বর্তমানে আমাদের সমাজের বালকরা এই দিকে ঝুকে পড়ছে কেন এবং তার কারণ কী? বিস্তারিত পড়ুন?

বর্তমানে আমাদের সমাজের বালকরা এই দিকে ঝুকে পড়ছে কেন এবং তার কারণ কী? বিস্তারিত পড়ুন?আমাদের সমাজে লক্ষ্য করলেই দেখা যায় যে, বেশির ভাগ ছেলেরাই যৌন বিষয়ে অতীব আগ্রহী। কিন্তু কেন এর কারণ কী এমনকি তারা ইসলামি  জীবন ব্যবস্থা ভুলে হস্তমৈথুন সহ বিভিন্ন ধরনের হারাম কাজে লিপ্ত হচ্ছে। যার ফলে পরবর্তীতে তারা বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। এর যথাযথ মতামত সহ উত্তরটি আশা করছি।
বিভাগ: 
Share

2 টি উত্তর

ভাই আপনি খুব সুন্দর প্রশ্ন করেছেন। আসলে বর্তমানে বিভিন্ন ফিল্ম বা নাটকে দেখা যায় (মানেন আর না মানেন)  ছেলেদের মধ্যে এ বিষয়ে বেশি আগ্রহ প্রকাশ করতে দেখা যায়।যতই মেয়েদের স্বাধীনতা নিয়ে গলাবাজি করা হোক না কেন তাদের এইসব ক্ষেত্রে কেমন যেন পরাধীন দাসী হিসেবে উপস্থাপন করা হচ্ছে ।এতে করে পুরুষরা মনে করে যে মিলনেই মনে হয় চরম আনন্দ, জীবনের সাফল্য ।সমাজ ব্যবস্থাকেও এ ক্ষেত্রে দায়ী করা যেতে পারে। আবার কথায় আছে না নিষিদ্ধ জিনিসের প্রতি মানুষের আকর্ষন বেশি ।আমাদের সমাজ এমন হয়ে পড়েছে যে মেয়েদের আলাদা ভাবে দেখা হয় কেন জানি তারাও মানুষ, তাদেরও মানবিক বোধ আছে এটা মনেই আনা যায় না। তারা মেয়ে যেন আলাদা জাতি। তাই এ বিষয়ে ছেলেদের আগ্রহ বেশি ও ধর্মকে ভুলে যায়। আমি সুন্দর করে হয়তো গুছিয়ে বলতে পারি নি এজন্য ক্ষমাপ্রার্থী।
নিশ্চয়ই নামাজ সকল প্রকার অশ্লীলতা থেকে আল্লাহর বান্দাকে দূরে রাখে। যখন বান্দা পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে, তখন আল্লাহ তাকে নিয়ন্ত্রণ করেন। তখন তার দ্বারা কোনো খারাপ কাজ করা সম্ভব হয় না। কিন্তু যখন সে নামাজ-রোজা ছেড়ে দেয় তথা শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করে, তখন শয়তান তাকে নিয়ন্ত্রণ করা শুরু করে দেয় তথা তার দ্বারা খারাপ কাজ করানো শুরু করে দেয়। নিষিদ্ধ বা অবৈধ কাজের প্রতি মানুষের কৌতুহল বেশি থাকে। যখন যুবসমাজ আল্লাহর পথ ছেড়ে শয়তানের পথে চলা শুরু করে দেয়, তখন শয়তান তাদের দ্বারা খারাপ কাজ করায়। পাশ্চাত‍্য সমাজ থেকে আমাদের সমাজে হস্তমৈথুন, ফিঙ্গারিং, পরকীয়া, যিনা, সমকামীতা, বেপর্দা, অবৈধ প্রেম, বাজে মুভি, পর্ণোগ্রাফি, পারিবারিক চটি, জন্ম নিয়ন্ত্রণ ট‍্যাবলেট গ্রহণ, বিয়ের আগে-পরে বাচ্চা নষ্ট করা, বাচ্চাকে ফিটার দুধ খাইয়ে স্বামীকে বুকের দুধ খাওয়ানো, পায়ুমৈথুন, মুখমৈথুন ইত‍্যাদি বাজে জিনিসের অনুপ্রবেশ ঘটেছে, যা যুবসমাজসহ প্রত‍্যেক মানুষের ঈমান-আমল নষ্ট করে দিচ্ছে। ফলে খারাপ কাজ ও খারাপ মানুষের সংখ‍্যা দিন দিন বেড়ে যাচ্ছে। এ অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে মানবসমাজকে কুরআন ও হাদীস আঁকড়ে ধরতে হবে। ইসলামিক কাজ (ভালো কাজ তথা সওয়াবের কাজ) করতে হবে এবং অনৈসলামিক কাজ (মন্দ বা খারাপ কাজ তথা গুনাহের কাজ) থেকে দূরে থাকতে হবে। সমাজ ও দেশে কুরআনের আইন ও শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে, যাতে করে সমাজ ও দেশের মাটি ও মানুষ পবিত্র ও ভালো থাকতে পারে। ধন‍্যবাদ।

সাম্প্রতিক প্রশ্নসমূহ