আবারো ঘটনা তদন্তে আদেশ দিতে পারেন।

তিনি তদন্তকারী কর্মকর্তাকে ঘটনাটি পুনরায় শুরু থেকে তদন্ত (Re-investigation) করার অথবা অধিকতর তদন্ত (Further Investigation) করতে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে নির্দেশ দিয়ে বিষয়টি আবারো থানায় ফেরত পাঠাতে পারেন অথবা পূর্বের তদন্তকারী কর্মকর্তাকে পরিবর্তন করে দিতে পারেন। 

আপনি মুসলিম পারিবারিক অধ্যাদেশ, ১৯৬১ এর ৭ ধারার ৫ ও ৬ উপ- ধারায় পুনরায় একসাথে থাকার জন্য   ৯০ দিনের পূর্বেই আপনাকে তালাক প্রত্যাহার করতে হবে    
যদি আপনার সম্মতি না নিয়ে বিয়ে করে তবে, আপনি পারিবারিক আদালতে গিয়ে Muslim Family law ordinance,1961  এর ৬ ধারায় অভিযোগ জানাতে পারেন  এবং অভিযোগের সাথে(কাবিননামার বিষয়টি+  ৩ মাসের ভরণপোষণ+ দেনমোহর) এর বিষয়টি আদালতের সামনে নিয়ে আসবেন   
যদি মেয়ের বিয়ে হওয়ার পূর্বে মেয়ের বাবা মেয়ের নামে লিখে দেয়  তবে সে এক্ষেত্রে সম্পত্তির দাবি করতে পারে কিন্তু মুসলিম আইন মতে,এ বিবাহ অবৈধ এবং মেয়ে কোনো প্রকার সম্পত্তির দাবি করতে পারবেনা( যদি বিয়ের আগে পেয়ে না থাকে)   এবং হিন্দু আইন মতে,এই বিবাহ( Gandharva Marriage)অগ্রহণযোগ্য।       

কবুলিয়ত এর উৎপত্তি ১৫৪০-১৫৪৫( আনুমানিক)  এর মধ্যে

আর,   বর্তমানে কোন সরকারি খাস জমি কোন ভূমিহীনদের নিকটে যে দলিলের মাধ্যমে প্রদান করা হয়, তাকে কবুলিয়ত বলে।

CS খতিয়ান এর কার্যক্রম শুরু হয় ১৮৮০ থেকে।

বিস্তারিত বললে সমাধান দেয়া যেতে পারে।    

সংবিধানে অনুচ্ছেদ থাকে,ধারা নয় বাংলাদেশ সংবিধানের ১৩৩ ও ১৩৫ অনুচ্ছেদে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী  শব্দটি উল্লেখ আছে  
আপনার প্রশ্নটি বুঝতে পারলাম না। According to Article 45 of Indian Constitution "এই সংবিধান কার্যকর হওয়ার ১০ বছরেরমধ্যে রাষ্ট্র সকল নাগরিকের জন্য শিক্ষা নিশ্চিত করিবে।            
Divorce দিতে হবে Divorce Act,1869 অনুযায়ী৷  যদি বিয়ের রেজিষ্ট্রেশন হয়ে থাকে তবে আপনাকে টাকা পরিশোধ করতেই হবে।     

 চেকে যদি তার সই থাকে তবে আপনি আগে গিয়ে চেক ডিসঅনার এর মামলা আগে করতে পারবেন এবং ৩০০ টাকার  

স্ট্যাম্প-এ টাকার পরিমাণ  ও  সাক্ষী থাকতে হবে তা না হলে আপনার অভিযোগ টিকবেনা। 

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন,২০১৮( Digital Security Act) বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সাইবার আইন।আপনি নির্দিষ্ট কোনো বিষয়ে জানতে চাইলে বলা যাবে অথবা আপনি আইনটা নিজেই পড়ে দেখতে পারেন।         
চেক না দিলে ভাল হয়, তাতে আপনার সমস্যার কোনো সম্ভাবনা নেই স্ট্যম্পে  টাকার পরিমাণ এবং স্বাক্ষী থাকাটাই যথেষ্ট   

 ডিক্রী প্রদান করা হয় দেওয়ানী মোকদ্দমায়(Civil Suit)

রায় প্রদান করা হয় ফৌজদারী মামলায় (Criminal Case)

আর এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও বড় পার্থক্য 

মেয়েটা তো আপনার হাত ধরে নিজের বাড়ি ছেড়ে আপনার সাথেই চলে এসেছে আর অথচ আপনি চলে গেলেন দেশের বাহিরে।এখন যদি আপনি তালাক দিয়ে দেন,আপনি এবং আপনার পরিবারের   নামে মামলা হতেই পারে।  আপনি দেশে চলে আসতে পারেন এবং এখানেই একটা কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে নিতে পারেন।পরিবারের এমন মেনে না নেয়া,কয়েকদিন গেলেই তা ঠিক হয়ে যায়  ধৈর্যের সাথে পরিস্থিতির মোকাবেলা করুন           
মোহরানা বা Dower হলো স্ত্রীর অধিকার,অথবা স্ত্রীকে দেয়া স্বামীর কোনো উপহার    কিন্তু বর্তমানে এটিকে সিকিউরিটি-মানি হিসেবে দেখা হয়। আপনার বন্ধু যা করতে পারেঃ  যেহেতু মোহরানা নির্ধারণ হয়েই গিয়েছে,  সেইক্ষেত্রে বিয়ের সময় উসুল(prompt dower)/পরিশোধিত মোহরানার পরিমাণ বাড়িয়ে দিলেই হবে,এবং এটা কাজীকে আগেই বলে রাখতে হবে বা মেয়েপক্ষের সাথে কথা বলে নিতে পারেন।   
কাবিন এবং Engagement দুটির আলাদা অর্থ, কাবিন হয় কাবিননামা ফরমে বা নিকাহনামা ফর্ম, যাতে দেনমোহর,সাক্ষী আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উল্লেখ থাকে এবং তারপর থেকে বিবাহিতা মেয়েটি আপনার বৈধ স্ত্রী           

 দুঃখিত!! বাংলাদেশ বার কউন্সিলের নির্দেশনা অনুযায়ী ২০২০ সালের পর আর কেউ দুই বছরের এল.এল.বি কোর্স করতে পারবেনা।

কিন্তু ১৯১১ সালে, প্রচণ্ড গণআন্দোলনের ফলশ্রুতিতে বঙ্গভঙ্গ রহিত হয়। দ্বিতীয়বার বঙ্গভঙ্গ হয় ১৯৪৭ সালে।