UmarFaruk (@UmarFaruk)

"Ask "শব্দের উৎপত্তি বল?

UmarFaruk
Jun 27, 2015-এ প্রশ্ন করেছেন

আহমাদ রেযা খানের মৃত্যু কত সালে?

UmarFaruk
Jun 27, 2015-এ প্রশ্ন করেছেন

আহমাদ রেযা খানের জন্ম কত সালে?

UmarFaruk
Jun 27, 2015-এ প্রশ্ন করেছেন

দেশে থ্যালেসিমিয়া সেন্টার কতটি?

UmarFaruk
Jun 26, 2015-এ উত্তর দিয়েছেন
দেশে থ্যালেসিমিয়া সেন্টার ১টি।

হাই তুললে কোন দোআ বলতে হয়?

UmarFaruk
Jun 25, 2015-এ প্রশ্ন করেছেন

রবি সিমের Mb চেক করে কিভাবে?

UmarFaruk
Jun 25, 2015-এ উত্তর দিয়েছেন
রবি সিমের Mb চেক করতে *৮৪৪৪*৮৮# ডায়াল করতে হবে

কম্পিউটারের অর্থ কী?

UmarFaruk
Jun 25, 2015-এ উত্তর দিয়েছেন
Computer শব্দটির অর্থ ঃ গ্রীক শব্দ “Compute” থেকে অধুনা Computer শব্দের উৎপত্তি। আবার ল্যাটিন শব্দ Computare ও থেকে Computer শব্দের উৎপত্তি।যার আর্থ গণনা করা, সেই দিক খেকে চিন্তাকরলে এর অর্থ গণনা কারী যন্ত্র বিশেষ। যেমন :- Calculator, Counter, Conductor. কম্পিউটারের আবিষ্কার চার্লস ব্যাবেজ নামক একজন ইংরেজ গনিতবিদ ১৮৩০ সালে প্রথম এনালগ কম্পিউটার আবিষ্কার করেন।এরপর হাবাড বিশ্ববিদ্যালয়ের 'হাউয়ারর্ড একিন' একটি ম্যাকানিক্যাল কম্পিউটার তৈরী করেন। পড়বর্তীতে ডিজিটাল কম্পিউটার আবিষ্কৃত হয় যা ম্যাকানিক্যাল কম্পিউটার থেকে ২০০ গুন গতি সম্পন্ন এবং সেটি ধীরে ধীরে উন্নত হয়ে আজকের কম্পিউটার।লর্ড বায়রনের মেয়ে 'লেডী এ্যাডা আগাসটা' পৃথিবীর প্রথম কম্পিউটার প্রোগ্রামারটি তৈরী করেন। কম্পিউটার এর সংজ্ঞা ঃ কম্পিউটার হলো একগুচ্ছ বৈদুতিক তরঙ্গকে নিজস্ব সংকেতে রুপান্তর করে ব্যবহারকারী কর্তৃক প্রয়োগকৃত কমান্ডের সাহ্যাযে্য উদ্ভূ সমস্যার সমাধান করে থাকে"।
গোনাহ হ’তে মুক্তি লাভের আশায় কৃত পাপগুলো স্মরণ করে আল্লাহর নিকট একনিষ্ঠচিত্তে ক্ষমা প্রার্থনা করবে (তাহরীম ৮) । রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘বান্দা কোন পাপ করে ফেললে যদি সুন্দরভাবে ওযূ করে দু’রাক‘আত নফল ছালাত আদায় করে আল্লাহর নিকট বিনীতভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করে, তাহ’লে আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দেন’ (আবূদাঊদ হা/১৫২৩) । তবে তওবা কবুলের জন্য তিনটি শর্ত পূরণ করতে হবে- (১) একমাত্র আল্লাহ্কে সন্তুষ্ট করার উদ্দেশ্যেই তওবা করতে হবে। (২) কৃত গোনাহের জন্য অনুতপ্ত হ’তে হবে। (৩) পুনরায় সে গোনাহে জড়িত না হওয়ার প্রতিজ্ঞা করতে হবে। উল্লেখ্য, যদি পাপটি বান্দার সাথে যুক্ত থাকে, তাহ’লে উপরের তিনটি শর্ত পূরণের সাথে চতুর্থ শর্ত হিসাবে তাকে বান্দার নিকটে ক্ষমা চাইতে হবে ও তাকে খুশী করতে হবে। নইলে তার তওবা শুদ্ধ হবে না’ (নববী, রিয়াযুছ ছালেহীন, ‘তওবা’ অনুচ্ছেদ) । তওবার জন্য বেশী বেশী পাঠ করতে হবে ‘আস্তাগফিরুল্লা-হাল্লাযী লা ইলাহা ইল্লা হুওয়াল হাইয়ুল ক্বাইয়ুম ওয়া আতূবু ইলাইহে’ (আমি আল্লাহর নিকটে ক্ষমা প্রার্থনা করছি। যিনি ব্যতীত কোন উপাস্য নেই। যিনি চিরঞ্জীব ও বিশ্বচরাচরের ধারক। আমি অনুতপ্ত হৃদয়ে তাঁর দিকে ফিরে যাচ্ছি বা তওবা করছি) (তিরমিযী, আবুদাঊদ, মিশকাত হা/২৩৫৩) ।
সাদা দাড়ি বা চুল রং করা সুন্নাত। তবে কালো রং করা নিষিদ্ধ। রাসূল (ছাঃ) বলেছেন, ‘নিশ্চয়ই ইহূদী, নাছারারা (চুল-দাড়ি) রং করে না। সুতরাং তোমরা তাদের বিপরীত কর’ (বুখারী হা/৫৮৯৯; মুসলিম হা/২১০৩; মিশকাত হা/৪৪২৩) । অন্য বর্ণনায় রয়েছে, ‘তোমরা সাদা চুলকে পরিবর্তন কর, তবে কালো রং থেকে বিরত থাক’ (মুসলিম হা/২১০২; মিশকাত হা/৪৪২৪) । তিনি বলেন, শেষ যামানায় একদল লোক কালো রং দ্বারা খেযাব করবে। তারা জান্নাতের সুগন্ধিও পাবে না (আবুদাউদ হা/৪২১২) । আবু উমামা (রাঃ) হ’তে বর্ণিত, রাসূল (ছাঃ) কিছু আনছার ছাহাবীর সাদা দাড়ি দেখে বললেন, হে আনছারগণ! তোমরা তোমাদের সাদা চুলগুলো লাল অথবা হলুদ রং দ্বারা পরিবর্তন কর এবং আহলে কিতাবদের বিরোধিতা কর (আহমাদ হা/২২৩৩৭; সিলসিলা ছহীহাহ হা/১২৪৫) । উল্লিখিত হাদীছ সমুহ দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, সাদা চুলে যে কোন রং করা সুন্নাত। তবে কালো রং ব্যবহার করা নিষিদ্ধ।

কয়টি ঘোড়াতে যাকাত ফরজ?

UmarFaruk
Jun 25, 2015-এ উত্তর দিয়েছেন
ঘোড়ার যাকাত নেই।.........
রোজাদারেরর মুখের দুগন্ধ আল্লাহর কাছে কস্তুরি থেকে বেশী সুগন্ধময়
হোমিও ডাক্তারের কাছে গিয়ে বলবে * চন্দ নাসব * দেন দাম ১১৫ টাকা। এ ওষুধ খেলে সপ্নদোস বন্ধ হয় যাবে ইনশাআল্লাহ

প্রথম মহিলা শহিদকে হত্যা করেছিল কে?

UmarFaruk
Jun 25, 2015-এ প্রশ্ন করেছেন
আল্লাহ ও মুহাম্মাদ পাশাপাশি প্রদর্শন করা শরী‘আত বিরোধী। এতে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-কে আল্লাহর সমতুল্য বুঝায়। যা বিশুদ্ধ আক্বীদার সম্পূর্ণ পরিপন্থী শিরকী আক্বীদা। তবে এরূপ মসজিদে ছালাত আদায় করা যায়। এরূপ লেখার কারণে মসজিদের মুতাওয়াল্লীসহ দায়িত্বশীলগণ গুনাহগার হবেন। এমতাবস্থায় মুছল্লীকে ঐসব বস্ত্ত থেকে দৃষ্টি নীচু রাখতে হবে, যাতে তার খুশূ‘-খুযূ বিনষ্ট না হয়। উল্লেখ্য, বর্তমানে বিভিন্ন মসজিদে আল্লাহ-মুহাম্মাদ ও কালেমাখচিত এবং মক্কা- মদীনার ছবি সম্বলিত নকশা ও দৃষ্টিনন্দন টাইল্স বিভিন্ন মসজিদে দেখা যায়। এগুলি শরী‘আত বিরোধী কাজ। যা অবশ্যই পরিত্যাজ্য। কেননা মসজিদ অহেতুক উঁচু ও জাঁকজমকপূর্ণ করা নিষিদ্ধ (আবুদাঊদ হা/৪৪৮; মিশকাত হা/৭১৮) ।
পানির গুরুত্ব বুঝাতে এটা বলা হয়, জীবনদাতা হিসাবে নয়। কেননা পানি দ্বারাই সকল প্রাণীকে সৃষ্টি করা হয়েছে। আল্লাহ বলেন, ‘আমরা পানি দ্বারা সকল প্রাণবান বস্ত্তকে সৃষ্টি করেছি’ (আম্বিয়া ২১/৩০) । তিনি বলেন, ‘নিশ্চয়ই ... বৃষ্টির মধ্যে, যা আসমান থেকে আল্লাহ বর্ষণ করেন, অতঃপর তার মাধ্যমে মৃত যমীনকে পুনর্জীবিত করেন ও সেখানে বিস্তৃত করেন সকল প্রকারের জীবজন্তু,...’ (বাক্বারাহ ২/১৬৪) । অতএব পানি জীবনের মাধ্যম মাত্র, জীবনদাতা নয়। যেমন ঔষধ আরোগ্যের মাধ্যম। কিন্তু আরোগ্যদাতা নয়। বরং আল্লাহই হ’লেন জীবনদাতা ও আরোগ্যদাতা।

ফেসবুক আবিষ্কার?

UmarFaruk
Jun 25, 2015-এ উত্তর দিয়েছেন
ফেসবুক আবিষ্কার হয় ২০০৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের ৪ তারিখ

আদম (আঃ) কত লম্বা ছিলেন?

UmarFaruk
Jun 25, 2015-এ উত্তর দিয়েছেন
আদম (আঃ) ৬০ হাত লম্বা ছিলেন
ফেরাউনের লাশ ১৯০৭ সালে লোহিত সাগরে পাওয়া যায়
সুলাইমান (আ) এর অশ্ব কুরবানীর ঘটনা : পিতা দাঊদের ন্যায় পুত্র সুলায়মানকেও আল্লাহ বারবার পরীক্ষায় ফেলেছেন তাকে সর্বদা আল্লাহর দিকে প্রত্যাবর্তনশীল রাখার জন্য। ফলে তাঁর জীবনের এক একটি পরীক্ষা এক একটি ঘটনার জন্ম দিয়েছে। কুরআন সেগুলির সামান্য কিছু উল্লেখ করেছে, যতটুকু আমাদের উপদেশ হাছিলের জন্য প্রয়োজন। কিন্তু পথভ্রষ্ট ইহুদী-নাছারা পন্ডিতগণ সেই সব ঘটনার উপরে রং চড়িয়ে এবং নিজেদের পক্ষ থেকে উদ্ভট সব গল্পের অবতারণা করে তাদেরই স্বগোত্র বনু ইস্রাঈলের এইসব মহান নবীগণের চরিত্র হনন করেছে। মুসলিম উম্মাহ বিগত সকল নবীকে সমানভাবে সম্মান করে। তাই ইহুদী- নাছারাদের অপপ্রচার থেকে নিজেদেরকে বাঁচিয়ে রাখে এবং পবিত্র কুরআন ও ছহীহ হাদীছের বর্ণনার উপরে নির্ভর করে। সেখানে যতটুকু পাওয়া যায়, তার উপরেই তারা বাক সংযত রাখে। আলোচ্য অশ্ব কুরবানীর ঘটনাটি সম্পর্কে পবিত্র কুরআনের বর্ণনা নিম্নরূপ : ﺇِﺫْ ﻋُﺮِﺽَ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﺑِﺎﻟْﻌَﺸِﻲِّ ﺍﻟﺼَّﺎﻓِﻨَﺎﺕُ ﺍﻟْﺠِﻴَﺎﺩُ - ﻓَﻘَﺎﻝَ ﺇِﻧِّﻲْ ﺃَﺣْﺒَﺒْﺖُ ﺣُﺐَّ ﺍﻟْﺨَﻴْﺮِ ﻋَﻦْ ﺫِﻛْﺮِ ﺭَﺑِّﻲْ ﺣَﺘَّﻰ ﺗَﻮَﺍﺭَﺕْ ﺑِﺎﻟْﺤِﺠَﺎﺏِ - ﺭُﺩُّﻭْﻫَﺎ ﻋَﻠَﻲَّ ﻓَﻄَﻔِﻖَ ﻣَﺴْﺤﺎً ﺑِﺎﻟﺴُّﻮْﻕِ ﻭَﺍﻟْﺄَﻋْﻨَﺎﻕِ - ‏( ﺹ ৩১-৩৩‏) - ‘যখন তার সামনে অপরাহ্নে উৎকৃষ্ট অশ্বরাজি পেশ করা হ’ল’ (ছোয়াদ ৩১) । ‘তখন সে বলল, আমি তো আমার প্রভুর স্মরণের জন্যই ঘোড়াগুলিকে মহববত করে থাকি (কেননা এর দ্বারা আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ হয়ে থাকে। অতঃপর সে ঘোড়াগুলিকে দৌড়িয়ে দিল,) এমনকি সেগুলি দৃষ্টির অন্তরালে চলে গেল’ (৩২) । ‘(অতঃপর সে বলল,) ঘোড়াগুলিকে আমার কাছে ফিরিয়ে আনো। অতঃপর সে তাদের গলায় ও পায়ে (আদর করে) হাত বুলাতে লাগল’ (ছোয়াদ ৩৮/৩১-৩৩) । উপরোক্ত তরজমাটি ইবনু আববাস (রাঃ)-এর ব্যাখ্যার অনুসরণে ইবনু জারীরের গৃহীত ব্যাখ্যার অনুকূলে করা হয়েছে। অনেকে উপরোক্ত তাফসীরের সাথে বিভিন্ন কথা যোগ করেছেন। যেমন ঘোড়া পরিদর্শনে মগ্ন হওয়ার কারণে হযরত সুলায়মান (আঃ)-এর আছরের ছালাত ক্বাযা হয়ে যায়। তাতে তিনি ক্ষু্ব্ধ হয়ে সব ঘোড়া কুরবানী করে দেন। কেউ বলেছেন, তিনি আল্লাহর নিকটে সূর্যকে ফিরিয়ে দেবার আবেদন করেন। সেমতে সূর্যকে ফিরিয়ে দেওয়া হয় এবং তিনি আছরের ছালাত আদায় করে নেন। তারপর সূর্য অস্তমিত হয়। বস্ত্ততঃ এইসব কথার পক্ষে কুরআন ও ছহীহ হাদীছের কোন দলীল নেই। অতএব এসব থেকে বিরত থাকাই উত্তম।
সুলায়মান (আঃ)-এর জীবনী থেকে শিক্ষণীয় বিষয় সমূহ : ** নবুঅত ও খেলাফত একত্রে একই ব্যক্তির মাধ্যমে পরিচালিত হওয়া সম্ভব। ** ধর্মই রাজনীতির প্রধান চালিকা শক্তি। ধর্মীয় রাজনীতির মাধ্যমেই পৃথিবীতে প্রকৃত শান্তি প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব। ** প্রকৃত মহান তিনিই, যিনি সর্বোচ্চ ক্ষমতার অধিকারী হয়েও অহংকারী হন না। বরং সর্বদা আল্লাহর প্রতি বিনীত থাকেন। ** শত্রুমুক্ত কোন মানুষ দুনিয়াতে নেই। সুলায়মানের মত একচ্ছত্র এবং অপ্রতিদ্বন্দ্বী বাদশাহর বিরুদ্ধেও চক্রান্ত, ষড়যন্ত্র ও মিথ্যাচার চালানো হয়েছে। ** সম্পূর্ণ নিঃস্বার্থভাবে প্রজাসাধারণের কাজ করলেও তারা অনেক সময় না বুঝে বিরোধিতা করে। যেমন বায়তুল মুক্বাদ্দাস মসজিদের নির্মাণ কাজ সমাপ্ত না হওয়ায় আল্লাহ বাকী সময়ের জন্য সুলায়মানের প্রাণহীন দেহকে লাঠিতে ঠেস দিয়ে দাঁড় করিয়ে রাখেন জিন মিস্ত্রী ও জোগাড়েদের ভয় দেখানোর জন্য। যাতে তারা কাজ ফেলে রেখে চলে না যায় এবং নতুন চক্রান্তে লিপ্ত হবার সুযোগ না পায়।

প্রতিদান কবিতাটি কার লেখা?

UmarFaruk
Jun 24, 2015-এ উত্তর দিয়েছেন
প্রতিদান কবিতাটি জসিমউদদীনের লেখা

বছনে বারটি মাস হল কেন?

UmarFaruk
Jun 24, 2015-এ প্রশ্ন করেছেন
সুলায়মানের জীবনে উল্লেখযোগ্য ঘটনাদুটি হল : (১) ন্যায় বিচারের ঘটনা : ছাগপালের মালিক ও শস্যক্ষেতের মালিকের মধ্যকার বিরোধ মীমাংসায় তাঁর দেওয়া প্রস্তাব বাদশাহ দাঊদ (আঃ) গ্রহণ করেন ও নিজের দেওয়া পূর্বের রায় বাতিল করে পুত্র সুলায়মানের দেওয়া পরামর্শ অনুযায়ী রায় দেন ও তা কার্যকর করেন। এটি ছিল সুলায়মানের বাল্যকালের ঘটনা, যা আল্লাহ পবিত্র কুরআনে বর্ণনা করেছেন (দ্র: আম্বিয়া ২১/৭৮-৭৯) । এ ঘটনা আমরা দাঊদ (আঃ)-এর কাহিনীতে বলে এসেছি। (২) পিপীলিকার ঘটনা : হযরত সুলায়মান (আঃ) একদা তাঁর বিশাল সেনাবাহিনী সহ একটি এলাকা অতিক্রম করছিলেন। ঐ সময় তাঁর সাথে জিন, মানুষ পক্ষীকুল ছিল। যে এলাকা দিয়ে তাঁরা যাচ্ছিলেন সে এলাকায় বালির ঢিবি সদৃশ পিপীলিকাদের বহু বসতঘর ছিল। সুলায়মান বাহিনীকে আসতে দেখে পিপীলিকাদের সর্দার তাদেরকে বলল, তোমরা শীঘ্র পালাও। নইলে পাদপিষ্ট হয়ে শেষ হয়ে যাবে। সুলায়মান (আঃ) পিপীলিকাদের এই বক্তব্য শুনতে পেলেন। এ বিষয়ে কুরআনী বর্ণনা নিম্নরূপ: ﻭَﻭَﺭِﺙَ ﺳُﻠَﻴْﻤَﺎﻥُ ﺩَﺍﻭُﻭﺩَ ﻭَﻗَﺎﻝَ ﻳَﺎ ﺃَﻳُّﻬَﺎ ﺍﻟﻨَّﺎﺱُ ﻋُﻠِّﻤْﻨَﺎ ﻣَﻨﻄِﻖَ ﺍﻟﻄَّﻴْﺮِ ﻭَﺃُﻭﺗِﻴﻨَﺎ ﻣِﻦ ﻛُﻞِّ ﺷَﻲْﺀٍ ﺇِﻥَّ ﻫَﺬَﺍ ﻟَﻬُﻮَ ﺍﻟْﻔَﻀْﻞُ ﺍﻟْﻤُﺒِﻴﻦُ - ﻭَﺣُﺸِﺮَ ﻟِﺴُﻠَﻴْﻤَﺎﻥَ ﺟُﻨُﻮﺩُﻩُ ﻣِﻦَ ﺍﻟْﺠِﻦِّ ﻭَﺍﻟْﺈِﻧﺲِ ﻭَﺍﻟﻄَّﻴْﺮِ ﻓَﻬُﻢْ ﻳُﻮﺯَﻋُﻮﻥَ- ﺣَﺘَّﻰ ﺇِﺫَﺍ ﺃَﺗَﻮْﺍ ﻋَﻠَﻰ ﻭَﺍﺩِﻱ ﺍﻟﻨَّﻤْﻞِ ﻗَﺎﻟَﺖْ ﻧَﻤْﻠَﺔٌ ﻳَﺎ ﺃَﻳُّﻬَﺎ ﺍﻟﻨَّﻤْﻞُ ﺍﺩْﺧُﻠُﻮﺍ ﻣَﺴَﺎﻛِﻨَﻜُﻢْ ﻻَ ﻳَﺤْﻄِﻤَﻨَّﻜُﻢْ ﺳُﻠَﻴْﻤَﺎﻥُ ﻭَﺟُﻨُﻮﺩُﻩُ ﻭَﻫُﻢْ ﻻَ ﻳَﺸْﻌُﺮُﻭﻥَ- ﻓَﺘَﺒَﺴَّﻢَ ﺿَﺎﺣِﻜﺎً ﻣِّﻦ ﻗَﻮْﻟِﻬَﺎ ﻭَﻗَﺎﻝَ ﺭَﺏِّ ﺃَﻭْﺯِﻋْﻨِﻲ ﺃَﻥْ ﺃَﺷْﻜُﺮَ ﻧِﻌْﻤَﺘَﻚَ ﺍﻟَّﺘِﻲ ﺃَﻧْﻌَﻤْﺖَ ﻋَﻠَﻲَّ ﻭَﻋَﻠَﻰ ﻭَﺍﻟِﺪَﻱَّ ﻭَﺃَﻥْ ﺃَﻋْﻤَﻞَ ﺻَﺎﻟِﺤﺎً ﺗَﺮْﺿَﺎﻩُ ﻭَﺃَﺩْﺧِﻠْﻨِﻲ ﺑِﺮَﺣْﻤَﺘِﻚَ ﻓِﻲ ﻋِﺒَﺎﺩِﻙَ ﺍﻟﺼَّﺎﻟِﺤِﻴﻦَ- ‏(ﻧﻤﻞ ১৬-১৯‏)- ‘সুলায়মান দাঊদের স্থলাভিষিক্ত হ’ল এবং বলল, হে লোক সকল! আমাদেরকে পক্ষীকুলের ভাষা শিক্ষা দেওয়া হয়েছে এবং আমাদেরকে সবকিছু দেওয়া হয়েছে। নিশ্চয়ই এটি একটি সুস্পষ্ট শ্রেষ্ঠত্ব’ (নমল ১৬) । ‘অতঃপর সুলায়মানের সম্মুখে তার সোনাবাহিনীকে সমবেত করা হ’ল জিন, মানুষ ও পক্ষীকুলকে। তারপর তাদেরকে বিভিন্ন ব্যুহে বিভক্ত করা হ’ল’ (১৭) । ‘অতঃপর যখন তারা একটি পিপীলিকা অধ্যুষিত এলাকায় উপনীত হ’ল, তখন এক পিপীলিকা বলল, ‘হে পিপীলিকা দল! তোমরা তোমাদের গৃহে প্রবেশ কর। অন্যথায় সুলায়মান ও তার বাহিনী অজ্ঞাতসারে তোমদেরকে পিষ্ট করে ফেলবে’ (১৮) । ‘তার কথা শুনে সুলায়মান মুচকি হাসল এবং বলল, ‘হে আমার পালনকর্তা! তুমি আমাকে ক্ষমতা দাও, যেন আমি তোমার নে‘মতের শুকরিয়া আদায় করতে পারি, যা তুমি আমাকে ও আমার পিতা-মাতাকে দান করেছ এবং যাতে আমি তোমার পসন্দনীয় সৎকর্মাদি করতে পারি এবং তুমি আমাকে নিজ অনুগ্রহে তোমার সৎকর্মশীল বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত কর’ (নমল ২৭/১৬-১৯) । উপরোক্ত আয়াতগুলিতে প্রমাণিত হয় যে, সুলায়মান (আঃ) কেবল পাখির ভাষা নয়, বরং সকল জীবজন্তু এমনকি ক্ষুদ্র পিঁপড়ার কথাও বুঝতেন। এজন্য তিনি মোটেই গর্ববোধ না করে বরং আল্লাহর অনুগ্রহের প্রতি শুকরিয়া আদায় করেন এবং নিজেকে যাতে আল্লাহ অন্যান্য সৎকর্মশীলদের অন্তর্ভুক্ত করেন সে প্রার্থনা করেন। এখানে আরেকটি বিষয় প্রমাণিত হয় যে, তিনি কেবল জিন-ইনসানের নয় বরং তাঁর সময়কার সকল জীবজন্তুরও নবী ছিলেন। তাঁর নবুঅতকে সবাই স্বীকার করত এবং সকলে তাঁর প্রতি আনুগত্য পোষণ করত। যদিও জিন ও ইনসান ব্যতীত অন্য প্রাণী শরী‘আত পালনের হকদার নয়।
সুলায়মানের বৈশিষ্ট্য সমূহ : দাঊদ (আঃ)-এর ন্যায় সুলায়ামন (আঃ)-কেও আল্লাহ বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্য দান করেছিলেন, যা আর কাউকে দান করেননি। যেমন: (১) বায়ু প্রবাহ অনুগত হওয়া (২) তামাকে তরল ধাতুতে পরিণত করা (৩) জিনকে অধীনস্ত করা (৪) পক্ষীকূলকে অনুগত করা (৫) পিপীলিকার ভাষা বুঝা (৬) অতুলনীয় সাম্রাজ্য দান করা (৭) প্রাপ্ত অনুগ্রহ রাজির হিসাব না রাখার অনুমতি পাওয়া। নিম্নে বিস্তারিতভাবে বর্ণিত হ’ল: ১. বায়ু প্রবাহকে তাঁর অনুগত করে দেওয়া হয়েছিল। তাঁর হুকুম মত বায়ু তাঁকে তাঁর ইচ্ছামত স্থানে বহন করে নিয়ে যেত। তিনি সদলবলে বায়ুর পিঠে নিজ সিংহাসনে সওয়ার হয়ে দু’মাসের পথ একদিনে পৌঁছে যেতেন। যেমন আল্লাহ বলেন, ﻭَﻟِﺴُﻠَﻴْﻤَﺎﻥَ ﺍﻟﺮِّﻳﺢَ ﻏُﺪُﻭُّﻫَﺎ ﺷَﻬْﺮٌ ﻭَﺭَﻭَﺍﺣُﻬَﺎ ﺷَﻬْﺮٌ -... ‏( ﺳﺒﺎ ৩৪‏) - ‘এবং আমরা সুলায়মানের অধীন করে দিয়েছিলাম বায়ুকে, যা সকালে এক মাসের পথ ও বিকালে এক মাসের পথ অতিক্রম করত...’ (সাবা ৩৪/১২) । উল্লেখ্য যে, ইবনু আববাস (রাঃ)-এর নামে যে কথা বর্ণিত হয়েছে যে, মানুষ ও জিনের চার লক্ষ আসন বিশিষ্ট বিশাল বহর নিয়ে সুলায়মান বায়ু প্রবাহে যাত্রা করতেন এবং সারা পথ ছালাতে রত থাকতেন ও এই মহা নে‘মত প্রদানের জন্য আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করতেন। এত দ্রুত চলা সত্ত্বেও বায়ু তরঙ্গে তাঁদের উপরে কোনরূপ চাপ সৃষ্টি হ’ত না এবং রোদ বৃষ্টি থেকে রক্ষার জন্য মাথার উপর দিয়ে লাখ লাখ পাখি তাদেরকে ছায়া করে যেত’ ইত্যাদি যেসব কথা তাফসীরের কেতাব সমূহে বর্ণিত হয়েছে তার সবই ভিত্তিহীন ইস্রাঈলী উপকথা মাত্র। আল্লাহ বলেন, ﻭَﻟِﺴُﻠَﻴْﻤَﺎﻥَ ﺍﻟﺮِّﻳﺢَ ﻋَﺎﺻِﻔَﺔً ﺗَﺠْﺮِﻱْ ﺑِﺄَﻣْﺮِﻩِ ﺇِﻟَﻰ ﺍﻟْﺄَﺭْﺽِ ﺍﻟَّﺘِﻲْ ﺑَﺎﺭَﻛْﻨَﺎ ﻓِﻴْﻬَﺎ ﻭَﻛُﻨَّﺎ ﺑِﻜُﻞِّ ﺷَﻲْﺀٍ ﻋَﺎﻟِﻤِﻴْﻦَ- ‏( ﺍﻷﻧﺒﻴﺎﺀ ৮১)- ‘আর আমরা সুলায়মানের অধীন করে দিয়েছিলাম প্রবল বায়ুকে। যা তার আদেশে প্রবাহিত হ’ত ঐ দেশের দিকে, যেখানে আমরা কল্যাণ রেখেছি। আর আমরা সকল বিষয়ে সম্যক অবগত রয়েছি’ (আম্বিয়া ২১/৮১) । অন্যত্র আল্লাহ উক্ত বায়ুকে ﺭُﺧَﺎﺀ বলেছেন (ছোয়াদ ৩৮/৩৬) । যার অর্থ মৃদু বায়ু, যা শূন্যে তরঙ্গ-সংঘাত সৃষ্টি করে না। ﻋَﺎﺻِﻔَﺔٌ ও ﺭُﺧَﺎﺀ দু’টি বিশেষণের সমন্বয় এভাবে হ’তে পারে যে, কোনরূপ তরঙ্গ সংঘাত সৃষ্টি না করে তীব্র বেগে বায়ু প্রবাহিত হওয়াটা ছিল আল্লাহর বিশেষ রহমত এবং সুলায়মানের অন্যতম মু‘জেযা। উল্লেখ্য যে, হাসান বাছরীর নামে যেকথা বলা হয়ে থাকে যে, একদিন ঘোড়া তদারকি করতে গিয়ে সুলায়মানের আছরের ছালাত ক্বাযা হয়ে যায়। সেই ক্ষোভে তিনি সব ঘোড়া যবেহ করে দেন। ফলে তার বিনিময়ে আল্লাহ তাঁকে পুরস্কার স্বরূপ বায়ু প্রবাহকে অনুগত করে দেন বলে যেকথা তাফসীরের কেতাবসমূহে চালু আছে, তার কোন ভিত্তি নেই। এগুলি হিংসুক ইহুদীদের রটনা মাত্র। ২. তামার ন্যায় শক্ত পদার্থকে আল্লাহ সুলায়মানের জন্য তরল ধাতুতে পরিণত করেছিলেন। যেমন আল্লাহ বলেন, ﻭَﺃَﺳَﻠْﻨَﺎ ﻟَﻪُ ﻋَﻴْﻦَ ﺍﻟْﻘِﻄْﺮِ ... ‘আমরা তার জন্য গলিত তামার একটি ঝরণা প্রবাহিত করেছিলাম...’ (সাবা ৩৪/১২) । এর দ্বারা বুঝা যায় যে, ঐ গলিত ধাতু উত্তপ্ত ছিল না। বরং তা দিয়ে অতি সহজে পাত্রাদি তৈরী করা যেত। সুলায়মানের পর থেকেই তামা গলিয়ে পাত্রাদি তৈরী করা শুরু হয় বলে কুরতুবী বর্ণনা করেছেন। পিতা দাঊদের জন্য ছিল লোহা গলানোর মু‘জেযা এবং পুত্র সুলায়মানের জন্য ছিল তামা গলানোর মু‘জেযা। আর এজন্যেই আয়াতের শেষে আল্লাহ বলেন, ﺇِﻋْﻤَﻠُﻮﺍ ﺁﻝَ ﺩَﺍﻭُﻭﺩَ ﺷُﻜْﺮﺍً ﻭَﻗَﻠِﻴﻞٌ ﻣِّﻦْ ﻋِﺒَﺎﺩِﻱَ ﺍﻟﺸَّﻜُﻮﺭُ ‘হে দাঊদ পরিবার! কৃতজ্ঞতা সহকারে তোমরা কাজ করে যাও। বস্ত্ততঃ আমার বান্দাদের মধ্যে অল্প সংখ্যকই কৃতজ্ঞ’ (সাবা ৩৪/১৩) ।

যাকারিয়া(আ) পেশায় কি ছিলেন?

UmarFaruk
Jun 24, 2015-এ প্রশ্ন করেছেন

Loading...