3 Answers

 (235 পয়েন্ট) 

উত্তরের সময় 

এই লিংকে যান আপনার উত্তর টি পেয়ে যাবেন।। www.bissoy.com/271592/?iorg_service_id_internal=203307983470890%3BAfqQ1sSEXeaEbI_C
 (156 পয়েন্ট) 

উত্তরের সময় 

পৃথিবীতে অসংখ্য জাতি-গোষ্ঠী রয়েছে। প্রত্যেক জাতির নিজস্ব ইউনিফরম তথা স্বতন্ত্র প্রতীক আছে। সে হিসেবে মুসলিম জাতিরও স্বতন্ত্র ইউনিফরম থাকবেএটাই স্বাভাবিক। আর এ কথা সর্বজন স্বীকৃত, যে জাতি নিজস্ব ইউনিফরম রক্ষা করে না, সে জাতি অচিরেই অন্য কোনো জাতির মধ্যে বিলীন হয়ে যায়। গোঁফ ছোট রাখা এবং দাড়ি লম্বা রাখা মুসলমানদের ধর্মীয় প্রতীক। দাড়ি রাখা কোনো ফ্যাশন নয়, এটি ইবাদত। এটি মহানবী (সা.)সহ সব নবীর সুন্নাত। সুন্নাহসম্মত দাড়ি কোনো ব্যক্তি মুসলিম হওয়ার অন্যতম নিদর্শন।

দাড়ি রাখা ওয়াজিব

রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, তোমরা দাড়ি লম্বা করো এবং মোচ ছোট করো। দাড়িসংক্রান্ত এ বিশুদ্ধ হাদিস একাধিক হাদিসগ্রন্থে বিভিন্ন সূত্রে বর্ণিত হয়েছে। রাসুল (সা.) নিজেও দাড়ি রাখতেন। তাঁর দাড়ি ছিল কালো, গভীর, ঘন ও প্রশস্ত। তাঁর বক্ষ মোবারক দাড়িতে ভরে যেত। ইসলাম ধর্ম মতে, দাড়ি রাখা ওয়াজিব। চার মাজহাবের কোনো মাজহাবে এ নিয়ে বিতর্ক নেই। দাড়ি রাখা সুন্নত নয়, যেমনটা এ যুগের কেউ কেউ ধারণা করেন। সুতরাং এক মুষ্টির নিচে দাড়ি কাটা বা ছাঁটা হারাম।

মুসলিমদের দাড়ি বনাম অমুসলিমদের দাড়ি

মুসলিমরা দাড়ি রাখেন আবার অনেক অমুসলিমও দাড়ি রাখেন। উভয়ের দাড়ির মধ্যে পার্থক্য হলোএক. মুসলিমরা দাড়ি রাখেন নবীজির সুন্নাত হিসেবে আর অমুসলিমরা দাড়ি রাখেন ফ্যাশন বা শখ করে। দুই. অমুসলিমরা দাড়ি-গোঁফ উভয়টাই রাখেন আর মুসলিমরা দাড়ি লম্বা করেন এবং গোঁফ ছোট করে রাখেন। তিন. মুসলিমদের দাড়ি প্রতিবার অজু করার সময় খিলাল করার কারণে পরিষ্কার থাকে। অমুসলিমরা এমনটা করেন না। চার. মুসলিমদের অনেকে দাড়ি এক মুষ্টি হলে ছোট করেন, কিন্তু অমুসলিমরা তা করেন না। পাঁচ. অনেক মুসলিম দাড়িতে মেহেদি ব্যবহার করেন। এটি প্রিয়নবীর সুন্নাত। কিন্তু কোনো অমুসলিম দাড়িতে মেহেদি ব্যবহার করেন না। এভাবে মুসলিম ও অমুসলিমদের দাড়ির মধ্যে নানাভাবে পার্থক্য করা যায়।

দাড়ি না রাখার ক্ষতি

দাড়ি না রাখার অসংখ্য ক্ষতি রয়েছেএক. দাড়ি মুণ্ডানো বা ছোট করা মুশরিক, অগ্নিপূজক ও বিধর্মীদের অভ্যাস। আর মুসলমানদের জন্য বিধর্মীদের সাদৃশ্য অবলম্বন করা হারাম। মহানবী (সা.) ইরশাদ করেন, যে ব্যক্তি অন্য কোনো জাতির সাদৃশ্য (বেশভূষা, আকার-আকৃতি) অবলম্বন করে, সে ওই জাতির অন্তর্ভুক্ত বলে গণ্য হবে। (জামে ছগির, ২/৮)

দুই. দাড়িবিহীন চেহারা নারীজাতির চেহারার সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখে। এ ধরনের সামঞ্জস্য অবলম্বন করা হারাম। তিন. এর ফলে আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের অবাধ্যতা প্রদর্শন হয়। আল্লাহ বলেন, তোমাদের মধ্যে যদি কেউ আল্লাহ ও তাঁর রাসুলকে অমান্য করে, তার জন্য রয়েছে জাহান্নামের আগুন, সেখানে তারা চিরকাল থাকবে। (সুরা জিন, ২৩) চার. দাড়ি না রাখার মাধ্যমে আল্লাহর সৃষ্টির পরিবর্তন ও বিকৃতি ঘটানো হয়। আল্লাহ বলেন, আল্লাহর সৃষ্টির কোনো পরিবর্তন নেই। (সুরা রুম, ৩০) পাঁচ. দাড়ি না রাখলে অবিশ্বাসীদের অনুসরণ করা হয়। অথচ আল্লাহ তাআলা অবিশ্বাসীদের অনুসরণ করতে নিষেধ করেছেন। ইরশাদ হয়েছে, এরপর আমি তোমাকে প্রতিষ্ঠিত করেছি দ্বীনের বিশেষ বিধানের ওপর। সুতরাং তুমি এর অনুসরণ করো; অজ্ঞদের খেয়াল-খুশির অনুসরণ করো না। (সুরা জাসিয়া, ১৮) ছয়. দাড়ি না রাখলে দৃষ্টিশক্তি হ্রাস পায়। সাত. সুরা-কেরাত শুদ্ধ থাকলেও আজান-ইকামতের যোগ্যতা ও সুযোগ থাকে না। আট. নবীজির অন্তরে আঘাত দেওয়া হয়। নয়. অন্যান্য পাপ একবার করলে একবারই গুনাহ লেখা হয়। কিন্তু দাড়ি না রাখলে সব সময় গুনাহ লেখা হতে থাকে। কেননা এটা গুনাহে জারিয়া বা চলমান গুনাহের অন্তর্ভুক্ত। দশ. কবরে মুনকার-নাকিরের প্রশ্ন-উত্তর কঠিন হয়ে যায়।

দাড়ি রাখার ধর্মীয় উপকারিতা

এক. দৃষ্টিশক্তি ঠিক থাকে। ফলে ভালোভাবে কোরআন তেলাওয়াত সম্ভব হয়। দুই. দাড়ি থাকলে মন্দ কাজ থেকে বিরত থাকা যায়। অবৈধ কাজে অংশগ্রহণে লজ্জাবোধ হয়। তিন. মুমিন হিসেবে পরিচিত হওয়া যায়। নতুবা মুমিন-কাফির, পার্থক্য করা কঠিন হয়ে যায়। চার. অপরিচিত স্থানে মারা গেলে মুসলমান হিসেবে সসম্মানে গোসল ও দাফন-কাফন নসিব হয়। পাঁচ. হাশরের ময়দানে রাসুলের উম্মত দাবি করা সহজ হবে এবং তাঁর সুপারিশ লাভ সম্ভব হবে।

দাড়ি রাখার দৈহিক উপকারিতা

মাওলানা আশেকে ইলাহি মিরাঠি (রহ.) তাঁর ডারহি কি কদর ও হিকমত নামের বইয়ে লিখেছেন : ইউনানি চিকিৎসবিজ্ঞান অনেক আগেই এ সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছে যে দাড়ি পুরুষের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। গলা ও বক্ষকে ঠাণ্ডা ও গরম থেকে রক্ষা করে । আধুনিক ডাক্তারদের মধ্যে একজন লিখেছেন : সব সময় দাড়িতে খুর চালালে চোখের শিরার ওপর বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। এতে চোখের জ্যোতি ক্রমেই ক্ষীণ হয়ে আসে। অন্য এক ডাক্তার লিখেছেন : দাড়ি জীবাণুকে দাড়ির ভেতরে ঢুকতে প্রতিবন্ধতার সৃষ্টি করে। তাকে গলা, বক্ষ পর্যন্ত অতিক্রম করতে বাধা দেয়। দাড়ি না রাখা যৌনশক্তি শূন্যের কোঠায় পৌঁছে দেয়।

এক ডাক্তার লিখেছেন, যদি সাত প্রজন্ম পর্যন্ত কোনো বংশের পুরুষদের মধ্যে দাড়ি মুণ্ডানোর অভ্যাস চালু থাকে, তাহলে অষ্টম প্রজন্মের সন্তান দাড়িবিহীন হবে। এর কারণ হলো, এর ফলে প্রত্যেক প্রজন্মে যৌনশক্তি হ্রাস পেতে পেতে অষ্টম জেনারেশনে একেবারে শূন্যের কোঠায় পৌঁছে যাবে ।

বিবিসির এক অনুষ্ঠানট্রাস্ট মি, আই অ্যাম এ ডক্টরসম্প্রতি এই প্রশ্নে একটা ছোট্ট পরীক্ষা চালিয়েছে। এর ভিত্তিতে বিজ্ঞানীরা বলছেন, ক্লিন শেভড পুরুষের চেয়ে দাড়িওয়ালাদের মুখে রোগ-জীবাণু বেশি, এমন কোনো প্রমাণ তারা পাননি। যুক্তরাষ্ট্রের একটি হাসপাতাল সম্প্রতি এ নিয়ে গবেষণা চালায়। জার্নাল অব হসপিটাল ইনফেকশনে প্রকাশিত এই গবেষণার ফলে বলা হচ্ছে, দাড়িওয়ালাদের চেয়ে বরং দাড়ি কামানো পুরুষের মুখেই বেশি রোগ-জীবাণু পাওয়া গেছে। গবেষকরা বলছেন, মেথিসিলিন-রেসিস্ট্যান্ট স্ট্যাফ অরিয়াস (এমআরএসএ) বলে যে জীবাণু অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী, সেটি দাড়িওয়ালাদের চেয়ে দাড়ি কামানোদের মুখে তিন গুণ বেশি মাত্রায় পাওয়া গেছে। এর কারণ কী? গবেষকরা বলছেন, দাড়ি কামাতে গিয়ে মুখের চামড়ায় যে হালকা ঘষা লাগে, তা নাকি ব্যাকটেরিয়ার বাসা বাঁধার জন্য আদর্শ পরিবেশ তৈরি করে। অন্য দিকে দাড়ি সংক্রমণ ঠেকাতে সাহায্য করে। বিবিসির ট্রাস্ট মি, আই অ্যাম এ ডক্টর অনুষ্ঠানে বেশ কিছু পুরুষের দাড়ি থেকে ব্যাকটেরিয়ার নমুনা সংগ্রহ করে একই ধরনের পরীক্ষা চালানো হয়।

 (207 পয়েন্ট) 

উত্তরের সময় 

প্রসঙ্গে মাওলানা আশেকে ইলাহী মিরাঠী (রহঃ) তাঁর স্বরচিত গ্রন্থ “ডারহী কী কদর ও হিকমত” এ চমৎকার লিখেছেন। তিনি বলেন, এখন দাড়ির ব্যাপারে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ধারণার প্রতিলক্ষ্য করুন । ইউনানী চিকিৎসা তো আগের থেকেই এ সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছে যে, দাড়ি পুরুষ জাতির জন্য সৌন্দর্য বর্ধক। গলা ও বক্ষকে ঠান্ডা ও গরম থেকেরক্ষাকারী । বর্তমানে ডাক্তারগণ আরো অন্য কথাও বলেছেন । একজন ডাক্তারলিখেছেন, সর্বদা দাড়িতে খুর চালালে চোখের শিরাগুলোর উপর বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। এতে চোখের জ্যোতি ক্রমশঃ ক্ষীণ হয়ে আসে। অন্য এক ডাক্তার লিখেছেন, নিম্নমুখী দাড়ি স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর জীবানুকে দাড়ির ভিতরেঢুকতে প্রতিবন্ধতার সৃষ্টি করে, তাকে গলা বক্ষ পর্যন্ত অতিক্রম করতে বাধাদেয়।

যৌনশক্তি শুন্যের কোঠায় পৌঁছে

এক ডাক্তার লিখেছেন, যদি সাত সিড়ি পর্যন্ত কোন বংশের পুরুষদের মধ্যেদাড়ি মুন্ডানোর অভ্যাস চালু থাকে, তাহলে অষ্টম স্তরের সন্তান দাড়ি বিহীন হবে। এর কারণ, এর ফলশ্রুতিতে প্রত্যেক প্রজন্মে যৌনশক্তি হ্রাস পেতে পেতে অষ্টম জেনারেশনে একেবারে শূন্যের কোঠায় পৌঁছে যাবে ।

এটা কোন ডাক্তারের ভবিষ্যৎ বাণী নয় যে, জ্যোতিষ শাস্ত্রের সাথে সম্পর্কিত । বরং এটি একটি স্বাভাবিক নীতি । স্পষ্টভাষী শব্দ উচ্চারণ করতে সক্ষম কোন বাচ্চায দি বারবার কোন তোতলা ব্যক্তির অনুসরণ করতে থাকে, তাহলে অল্প কিছু দিনের মধ্যেই সে শিশু ও তোতলায় পরিণত হবে। তারপর সে যত চেষ্টা করুক না কেন কখনো তোতলামী ছাড়া কথা বলতে সক্ষম হবে না ।
আমেরিকান ডাক্তার চার্লচ হোমারের মন্তব্য

এ বিষয়ে সম্প্রতি প্রকাশিত একটি চমকপ্রদ লেখা হচ্ছে আমেরিকার ডাক্তার চার্লচ হোমারের । তিনিবলেছেন, এক ব্যক্তি দাড়ি কামানোর জন্য বৈদ্যুতিক সুঁইজ আবিস্কার করার জন্য আমাকে নির্দেশ দিয়েছেন, যাতে শশ্র্যু মুন্ডাতে অযথা সময় ব্যয় না হয়। কিন্তু এ কথা আমার বুঝে আসে না, দাড়ির নামে মানুষ এতো ভীত সন্ত্রস্ত হয় কেন? এানুষ যখন মাথায় চুল রাখে, সাথে সাথে মুখে দাড়ি রাখতে অসুবিধা কি। মাথার কোন স্থান থেকে যদি চুল পরে যায় তাহলে মানুষ মাথায় টাক পড়ার জন্য লজ্জা বোধ করে। কিন্তু এটা খুবই হাস্যকর যে, সে নিজের সম্পুর্ণ চেহারাকে ইচ্ছাকৃত ভাবেই টাক বানাচ্ছে, বঞ্চিত করছে নিজেকে দাড়ি হতে।

এটা কতইনা লজ্জার বিষয়! দাড়ি পুরুষের জন্য সবচেয়ে উজ্জল চিহ্ন । পুরুষের চেহারায় দাড়ি চরিত্রে দৃঢ়তা, ব্যক্তিত্বে পূর্ণতা এবং নর-নারীর মাঝে ব্যবধান সৃষ্টি করে। এ দাড়ি ধীরতা ও বীরত্বের সাক্ষ্য বহন করে । কারণ, দাড়ি ছাড়া অন্যান্য চুল ও পশম মহিলা-পুরুষ নির্বিশেষে সবারই হয়ে থাকে। নারী জাতি দাড়িকে অত্যন্ত সম্মানের সাথে দেখে আন্তরিকভাবে । মানসিকভাবে দাড়িবিহীন পুরুষ অপেক্ষা দাড়িওয়ালা পুরুষদেরপ্রতি তারা বিশেষ অনুরক্ত। বাহ্যতঃ হয়তো তাদের নিকট দাড়ি ভাল লাগে না।কিন্তু এর কারণ শুধু এটিই যে, তারা ফ্যাশনের দাসী আধুনিক পোশাকের বাতিকগ্রস্তা। দুর্ভাগ্যবশতঃ বর্তমানে দাড়ি ফ্যাশনের দরবার হতে বিদায় নিচ্ছে।

গলাকে ঠান্ডা-গরমের আক্রমন থেকে রক্ষা করে

নাকেরমধ্যকার ও মুখের সামান্য পশমগুলো সুন্দর চালনির কাজ দেয় ক্ষতিকর ধূলা বালিমাটি এবং অনেক জীবানু নাকে মুখে এর কারণে প্রবেশ করতে পারে না। লম্বা ঘন দাড়ি গলাকে ঠান্ডা ও গরমের আক্রমন থেকে রক্ষা করে । অতঃপর ডাক্তার সাহেবআরো লিখেছেন যে, দাড়ি পুনরায় পৃথিবীতে ফিরে আসবে। সাথে সাথে ঐ প্রাধান্যমর্যাদাও ফিরে আসবে যা আল্লাহ রাব্বুল আলামীন নর-নারী উভয়কে প্রদানকরেছেন। দাড়ি বিশিষ্ট ব্যক্তি আপন স্ত্রীকে খুব কমই পরিত্যাগ করে থাকে।শশ্র্যমন্ডিত ব্যক্তি সর্বদা আপন দাড়ির মর্যাদা রক্ষার চেষ্টা করে।

দাড়িতে এমন এক শান-শওকাত ও গাম্ভীর্য রয়েছে যা কেবল পুরুষদের জন্যই শোভাপায়। দাড়ি পুরুষের মান-মর্যাদা অক্ষুন্ন রাখে এবং উন্নত করে । যে দাড়িনিয়ে ঠাট্রা করল সে যেন হযরত ঈসা (আঃ) এর প্রতিই ঠাট্রা করল। কারণ তিনিও দাড়ি রাখতেন ।

দাড়ি রাখার উপকারিতা

(১) দৃষ্টি শক্তি ঠিক তাকে।

(২) মন্দ কাজ থেকে বিরত থাকা সহজ হয় । দাড়ির কারণে অবৈধ কাজে অংশ গ্রহণে লজ্জা বোধ হয় ।

(৩) একজন মুমিন হিসাবে পরিচিত হওয়া যায়। নতুবা মুমিন আর কাফির পার্থক্য করা মুশকিল হয়ে যায় ।

(৪) রাস্তা-ঘাটে বা অপরিচিত স্থানে মারা গেলে মুসলিম হিসাবে সসম্মানে তার গোসল ও দাফন কাফন নছীব হয়।

(৫) হাশরের ময়দানে রাসূলের উম্মত দাবি করা সহজ হবে এবং তাঁর সুপারিশ লাভের অছিলা হবে। এছাড়া আরো অনেক উপকার রয়েছে।

দাড়ি না রাখার ক্ষতিসমূহ

১.দৃষ্টি শক্তি হ্রাস পায় ।

২.সূরা কিরাআত সহীহ থাকলেও আযান ইকামতের যোগ্যতা থাকে না।

৩.নবীজীর অন্তরে আঘাত দেয়া হয়।

৪. অন্যান্য গুনাহ একবার করলে একবারই গুনাহ লেখা হয়। কিন্তু দাড়ি না রাখলে সর্বদাই গুনাহ লেখা হতে থাকে। কেননা এটা গুনাহে জারিয়ার অন্তর্ভুক্ত।

৫. কবরে মুনকার নাকিরের সওয়াল জাওয়াব কঠিন হয়ে দাড়ায় ।

সম্পর্কিত প্রশ্নসমূহ

Loading...

জনপ্রিয় বিভাগসমূহ

Loading...