সদস্যঃ Badshah Niazul

আমি সদস্য হয়েছি 2 বছর (since 27 ফেব্রুয়ারি 2016)
সদস্যের ধরণ নিবন্ধিত সদস্য
অতিরিক্ত সুবিধাদিঃ প্রশ্ন জিজ্ঞাসা
যে কোন প্রশ্নের  জন্য উত্তর নির্বাচন করা
পূর্ণ নাম: Badshah Niazul Hasan Jewel Molla
লিঙ্গ: Male
কর্মক্ষেত্র: Student & Software Business
আমার সম্পর্কে বিস্তারিতঃ: Quranic Poet, Writer, Searcher, Thinker, Force, Politician, President, Lecturer, Lover, Army, Pigeon & Nightingle
প্রিয় উক্তি: I LOVE ALLAH & MOHAMMAD (sm)
ফেসবুক আইডি: www.facebook.com/badshahniazulhasanjewel

"Badshah Niazul" র কার্যক্রম

স্কোরঃ 136 পয়েন্ট (র‌্যাংক # 638 )
প্রশ্নঃ 9
উত্তরঃ 45 (6 সর্বোত্তম হিসাবে নির্বাচন করেছেন)
মন্তব্যসমূহঃ 9
পছন্দ করেছেনঃ 18 টি উত্তর
দান করেছেন: 18 পছন্দ, 0 অপছন্দ
পেয়েছেনঃ 108 পছন্দ, 0 অপছন্দ

Wall for Badshah Niazul

Please log in or register to post on this wall.
◆"আত্মজীবনীঃ বাদশাহ্ নিয়াজুল হাসান জুয়েল মোল্লা, ১ম পর্ব"
১★আমি কখনো মোবাইল বা ক্যামেরা দ্বারা আমার কিংবা অন্য কারো ছবি তুলি না এবং তুলতেও দেই না।
২★আমি পৃথিবীতে জন্ম নিয়ে আমার নানাকে দেখতে পাইনি, কেননা তিনি আমার জন্মের পূর্বেই মারা গেছেন।
৩★আমি যখন চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ি, তখন আমার মা মারা যান। যখন অষ্টম শ্রেণিতে পড়ি, তখন আমার দাদা মারা যান। যখন নবম শ্রেণিতে পড়ি, তখন আমার বাবা মারা যান এবং যখন দ্বাদশ শ্রেণিতে পড়ি, তখন আমার দাদী মারা যান।
৪★আমি কখনো মাদ্রাসায় না পড়লেও ছোটবেলা থেকেই আলহামদুলিল্লাহ্ সবক্ষেত্রে ইসলামী বিধি-বিধান মোতাবেক চলার চেষ্টা করি।
৫★স্কুল-কলেজ-ভার্সিটিতে পড়ালেখা করলেও আমি জীবনে কখনো টাই পরিধান করিনি। জীবনে কোনোদিন দাঁড়িতে ক্ষুর লাগাইনি। মাথায় সবসময়ই টুপি থাকে। আলহামদুলিল্লাহ্ আমার মা-বাবা আমাদেরকে বিশুদ্ধভাবে কুরআন শিক্ষা দিয়ে গেছেন।
৬★আমরা ৪ ভাই, ২ বোন। আমি ভাইদের মধ্যে দ্বিতীয় এবং ভাই-বোনদের মধ্যে চতুর্থ। আমরা প্রত্যেকেই ইসলামী পরিবারের সদস্য। আমার বড় ভাই ও বড় বোন, আলিয়া মাদ্রাসায় পড়ালেখা করেছে। তারপরের বোনটি ইসলামিক স্টাডিজ নিয়ে জগন্নাথ ভার্সিটিতে পড়ালেখা করেছে। তারপরে আমি অর্থনীতি নিয়ে তেজগাঁও বিশ্ববিদ‍্যালয় কলেজে পড়ালেখা করেছি। উল্লেখ‍্য, আমার স্ত্রী রাষ্ট্রবিজ্ঞান নিয়ে ঢাকা মহানগর মহিলা বিশ্ববিদ‍্যালয় কলেজে পড়ালেখা করেছে। আমার পরের ছোট ভাইটি মিরপুর সরকারি বাংলা কলেজে পড়ালেখা করেছে। সবার ছোট পিচ্চি আমার ভাইটি ক্বাওমী মাদ্রাসায় পড়ালেখা করেছে এবং কুরআনে হাফেজ। আমার মা-বাবা, দাদা-দাদী, নানা-নানী দ্বীনদার ও পরহেযগার ব্যক্তিত্ব ছিলেন এবং আমরা প্রত্যেকেই ইসলামী চেতনায় বিশ্বাসী।
★★★★★★★★★★★★★★★★★★★★
10 মে করেছেন Badshah Niazul
◆"আত্মজীবনীঃ বাদশাহ্ নিয়াজুল হাসান জুয়েল মোল্লা, ২য় পর্ব"
১★আমি যেই জিনিসটি সবচেয়ে বেশি ঘৃণা করি, কেউ আমার সামনে আমার প্রশংসা করলে। পক্ষান্তরে, আমি যেই জিনিসটি সবচেয়ে বেশি পছন্দ করি, কেউ আমার সামনে আমার গঠনমূলক সমালোচনা করলে।
২★আমি যখন প্রথম শ্রেণিতে পড়ি, তখন ১৯টি কবিতা নিয়ে আমার প্রথম কবিতার বই 'শুকতারা' রচিত হয়। যেখানে 'লেখাপড়া' কবিতাটির প্রথম ৪টি লাইন হচ্ছে এইঃ
'লেখাপড়া বড় কষ্ট
মোটেই আরাম নয়,
আরামকে হারাম করলে
লেখাপড়া হয়।'
৩★আমি কিন্ডার গার্টেন, প্রাইমারী স্কুল, হাইস্কুল, কলেজ, ইউনিভার্সিটিতে লেখাপড়া করলেও একজন মুসলমানের প্রায় পূর্ণাঙ্গ বৈশিষ্ট্য আলহামদুলিল্লাহ্ আমার মধ্যে রয়েছে।
৪★আমি কখনো মক্তব-মাদ্রাসায় না পড়লেও এগুলোর সাথে আমার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে।
৫★আমার যখন ৭ বত্‍সর বয়স, বাড়িতে আমার ওস্তাদের নিকট মাত্র ১মাস কায়দা পড়ে বিশুদ্ধভাবে কুরআন তিলাওয়াত শুরু করি। আলহামদুলিল্লাহ্, আজো পড়ে যাচ্ছি।
৬★প্রথম শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত আমি সবসময়ই ক্লাসে ফার্স্ট বয় ছিলাম।
৭★আমি পঞ্চম শ্রেণির চূড়ান্ত পরীক্ষায় ৪০০ থেকে ৩৫৭ পেয়ে থানার মধ্যে ৩য় হয়েছিলাম।
৮★আমি প্রথম শ্রেণি থেকে চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত কিন্ডার গার্টেনে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি, পঞ্চম শ্রেণিতে প্রাইমারি স্কুলে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি, সপ্তম শ্রেণিতে হাইস্কুলে ট্যালেন্টপুলে জনকল্যানমূলক বৃত্তি (থানার মধ্যে ৭ম), অষ্টম শ্রেণিতে ট্যালেন্টপুল বৃত্তি (থানার মধ্যে ১০ম) এবং ষষ্ঠ শ্রেণিতে প্রাক মূল্যায়ন পরীক্ষায় ১০০ থেকে ৯৩ পেয়ে থানার মধ্যে যুগ্মভাবে ১ম হয়েছিলাম।
৯★আমি যখন ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ি, তখন আমার 'English Grammar & Composition, Class-6' বইটি রচিত হয়। ঠিক এর পরে উপরের ক্লাসে গিয়ে প্রধান শিক্ষকের করা মন্তব্যটি ছিলো এইঃ 'আমি ১৯৯৪ সাল থেকে এই স্কুলে শিক্ষকতা করি, আমার দেখা সর্বাধিক অমায়িক ও শ্রেষ্ঠ ছাত্র হলো নিয়াজ।'
১০★আমি অষ্টম শ্রেণিতে পড়াকালে মেন্টরিং প্রশিক্ষণে কুমিল্লায় ৩১ জনের মধ্যে প্রথম হয়েছিলাম।
১১★আমি জীবনে কখনো প্রাইভেট, কোচিং করিনি।
১২★আমি জীবনে একবার ২৮ পেয়ে নবম শ্রেণির ১ম সাময়িক পরীক্ষায় গণিতে ফেল করেছিলাম। পরীক্ষার আগে আব্বু মারা যাওয়ায়, মন ভালো ছিলো না। কিন্তু আমার এই গণিত খাতা নিয়ে স্কুলে রীতিমত হৈ চৈ পড়ে গিয়েছিলো। কারন, আমার অঙ্কগুলোর করার পদ্ধতি কোনো গাইড, মূল বই কিংবা বিকল্প পদ্ধতির সাথে মিল ছিলো না। আমি আমার নিজস্ব নিয়মে অঙ্কগুলো করেছিলাম। এ সম্পর্কে গণিতে বিসিএস করা আমাদের ক্লাস টিচার ও প্রধান শিক্ষকের মন্তব্য ছিলো এইঃ 'এত সুন্দরভাবে ও এত সহজ নিয়মে যে অঙ্ক করা যায়, তা আমাদের কখনো জানা ছিলো না। জীবনে এই প্রথম কোনো ছাত্রের নিকট থেকে সহজে অঙ্ক করা শিখলাম।'
১৩★আমি যখন অষ্টম শ্রেণিতে পড়ি, তখন আমার প্রথম হাতে লেখা পত্রিকা 'মাসিক নতুন আলো নব্য সমীচীন সমাচার' প্রকাশ করার চেষ্টা করি। সবকিছু ঠিক হয়ে গিয়েছিলো, শুধুমাত্র প্রকাশ করার জন্য স্যারদের অনুমতি চেয়েছিলাম। এ বিষয়ে মিটিং শেষে প্রধান শিক্ষকের করা মন্তব্যটি ছিলো এইঃ 'এত অল্প বয়সে পত্রিকা প্রকাশ করতে গেলে, তোমার লেখাপড়ার ক্ষতি হতে পারে। সেজন্য আমি এখন অনুমতি দিচ্ছি না, তুমি এটা বড় হয়ে প্রকাশ করবে।' তারপর আর 'সমাচার' পত্রিকাটি প্রকাশ করা হয়নি, স্যারের কাছে পত্রিকার মূল কপিটি রেখে দিয়েছিলাম।
১৪★নবম শ্রেণির প্রথম দিকে আমার বাবা মারা যাওয়ায় আমি মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়েছিলাম, কারন, এর আগে আমার মা, দাদা, নানা মারা গিয়েছিলেন। অবশ্য দ্বাদশ শ্রেণিতে পড়াকালে আমার দাদীও মারা যান। আমি স্কুলে অনিয়মিত হয়ে পড়লাম। কয়েক মাস পর প্রধান শিক্ষকের লেখা একটি চিঠি আমার হাতে এসে পৌছায়। ঐ চিঠিটা সবসময়ই আমার সাথে থাকে। এখনও আছে। তাতে লেখা আছেঃ 'নিয়াজুল, তুমি আমার প্রিয় ছাত্র। আল্লাহ্ তায়ালা তোমাকে যথেষ্ট মেধা দান করেছেন। এজন্য, আল্লাহর নিকট হাজারো শোকর। তোমার প্রতি আমাদের এবং তোমার পরিবার ও সমাজের অনেক আশা, কিন্তু তুমি স্কুলে নিয়মিত না আসায় আমরা সবাই হতাশ। তোমার প্রতি অনুরোধ রইলো, তুমি স্কুলে নিয়মিত হও, ভালোভাবে পড়াশুনা করে সমাজ ও রাষ্ট্রের মুখ উজ্জ্বল করো। তোমার প্রধান শিক্ষক। ১৬.০৬'
১৫★এসএসসি পরীক্ষার আগে দোয়ার সময়ে প্রধান শিক্ষক আমাকে বলেছিলেন, 'নিয়াজুল, তুমি যদি এসএসসিতে গোল্ডেন A+ না পাও, তাহলে কার দোষ?' আমি বললাম, 'কেনো স্যার, আমার।' স্যার বললেন, 'না আমাদের, কারন আমরা তোমার সেভাবে যত্ন নিতে পারিনি।'
১৬★আমি সপ্তম শ্রেণিতে পড়াকালে আমার প্রথম প্রবন্ধ গ্রন্থঃ 'মহত্‍ জীবন' রচিত হয়।
১৭★আমি ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়াকালে বাড়িতে বন্ধুদের নিয়ে খেজুর পাতার মসজিদ তৈরি করেছিলাম। যেখানে আজান, নামাজ ও সকালে মক্তবে ছোটদের সূরা, কায়দা ও কুরআন পড়ানো হতো। বন্যার সময় পানি চলে আসায় মসজিদটি দীর্ঘস্থায়ী হয়নি।
১৮★আমি যখন তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ি, তখন থেকেই আমার জীবনের লক্ষ্যঃ এদেশের প্রথম ইনসাফদার মুসলমান বাদশাহ্ হওয়া।
১৯★আমি অষ্টম শ্রেণিতে পড়াকালে 'ধূমকেতু' পত্রিকায় প্রকাশিত আমার লেখা গল্পের শিরোনামটি ছিল এইঃ 'কিশোরকন্ঠ পত্রিকার সৌজন্যে কবি ও লেখক নিয়াজুল হাসান জুয়েল মোল্লার 'আবিরের মাধবীলতা' গল্পটি প্রকাশিত হলো।'
২০★আমার লেখা প্রিয় কবিতা 'সত্যের বার্তা'। কারন, এ কবিতায় মোট ১২টি লাইন। প্রত্যেক লাইনে ৫টি করে শব্দ। পুরো কবিতায় ৫*১২=৬০টি শব্দ রয়েছে। কবিতাটি পঞ্চম শ্রেণিতে পড়াকালে রচিত হয়।
২১★আমি প্রথম শ্রেণি থেকেই দুটো ছদ্মনামে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় লেখালেখি করি। আমার লেখা প্রায়ই প্রকাশিত হয়। অবশ্য মূল নামেও লিখি, তবে খুব অল্প।
২২★বাবার মৃত্যুর কয়েক মাস আগে আমি যখন অভিমান করে ভাত খাচ্ছিলাম না, বাবা আমাকে তাঁর বুকে নিয়ে বলেছিলেনঃ 'আমার ৬টা সন্তান থেকে তোকে নিয়েই আমরা বেশি আশা করি, একদিন দেখবি তুই অনেক বড় হবি।'
২৩★আমি যখন একবার আমার মায়ের সামনে স্কুলে বজ্রকন্ঠে ভাষন দিয়ে সকলের বাহবা পেয়েছিলাম, আমার মা আমাকে বলেছিলো, 'দেখবি তুই একদিন বিরাট মন্ত্রী হবি।'
২৪★আমার মা-বাবা, দাদা-দাদী, নানার জন্য দোয়া করবেন, আল্লাহ্ যেন তাদেরকে জান্নাতবাসী করেন।
★★★★★★★★★★★★★★★★★★★★
10 মে করেছেন Badshah Niazul
◆"আত্মজীবনীঃ বাদশাহ্ নিয়াজুল হাসান জুয়েল মোল্লা, ৩য় পর্ব"
১★আমার বয়স তখন ৬ বত্‍সর, আব্বু-আম্মু ও ভাই-বোনদের সাথে ঢাকায় থাকি। মাগরিবের আজান হওয়ায় মসজিদে নামাজ পড়তে গেলাম। হঠাত্‍ লক্ষ্য করলাম একজন আল্লাহ্ওয়ালা লোক, কিন্তু তার পায়ে জুতো নেই। খালি পায়ে নামাজ পড়তে এসেছেন। ওনাকে দেখে আমার খুব কষ্ট হলো। নামাজের আগে ইমাম বললেন, 'আমাদের এক ভাই টাকার জন্য জুতো কিনতে পারছেন না এবং খুবই অসহায়। নামাজের পর আমরা যে যা পারি, ওনাকে দান করে যাবো।' আমার কাছে তখন এক টাকাও ছিলো না। নামাজ শুরু হয়ে যাওয়ায় আগে নামাজ পড়লাম। নামাজ পড়া শেষ, দৌড় দিলাম বাসার দিকে। বাসায় এসে আমার ছোট্ট মাটির ব্যাংকটি ভেঙ্গে ফেললাম। জমানো টাকা-পয়সাগুলো নিয়ে ছুটে চললাম মসজিদের দিকে। গিয়ে দেখলাম ওনি নামাজ পড়ছেন। মাগরিব নামাজের বাকি অংশটুকু ও তারপর হয়তো আওয়াবীন নামাজ পড়ছেন। আমি দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ওনার নামাজ পড়ার দৃশ্য দেখলাম এবং ওনার জন্য অপেক্ষা করতে লাগলাম। নামাজ পড়া শেষে ওনি মসজিদ থেকে বের হলেন। আমি ওনার কাছে গিয়ে বললাম, 'আঙ্কেল, আমার এই টাকাগুলো রাখেন, আপনি এগুলো দিয়ে জুতো কিনে পড়বেন, না রাখলে আমি খুবই কষ্ট পাবো।' আমি ওনাকে বিস্তারিত খুলে বললাম কিভাবে টাকাটা এনেছি এবং ওনি নামাজ পড়ছেন দেখে কিভাবে ওনার জন্য বাইরে অপেক্ষা করছিলাম। ওনি খুশি হয়ে আমাকে বুকে নিয়ে মাথায় হাত বুলিয়ে দিলেন এবং আমার জন্য প্রাণভরে দোয়া করলেন। ওনি আমার টাকাগুলো খুশি মনে নেওয়ায় ও আমার জন্য দোয়া করায় আমিও অনেক খুশি হয়ে বাসায় ফিরলাম। আজো যখন ঐ মসজিদে কখনো নামাজ পড়তে যাই, ঐ ঘটনাটি আমার চোখের সামনে ভেসে ওঠে। জানতে ইচ্ছে করে, ঐ লোকটি এখন কেমন আছে, কোথায় আছে। আল্লাহ্ আমাদেরকে তাঁর প্রিয় বান্দা-বান্দী হিসেবে কবুল করুন। আমিন।
২★আমি তখন তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ি। পাশের বাড়িতে একজন আইসক্রিমওয়ালা আসলেন। দেখলাম, সবাই ওনাকে নিয়ে খুব মজা করছেন। কারন, লোকটা নাকি প্রচন্ড বোকা টাইপের ছিলো। বুঝতে পারলাম, ওনি বোকা কিন্তু সংসার চালাতে হবে, সেজন্য হয়তো আইসক্রিম বিক্রি করতে এসেছেন। একজন ব্যক্তি কয়েকটা আইসক্রিম কিনে ওনাকে কয়েক টাকা কম দিলেন, আমার খুব খারাপ লাগলো। লোকটি বুঝতেই পারলো না, তাকে যে কয়েক টাকা কম দেয়া হয়েছে। আমি ঐ ব্যক্তিটাকে পুরো টাকাটা দিতে বললাম, কিন্তু তিনি না দেওয়ায় আমি ঐ দিন বিছানায় এসে চুপিসারে প্রচুর কেঁদেছি আর ভেবেছি, কেনো মানুষ সরল-সোজা মানুষদের এভাবে ঠকায়?
৩★আমি তখন ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ি। রাত সাড়ে ৮টা বাজে। হঠাত্‍ কারেন্ট চলে গেলো। আমাকে পড়তে হবে। আমি ১১টার আগে কখনো ঘুমাই না। প্রদীপ জ্বালাতে গিয়ে দেখলাম, দিয়াশলাই শেষ। আমি তখন ১০ টাকা নিয়ে রাতের অন্ধকারে হেঁটে দোকানে গেলাম। আমি দোকানদারকে বললাম, ১ডজন ম্যাজ দেন। ওনি আমাকে দিলেন। আমি ১০ টাকা দিলে ওনি আমাকে বললেন, ১ডজন ম্যাজের দাম ১১ টাকা, পরে আসলে ১ টাকা দিয়ে দিও। দোকান থেকে আমাদের বাড়িতে রিকশায় যেতে লাগে ১৫ টাকা আর হেঁটে যেতে সময় লাগে ১৫ মিনিট। আমি ম্যাজগুলো নিয়ে হেঁটে বাড়িতে আসলাম। তারপর ১ টাকা নিয়ে আবার রাতের অন্ধকারে হেঁটে দোকানে গেলাম। ওনাকে টাকাটা দিয়ে বললাম, এখন আপনি আর আমার কাছ থেকে কোনো টাকা পাবেন না। ওনি আমাকে বললেন, তুমি এই ১ টাকা পরে দিলেও তো পারতে, এত রাতে কষ্ট করে বাড়ি থেকে আবার আসছো কেনো? আমি বললাম, 'যদি আমি আজ রাতে মারা যাই আর আমার আল্লাহ্ যদি আমাকে এই ১ টাকার জন্য শাস্তি দেয় তখন? কারন, এটা ঋণ। আল্লাহ্ ঋণ পছন্দ করেন না।' তারপর বাড়িতে চলে আসলাম। আমি সবসময়ই আল্লাহকে বলি, 'হে আল্লাহ্, যদি আমার এমন অবস্থা হয় যে, না খেয়ে থাকতে হচ্ছে, তুমি ধৈর্য দিও। কিন্তু কখনো যাতে আমাকে ঋণ ও সুদের ধারে কাছেও যেতে না হয়।' আলহামদুলিল্লাহ্, আজ অব্দি কেউ বলতে পারবে না যে, নিয়াজের ১ টাকা ঋণ আছে।
৪★আমি তখন অষ্টম শ্রেণিতে পড়ি। মোবাইলে আমার এক ক্লাসমেট বন্ধুর ফোন আসলো। বন্ধু বললো, 'দোস, আমার কাছে এই মূহুর্তে কোনো টাকা নেই। আম্মু অসুস্থ। আম্মুকে নিয়ে ডাক্তারের কাছে যাবো। ৫০০টা টাকা দিতে পারবি? টাকাটা ফেরত দিতে আমার একটু সময় লাগতে পারে।' আমি বললাম, ঠিক আছে। তুই টাকা নিয়ে যা। তোর যখন ইচ্ছে হবে, তখন দিস।' পরে টাকাটা নিয়ে যাওয়ার ৩মাস পরে দোস্ত আমার টাকাটা ফেরতে দিয়ে বলেছিলো, '৩ মাস হয়ে গেলো, অথচ তুই একবারের জন্যও আমার কাছে টাকাটা চাইলি না?' আমি বললাম, তুই যদি ৫বছর পরেও টাকাটা দিতি, আমি একবারের জন্যও টাকা চাইতাম না। কারন, আমি টাকা চাই আর পাছে তুই না দিতে পেরে লজ্জা পাস বা কষ্ট পাস, সেটা আমি কখনো চাই না।
৫★আমি তখন নবম শ্রেণিতে পড়ি। আমাদের মসজিদে নাকি পাঠাগার তৈরি করবে। আমি ফজর নামাজের পর ইমামকে তার রুমে গিয়ে বললাম, আমার পক্ষ থেকে পাঠাগার তৈরির জন্য এই ১০০০ টাকা রাখুন। ইমাম বললেন, আমি কি মসজিদে সবার সামনে ঘোষনা করবো, আপনি যে পাঠাগার তৈরির জন্য টাকা দিয়েছেন? আমি বললাম, না। আমি সবসময়ই গোপনে দান করতে পছন্দ করি। কারন, এই দানের প্রতিদান কেবল আল্লাহ্ তায়ালাই দিতে পারবে, অন্য কেউ দিতে পারবে না। তবে আমি যে টাকা দিয়েছি, চাইলে লিস্টে আমার নাম ওঠিয়ে রাখতে পারেন।'
৬★আমি তখন দশম শ্রেণিতে পড়ি। আমাদের পুরনো বাড়িতে প্রথম মাহফিল হচ্ছে। মাহফিলে আমাদের চেয়ারম্যান প্রথমে দিলেন ১০০০ টাকা, তারপর বিএনপির এক নেতা দিলেন ২২০০ টাকা, তারপর আওয়ামী লীগের এক নেতা দিলেন ২৫০০ টাকা আর সর্বশেষ আমি দিলাম ৩০০০ টাকা। আমি টাকাটা মুট করে মাওলানা সাহেবের হাতে দিয়ে বললাম, এই টাকাটা মরহুম জয়নাল মোল্লার মেজো ছেলে জুয়েল মোল্লা পাঠিয়েছেন। অবশ্য তখনো হুজুর জানতেন না যে, আমিই জুয়েল মোল্লা। পরে সবাই বলাতে ওনি জেনে অনেক খুশি হয়েছিলেন।
৭★আমি সেই ছোটবেলা থেকেই মুক্তহস্তে মসজিদ, মাদ্রাসা, মাহফিল, মক্তব ও গরীব-অসহায়দের দান করতে পছন্দ করি। সত্যিই দান করলে কখনো সম্পদ কমে না, বরং বাড়ে এবং আল্লাহ তাঁর বান্দার সম্পদের পবিত্রতা বৃদ্ধি ও হেফাজত করেন। আল্লাহ্ আমাদের সবাইকে মুক্তহস্তে দান করার তাওফীক দান করুন এবং আমরা সবাই যেন তাঁর সন্তুষ্টি অর্জনের মাধ্যমে জান্নাতে যেতে পারি। আমিন।
★★★★★★★★★★★★★★★★★★★★
10 মে করেছেন Badshah Niazul
◆"আমি বিশ্বনেতা হলে কি করতাম? ১ম পর্ব"
★ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি নয়ঃ
আমি মুসলিম, কিন্তু আমি সমগ্র মানবজাতির জন্য কল্যাণস্বরূপ। আমি ৭২০ কোটি মানুষ, ১৫০ কোটি মুসলমান, ৫০ কোটি বাঙ্গালী এবং ২০ কোটি বাংলাদেশীর প্রতিনিধি হয়ে বলছি,
১★আমার রাজ্যে হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও অন্যান্য সকল ধর্মাবলম্বীরা মিলেমিশে বসবাস করবে।
২★এখানে ৯০ ভাগ মুসলমানকে বাদ দিয়ে কোনো 'হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ' থাকতে পারবে না। থাকতে হলে রাখতে হবে 'হিন্দু-মুসলিম-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান বা সকল ধর্মাবলম্বী ঐক্য পরিষদ'। আর তা যদি সম্ভব না হয়, তাহলে 'হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ'কে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হলো। কেননা, এর দ্বারা ৯০ ভাগ বাংলাদেশীকে বাদ দিয়ে, তাদের অবজ্ঞা করে মাত্র ১০ ভাগ বাংলাদেশীর মধ্যে ঐক্য সৃষ্টি করার প্রয়াস চালানো হচ্ছে। মনে রাখতে হবে, রাজ্যটা শুধু ১০ ভাগ বাংলাদেশীর নয়, বরং ১০০ ভাগ বাংলাদেশীর। রাজ্যটা টিকিয়ে রাখতে হলে ১০০ ভাগ বাংলাদেশীর মধ্যে ঐক্য বজায় রাখতে হবে। কেউ যদি মাত্র ১০ ভাগ বাংলাদেশীর ঐক্যের কথা বলে সমগ্র বাংলাদেশীদের ঐক্যে আঘাত হানে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ এনে চূড়ান্তভাবে বহিষ্কারের ঘোষণা দেয়া হলো।
"আমি দেখেছি
হিন্দু প্রতিবেশীর দুঃখে
মুসলমান প্রতিবেশীকে
দুঃখিত হতে।
আবার,,,
মুসলমান প্রতিবেশীর দুঃখে
হিন্দু প্রতিবেশীকে
দুঃখিত হতে।
উভয় উভয়কে
ছেড়ে যাওয়ার সময়
কান্নায় বুক ভাসাতে।"
৩★প্রত্যেক মানুষের রয়েছে তার নিজ ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা। তাই প্রত্যেকে তাদের নিজ নিজ ধর্ম পালন করতে পারবে।
৪★কারো নিজ ধর্মীয় কার্যাবলী পালন করতে গিয়ে যদি অন্য কোনো ধর্মে আঘাত লাগে, সেটা প্রকৃতপক্ষে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত নয়। কেননা, এক ধর্মের কার্যাবলী হয়তো অন্য ধর্মের কার্যাবলীর সম্পূর্ণ বিপরীত। বরং কেউ যদি তার নিজ ধর্মের বিপরীত কার্যকলাপ করে, নিজ বা ভিন্ন ধর্মের মানুষদের ধর্মীয় কার্যাবলী পালনে বাধা প্রয়োগ করে, নিজ ধর্ম পালনে ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের বাধ্য করে, অন্য ধর্মের মানুষদের অকাতরে নিধন বা হত্যা করে, অন্য ধর্মের মানুষদের উপর অন্যায়-অত্যাচার-অবিচার করে, নিজ বা অন্য ধর্মকে নিয়ে ব্যাঙ্গ-বিদ্রুপ করে, কোনো ধর্মের প্রবর্তক বা ধর্মীয় নেতাদের নিয়ে ব্যাঙ্গ-বিদ্রুপ বা ব্যাঙ্গ কার্টুন তৈরি করে, তাহলে উক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে ধর্মীয় অনুভূতির আঘাত এনে শাস্তির ঘোষণা দেয়া হলোঃ
◆১ম শাস্তিঃ ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতকারী ব্যক্তি বা দল ভুক্তভোগী ধর্মাবলম্বীদের নিকট ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার দরুন ক্ষমা চেয়ে নিবে এবং ভবিষ্যতে এমনটা না করার দৃঢ় সংকল্প করবে। যদি ধর্মীয় আঘাতের শিকার ধর্মাবলম্বীরা ঐ ব্যক্তি বা দলকে মাফ করে দেয়, তাহলে রাষ্ট্রীয়ভাবেও তাকে ক্ষমা করে দেয়া হবে। তবে ক্ষমা করে দেয়ার পর যদি সে পুনরায় ভুল করে অথবা ভুক্তভোগীরা যদি তাকে ক্ষমা না করে, তাহলে তার জন্য অপরাধ অনুযায়ী ২য় বা ৩য় শাস্তি বরাদ্ধ করা হলো।
◆২য় শাস্তিঃ মানসিকভাবে ধর্মে আঘাতের দরুন যদি ভুক্তভোগী ধর্মাবলম্বীরা তাকে ক্ষমা না করে, তাহলে সে যে অঙ্গ দ্বারা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত এনেছে, রাষ্ট্রীয়ভাবে প্রকাশ্যে তার সেই অঙ্গ কেটে ফেলে দেয়া হবে। যেমনঃ কলম বা হাত দ্বারা আঘাত করলে নির্দিষ্ট হাত কেটে ফেলে দেয়া হবে, মুখ বা জিহ্বা দ্বারা আঘাত করলে জিহ্বা কেটে ফেলে দেয়া হবে ইত্যাদি।
◆৩য় শাস্তিঃ যদি ভুক্তভোগী ধর্মাবলম্বীরা তাকে ক্ষমা না করে, তাহলে অন্য ধর্মের মানুষদের উপর শারীরিক অত্যাচার, নিধন বা হত্যা প্রভৃতির দ্বারা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার দরুন রাষ্ট্রীয়ভাবে প্রকাশ্যে তার শিরঃচ্ছেদ করা হবে।
৫★যেহেতু এক ধর্মের কার্যাবলী অন্য ধর্মের কার্যাবলীর সম্পূর্ণ বিপরীত আর এটাই বহু ধর্মের সৃষ্টির কারন, সেহেতু হিন্দুরা মূর্তিপূজা করলে মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লাগবে অথবা মুসলমানরা গরু কুরবানী করলে হিন্দুদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লাগবে, এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এটা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত নয়, এটা যার যার নিজস্ব ধর্মীয় কার্যাবলী। তাই হিন্দুরা তাদের মন্দিরে মূর্তিপূজা করতে পারবে এবং মুসলমানরা মুসলমানদের জায়গায় গরু কুরবানী করতে পারবে। কিন্তু যদি কোনো হিন্দু (নও মুসলীম ব্যতিরেকে) গরু জবাই করে, তাহলে ঐ হিন্দুকে নিজ ধর্মে আঘাত হানার দরুন উপরে বর্ণিত শাস্তি দেয়া হবে। অনুরূপভাবে, কোনো মুসলমান যদি মূর্তিপূজা করে, তাহলে তার জন্যও একই শাস্তি।
৬★যদি কোনো হিন্দু (নও মুসলিম ব্যতিরেকে) মুসলমানদের কোনো ধর্মীয় কার্যাবলী পালন বা পালনের জন্য অংশগ্রহণ করে, তাহলে তার জন্যও একই শাস্তি। কেননা, ঐ হিন্দু অন্য ধর্ম পালনের দরুন নিজ ধর্মকে অবজ্ঞা করেছে। মনে রাখতে হবে, আপনার ধর্ম ও অন্য ধর্মের কার্যাবলী হয়তো সম্পূর্ণ বিপরীত। অনুরূপভাবে, কোনো মুসলমান যদি অন্য কোনো ধর্মের কার্যাবলী পালন বা পালনের জন্য অংশগ্রহণ করে, তাহলে তার জন্যও একই শাস্তি।
৭★কেউ কাউকে অন্যায়ভাবে হিন্দুর বাচ্চা বা মুসলমানের বাচ্চা বলে গালি দিলেও একই শাস্তি।
৮★কেউ নিজ বা অন্য ধর্মের ধর্মীয় নেতাদের বা স্রষ্টার ব্যাঙ্গ সমালোচনা করতে পারবে না। যেমনঃ কোনো ব্যক্তি হযরত মোহাম্মদ (সাঃ), আল্লাহ্, ভগবান, ঈশ্বরকে নিয়ে কটুক্তি করতে পারবে না, করলে তার জন্যও একই শাস্তি।
৯★কোনো ধর্মই সার্বজনীন বা সকল মানুষের জন্য পালনীয় নয়। প্রত্যেকটা ধর্ম তাদের নিজ নিজ বৈশিষ্ট্যে উজ্জ্বল। তাই কোনো ব্যক্তি বা দল ধর্মের ক্ষেত্রে 'সার্বজনীন' কথাটা প্রয়োগ করলে ঐ ব্যক্তি বা দলের জন্যও একই শাস্তি।
১০★অনেকে বলবেন, মানসিকভাবে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতকারীদের নির্দিষ্ট অঙ্গ কেটে দিলে রাজ্যে অঙ্গহীন মানুষের সংখ্যা বেড়ে যাবে। আমি বলবো, এমন কঠোর শাস্তির ভয়ে রাজ্যে ধর্মীয় অবমাননামূলক অপরাধ মারাত্মকভাবে কমে যাবে। আর অপরাধ কমে গেলে অঙ্গহীন অপরাধীদের সংখ্যাও কমে যাবে, আশাকরি বুঝতে পেরেছেন। তবে কেউ নিজ হাতে অপরাধীদের শাস্তি দিতে পারবে না। এমনটা করলে ঐ ব্যক্তির জন্যও একই শাস্তি। মনে রাখবেন, অপরাধীদের বিচার করবে রাষ্ট্র, আপনি মামলা করুন।
★★★★★★★★★★★★★★★★★★★★
10 মে করেছেন Badshah Niazul
◆"আমি বিশ্বনেতা হলে কি করতাম? ২য় পর্ব"
★কারাগার বা জেলখানাঃ অপরাধ চূড়ান্তভাবে প্রমাণের আগে আসামীদের কারাগারে রাখা যায়, কিন্তু অপরাধ প্রমাণের পর কারাগার বা জেলখানা কখনো অপরাধীদের জন্য শাস্তি হতে পারে না। কেননা, এর দ্বারা জেলখানাকে সন্ত্রাসী বা অপরাধী পালনের আতুরঘর বানানো হচ্ছে। এক সন্ত্রাসী বহু সন্ত্রাসের সংস্পর্শে এসে আরো বেশি হিঃস্র হয়ে উঠছে। তাই যখন সে কারাভোগের পর বাইরে বের হয়, তখন সে আরো বেশি ভয়ঙ্কর হয়ে উঠে তথা পুনরায় অপরাধ করতেই থাকে। তাছাড়া রাষ্ট্রের কুলি-মজুর, গরীব-ধনীর নিকট থেকে কর, ভ্যাট, মূসক বা রাজস্ব আদায় করে জেলখানায় সন্ত্রাসী, খুনী বা অপরাধীদের লালন-পালন করে রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় করা কখনোই সফল সরকারের বৈশিষ্ট্য হতে পারে না। এসব অপরাধীদের পেছনে প্রতিনিয়ত সরকারকে খাবার ও অন্যান্য খরচ বাবদ কোটি কোটি টাকা ব্যয় করতে হচ্ছে, যা ভ্যাটের মাধ্যমে সম্পূর্ণ সাধারণ জনগণের কাছ থেকে নেয়া, যেসব জনগণের উপর প্রতিনিয়ত এসব সন্ত্রাসীরা কখনো গুলি ছুড়ে, কখনো ছুরিকাঘাত করে, কখনো ধর্ষণ করে, কখনো জায়গা দখল করে, কখনো সর্বস্ব লুটে নেয়, কখনো গর্ভধারিণী মাকে হত্যা করে, কখনো ক্ষমতার লোভে প্রতিদ্বন্ধী প্রার্থীকে গুম করে, কখনো মাথায় পিস্তল ঠেকায়, কখনো চাঁদা দিতে বাধ্য করে, কখনো বা অন্তঃসত্ত্বা নারীর পেটে গুলি করে, কখনো বা মায়ের সামনে মেয়েকে অথবা মেয়ের সামনে মাকে অথবা উভয়কে একসাথে ধর্ষণ করে, কখনো নির্বিচারে মানুষ হত্যা করে, শিশু, নারী, বৃদ্ধ, যুবক, পুলিশ, সেনা, ছাত্র, শিক্ষক বা অন্য কেউই তাদের হাত থেকে রক্ষা পায় না। তাহলে এসব অপরাধীদের কেনো সাধারণ জনগণের টাকায় জেলখানায় লালন-পালন করা হবে? এদেরকে ছুঁড়ে ফেলে দাও ডাস্টবিনে, মাটির নিচে পুঁতে ফেলো, পাথর ছুঁড়ে হত্যা করো, উঁচু পাহাড়ের উপর উঠিয়ে ধাক্কা মেরে নিচে ফেলে দাও, জনগণের কাছে ছেঁড়ে দাও, তারা লাঠিপেটা করুক, পায়ের তলায় রেখে পিশে মারো, আমার মা-বোনের ইজ্জত, সম্ভ্রম নষ্ট করতে যেসব অঙ্গের ব্যবহার করেছে, সেসব অঙ্গ কেটে টুকরো টুকরো করে ফেলো, মানুষখেকো কুকুরের কাছে এদেরকে ছেঁড়ে দাও, ওরা খেয়ে এসব ভয়ঙ্কর সন্ত্রাসীদের বাংলার বুক থেকে নিশ্চিহ্ন করুক যাতে ভবিষ্যতে কেউ এহেন অপরাধ করার সাহস না পায়। রাষ্ট্রীয়ভাবে অপরাধীদের ৩ ধরণের শাস্তি দেয়া হোকঃ
◆১ম শাস্তিঃ ভুক্তভোগী পরিবার বা ব্যক্তির নিকট ক্ষমা চাওয়া, তাদের সাথে সমঝোতা করা অথবা তাদেরকে রাষ্ট্র কর্তৃক নির্ধারিত জরিমানা দেওয়া। কিন্তু যদি ভুক্তভোগী পরিবার অপরাধীকে ক্ষমা না করে, তার সাথে সমঝোতা করতে না চায় অথবা তারা যদি জরিমানা মেনে না নেয়, তাহলে অপরাধীকে ২য় শাস্তির সম্মুখীন হতে হবে।
◆২য় শাস্তিঃ অপরাধ ঘটাতে অপরাধী যেসব অঙ্গ ব্যবহার করেছে, রাষ্ট্রীয়ভাবে প্রকাশ্যে তার সেসব অঙ্গ কেটে ফেলা দেয়া হবে। যদি এহেন শাস্তিও ঐ অপরাধীর জন্য যথার্থ হয়ে না থাকে অর্থাত্‍ অপরাধী যদি এর চেয়েও মারাত্মক কোনো অপরাধ যেমনঃ হত্যা, গুম, খুন, ধর্ষণের পর হত্যা প্রভৃতি করে থাকে, তাহলে তার জন্য ৩য় শাস্তি বরাদ্দ করা হলো।
◆৩য় শাস্তিঃ রাষ্ট্রীয়ভাবে প্রকাশ্যে তার শিরঃচ্ছেদ করা হবে।
★আমরা জেলখানায় রেখে সন্ত্রাসী বা অপরাধীদের লালন-পালন করতে চাইনা। অযথা জনগণের টাকা দিয়ে জেলখানায় তাদের ভরণপোষণ করা নিষ্প্রয়োজন। তবে যারা শিশু অপরাধী বা নাবালেগ, তাদেরকে সংশোধনাগারে রেখে রাষ্ট্রীয়ভাবে সংশোধন করা হবে।
★অনেকে বলবেন, অপরাধীদের নির্দিষ্ট অঙ্গ কেটে দিলে রাজ্যে অঙ্গহীন মানুষের সংখ্যা বেড়ে যাবে। আমি বলবো, এমন কঠোর শাস্তির ভয়ে রাজ্যে অপরাধ মারাত্মকভাবে কমে যাবে। আর অপরাধ কমে গেলে অঙ্গহীন মানুষের সংখ্যাও কমে যাবে, আশাকরি বুঝতে পেরেছেন। তবে কেউ নিজ হাতে অপরাধীকে শাস্তি দিতে পারবে না। এমনটা করলে ঐ ব্যক্তির জন্যও একই শাস্তি। মনে রাখবেন, অপরাধীদের বিচার করবে রাষ্ট্র ও সরকার, আপনি মামলা করুন। পুলিশ যদি আপনার মামলা না নেয়, তাহলে সাংবাদিক, সমাজকর্মী, মানবাধিকারকর্মী বা রাজ্যের কোনো সত্‍ ও প্রভাবশালী নেতার দ্বারা মামলা করুন এবং জনপ্রতিরোধ গড়ে তুলুন। রাষ্ট্র যদি সর্বোচ্চ ৬ মাসের মধ্যে অপরাধীকে শনাক্ত করতে সক্ষম না হয়, তাহলে পুলিশপ্রধান ও সরকারপ্রধানকে প্রকাশ্যে জুতাপেটা করানো হবে। কারন, তারা হলো জনগণের চাকর, জনগণের টাকায় তাদের ভরণপোষণ চলে, জনগণকে পূর্ণ সেবা দিতে ব্যর্থ হলে তাদের পদত্যাগ করতে হবে। কোনো অপরাধকেই বিচ্ছিন্ন ঘটনা বলে অভিহিত করা যাবে না। কোনো মন্ত্রী বা প্রশাসনের কেউ যদি বিচ্ছিন্ন ঘটনা বলে অপরাধকে উড়িয়ে দেয়, তাহলে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে। রাজ্যে বিচ্ছিন্ন ঘটনা বলতে কিছু নেই। একজন সাধারণ মানুষও যদি অকারনে মারা যায়, আঘাত বা হত্যার শিকার হয়, এর দায় সরকারকেই নিতে হবে। সরকার যদি অপরাধীকে শনাক্ত বা সুষ্ঠু বিচার করতে সক্ষম না হয়, তাহলে জনগণের কাঠগড়ায় তাকেও দাঁড়াতে হবে, স্বচ্ছ জবাবদিহি করতে হবে। অপরাধীদের জন্য কঠোর আইন প্রণয়ন এবং এর যথাযথ বাস্তবায়ন, সরকার ও প্রশাসনকেই করতে হবে। যদি তারা আইনের যথাযথ প্রয়োগ করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে তাদেরকেও শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে। শাস্তি? ঐ যে পদত্যাগ, জুতা পেটা, স্বচ্ছ জবাবদিহিতা প্রভৃতি। চাকর যদি ঠিকভাবে কাজ না করে, তাহলে আমরা কি করি? আদর করি? বুকে টেনে নিই? মাথায় হাত বুলিয়ে দিই? মনে রাখতে হবে, সরকার ও প্রশাসন হলো জনগণের চাকর, জনগণ তাদের চাকর নয়, জনগণের টাকায় ওরা চলে, রাজ্য চলে এবং রাজ্যে উন্নয়নমূলক কাজ করা হয়। আমাদের সাধারণ জনগণের ১টি টাকাও যথাযথভাবে ব্যয় না করে নষ্ট করার অধিকার সরকারের নেই। রাজ্য কেনো আইনের শাসনের দিক দিয়ে বিশ্বের ১০২টা দেশের মধ্যে ৯৩তম স্থানে অবস্থান করে? যে রাজ্যে সুশাসনের এতো করুন অবস্থা, সে রাজ্যের প্রধানমন্ত্রী সফল হয় কিভাবে? জনগণের জান-মাল ও খাদ্যের নিরাপত্তা শতভাগ নিশ্চিত করুন এবং বিশ্বে আইনের শাসনের দিক দিয়ে ১-৫তম স্থানে অবস্থান করুন, তবেই আপনি সফল। অন্যথায়, 'যতদিন রবে তোমার হাতে দেশ, পথ হারাবে না বাংলাদেশ' এমন শ্লোগান বন্ধ করুন।
★★★★★★★★★★★★★★★★★★★★
10 মে করেছেন Badshah Niazul
◆আমার ও আমার স্ত্রী নাজের মধ্যে পার্থক্যঃ
১★আমার একমাত্র মামার নাম ফরিদ, ওর বাবার নাম ফরিদ।
২★আমার বড় ভাইয়ের নাম জাহিদ, ওর ছোট ভাইয়ের নাম জাহিদ।
৩★আমার সর্বশেষ ছোট ভাইয়ের নাম মাহদী, ওর সর্বশেষ ছোট ভাইয়ের নাম মুজাহিদ।
৪★ওর মায়ের নাম রাশিদা, আমার মায়ের নাম শাহিদা।
৫★আমার বংশের নাম মোল্লা, ওর বংশের নাম মজুমদার।
৬★ওর ছোট দুটো ভাই, আমারও ছোট দুটো ভাই।
৭★ওর দাদার ৫ ছেলে, আমার দাদার ৫ মেয়ে।
৮★ওর দাদার ১ মেয়ে, আমার দাদার ১ ছেলে।
৯★ওর জেঠাতো বড় বোনের নাম সুমী, আমার ভাবীর নাম সুমী।
১০★ওর জেঠাতো বড় বোন সুমী আপুর বিবাহের তারিখ ১৪ নভেম্বর ২০১৪, আমাদের বিবাহের তারিখ ২১ নভেম্বর ২০১৪।
১১★ওর জেঠাতো ছোট বোনের নাম ফারজানা আক্তার ঋতু, আমার বড় বোনের নাম ফারজানা আক্তার জিতু।
১২★ওর নাম নাজমুন নাহার জুথী, আমার নাম নিয়াজুল হাসান জুয়েল।
১৩★ওর ছোট ভাইয়ের নাম জাহিদ, আমার ছোট ভাইয়ের নাম জসিম।
১৪★ওর সর্বশেষ ছোট ভাইয়ের নাম উষ্ণ, আমার সর্বশেষ ছোট ভাইয়ের নাম জয়/জাভেদ। উষ্ণ জয়!
১৫★ওর জেঠাতো ভাইয়ের নাম আরিফ, আমার ফুফাতো ভাইয়ের নাম আরিফ, এক সমানে পড়ে।
১৬★ওর জেঠাতো ভাইয়ের নাম মাহদী, আমার ছোট ভাইয়ের নাম মাহদী।
১৭★ওর দাদীর নাম জোলেখা, আমার দাদীর নাম জোবেদা।
১৮★ওর নানীর নাম দুধ নাহার, আমার নানীর নাম খায়রন নাহার।
১৯★ওর অরজিনাল জন্মতারিখ ১৭ জুলাই ১৯৯৬, আমার সার্টিফিকেট জন্মতারিখ ১৭ জুলাই ১৯৯৭।
২০★ওর সার্টিফিকেট জন্মতারিখ ৪ ডিসেম্বর ১৯৯৬, আমার অরজিনাল জন্মতারিখ ২৫ ডিসেম্বর ১৯৯৩, আমার শ্বশুরের জন্মতারিখ ২৫ ডিসেম্বর ১৯৭৫।
২১★ওর গ্রামের বাড়ি কুমিল্লায়, থাকে ঢাকায়। আমার গ্রামের বাড়িও কুমিল্লায়, থাকি ঢাকায়।
২২★কলেজে ইন্টারে আমার ভর্তি রোল ছিলো ১০৮, ওর ভর্তি রোল ছিলো ১০৯। উভয়েরই শাখা ছিলো: মানবিক।
২৩★ওর দাদাকে মৃত্যুর আগে কুমিল্লা মেডিকেলে ভর্তি করানো হয়েছিলো, আমার দাদীকেও মৃত্যুর আগে কুমিল্লা মেডিকেলে ভর্তি করানো হয়েছিলো। তবে ওর দাদা মারা যাওয়ার কয়েক মাস পরে আমার দাদী মারা যান।
২৪★ওর শফিক জেঠা মারা যাওয়ার ঠিক ১ বত্‍সর পর আমার বাবা মারা যান, যেখানে ওঁনার ছোট মেয়ের নাম ফারজানা আক্তার ঋতু আর আমার বড় বোনের নাম ফারজানা আক্তার জিতু।
২৫★আমি লেখাপড়া করছি, নাজও আমার সাথে লেখাপড়া করছে।
২৬★ওর মধ্যে যেমন কিছুটা অভিমানের ছোঁয়া আছে, আমার মধ্যেও প্রায় সমানভাবে আছে।
২৭★Niazul Hasan Jewel (১৬টি অক্ষর), Nazmun Nahar Juthi (১৬টি অক্ষর)
১৬+১৬=৩২!
অক্সিজেন!
Niazul (৬টি অক্ষর) + Nazmun (৬টি অক্ষর)
Hasan (৫টি অক্ষর) + Nahar (৫টি অক্ষর)
Jewel (৫টি অক্ষর) + Juthi (৫টি অক্ষর)
২৮★Badshah Niazul Hasan Jewel Molla (২৮টি অক্ষর), Begum Nazmun Nahar Juthi Mozumder (২৯টি অক্ষর)
২৮+২৯=৫৭!
এই সংখ্যাটির উপর আমার জীবন ঘূর্ণায়মান!
Badshah+Begum
Niaz+Naz
Niazul+Nazmun
Hasan (Last Letter N) + Nahar (First Letter N)
Jewel+Juthi
Molla+Mozumder
BNHJM+BNNJM!
২৯★বরঃ বাদশাহ্ নিয়াজুল হাসান জুয়েল মোল্লা, কুটুম্বপুর মোল্লা বাড়ী, চান্দিনা, কুমিল্লা।
কনেঃ বেগম নাজমুন নাহার জুথী মজুমদার, শ্রীহাস্য মজুমদার বাড়ী, নাঙ্গলকোট, কুমিল্লা।
৩০★শুভ বিবাহঃ
শুক্রবার,
৭ অগ্রাহায়ণ ১৪২১,
২৮ মহররম ১৪৩৬,
২১ নভেম্বর ২০১৪।
সময়ঃ সকাল ১০টা ৫৭ মিনিট ৫৭ সেকেন্ড!
★আরো অনেক অনেক মিল আছে, তবে পরে বলবো!
★★★★★★★★★★★★★★★★★★★★
10 মে করেছেন Badshah Niazul
১★নামাজ পড়লে আল্লাহ্ খুশি হোন আর না পড়লে শয়তান খুশি হয়। এখন নিজেই চিন্তা করে দেখো, তুমি কাকে খুশি করতে চাও?
২★যদি তুমি অল্পে পারো, বেশির দরকার নেই।
৩★এই পৃথিবীর দুঃখ-কষ্ট কিছুই না। মৃত্যুর পর যাতে চিরসুখী হতে পারো, সেই চেষ্টা করে যাও।
৪★প্রকৃত সফল হতে হলে, বারবার তোমাকে ব্যর্থ হওয়া লাগতে পারে। কখনো মনোবল হারাবে না। চেষ্টা চালিয়ে যাও, সফল তুমি হবেই। বারবার ব্যর্থ হওয়ার পরও কোনো কাজে অবিরত চেষ্টা তোমাকে সফল করবেই।
৫★কারো যদি উপকার করতে না পারো, অন্তত ক্ষতি করো না।
৬★জীবন কারো জন্য থেমে থাকে না।
৭★ধার্মিক ও সত্‍কর্মী হও। মনে রেখো, মৃত্যুকে আলিঙ্গন করার মধ্য দিয়েই তোমার প্রকৃত জীবনের সূচনা হবে।
৮★অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে ভয় পেও না। কারন, তুমি প্রতিবাদ করলেই অন্যরা প্রতিবাদ করার প্রেরণা পাবে। আর তখনই তৈরি হবে দূর্গ, যা সমাজ ও রাষ্ট্র থেকে অন্যায়ের মূলোত্‍পাটন করবে।
৯★ভালোবাসার নামে বিয়ের আগে প্রেমিককে শরীর বিলিয়ে দিয়ে এসোনা। কারন, তুমি জানোনা যে, কে তোমার স্বামী হবে। মনে রাখবে, তোমার দেহটা তোমার নিকট তোমার স্বামীর আমানত। যে প্রেমিক বিয়ের আগে শরীর চায়, সে কখনো তোমাকে বিয়ে করবে না, কারন সে তোমার শরীরের জন্যই তোমাকে ভালোবেসেছে। শরীর পাওয়া শেষ তো তোমার সাথে ব্রেক আপ। সতর্ক হও, অতি সরলতা ভালো নয়।
১০★যে তোমার জীবন থেকে হারিয়ে যায়, তার জন্য কখনো আফসোস করো না। বরং Re-start ur life; মোবাইল ফোন যেভাবে Restore করা হয়, অনেকটা সেভাবে।
১১★স্বপ্ন দেখা ভালো। কিন্তু সে স্বপ্ন যদি বাস্তবায়ন করার ইচ্ছা ও চেষ্টা না থাকে, তাহলে স্বপ্ন দেখে অযথা সময় নষ্ট করো না।
১২★কোনোকিছু একবারে বেশি চর্চা করার চেয়ে 'অল্প অল্প, কিন্তু নিয়মিত' চর্চা করা অনেক বেশি শ্রেয়।
১৩★একটা পচা ডিম থেকে যেমন বাচ্চা আশা করা যায় না, ঠিক তেমনি ধর্মহীন, নোংরামীতে নিমজ্জিত নারীর নিকট থেকে কখনো নেক সন্তান আশা করা যায় না।
১৪★হারানো সন্তান ফিরে পেলে মা-বাবা যেমন খুশি হোন, তেমনি আল্লাহর কোনো পাপী বান্দা তওবা করলে আল্লাহ্ তার চেয়েও বেশি খুশি হোন।
১৫★কেউ মূল্য দিক আর না দিক, তুমি সত্‍কর্ম করে যাও। কারন, এর প্রতিদান মানুষ তোমাকে না দিলেও আল্লাহ্ দিবেন।
১৬★৪ মাযহাব মানে ৪টি পথ, মত বা রাস্তা। কিন্তু গন্তব্য বা উদ্দেশ্য হলো আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূল (সাঃ)। ধরুন, আপনার গন্তব্য রাজধানী। যাওয়ার রাস্তা ৪টিঃ
১◆আকাশ পথে বিমান যোগে (হানাফী মাযহাব)
২◆রেল পথে ট্রেন যোগে (মালেকী মাযহাব)
৩◆নৌ পথে জাহাজ যোগে (শাফেয়ী মাযহাব)
৪◆সড়ক পথে বাস যোগে (হাম্বলী মাযহাব)
এখন আপনার যেটি ইচ্ছে, সেটি বেছে নিন।
১৭★আপনি মারা যাবার পর ঠিকই আপনাকে কাফন দিয়ে পর্দা করানো হবে, তাই সেই সময় পর্যন্ত অপেক্ষা না করে এখনি পর্দা করা শুরু করে দিন। আর ফুলের মতো পবিত্র থাকুন।
১৮★সাবধান! কিয়ামতের ময়দানে আমাদের সকল কর্ম বিশাল পর্দায় ভিডিও আকারে দেখানো হবে।
১৯★পৃথিবীতে এমন কিছু মানুষ আছে, যাদেরকে নিজের কলিজা রান্না করে খাওয়ালেও তারা বলবে লবণ কম হয়েছে।
২০★কিছু মানুষের জীবন হলো মেহেদী পাতার মতো, উপরে চিরসবুজ আর ভিতরে রক্তাক্ত লাল। ঠিক তেমনি কিছু মানুষের মুখে হাসি, তবে ভিতরে ভিতরে বিশাল কষ্টের পাহাড়।
২১★ছোট ছোট ভুলের ক্ষেত্রে সচেতন হোন। কেননা, একটা ছোট ছিদ্র বিশাল জাহাজকেও ডুবিয়ে দিতে পারে।
২২★নামাজকে কখনো বলোনা, আমার কাজ আছে। বরং কাজকে বলো, আমার নামাজের সময় হয়েছে।
২৩★হাসপাতালে ১ঘন্টা অক্সিজেনের দাম যদি ১২০টাকা হয়, তোমার জন্ম থেকে আজ পর্যন্ত যত অক্সিজেন নিয়েছো, সব আল্লাহর। তাঁর দাম কি তুমি দিয়েছো?
২৪★হারানোর ব্যাথা কেবল সেই বুঝে, যে হারিয়েছে।
২৫★প্রজাপতির পিছনে দৌড়ে সময় নষ্ট না করে ফুলের চাষ করো, দেখবে প্রজাপতি নিজেই এসে ধরা দিবে।
২৬★কাঁদতে চাইলে নামাজ পড়ে আল্লাহর কাছে কাঁদো। কারন, তোমার চোখের পানির মূল্য কেউ না দিলেও আল্লাহ্ তোমার প্রতি ফোঁটা চোখের পানির অনেক মূল্য দিবেন।
২৭★আল্লাহকে বুকে নিয়ে আদর করতে চাইলে কুরআনকে বুকে নিয়ে আদর করো। চুমু খাও। কুরআনের জন্য প্রতিটা দিনই তোমার ভালোবাসা দিবস হিসেবে তৈরি করে নাও।
২৮★তিনটা জিনিস কখনোই ছেড়োনাঃ নামাজ, কুরআন তিলাওয়াত ও সত্‍কর্ম।
২৯★তিনটা জিনিস একেবারেই ছেড়ে দাওঃ মিথ্যা, অহংকার ও অলসতা।
৩০★তিনটা জিনিস কখনোই হারাবে নাঃ আশা, সততা ও বিশ্বাস।
★★★★★★★★★★★★★★★★★★★★
10 মে করেছেন Badshah Niazul
১★পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ জিনিস হচ্ছে আল্লাহ্'র কিতাব 'আল-কুরআন' আর রাসূল (সাঃ)-এর 'সুন্নাহ্'। কেননা, এ দুটো জিনিস আঁকড়ে ধরলে আপনার পথভ্রষ্ট হওয়ার কোনোই আশঙ্কা নেই।
২★নিজ ধর্ম ব্যতীত অন্য কোনো ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হবেন না, বরং সকল ধর্মের সকল মানুষের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হবেন। অন্য কোনো ধর্মের কার্যাবলির প্রতি শ্রদ্ধাশীল হলে, নিজ ধর্ম থেকে খারিজ হয়ে যাওয়াটা স্বাভাবিক। কেননা, আপনার ধর্ম আর ঐ ধর্মের কার্যাবলি হয়তো সম্পূর্ণ বিপরীত। পক্ষান্তরে, সকল ধর্মের সকল মানুষের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হলে, মানুষে মানুষে মমত্ববোধ বজায় থাকে।
৩★কারো উপকার করার সময় দেখবেন না, আসলেই সে হিন্দু না মুসলিম। বরং দেখবেন, আসলেই সে আপনার মতোই রক্ত-মাংসে গড়া একজন মানুষ।
৪★নিজ ধর্মের বিপরীত কোনো ধর্মকে ঘৃণা করতে পারেন, কিন্তু কোনো ধর্মের কোনো মানুষকে ঘৃণা করবেন না।
৫★যারা আপনার গঠনমূলক সমালোচনা করে, তাদেরকেই আপনার প্রকৃত বন্ধু মনে করুন। কেননা, তারা আপনার সমালোচনা করলেই, আপনি নিজেকে আরো বেশি সংশোধন করে, আরো বেশি পারফেক্ট হতে পারবেন।
৬★অর্থ বুঝে কুরআন-হাদীস পড়ুন, সত্য মিথ্যার পার্থক্য করুন।
★★★★★★★★★★★★★★★★★★★★
10 মে করেছেন Badshah Niazul
★শিশুর হাতে অশ্লীল কোনো জিনিস না দিয়ে তার হাতে তুলে দিন 'আল-কুরআন', তার সুন্দর উজ্জ্বল ভবিষ্যত্‍ এবং সুন্দর সমাজ গড়ার জন‍্য।
★প্রতিদিনই আমরা আমাদের ইনবক্স ওপেন করি এবং বন্ধুদের পাঠানো মেসেজগুলো পড়ি, কিন্তু কত সময় আমরা কুরআন ওপেন করি এবং আল্লাহ্'র পাঠানো মেসেজগুলো পড়ি?
★মহাগ্রন্থ আল-কুরআন হচ্ছে মহান আল্লাহর পাঠানো সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ আসমানী কিতাব। আজ অবধি কুরআন থেকে কোনো একটি অক্ষর বিকৃত হয়নি বা হারিয়ে যায়নি। আমি ভালোবাসি ভালোবাসি ভালোবাসি কুরআনকে।
★কুরআনের পথ ধরে,
এসো হে মুমিন।
চলো বন্ধু নামাজ পড়ি,
জীবনটাকে সুন্দর করি।
★আপনার শারীরিক শক্তি, বুদ্ধি, চালাকি, ব্যাংক ভর্তি টাকা, সৌন্দর্য, গাড়ি, বাড়ি, নারী, ক্ষমতা-সবই এক সেকেন্ডে হাওয়া হয়ে যেতে পারে। নিঃস্ব হয়ে যেতে পারেন আপনি। কারন, 'মৃত্যু' আপনার আমার অতি সন্নিকটে।
★★★★★★★★★★★★★★★★★★★★
10 মে করেছেন Badshah Niazul
★সত‍্যের বার্তাঃ
যত দিন থেকে যাবে অবণী,
সতত প্রচার করবে সত্যের বাণী।
যত করবে তত বাড়বে চাঁদনী,
ফুলের চেয়েও কোমল হবে হৃদয়খানি।
সতত হয়ে যাবে সত্যের জয়,
সরল মনে নেইকো কোনো ভয়।
সতত মিথ্যা করে মাথা নত,
আজীবন সত্যের তরে করবে ব্রত।
সত্য-লড়াই করে হবে তুমি বীর,
উঁচু থাকবে সদা তোমারি শির।
প্রচার করে যাও সত্যের বার্তা,
যত করবে তত বাড়বে দত্তলতা।
★★★★★★★★★★★★★★★★★★★★
10 মে করেছেন Badshah Niazul

ব্যাজগুলি

ব্রোঞ্জ

ছবি x 1
নিয়মিত x 1
আত্মজীবনী-রচয়িতা x 1
পাঠক x 1
দর্শক x 1
যাচাইকৃত মানব x 1
সুন্দর উত্তর x 35
পদকপ্রাপ্ত ব্যক্তি x 1
উত্তরদাতা x 1
কৃতজ্ঞ x 1
উল্লেখযোগ্য প্রশ্ন x 7
ভোটার x 1
প্রশ্নকর্তা x 1

রূপা

পুরাতন x 1
ক্ষুধিত পাঠক x 1
বিজয়ী x 1
ভালো উত্তর x 1
জনপ্রিয় প্রশ্ন x 1

সোনা

পূর্বপুরুষ x 1
পিপাসু পাঠক x 1
বহুদর্শী x 1
* বিস্ময়ে প্রকাশিত সকল প্রশ্ন বা উত্তরের দায়ভার একান্তই ব্যবহারকারীর নিজের, এক্ষেত্রে কোন প্রশ্নোত্তর কোনভাবেই বিস্ময় এর মতামত নয়।
...