Share

4 টি উত্তর

সূর্যের আলো যখন বায়ুমন্ডলের সূক্ষ্ম ধূলিকণা এবং বিভিন্ন গ্যাস অণুতে আপতিত হয়, তখন নীল বর্ণ এবং কাছের বর্ণগুলোর বিক্ষেপণ বেশি হয়। যার জন্য আকাশ বেগুনি, অসমানী ও নীল বর্ণেও আলোকের প্রাচুর্য ঘটে এবঙ আকাশ নীল দেখায়।

সূর্যের আলোয় থাকে ৭টি রং। এগুলো হলো-বেগুনি, নীল, আসমানি, সবুজ, হলুদ, কমলা ও লাল। পৃথিবীতে আলো আসার সময় বাতাসের সাথে সংঘর্ষ হয়। এতে বেগুনি, নীল ও আসমানি রঙ বেশি ছড়িয়ে পড়ে। তবে লাল রঙটা সবচেয়ে কম ছড়ায়। 

তাই আমরা যখন আকাশের দিকে তাকাই, তখন বেগুনি, নীল, আসমানির আলোগুলো মূলত আমাদের চোখে এসে পড়ে। আর এই তিন রঙ মিশে যে রঙটা হয়, সেটাও দেখতে প্রায় নীল। আর একারণেই আকাশের রঙটা আমাদের কাছে নীল বলে মনে হয়।

পৃথিবীর চারপাশে
বায়ুমন্ডলে ভাসমান ছোট ছোট
ধূলিকণা রয়েছে। সূর্য থেকে আলো
পৃথিবীতে আসার সময় ঐ কণাগুলি
দ্বারা বিচ্ছুরিত হয়ে যায়। এবং নীল
রঙের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম বলে
Rayleigh scattering এর সূত্র অনুযায়ী তা
সবচেয়ে বেশি বিচ্ছুরিত হয়। যার
কারনে দিনের আলোতে আকাশকে
নীল দেখায়।

আকাশ নীল দেখায় কারণ : 

আলোর বিক্ষেপণের কারণে আকাশ নীল দেখায়। কোন কণিকার ওপর আলো পড়লে সেই কণিকার ফলে   আলো বিভিন্ন দিকে ছড়িয়ে পরে, যাকে আলোর বিক্ষেপণ বলে। 

সূর্য যে আলো আমাদের পৃথিবীতে আসে তা সাদা কিন্তু বিখ্যাত বিজ্ঞানী Sir আইজেক নিউটন প্রমাণ করে দেয় তা মূলত সাতটি রং নিয়ে গঠিত ( বেগুনী, নীল, আকাশী, সবুজ, হলুদ, কমলা, লাল) । 

পৃথিবীর চারপাশে বায়ুমন্ডলে ভাসমান ছোট ছোট ধূলিকণা রয়েছে। সূর্য থেকে আলো পৃথিবীতে আসার সময় ঐ কণাগুলি দ্বারা বিচ্ছুরিত হয়ে যায়। যার ফলে আলোর বিক্ষেপণ সৃষ্টি হয়। 

আমরা জানি, 

আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত কম বিক্ষেপণ তত বেশি। আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত বেশি হবে বিক্ষেপণ তত কম হবে । 

Rayleigh scattering এর সূএ অনুসারে বলা যায় যে, 

সূর্যের আলোর সাতটি আলোর মধ্যে নীল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম 

নীল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য 450 nm 

লাল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য 650 nm 

যেহেতু নীল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম তাই এর বিক্ষেপণ বেশি। উক্ত কারণে আকাশ নীল দেখায়। 

                                by (mahide hassan sporsho)