Lord_Legend

Lord_Legend

Lord_Legend

Chocolate0

About Lord_Legend

Nilam.xyz is a unique e-commerce platform that links millions of buyers and sellers across the country. Nilam.xyz is here to enable economic opportunity for individuals, entrepreneurs, businesses, and organizations of all sizes. Nilam.xyz is created to provide inspiring ecommerce experiences for our buyers, sellers, and other stakeholders. Embracing innovation has been a foundation of our business philosophy – Thus we are continuously incorporating technologies such as AI, machine learning, natural lang
Experience and Highlight
Lives in Dhaka (Bihar) 2022–present
Male
Single
Islam
Services
Work Experiences
Skills
Language
Trainings
Education
Social Profile
Add social profile
প্রশ্ন-উত্তর সমূহ 0 বার দেখা হয়েছে এই মাসে 0 বার
0 টি প্রশ্ন দেখা হয়েছে 0 বার
0 টি উত্তর দেখা হয়েছে 0 বার
0 টি ব্লগ
0 টি মন্তব্য
টাইমলাইন

১৮ কোটি মানুষের একটি বড় মার্কেট হওয়ায় বাংলাদেশ বর্তমান বিশ্বের ই-কমার্স ব্যবসার একটি স্বর্গরাজ্য। এখানে গত এক দশকে অসংখ্য ই-কমার্স ব্যবসা শুরু করেছে। এর মধ্যে অনেক গুলোই ঝড়ে পরেছে, আবার অনেক গুলো সঠিক মার্কেট রিসার্চ ও মার্কেটিং কৌশল নিয়ে এখন ও টিকে আছে ও খুব ভালো ব্যবসা করছে। তাই একটি নির্দিষ্ট ই-কমার্স সাইটকে সবচেয়ে ভালো ও বড় বলা ঠিক হবেনা। কারন আমাদের দেশের ই-কমার্সে এমাজন এর মতো কোন একক কোম্পানি মনোপোলি করতে পারছেনা। বরং যে ই-কমার্স যে রকম পন্য নিয়ে কাজ করছে সে অনুযায়ী একটি লিস্ট করলে বুঝতে সুবিধা হবে। তাই এখানে বাংলাদেশের টপ ই-কমার্স সাইট গুলোর ব্যাপারে আলোচনা করা হলো সংক্ষেপে। 

১। ডারাজঃ এখন পর্যন্ত ডারাজকেই মার্কেট লিডার ধরা হয়। তারা সব ধরণের পন্য বিক্রি করে থাকে। 

২। নিলাম (https://nilam.xyz/): নিলাম একটি ইউনিক ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম। এটা শুধু কেনা বেচার প্ল্যাটফর্ম নয়। এখানে চাইলে আপনার কোন পন্য নিলাম ও করতে পারবেন। অকশানে গিয়ে এটা আপনার পন্য আপনি চাইলেই বিড এর জন্য উঠাতে পারবেন। 

৩। রকমারিঃ রকমারি বই কেনার জন্য এখন পর্যন্ত দেশের সবচেয়ে বড় প্ল্যাটফর্ম। এখানে সব প্রকাশনীর সকল বই পাওয়া যায়। চাইলে বাইরের বই ও অর্ডার করতে পারবেন। যে বই স্টকে নেই সেটা স্টক করার জন্য রিকুয়েস্ট ও করা যায়। 

৪। পিকাবুঃ ইলেকট্রনিক গ্যাজেট কেনা বেচার জন্য খুব ভালো। 

৫। চালডালঃ নিত্য প্রয়োজনীয় পন্য কেনার জন্য সবচেয়ে বিশ্বস্ত জায়গা চালডাল।

আপনি কি চাচ্ছেন এর মতো একটি ইকমার্স ব্যবসা শুরু করতে? কিছুতেই বুঝে উঠতে পারছেন কিভাবে কি করবেন? আপনি তাহলে সঠিক জায়গাতেই এসেছেন। আজকের আর্টিকেলে আমি আপনাদের বাংলাদেশে ২০২২ সালে কিভাবে ইকমার্স ব্যবসা শুরু করা যায় সে ব্যাপারে কিছু বলবো। আশা করছি আর্টিকেল পড়া শেষে আপনার দ্বিধা কেটে যাবে আর কিছু ভালো আইডিয়া নিয়ে আপনি আজকেই ই কমার্স ব্যবসায় নেমে যেতে পারবেন। তাহলে ঝটপট আর্টিকেলটি পড়ে নিন।

 
ই কমার্স কাকে বলে?
সর্বপ্রথম আপনাকে জানতে হবে ই কমার্স কি। তা না হলে আপনি ঠিক পথে এগোতে পারবেন না। ই কমার্স বলতে বুঝায় এলেক্ট্রনিক মাধ্যমে ব্যবসা যা মূলত ইন্টারনেট ভিত্তিক একটি ব্যবসা খাত। ই কমার্সে গ্রাহকগণ স্বশরিরে প্রডাক্ট দেখতে পারেন না। শুধু ছবি বা ভিডিও দেখে কিনতে হয়। টাকা লেনদেন ও হয় অনলাইন ব্যাংকিং এর মাধ্যমে। ই কমার্স কি জানার পরে আপনাকে জানতে হবে কিভাবে শুরু করবেন।

 
আর্থিক এবং মানসিক প্রস্তুতি
ইকমার্স ব্যবসা শুরুর আগে আপনাকে মানসিক ভাবে প্রস্তুতি নিতে হবে। মানসিক প্রস্তুতি বলতে ই কমার্স ব্যবসায় যে ধরণের ঝামেলা পোহাতে হবে সেগুলোর ব্যপারে। এর পাশাপাশি আরেকটি গুরুত্বপূর্ন বিষয় হলো আর্থিক প্রস্তুতি। আপনার ব্যবসার ধরণ অনুযায়ী যথেষ্ট টাকা নিয়ে প্রস্তুত থাকতে হবে।

 
প্রডাক্ট রিসার্চ
অসংখ্য ই কমার্স ব্যার্থ হচ্ছে শুধুমাত্র তারা ব্যবসায় নামার আগে প্রডাক্ট রিসার্চ করেনা বলে। তারা ভেবে বসে যে কোন প্রডাক্টই অনলাইনে বিক্রয় করা যায়। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে কি প্রডাক্ট নিয়ে কাজ করবেন সেটার উপর আপনার সাফল্যের বৃহদাংশই নির্ভর করছে। যদি নির্দিষ্ট কোন এলাকার কাস্টমার টার্গেট করেন, তাহলে সে এলাকায় কোন প্রডাক্ট চলবে সেটা আগে থেকেই রিসার্চ করে নিতে হবে।

 
প্রতিষ্ঠানের নাম এবং ডোমেইন হোস্টিং নির্বাচন
প্রডাক্ট ও মার্কেট রিসার্চ হয়ে গেলে প্রতিষ্ঠানের নাম ও ডোমেইন নাম নির্ধারণ করুন। আপনার প্রডাক্ট সমূহ একটি নির্দিষ্ট প্লাটফর্মে রাখার জন্য আপনার নিজের ই কমার্স ওয়েবসাইট প্রয়োজন। এতে করে প্রডাক্ট নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী অপটিমাইজ করতে পারবেন। মার্কেটিং এর সময় এসইও করা ও সহজ হবে।

 
মার্কেটিং
প্রডাক্ট বিক্রির জন্য দশটি নিয়ম, এর প্রথমটি হলো ভালো পন্য, আর বাকি নয়টি হলো মার্কেটিং। প্রডাক্ট রিসার্চ, মার্কেট রিসার্চ, ওয়েবসাইট সব হয়ে গেলে এবার মার্কেটিং এর পালা। সকল সোশাল মিডিয়ায় নিজেদের প্রতিষ্ঠানের উপস্থিতি বাড়ানোর জন্য সব খানে প্রফাইল করতে হবে। সব খানে আপনার প্রডাক্টকে বুস্ট করুন। এটা গেলো অনলাইন মার্কেটিং। অফলাইনে ও প্রচুর মার্কেটিং করতে হবে।

 
পেমেন্ট এবং ডেলিভারি সিস্টেম
ই কমার্সের পেমেন্ট গেটওয়ে হতে হয় গ্রাহকদের জন্য সুবিধাজনক। যত সহজে একজন গ্রাহক লেনদেন করতে পারবে সে ততবেশি ঐ প্লাটফর্ম থেকে পন্য কিনতে আগ্রহী হবে। একই কথা প্রযোজ্য ডেলিভারি সিস্টেম এর ক্ষেত্রে ও। ডেলিভারি সিস্টেম করতে হবে দ্রুত ও অল্প খরচে।

 
আফটার সেলস সার্ভিস বা কাস্টমার সাপোর্ট
যদি আপনি আপনার বিক্রিত পন্যের ক্ষেত্রে বিক্রয় পরবর্তী কিছু সার্ভিস দেন, তাহলে আপনার পন্য বিক্রয়ের সম্ভাবনা বেড়ে যাবে বহুগুন। যেমন, পন্য ফেরত দেয়া সহজ করতে হবে, রিফান্ড পলিসি গ্রাহকদের জন্য সহজ ও সুবিধাজনক করতে হবে, ওয়ারেন্টি গেরান্টি সিস্টেম রাখতে হবে।

 
সর্বশেষ
পরিশেষে বলবো, ই কমার্স ব্যবসায় অন্যদের সাফল্য দেখে হুটহাট শুরু করে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিবেন না। প্রথমেই নিজেকে জিজ্ঞেস করুন আপনি আর্থিক ও মানসিক ভাবে কতটা প্রস্তুত। যদি সব দিক ঠিক থাকে, তাহলে উপরে উল্লেখিত ধাপ গুলো অনুসরণ করে আপনার ই কমার্স ব্যবসা শুরু করতে পারেন।