2 Answers

 (7407 পয়েন্ট) 

উত্তরের সময় 

ভিটামিন "এ" এর অভাবে দৃষ্টিশক্তি ক্ষতিগ্রস্থ হয়। উদ্ভিদ জাতীয় উপাদান থেকে গাজর, কুমড়ো, পাকা পেঁপে,পেয়ারা,তরমুজ ইত্যাদি খেলে দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি পাওয়া সম্ভব। তথ্যসূত্রঃ ("কৃষিশিক্ষা" "অষ্টম শ্রেণী")
 (1623 পয়েন্ট) 

উত্তরের সময় 

খাবার-দাবারের ব্যাপারে একটু সচেতন হলে দৃষ্টিশক্তি প্রখর রাখা সম্বব। এমন কিছু খাবার রয়েছে যা নিয়মিত খাওয়ার অভ্যাসে আপনি পাবেন প্রখর দৃষ্টিশক্তি। সবুজ পাতাবহুল শাক-সবজি: সবুজ পাতাবহুল শাক-সবজিতে আছে লুটেইন এবং জিয়াক্স্যানথিন এর মতো অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। যা মাংসপেশির ক্ষয়রোধ করে এবং চোখের মাংসপেশিকেও শক্তিশালী করে এবং রোগ সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে। গাজর: গাজর চোখের জন্য বেশ উপকারী তা আর নতুন করে বলার কিছু নেই। গাজরে আছে প্রচুর পরিমাণে বিটা-ক্যারোটিন যা চোখের স্বাস্থ্য ভালো রাখা এবং চোখের কার্যক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। এছাড়া চোখের কোনো ধরনের ক্ষয়ও হতে দেয় না গাজর। শস্য জাতীয় খাবার: যে কোনো শস্য জাতীয় খাদ্যে গ্লিকেমিক ইনডেক্স কম থাকে। যা চোখের পেশির ক্ষয় এবং বার্ধক্যজনিত সমস্যা প্রতিরোধ করে। এই শস্য রক্তচাপ এবং ডায়াবেটিসও প্রতিরোধ করে যা দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে আসার প্রধান কারণ। সাইট্রাস ফল: লেবু এবং কমলার মতো সাইট্রাস ফল ভিটামিন সি-তে পরিপূর্ণ। যা খুবই শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। এই ফল চোখের স্বাস্থ্য খুবই ভালো রাখে। এবং চোখের পেশির ক্ষয়রোধ করে। এছাড়াও ভিটামিন সি আমদের দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখে।  বাদাম: বাদামে আছে ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড। যা চোখ সংক্রান্ত রোগ কমায়। এতে থাকা ভিটামিন ই চোখে ছানি পড়া এবং ক্ষয় প্রতিরোধ করে।  মাছ এবং মাছের তেলের ক্যাপসুল: মাছেও আছে ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড যা চোখে রক্ত সরবরাহের শিরা-উপশিরাগুলোকে শক্তিশালী করে। এছাড়া এটি মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে। এছাড়াও চোখের পানি শুকিয়ে যাওয়াও প্রতিরোধ করে এটি।  সূর্যমুখী ফুলের বীজ: সূর্যমুখী ফুলের বীজে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ই এবং জিঙ্ক থাকে যা আমাদের চোখের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে এবং রোগমুক্ত রাখতে সহায়ক। এসব বীজ থেকে পাওয়া তেলে আছে ক্যারোটিনয়েড যা ছানি পড়া রোধ করে। টমেটো: টমেটোতেও আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ এবং সি। প্রতিদিন টমেটো খেলে দৃষ্টিশক্তি উন্নত হয়। ডিম: বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, চোখের দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে ডিমও বেশ কার্যকর। বিশেষ করে ডিমের কুসুমে আছে লিউটেইন, জিয়াক্সানথিন এবং জিঙ্ক যা রেটিনায় কোনো ধরনের ক্ষয় প্রতিরোধে বেশ কার্যকর।
সম্পর্কিত প্রশ্নসমূহ

Loading...

জনপ্রিয় বিভাগসমূহ

Loading...