Share

6 টি উত্তর

কেউ হয়তো চিকিত্সক বা প্রকৌশলী হতে চায় আর কেউ চায় স্বাধীনভাবে চলতে। কেউবা চায় শিক্ষকতা। কিন্তু একটা বিতর্কের বিষয় থেকেই যায়। পেশা হিসেবে কোনটা ভালো চাকরি নাকি ব্যবসা। আসলে এই বিষয় নিয়ে মনে প্রশ্ন জাগেনি এমন তরুণের সংখ্যা খুব কমই পাওয়া যাবে। তাই খোঁজা যাক প্রশ্নের উত্তর জীবনে কোনটা বেশি মাননসই চাকরি নাকি ব্যবসা। চাকরি মানেই হলো মাস শেষে নির্দিষ্ট অঙ্কের একটা বেতন পাওয়া, সেটা ছোট অঙ্কেরও হতে পারে কিংবা হতে পারে বিশাল অঙ্কের। তবে অনেকেরই আবার বসকে তেল দেওয়া বা তোষামোদ করার মতো মন-মানসিকতা নেই। তাদের কাছে চাকরি ভালো লাগবে না এটাই স্বাভাবিক নয় কি? চাকরিতে আছে প্রতিদিন বসের ঝাড়ি খাওয়ার আশঙ্কা। নিজের মুখ ফুটে যে নিজের মতামত প্রকাশ করবেন সেটাও করা সম্ভব হয় না অনেকের ক্ষেত্রে। তবে মানিয়ে নেওয়াটাই হলো আসল কথা। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় চাকরিজীবী পরিবারের তরুণ-তরুণীরা চাকরি করতেই অভ্যস্ত। তাদের কাছে চাকরি মানে নিশ্চিন্ত জীবন, মাস শেষে নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা এই আর কি! তাদের কাছে পড়াশোনার মূল লক্ষ্যই হচ্ছে জ্ঞান অর্জন নয়, ডিগ্রি অর্জন আর একটা চাকরি। চাকরি ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েন তারা, যারা একটু ঠোঁট কাটা স্বভাবের। দেখা যায় বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তারা সহকর্মীদের সাথে তো বিতর্কে জড়িয়ে পড়েনই এমনকি বসের মুখের উপরও যখন তখন না বুঝে শুনে দুম করে একটা কিছু বলে বসেন। তাদের জন্য চাকরি না করাই ভালো। তবে চাকরিতে একটা ভালো দিক হলো যে লাভ-লোকসান নিয়ে খুব একটা বেশি মাথা ঘামাতে হয় না। কাজ কর মন দিয়ে আর মাস শেষে টাকা পাও। লাভ-লোকসান নিয়ে চিন্তা করবেন বস। বলা হয়ে থাকে, চাকরি করলে নাকি নিজের উপর আত্মবিশ্বাস খানিকটা কমে যায়। কেননা ব্যবসা যারা করে তারা রিস্ক নিতে ভয় পায় না। কিন্তু চাকরিজীবী কেউ একজন জীবনের যেকোনো ক্ষেত্রে রিস্ক নিতে সাত-পাঁচ ভেবে চিন্তা করে।



 প্রাচীনকাল থেকেই ব্যবসা করার জন্য বিভিন্ন অঞ্চলে পাড়ি জমিয়েছে বণিকরা। সে সময় শুধুমাত্র একটা শ্রেণীই ব্যবসা বাণিজ্য করত। বলা হতো বাণিজ্যে লক্ষ্মী বসতি। সময় পাল্টেছে, সেইসাথে পাল্টেছে ব্যবসার পদ্ধতি আর ধ্যান-ধারণাও। কিন্তু ব্যবসাতে আগ্রহ আছে সবার এখনও। বেশিরভাগ ব্যবসায়ী পরিবারের সন্তানরাই ব্যবসাতে বেশি আগ্রহ প্রকাশ করে। ফ্যামিলিতে ব্যবসার চল না থাকলে নাকি পাকা ব্যবসায়ী হওয়া যায় না এ রকম ধ্যান-ধারণা ভেঙে অনেকেই এখন ব্যবসায় হাত পাকানো শুরু করেছে। তরুণ-তরুণীদের কাছে ব্যবসাটাও ইদানীংকার আগ্রহের বিষয়। কেননা চাকরিতে নাকি শটকার্টে বড়লোক হওয়ার সুযোগ নেই, কিন্তু ব্যবসাতে সেটা আছে। তবে এক্ষেত্রে যে ব্যবসা করবে তাকে অবশ্যই ভালোভাবে ব্যবসাকে বুঝতে হবে। কেননা ব্যবসা ভালোভাবে না বুঝে করলে লাভের চেয়ে যে ক্ষতির পাল্লাটাই ভারী হবে এটাই স্বাভাবিক। ব্যবসায় যেমন উপরে উঠা যায় তাড়াতাড়ি, তেমনি নামায়ও খুব তাড়াতাড়ি। যে সকল তরুণ একটু স্বাধীনচেতা, ফ্যামিলিতে আগে ব্যবসা করার অভিজ্ঞতা আছে কিংবা অফিসে কাজ করতে ভালো লাগে না তারাই সাধারণত ব্যবসায় আসে। ব্যবসাতে আছে রিস্ক। তাই দেখে শুনে বুঝে পা ফেলতে হয়। কেননা ঠাণ্ডা মাথায় কাজ না করে যদি ঝোঁকের মাথায় কিছু করে বসেন তাহলেই কিন্তু সমূহ বিপদের আশঙ্কা। ব্যবসার কিছু কৌশলও আছে সেগুলো বুঝতে পারলেই লাভ হবে কিন্তু না বুঝলেই লোকসান সামলাতে হয়। পরিণামে মাথায় হাত দিয়ে হায় হায় করা ছাড়া আর কোনো উপায় সামনে থাকবে না।
চাকরি হলো অন্যের অধিনে নিদৃষ্ট কোন কাজ করা, আর ব্যবসা হলো সম্পুর্ন নিজের অধিনে যে কোন কাজ করা যেমন দোকান করা কোন কিছু বেচাকেনা করা ইত্যাদি 
ব্যাবসা হল যেখানে আপনি মালিক , সম্পুর্ন মুলধন এবং যাবতীয় রিক্স আপনার , এখানে আপনি আপনার কর্মচারিদের বেতন দিবেন। অন্যদিকে চাকরি হল যেখানে আপনি কারো অধিনে কাজ করছেন , এখানে আপনার কোনো মুলধন এবং যাবতীয় রিক্স নাই , এখানে আপনি বেতন পাবেন।
ব্যাবসা নিজের টাকা দিয়ে করতে হয়।আর চাকরি অন্যের  কাজ করা হয়। ব্যবসায় নিজের খেয়াল খুশি অনুযায়ী করা যায় কিন্তু চাকরি অন্যের কথা অনুযায়ী করতে হয়। ব্যবসায় নিজের স্বাধীনতা আছে কিন্তু চাকরি তে তা নেই। 
ব্যবসা নিজের স্বাধীন মত করতে হয় কিন্তু চাকরি অন্যর স্বাধীন মত করতে হয়।
চাকরি হলো অন্যর নিয়ন্ত্রন এ কাজ করা মানে অন্যর অধিনে কাজ করা ,চাকরির ক্ষেত্রে অন্যর নিয়ন্ত্রন , নিয়ম মেনে চলতে হয় আর ব্যবসা ক্ষেত্রে আপনি স্বাধীন আপনি আপনার মত করে কর্মক্ষেত্রে যাবেন, যখন মন চায় দোকান খুলবেন বা বন্ধ করবেন, এখানে আপনার শাসন ব্যবস্থা থাকবে , এখানে আপনি ছাড়া আদেশ দান এর ক্ষমতা কারো নেই।

সাম্প্রতিক প্রশ্নসমূহ