১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসের বক্তব্য চাই?
 (26631 পয়েন্ট) 

জিজ্ঞাসার সময়

কপি না করে নিজের লেখা প্রতিটি উইনিক উত্তর কফি, আইস-ক্রিম পাবে। সর্বোত্তম উত্তরদাতাকে বার্গার দেয়া হবে। 

6 Answer

 (193 পয়েন্ট) 

উত্তরের সময় 

১৬ ডিসেম্বর ছিল আমাদের কাছে সবচাইতে প্রিয় দিন।এই দিনে ১৯৭১ সালে আমরা পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর সাথে যুদ্ধে জয়লাভ করে বিজয় অর্জন করেছি। প্রতি বছর এই দিনটি আমাদের কাছে খুব আনন্দ ও শান্তির দিন। এই দিনে আমাদের দেশের বাংলার মাটিতে জন্ম নেওয়া শহীদদের কথা মনে পড়ে।কারণ ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু যখন রেসকোর্স ময়দানে স্বাধীনতার পর সুগম করার ঘোষণা দিয়েছিল। তারপর ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালো রাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীরা সাধারণ মানুষের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। ২৫ শে মার্চ থেকে ৯ মাস বাংলাদেশের দামাল ছেলেরা মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে দেশকে স্বাধীন করতে সক্ষম হয়। ষ ডিসেম্বর হলো সেই প্রাণপ্রিয় বিজয় দিবস যে দিবসের জন্য লাখো লাখো মানুষ শহীদ হয়েছে। তাইতো এই দিনে শহীদ মিনারে আমাদের দেশের প্রায় ১৮ কোটি মানুষ শহীদদের ফুল দিয়ে স্মরণ করে থাকে।তাই  ১৬ ডিসেম্বর শুধু আমাদের বিজয়ের দিনই না এটা আমাদের দেশের জন্য প্রান দেওয়া লক্ষ লক্ষ শহীদের কথা মনে করিয়ে দেয়। অবশেষে বলছি শহীদ দিবস আমাদের জন্য গর্বিত দিবস। আমরা এদিনকে কখনোই ভুলবো না।  আমাদের দেশের প্রত্যেক মানুষের কাছে  এই দিনটি অমর হয়ে থাকবে।

 (6497 পয়েন্ট) 

উত্তরের সময় 

১৬ই ডিসেম্বর, আমাদের মহান বিজয় দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে পৃথিবীর বুকে বাংলাদেশ নামক একটি স্বাধীন রাষ্ট্র জন্ম হয়। বাংলাদেশের এই বিজয় ছিনিয়ে আনতে দীর্ঘ নয় মাস পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে রক্তাক্ত যুদ্ধ করেছে এ দেশের লক্ষ নারী পুরুষ। এ যুদ্ধ ছিলো অন্যায়ের বিরুদ্ধে ন্যায়ের জন্য যুদ্ধ, পরাধীনতার বিরুদ্ধে স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ, মায়ের ভাষায় কথা বলার অধিকার আদায়ের জন্য যুদ্ধ। মাতৃভুমির কপালে বিজয়ের লাল টিপ পড়াতে লাখো শহীদ তাদের বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়েছে, হাজারো মা বোন সম্ভ্রম হারিয়েছেন। আমরা শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করি লাখ লাখ বীর শহীদের যারা তাদের বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়ে আমাদের জন্য এনে দিয়েছে স্বাধীনতা।

অনেক ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে যে স্বাধীনতা, আমরা পেয়েছি যে বিজয়... সেই বিজয় অর্জনের পথে বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছিলো এদেশেরই কিছু মানুষরূপী নরপশু। বিজয়ের ৩৯ বছর পরও সেই নরপশুদের বিচার হয়নি। লাখো শহীদের রক্তে আর মা বোনদের সম্ভ্রমের বিনিময়ে কেনা আমাদের মাতৃভুমি বাংলাদেশে। যুদ্ধাপরাধীরা এদেশে আজও বসবাস করছে। এ লজ্জা আমাদের, এ অপমান পুরো জাতীর।

পরিশেষে বলব আমরা আমাদের  এ বিজয় চিরদিন ধরে রাখব ইনশাআল্লাহ। 

 (9 পয়েন্ট) 

উত্তরের সময় 

পশ্চিম পাকিস্তানের শোষন, বৈষম্যে যখন অতিষ্ঠ হয়ে উঠছিল পূর্ব পাকিস্তান তথা বর্তমান বাংলাদেশের মানুষ তখন । এসব বৈষম্য শোষণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানায় এদেশের মঙ্গলকামী মানুষেরা । এর পরই শুরু হয় একের পর এক ঘটনা, ৫২ এর ভাষা আন্দোলন, যুক্তফ্রন্ট গঠন, ৬৯ এর গনঅভ্যূথ্যান, ৭০ এর সাধারণ নির্বাচন ইত্যাদি । ৭১ এ ৭ ই মার্চ বঙ্গবন্ধু পাকিস্তান থেকে স্বাধীন হয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন, এরপর ২৫ ই মার্চ গভীর রাতে পাক বাহিনী জঘন্য এক গনহত্যা চালায়, যার নায় দেয় অপারেশন সার্চ লাইট । এর পর ই শুরু হয়ে যায় মুক্তি যুদ্ধ । যুদ্ধ যখন শেষের দিকে তখন মুক্তি বাহিনীরা ভারতীয় সহযোগিতাই গড়ে তোলে যৌথ বাহিনী । অবশেষে ঘনিয়ে আসে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ, পাক বাহিনী সিদ্ধান্ত নেয় তারা আত্মসমর্পণ করবে । কিন্তু তারা মুক্তি যোদ্ধাদের কাছে আত্মসমর্পণ করবে না । কারন এতে পাক বাহিনীর আত্মমর্যাদা একে বারেই শেষ হয়ে যাবে । তাছাড়া  মুক্তি যোদ্ধাদের কাছে আত্মসমর্পণ করলে বন্দি পাক বাহিনীদের সহজে ফিরিয়ে নিতে পারবে না, যদি তারা ভারতীয় বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করে তাহলে তারা আন্তর্জাতিক আইনের মাধ্যমে তাদের বন্দীদের সহজে ফিরিয়ে নিতে পারবে । আর তাই ১৯৭১ সালের ১৬ ই ডিসেম্বর যৌথ বিকেল বেলা যৌথ বাহিনীর প্রধান জেনারেল আরোরা'র কাছে আত্মসমর্পণ দলিলে স্বাক্ষর করে ।  ঐ দিনেই পাক বাহিনীর ভয়ে আশ্রয় অন্যত্র আশ্রয় নেয়া মানুষেরা ঘরে ফিরতে শুরু করেছে, নতুন এক ভোর দেখবে বলে ‌ । নতুন এক সূর্য উদয় হবে বলে । নতুন এক দিন শুরু হবে বলে । ঠিকই সূর্য উঠেছে, সবুজের অরণ্যে লাল সূর্য । পরিচয় ফেলো নতুন এক জাতি, লাল সবুজের বাংলাদেশ ।

 (73 পয়েন্ট) 

উত্তরের সময় 

সম্মানিত অতিথিবৃন্দ, সমবেত সুধিমন্ডলী ও বন্ধুগণ,সবাই বিজয়ের এই মহান দিনে আমার সালাম ও শুভেচ্ছা গ্রহণ করুন । আজ ১৬ই ডিসেম্বর, মহান বিজয় দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে পৃথিবীর বুকে বাংলাদেশ নামের একটি স্বাধীন রাষ্ট্র ভূমিষ্ট হয়। বাংলাদেশের এই বিজয় ছিনিয়ে আনতে দীর্ঘ নয় মাস পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে রক্তাক্ত যুদ্ধ করেছে এ দেশের দামাল ছেলেরা। এ যুদ্ধ ছিলো অন্যায়ের বিরুদ্ধে ন্যায়ের জন্য যুদ্ধ, পরাধীনতার বিরুদ্ধে স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ, মায়ের ভাষায় কথা বলার অধিকার আদায়ের জন্য যুদ্ধ। মাতৃভুমির কপালে বিজয়ের লাল টিপ পড়াতে লাখো শহীদ তাদের বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়েছে, হাজারো মা বোন সম্ভ্রম হারিয়েছেন। আমরা শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করি লাখ লাখ বীর শহীদের যারা তাদের বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়ে আমাদের জন্য এনে দিয়েছে স্বাধীনতা। প্রিয় স্বাধীনতাভোগী দেশপ্রেমিক বন্ধুগণ,আজ এই মহান বিজয় দিবসে আপনাদের কাছে আমার অনুরোধ আমরা যেন কখনোই ভুলে না যাই এই রক্তঝরা ইতিহাসের কথা ।বাঙালিরা তাদের জীবন উত্‍সর্গ করেছেন ৫২ এর ভাষা আন্দোলনে ৭১ এর স্বাধীনতা অর্জনে আমাদের তা করতে হবে না শুধু দেশপ্রেমকে জাগ্রত করে ন্যায়ের সঙ্গে কাজ করলে সোনার বাংলাকে বাস্তবে রূপ দিতে পারব ।আমাদের ভাইবোনদের রক্তে গড়া এদেশকে বাস্তবে রূপ দিতে এবং তাদের আত্নত্যাগী স্বপ্নকে পূর্ণ করতে আসুন আমরা সবাই হাতে হাত মেলাই. ... 

ধন্যবাদ 

 (47 পয়েন্ট) 

উত্তরের সময় 

বিজয় দিবসঃঃ ⊕⊕  বিজয় দিবস বাংলাদেশে বিশেষ দিন হিসেবে রাষ্ট্রীয়ভাবে দেশের সর্বত্র পালন করা হয়। প্রতি বছর ১৬ই ডিসেম্বর বাংলাদেশে দিনটি বিশেষভাবে পালিত হয়। ২২ জানুয়ারি, ১৯৭২ তারিখে প্রকাশিত এক প্রজ্ঞাপনে এই দিনটিকে বাংলাদেশে জাতীয় দিবস হিসেবে উদযাপন করা হয় এবং সরকারীভাবে এ দিনটিতে ছুটি ঘোষণা করা হয়।[১] ৯ মাস যুদ্ধের পর ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে হানাদার পাকিস্তানী বাহিনীর প্রায় ৯১,৬৩৪ সদস্য বাংলাদেশ ও ভারতের সমন্বয়ে গঠিত যৌথবাহিনীর কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করে।[২] এর ফলে পৃথিবীর বুকে বাংলাদেশ নামে একটি নতুন স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের অভ্যুদয় ঘটে। এ উপলক্ষে প্রতি বছর বাংলাদেশে দিবসটি যথাযথ ভাবগাম্ভীর্য এবং বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার সাথে পালিত হয়। ১৬ই ডিসেম্বর ভোরে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসের সূচনা ঘটে। জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে অনুষ্ঠিত সম্মিলিত সামরিক কুচকাওয়াজে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বাংলাদেশ নৌবাহিনী এবং বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর সদস্যরা যোগ দেন। কুচকাওয়াজের অংশ হিসেবে সালাম গ্রহণ করেন দেশটির প্রধান মাননীয় রাষ্ট্রপতি কিংবা প্রধানমন্ত্রী। এই কুচকাওয়াজ দেখার জন্য প্রচুরসংখ্যক মানুষ জড়ো হয়। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে যারা শহীদ হয়েছেন তাদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের অংশ হিসেবে ঢাকার অদূরে সাভারে অবস্থিত জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, বিরোধী দলীয় নেতা-কর্মী, বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনসহ সর্বস্তরের মানুষ পুষ্পস্তবক অর্পণ করে থাকেন।

এটাই হল আমাদের বিজয় দিবসের ভুমিকা। 

 (1343 পয়েন্ট) 

উত্তরের সময় 

বাংলাদেশের ইতিহাসে গুটিকয়েক গৌরবময় দিন রয়েছে। তার মধ্যে অন্যতম প্রধান হলো 16 ডিসেম্বর। ২৫ মার্চ কালরাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী যে নারকীয় হত্যা যজ্ঞ শুরু করে তার আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে পাকিস্থানী বাহিনীর আত্মসমার্পনের মধ্যে দিয়ে। ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর তারিখে পাকিস্থানী বাহিনীর আত্মসমার্পনের মধ্য দিয়ে। এই তারিখেই আমরা পাই আমাদের নিজস্ব ভূখন্ড বাংলাদেশ এবং মুক্ত হই পাকিস্থানী শোষকদের হাত থেকে। এই দিনটি তাই বাংলাদেশের মানুষ আনন্দের সাথে পালন করে।

২৫ মার্চ থেকে ১৬ই ডিসেম্বর পর্যন্ত দীর্ঘ 266 দিন আমাদের এই বিজয় অর্জিত হয়েছে, সুতরাং এর তাৎপর্য অনুমান করা খুব কঠিন কিছু নয়। এই 266 দিনে ত্রিশ লক্ষ মানুষকে পাকিস্থানী হানাদার বাহিনী নির্বিচারে হত্যা করেছে, হাজার হাজার বাড়ি জালিয়ে দিয়েছে, এক কোটিরও বেশী মানুষকে দেশছাড়া করেছে, অগণিত নারীকে ধর্ষণ করেছে- এই বিজয় দিবসের নেপথ্যে এইসব মর্মান্তিক ইতিহাস লুকিয়ে আছে। ধর্ম ও জাতীয়তার দোহাই দিয়ে ৯টি মাস পাকিস্থানী হানাদার বাহিনী যে নারকীয় অত্যাচার চালায় তা বিশ্ববিবেককে নাড়িয়ে দিয়েছিলো। তাই এই দিনে বাঙালীরা যেমন শোকে আপ্লুত হয় তেমনই বিজয়ের আনন্দে উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠে।

দীর্ঘ দুই যুগের বেশী অনাচার ও বৈষম্যের ফসল হলো ‍মুক্তিযুদ্ধ। তাই আমাদের বিজয়ের আগে ছিলো প্রায় দুই যুগেরও বেশী বঞ্চনার ইতিহাস। যেহেতু পাকিস্থান গঠিত হয়েছিলো শুধু ধর্মিয় মতের ভিত্তিতে এবং ধর্ম ছাড়া অন্য কোন বিষয়ে পাকিস্থানের সাথে বাংলাদেশের মিল ছিলো না সেই কারণে বাংলাদেশ অর্থাৎ তৎকালীন পূর্ব পাকিস্থানকে পূর্ব পশ্চিম পাকিস্থানের বিষ নজরে পরতে হয়। পূর্ব বাংলার মানুষকে তারা মানুষ বলেই মনে করতো না। এই দুই প্রদেশের মধ্যে প্রথম বিরোধ দেখা যায় যখন পশ্চিম পাকিস্থান উর্দূকে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ঘোষণা করে। এরপর ৬৯এর গণঅভ্যুথানের মধ্য দিয়ে স্পষ্ট হয়ে যায় দুই প্রদেশের মধ্যে সম্প্রিতি গড়ে ওঠা সম্ভব নয়। তারপর ১৯৭০ সালে নির্বাচনে পূর্ববাংলার মানুষ নিরঙ্কুশ জয় লাভ করলেও ভুট্টো আওয়ামী লীগের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করে না। ১৯৭১ সাল পর্যন্ত আলোচনা চলল, ২৫শে মার্চ পাকিস্থানী বাহিনী ঝাপিয়ে পড়লো নিরস্ত্র বাঙ্গালীদের ওপর। বাঙ্গালীরাও রুখে দাড়ালো। দীর্ঘ ৯ মাস যুদ্ধের পরে পাকিস্থানী বাহিনির ১ লাখ সৈন্য আত্মসমর্পণ করল রেসকোর্স ময়দানে। আর আমরা পেলাম আমাদের প্রিয় বাংলাদেশ।

দেশকে স্বাধীন করতে অনেক মুক্তিযোদ্ধা নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছেন, কিন্তু তারা আজ তারা উপেক্ষিত। আমাদের উচিৎ তাদের শ্রদ্ধা জানানো। নতুন প্রজন্মের অনেকেই বিজয় দিবসের তাৎপর্য সম্পর্কে অজ্ঞাত। আমাদের উচিৎ তাদের বিজয় দিবসের তাৎপর্য সম্পর্কে জ্ঞাত করা।

Recent Questions
Loading interface...