[আমি মোটা হতে চাই]তার জন্য ফ্যাট জাতিয় খাবারে নাম এর লিস্ট লাগবে ? আমাকে ফ্যাট জাতিয় অনেক গুলো খাবারের লিস্ট দিন...?
3 টি উত্তর
অল্পতে লিস্ট দিলাম। ১.মাখন ২. ঘি ৩.বাদাম ৪.কিসমিস ৫.কলা ৬.ডিম ৭.যেকোন  মাংস। ৮.শাক সবজি একটা প্রবাদ আছে মাংসে মাংস বৃ, ঘিয়ে বৃৃৃৃদ্ধি বল। দুুুধে চন্দ্র বৃৃৃদ্ধি, শাকে  বৃদ্ধি মল। 
  • সর্বপ্রথম আপনার স্টার্চ জাতীয় খাবার খেতে হবে আর সেটা তিন বেলার বেশী খেলে খুব দ্রুত ফল পাবেন অর্থাৎ ঘন ঘন খাবেন । যেমন: আলু,ঢেকি ছাটা চাল,যেকোন শস্য বীজ বা দানা ।
  • মিষ্টি জাতীয় খাবার । যেমন: রসালো মিষ্টি,দই, ঘরোয়া মিষ্টি খাবার।
  • চর্বি জাতীয় খাবার । কিন্তু বাইরের অস্বাস্থ্যকর খাবার নয় ।
  • কেক, ক্রীম জাতীয় খাবার,আইসক্রীম,ডিম,দুধ ইত্যাদি । আশা করি উপকৃত হবেন

মোটা হতে চাইলে প্রচুর পরিমানে শাকসবজি খাওয়া শুরু করুন। যদি উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা না থাকে তাহলে ফ্যাট জাতীয় খাবার খান একটু বেশি। চকলেট, মেয়নিজ মাখন, দুধ ডিম একটু বেশি করে খেতে হবে। এসব খাবারে থাকা ফ্যাট, ক্যালরি ওজন বৃদ্ধির জন্য খুবই জরুরী। তবে উচ্চ রক্তচাপ থাকলে এসব না খাওয়াই ভালো শরীরের জন্য। সেক্ষেত্রে হালকা এক্সারসাইজ করা উচিত যাতে চর্বি অধিক মাত্রায় শরীরে না জমে। এবার দেখে নিন কি খাবার খেলে মোটা হওয়া যায় স্বল্প সময়ে।

আম দুধ – প্রতিদিন ১-২টি করে পাকা আম খান এবং এরপর এক গ্লাস কুসুম গরম দুধ খান। আবার দিনে ১ বা ২ গ্লাস আম আর দুধ মিলিয়ে শেক বানিয়েও খেতে পারেন। মাস খানেকের মাঝেই উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন চোখে পড়বে।কিশমিশ ও ডুমুর – কিশমিশ ও শুকনো ডুমুর ফল উচ্চ ক্যালরি সম্পন্ন। ৬টি শুকনো ডুমুর ফল এবং ৩০ গ্রাম কিশমিশ পানি বা দুধে সারারাত ভিজিয়ে রেখে সেই পানিসহ ফল গুলো দুইবারে খাবেন। ২০-৩০ দিনের মাঝে ভালো ফল পাবেন।ঘি আর চিনির মিশ্রণ – ১ টেবিল চামচ ঘি এবং ১ টেবিল চামচ চিনি মিশিয়ে প্রতিবেলা খাবার আধা ঘণ্টা আগে খালি পেটে খান। এক মাস খাবার পরেই লক্ষণীয় পরিবর্তন চোখে পড়বে।পিনাট বাটার – পিনাট বাটারে রয়েছে অনেক বেশি ক্যালরি। তাই এটাও হতে পারে মোটা হওয়ার সহজ উপায় হিসাবে চমৎকার। তাই প্রতিদিনের খাবার তালিকায় পিনাট বাটার রাখুন।আলু – প্রচুর শর্করা আছে আলুতে। তাই নিশ্চিত ভাবেই বলা যায় নিয়মিত আলু খেলে ওজন বাড়বেই। আলু তরকারিতে দিয়ে, ভাজি করে, গ্রীল করে বাটার মিশিয়ে বা ভালো মানের তেল দিয়ে ফ্রেঞ্চ ফ্রাই করে নিয়মিত খান।বাদাম – প্রতিদিন সকালে উঠে ৬ থেকে ৭ টা কাজুবাদাম ও কিসমিস খালি পেটে খান। এক্ষেত্রে সবচেয়ে ভালো হয় যদি আগের দিন রাতে এক গ্লাস পানিতে কাজু এবং কিসমিস ভিজিয়ে রেখে পরের দিন সকালে ঐ পানি খাওয়া যায়।ফ্যান ভাত –  ফ্যানভাত বা যাকে আমরা ভাতের মাড় বলি তা খাওয়া যেতে পারে। ফ্যানভাত সাহায্য করে মোটা হতে এবং ওজন বৃদ্ধি করতে। সাধারণত ভাতের ফ্যানে বেশির ভাগ পুষ্টি ও ফ্যাট থাকে যা মাড় ফেলে দেওয়ার সাথে সাথে বেরিয়ে যায়। এই ভাতের মাড় একমাস নিয়ম করে খেতে পারেন।মধু – চেষ্টা করুন রোজ রাতে ঘুমনোর আগে এক গ্লাস ঘন দুধে একচা চামচ মধু মিশিয়ে খেতে। ওজন বাড়ানোর এক মোক্ষম উপায় এটা। নিয়মিত রাতে খেলে ওজন বাড়তে বাধ্য।সবজি এবং ফল – প্রচুর শাক সবজি ও ফল খান। ভাবছেন এগুলো তো ওজন কমাবার জন্য খাওয়া হয়, তাই না? ওজন বাড়াতেও কিন্তু আপনাকে সাহায্য করবে এই ফল আর সবজি। এমন অনেক ফল আর সবজি আছে যারা কিনা উচ্চ ক্যালোরি যুক্ত। আম, কাঁঠাল, লিচু, কলা, পাকা পেঁপে, মিষ্টি কুমড়া, মিষ্টি আলু, কাঁচা কলা ইত্যাদি ফল ও সবজি খেলে ওজন বাড়বে।বিশেষ খাবার – আপনার নিয়মিত খাবারের পাশাপাশি অবশ্যই কিছু উচ্চ ক্যালোরি সম্পন্ন খাবার যোগ করতে হবে খাদ্য তালিকায়, নাহলে ওজন বাড়বে কেন? উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা না থাকলে এই খাবার গুলো খেতে পারেন অনায়াসে। যেমন- ঘি/ মাখন, ডিম, চিজ/ পনির, কোমল পানীয়, গরু-খাসির মাংস, আলু ভাজা, মিষ্টি জাতীয় খাবার, চকলেট, মেয়নিজ ইত্যাদি।ঘন ঘন খান – আপনি যদি ওজন বাড়াতে চান তাহলে দিনে ৫ থেকে ৭ বার পরিমিত পরিমাণে খাবার খান। অামরা সচরাচর ৩ বার খেয়ে থাকি। আপনি দিনে ৬ বার খান কিন্তু পরিমাণটি নির্দিষ্ট করে। এতে করে আপনার খেতে কোনো সমস্যা হবে না। কলা, আম ইত্যাদি ফল বেশি পরিমাণে খাবেন। পাশাপাশি অন্যান্য ক্যালরিযুক্ত খাবারও গ্রহণ করুন। মনে রাখবেন আপনি যত পরিমাণে জাঙ্ক ফুড খাবেন আপনার দেহ থেকে তার চেয়েও বেশি পরিমাণে প্রোটিন বেরিয়ে যাবে। তাই ভাজা বাদ দিয়ে বাদাম, পরিমিত মিষ্টি, ঘরে তৈরি নানান খাবার খান।সঠিক নিয়মে খান – আপনি খাবার খাচ্ছেন কিন্তু কোনো নিয়ম মেনে খাচ্ছেন না এতে করে আপনার কোনো কাজই হবে না। আপনার ওজন কোনোভাবেই বাড়বে না। আপনি যদি নিয়ম করে খাবার তালিকা তৈরি করে খেয়ে থাকেন তাহলে আপনার ওজন বাড়তে সহায়ক ভূমিকা রাখবে। দিনের একটি বড় তালিকা তৈরি করুন ও সেটি পালন করুন ঘড়ি ধরে। মোটামুটি ভাবে ৪ সপ্তাহের মধ্যে একটি ইতিবাচক ফলাফল পাবেন। ওজন বাড়ে সহায়ক খাবার গুলো রোজ খাবেন ও পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুমাবেন।আশাকরি সাহায্য করতে পেরেছি