user-avatar

Md Azizul Islam Bappi

◯ azizulb

‘নদ’ আর ‘নদী’ এই দুইয়ের মধ্যে পার্থক্য কী?- এই প্রশ্ন করা হলে বেশিরভাগ লোকই হাস্যকর সব ভুল উত্তর দেয়। উত্তরের একটা নমুনা দেখা যাকঃ
নদ আর নদীর মধ্যে পার্থক্য হল- “নদীর শাখা আছে, নদের শাখা থাকে না”। বেশিরভাগ লোকই এই উত্তরটা দেয়। সবাই এটা বংশানুক্রমে পায় ( আমি নিজেও স্কুলে আমার শিক্ষকের কাছে এই উত্তরটাই পেয়েছিলাম ) এই উত্তরের ব্যাকরণগত ভিত্তি কেউই জানে না ( ভিত্তি থাকলে তো জানবে!!!!! )। মজার ব্যাপার হল উইকিপিডিয়া ও একই পথের পথিক। নদ ও নদী সম্পর্কে উইকিপিডিয়াতে লেখা আছেঃ
“যে জলস্রোত কোন পর্ত, হ্রদ, প্রস্রবণ ইত্যাদি জলাধার হতে উৎপন্ন ও বিভিন্ন জনপদের উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে অন্য কোন জলাশয়ে পতিত হয়, তাকে নদী বলে। যেমনঃ মেঘনা, যমুনা, কুশিয়ারা ইত্যাদি। যখন কোন নদী হতে কোন শাখা নদীর সৃষ্টি হয়না, তখন তাকে বলা হয় নদ। যেমনঃ কপোতাক্ষ, ব্রহ্মপুত্র, নীল নদ ইত্যাদি নদ। সুরমা, গঙ্গা, বুড়িগঙ্গা ইত্যাদি নদী।”

অপভ্রংশের মাধ্যমে খাঁটি বাংলা ধাতু আমাদের ভাষায় এসে গেছে।

কিষাণ’ শব্দটির স্ত্রীলিঙ্গ করা হয় ঈ- প্রত্যয়যোগে।

ক্রিয়া যেসময় ঘটে সে সময়কে  ক্রিয়ার কাল বলে।

‘গোছগাছ’ অনুকার ধরনের শব্দ।

‘মেধাবী’ শব্দটি বিন প্রত্যয় দ্বারা গঠিত।

‘গর গর’ ধ্বন্যাত্মক শব্দ ।

উক্তি-প্রত্যুক্তি বোঝাতে হাইফেন বসে।

একই ধরনের শব্দ ব্যবহারের ক্ষেত্রে  হাইফেন বিরাম চিহ্ন বসাতে হয়।

বিভক্তি চিহ্নের বদলে হাইফেন চিহ্ন বসে।

তারিখ লিখতে বার ও মাসের পর কমা চিহ্ন বসে।

বাক্যে সামান্য বিরতির জন্য কমা ব্যবহার করা হয়।

কোলন এর বাংলা প্রতিশব্দ হল দৃষ্টান্তচ্ছেদ

খন্ড বাক্যে সেমিকোলন বসে।

উদ্ধৃতির পূর্বে কোলন বসে।