user-avatar

UmarFaruk

UmarFaruk

UmarFaruk এর সম্পর্কে
যোগ্যতা ও হাইলাইট
পুরুষ
Unspecified
Unspecified
প্রশ্ন-উত্তর সমূহ 78.50k বার দেখা হয়েছে
জিজ্ঞাসা করেছেন 18 টি প্রশ্ন দেখা হয়েছে 24.97k বার
দিয়েছেন 41 টি উত্তর দেখা হয়েছে 53.53k বার
0 টি ব্লগ
0 টি মন্তব্য
দেশে থ্যালেসিমিয়া সেন্টার ১টি।
রবি সিমের Mb চেক করতে *৮৪৪৪*৮৮# ডায়াল করতে হবে
Computer শব্দটির অর্থ ঃ গ্রীক শব্দ “Compute” থেকে অধুনা Computer শব্দের উৎপত্তি। আবার ল্যাটিন শব্দ Computare ও থেকে Computer শব্দের উৎপত্তি।যার আর্থ গণনা করা, সেই দিক খেকে চিন্তাকরলে এর অর্থ গণনা কারী যন্ত্র বিশেষ। যেমন :- Calculator, Counter, Conductor. কম্পিউটারের আবিষ্কার চার্লস ব্যাবেজ নামক একজন ইংরেজ গনিতবিদ ১৮৩০ সালে প্রথম এনালগ কম্পিউটার আবিষ্কার করেন।এরপর হাবাড বিশ্ববিদ্যালয়ের 'হাউয়ারর্ড একিন' একটি ম্যাকানিক্যাল কম্পিউটার তৈরী করেন। পড়বর্তীতে ডিজিটাল কম্পিউটার আবিষ্কৃত হয় যা ম্যাকানিক্যাল কম্পিউটার থেকে ২০০ গুন গতি সম্পন্ন এবং সেটি ধীরে ধীরে উন্নত হয়ে আজকের কম্পিউটার।লর্ড বায়রনের মেয়ে 'লেডী এ্যাডা আগাসটা' পৃথিবীর প্রথম কম্পিউটার প্রোগ্রামারটি তৈরী করেন। কম্পিউটার এর সংজ্ঞা ঃ কম্পিউটার হলো একগুচ্ছ বৈদুতিক তরঙ্গকে নিজস্ব সংকেতে রুপান্তর করে ব্যবহারকারী কর্তৃক প্রয়োগকৃত কমান্ডের সাহ্যাযে্য উদ্ভূ সমস্যার সমাধান করে থাকে"।
গোনাহ হ’তে মুক্তি লাভের আশায় কৃত পাপগুলো স্মরণ করে আল্লাহর নিকট একনিষ্ঠচিত্তে ক্ষমা প্রার্থনা করবে (তাহরীম ৮) । রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘বান্দা কোন পাপ করে ফেললে যদি সুন্দরভাবে ওযূ করে দু’রাক‘আত নফল ছালাত আদায় করে আল্লাহর নিকট বিনীতভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করে, তাহ’লে আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দেন’ (আবূদাঊদ হা/১৫২৩) । তবে তওবা কবুলের জন্য তিনটি শর্ত পূরণ করতে হবে- (১) একমাত্র আল্লাহ্কে সন্তুষ্ট করার উদ্দেশ্যেই তওবা করতে হবে। (২) কৃত গোনাহের জন্য অনুতপ্ত হ’তে হবে। (৩) পুনরায় সে গোনাহে জড়িত না হওয়ার প্রতিজ্ঞা করতে হবে। উল্লেখ্য, যদি পাপটি বান্দার সাথে যুক্ত থাকে, তাহ’লে উপরের তিনটি শর্ত পূরণের সাথে চতুর্থ শর্ত হিসাবে তাকে বান্দার নিকটে ক্ষমা চাইতে হবে ও তাকে খুশী করতে হবে। নইলে তার তওবা শুদ্ধ হবে না’ (নববী, রিয়াযুছ ছালেহীন, ‘তওবা’ অনুচ্ছেদ) । তওবার জন্য বেশী বেশী পাঠ করতে হবে ‘আস্তাগফিরুল্লা-হাল্লাযী লা ইলাহা ইল্লা হুওয়াল হাইয়ুল ক্বাইয়ুম ওয়া আতূবু ইলাইহে’ (আমি আল্লাহর নিকটে ক্ষমা প্রার্থনা করছি। যিনি ব্যতীত কোন উপাস্য নেই। যিনি চিরঞ্জীব ও বিশ্বচরাচরের ধারক। আমি অনুতপ্ত হৃদয়ে তাঁর দিকে ফিরে যাচ্ছি বা তওবা করছি) (তিরমিযী, আবুদাঊদ, মিশকাত হা/২৩৫৩) ।
সাদা দাড়ি বা চুল রং করা সুন্নাত। তবে কালো রং করা নিষিদ্ধ। রাসূল (ছাঃ) বলেছেন, ‘নিশ্চয়ই ইহূদী, নাছারারা (চুল-দাড়ি) রং করে না। সুতরাং তোমরা তাদের বিপরীত কর’ (বুখারী হা/৫৮৯৯; মুসলিম হা/২১০৩; মিশকাত হা/৪৪২৩) । অন্য বর্ণনায় রয়েছে, ‘তোমরা সাদা চুলকে পরিবর্তন কর, তবে কালো রং থেকে বিরত থাক’ (মুসলিম হা/২১০২; মিশকাত হা/৪৪২৪) । তিনি বলেন, শেষ যামানায় একদল লোক কালো রং দ্বারা খেযাব করবে। তারা জান্নাতের সুগন্ধিও পাবে না (আবুদাউদ হা/৪২১২) । আবু উমামা (রাঃ) হ’তে বর্ণিত, রাসূল (ছাঃ) কিছু আনছার ছাহাবীর সাদা দাড়ি দেখে বললেন, হে আনছারগণ! তোমরা তোমাদের সাদা চুলগুলো লাল অথবা হলুদ রং দ্বারা পরিবর্তন কর এবং আহলে কিতাবদের বিরোধিতা কর (আহমাদ হা/২২৩৩৭; সিলসিলা ছহীহাহ হা/১২৪৫) । উল্লিখিত হাদীছ সমুহ দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, সাদা চুলে যে কোন রং করা সুন্নাত। তবে কালো রং ব্যবহার করা নিষিদ্ধ।
ঘোড়ার যাকাত নেই।.........
রোজাদারেরর মুখের দুগন্ধ আল্লাহর কাছে কস্তুরি থেকে বেশী সুগন্ধময়
হোমিও ডাক্তারের কাছে গিয়ে বলবে * চন্দ নাসব * দেন দাম ১১৫ টাকা। এ ওষুধ খেলে সপ্নদোস বন্ধ হয় যাবে ইনশাআল্লাহ
আল্লাহ ও মুহাম্মাদ পাশাপাশি প্রদর্শন করা শরী‘আত বিরোধী। এতে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-কে আল্লাহর সমতুল্য বুঝায়। যা বিশুদ্ধ আক্বীদার সম্পূর্ণ পরিপন্থী শিরকী আক্বীদা। তবে এরূপ মসজিদে ছালাত আদায় করা যায়। এরূপ লেখার কারণে মসজিদের মুতাওয়াল্লীসহ দায়িত্বশীলগণ গুনাহগার হবেন। এমতাবস্থায় মুছল্লীকে ঐসব বস্ত্ত থেকে দৃষ্টি নীচু রাখতে হবে, যাতে তার খুশূ‘-খুযূ বিনষ্ট না হয়। উল্লেখ্য, বর্তমানে বিভিন্ন মসজিদে আল্লাহ-মুহাম্মাদ ও কালেমাখচিত এবং মক্কা- মদীনার ছবি সম্বলিত নকশা ও দৃষ্টিনন্দন টাইল্স বিভিন্ন মসজিদে দেখা যায়। এগুলি শরী‘আত বিরোধী কাজ। যা অবশ্যই পরিত্যাজ্য। কেননা মসজিদ অহেতুক উঁচু ও জাঁকজমকপূর্ণ করা নিষিদ্ধ (আবুদাঊদ হা/৪৪৮; মিশকাত হা/৭১৮) ।
পানির গুরুত্ব বুঝাতে এটা বলা হয়, জীবনদাতা হিসাবে নয়। কেননা পানি দ্বারাই সকল প্রাণীকে সৃষ্টি করা হয়েছে। আল্লাহ বলেন, ‘আমরা পানি দ্বারা সকল প্রাণবান বস্ত্তকে সৃষ্টি করেছি’ (আম্বিয়া ২১/৩০) । তিনি বলেন, ‘নিশ্চয়ই ... বৃষ্টির মধ্যে, যা আসমান থেকে আল্লাহ বর্ষণ করেন, অতঃপর তার মাধ্যমে মৃত যমীনকে পুনর্জীবিত করেন ও সেখানে বিস্তৃত করেন সকল প্রকারের জীবজন্তু,...’ (বাক্বারাহ ২/১৬৪) । অতএব পানি জীবনের মাধ্যম মাত্র, জীবনদাতা নয়। যেমন ঔষধ আরোগ্যের মাধ্যম। কিন্তু আরোগ্যদাতা নয়। বরং আল্লাহই হ’লেন জীবনদাতা ও আরোগ্যদাতা।