6 Answers

 (76 পয়েন্ট) 

উত্তরের সময় 

না যায়েজ। কারণ, আল্লাহ কুরআনে বলেছেন, মানুষের নাম বিকৃতি করা কবিরা গুনাহ্। যা তওবা ছাড়া ক্ষমা হয় না। তাই এইসব বাজে নামে ডাকা না যায়েজ।
 (1972 পয়েন্ট) 

উত্তরের সময় 

মানুষ কে এসব উপায়ে বা নাম বিকৃত করে ডাকা নাজায়েজ।
 (1905 পয়েন্ট) 

উত্তরের সময় 

 এসকল বদনামে মানুষকে ডাকা নাজায়েজ। এমনকি মানুষের নামের বিক্রিতি উচ্চারন করাও নাজায়েজ।তবে নাম সংক্ষিপ্ত করা জায়েজ আছে।
 (7407 পয়েন্ট) 

উত্তরের সময় 

প্রায় উত্তর দেখে মনে হচ্ছে - পরিপূর্ণ উত্তর নয়। যাহোক, আপনার প্রশ্ন- উল্লেখিত প্রশ্নের নামগুলোর ওপর ভিত্তি করে মানুষকে ডাকা জায়েজ নাকি নাজায়েজ?

উত্তরঃ- অবশ্যই নাজায়েজ। কেননা, রাসূল (সঃ) যেকোন বস্তুর বিকৃতি কোনকিছু পছন্দ করতেন না। তার প্রমাণ হল- ‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন- রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ "আমাকে এত এত পরিমাণ সম্পদ দিলেও আমি কারো বিকৃত করে নকল করা পছন্দ করি না।" (সহীহঃ মিশকাত তাহক্বীক্ব ছানী ৪৮৫৭- জামে' আত-তিরমিজি, হাদিস নং ২৫০৩)।

 (6179 পয়েন্ট) Girl with short hair

উত্তরের সময় 

মানুষকে বিকৃত নামে সম্বোধন করা বড় ধরনের অপরাধ। এ সম্পর্কে কুরআনে বর্ণিত আছে- "তোমরা একে অপরকে দোষারোপ করবে না এবং একে অপরকে মন্দনামে ডাকবে না। ঈমান গ্রহণের পরে মন্দ নামে ডাকা বড় অপরাধ। যারা তওবা করে না তারাই জালিম।"-(সূরা হুজুরাত, ১১)  এর থেকেই বোঝা যায় যে মন্দনামে ডাকা নাজায়েজ। আল্লাহ একে তওবা না করলে ক্ষমা করবেন না।
 (12506 পয়েন্ট) জ্ঞান অন্বেষনে তৃষ্ণার্ত! জ্ঞানের জন্য জ্ঞানকে ভালোবাসি, জ্ঞানের জন্যই সাধনা-সিদ্ধির প্রচেষ্টা করি।

উত্তরের সময় 

কোন ব্যক্তিকে নিয়ে উপহাস করা, ঠাট্টা করা, মন্দ নামে ডাকা, সম্মানের হানি করা এবং তুচ্ছ ও হেয় প্রতিপন্ন করার সকল পন্থা ইসলামে হারাম। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন মদিনায় আগমন করেন, তখন সেখানকার অধিকাংশ লোকের দুই তিনটি করে নাম ছিল। তন্মধ্যে কোনো কোনো নাম সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে লজ্জা দেয়া ও লাঞ্ছিত করার জন্য লোকেরা খ্যাত করেছিল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তা জানতেন না। তাই মাঝে মাঝে সেই মন্দ নাম ধরে তিনিও সম্বোধন করতেন। তখন সাহাবায়ে কেরাম বলতেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ সে এই নাম শুনলে অসন্তুষ্ট হয়। তখন আয়াতটি নাযিল হয় যে, তোমরা একে অপরকে মন্দ নামে ডেকো না। মানুষকে ব্যঙ্গ ও তুচ্ছজ্ঞান করে মানুষের এমন নাম রেখো না বা এমন খেতাব বের করো না, যা সে পছন্দ করে না। অথবা তার ভাল ও সুন্দর নামকে বিকৃত করে ডেকো না। অর্থাৎ, এইভাবে নাম বিকৃত করে অথবা মন্দ নাম বা খেতাব রেখে সেই নামে ডাকা, কিংবা ইসলাম গ্রহণ বা তওবা করার পর তাকে অতীত ধর্ম বা পাপের সাথে সম্পৃক্ত করে সম্বোধন করা, যেমন, এ কাফের! এ ইয়াহুদী! এ লম্পট! এ মাতাল! ইত্যাদি বলে সম্বোধন করা অতীব মন্দ ও গর্হিত কাজ। অবশ্য কোন কোন গুণগত নাম কারো কারো নিকট এ নিষেধের আওতাভুক্ত নয়, যা লোক মাঝে প্রসিদ্ধ হয়ে যায় এবং সে এ নামে স্বীয় অন্তরে কোন দুঃখ বা রাগও অনুভব করে না। এমন নামে ডাকা দোষের কিছু নয়।
সম্পর্কিত প্রশ্নসমূহ

Loading...

জনপ্রিয় বিভাগসমূহ

Loading...